আগামী এক বছরে ৪১ লাখ পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে: প্রধানমন্ত্রী
আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর অশ্বিনী কুমার ইনস্টিটিউশন মাঠে ফ্যামিলি কার্ডধারী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে প্রায় চার কোটি পরিবার রয়েছে। পর্যায়ক্রমে এসব পরিবারের নারীপ্রধানের হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। নির্বাচনী ইশতেহারেও এ প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল।
তিনি বলেন, "আজ গৌরনদীতে ৬০০ পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পেয়েছে। আরও অনেক পরিবার বাকি রয়েছে। ধাপে ধাপে তাদের হাতেও এই কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে।"
তারেক রহমান বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আগের সরকারের প্রণীত বাজেট পেয়েছিল। ওই বাজেটে ফ্যামিলি কার্ডের জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি।
তিনি বলেন, "সম্প্রতি জাতীয় সংসদে আমরা যে বাজেট উপস্থাপন করেছি, সেখানে ফ্যামিলি কার্ডের জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ রাখা হয়েছে। গ্রামের অসহায় ও দুস্থ পরিবারগুলোর হাতে ধীরে ধীরে এই কার্ড পৌঁছে দিতে চাই।"
প্রধানমন্ত্রী জানান, ফ্যামিলি কার্ডের জন্য আগামী এক বছরের বাজেট বরাদ্দের ভিত্তিতে সারা দেশে ৪১ লাখ পরিবারকে কার্ড দেওয়া হবে। সে হিসাবে প্রতিটি উপজেলায় গড়ে প্রায় সাত হাজার পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে।
আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের সব পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে বলেও জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হলে পুরুষদের পাশাপাশি নারীদেরও শিক্ষিত ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে হবে।
তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সরকারের সময় নারীদের দশম শ্রেণি পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। এর ধারাবাহিকতায় নারীদের স্নাতক পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভালো ফল করা ছাত্রীদের জন্য বৃত্তির ব্যবস্থা করা হবে। নারীদের শিক্ষা ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।
সকাল ১০টা ৫৪ মিনিটে বক্তব্য শেষ করে প্রধানমন্ত্রী বাটাজোর থেকে বরিশালের উদ্দেশে রওনা হন।
