কাঙ্ক্ষিত রায় পেয়েছি, দ্রুত কার্যকর দেখতে চাই: শিশু রামিসার বাবা
ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। এ রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।
তিনি বলেন, আমরা কাঙ্ক্ষিত রায় পেয়েছি। যত দ্রুত সম্ভব, রায় কার্যকর চাই।
রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেহীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
রায় ঘোষণার পর প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে রামিয়ার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা সাংবাদিকদের বলেন, 'আলহামদুলিল্লাহ, রায়ে শতভাগ খুশি। এই রায়ে আমার মনের যে প্রত্যাশা, যে আকাঙ্ক্ষা, সেটা আমি পেয়েছি। ইনশাআল্লাহ, আমি শতভাগ আশাবাদী, রায় দ্রুত কার্যকর হবে। আল্লাহপাকের রহমত ও প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া সময়ের মধ্যে আমরা কাঙ্ক্ষিত রায় পেয়েছি।'
তিনি আরও বলেন, 'পুলিশ প্রশসন, সাংবাদিক ও বাংলাদেশের আপামর জনতা যারা আমার ও আমার পরিবারের বিপদের সময়ে মানসিকভাবে সহায়তা করেছেন। সবার নিকট আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। অবশ্যই আমি আমার মেয়ের হত্যার বিচারের রায় দ্রুত কার্যকর দেখতে চাই।'
দুই আসামির মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা ও স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। আজ বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে এ রায় ঘোষণা করা হয়। এর আগে সকালে কারাগার থেকে আসামিদের প্রিজন ভ্যানে করে এনে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।
এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ হয় গত বৃহস্পতিবার। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ৭ জুন রোববার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হয় গত ১৯ মে। সেই হিসাবে ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় আজ রায় ঘোষণা হলো।
