Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Saturday
April 18, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
SATURDAY, APRIL 18, 2026
বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্ত থেকে বাণিজ্যিক চাষ: বাংলাদেশে আবারও বাড়ছে দেশীয় মাছের সংখ্যা

বাংলাদেশ

শাহাদাত হোসেন
04 April, 2026, 09:55 am
Last modified: 04 April, 2026, 10:01 am

Related News

  • বিলুপ্তির দেড়শ বছর পর গালাপাগোসের দ্বীপে ফিরল ১৫৮ ‘দানব’ কচ্ছপ
  • মাছ নেই সমুদ্রে; ছানাদের খাওয়ানো হচ্ছে পাথর-বালু; অনাহারে বিলুপ্তির মুখে আফ্রিকান পেঙ্গুইন
  • রাজশাহীর পদ্মায় দেখা মিললো বিলুপ্ত ঘোষণা করা মিঠাপানির কুমিরের
  • আকারে গলফ বলের সমান, দুর্গম দ্বীপে বসবাস বিশ্বের ক্ষুদ্রতম ডানাহীন পাখির
  • বিশ্বজুড়ে সংখ্যায় কমলেও এই ছোট দ্বীপে দেখা মিলে রেকর্ডসংখ্যক পাফিনের

বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্ত থেকে বাণিজ্যিক চাষ: বাংলাদেশে আবারও বাড়ছে দেশীয় মাছের সংখ্যা

গত দুই দশকে প্রজনন ও চাষাবাদ প্রযুক্তির উন্নয়নের মাধ্যমে মৎস্য বিজ্ঞানীদের নিরলস প্রচেষ্টায় প্রায় ৪১টি বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় মাছ পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে অন্তত ১৯টি প্রজাতি এখন বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে।
শাহাদাত হোসেন
04 April, 2026, 09:55 am
Last modified: 04 April, 2026, 10:01 am
ইনফোগ্রাফ: টিবিএস

গবেষকদের মতে, চায়না জাল, কারেন্ট জালের মতো সূক্ষ্ম জালের নির্বিচার ব্যবহার, আগ্রাসী বিদেশি প্রজাতির বিস্তার, দূষণ এবং কৃষিজমিতে অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের কারণে দেশীয় মাছের সংখ্যা দ্রুত কমে গেছে।

তবে গত দুই দশকে প্রজনন ও চাষাবাদ প্রযুক্তির উন্নয়নের মাধ্যমে মৎস্য বিজ্ঞানীদের নিরলস প্রচেষ্টায় প্রায় ৪১টি বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় মাছ পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে অন্তত ১৯টি প্রজাতি এখন বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে—যা স্থানীয় বাজারকে বদলে দিচ্ছে এবং একসময় দুর্লভ মাছগুলোকে আবার সাধারণ ভোক্তার কাছে ফিরিয়ে এনেছে।

২০০০ সালের শুরুর দিকে পাবদা ও গুলশাসহ কিছু মাছের কৃত্রিম প্রজনন নিয়ে গবেষণা শুরু হয়। পরে কই, শিং, ট্যাংরা, দেশীয় পুঁটিসহ আরও বিভিন্ন প্রজাতির মাছ নিয়ে কাজ বিস্তৃত হয়। ২০০২ সালের মধ্যে হ্যাচারিগুলো বাণিজ্যিকভাবে পোনা উৎপাদন শুরু করে, যা বড় পরিসরে চাষাবাদের ভিত্তি তৈরি করে।

বর্তমানে এসব মাছ শুধু বড় শহরের বাজারেই নয়, রাস্তার পাশের ছোট দোকানেও বিক্রি হচ্ছে। বিদেশি মাছের মতোই এখন এগুলো পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া যাচ্ছে।

ঢাকার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মানভেদে পাবদা ৩৫০-৬০০ টাকা, গুলশা ৫০০-৭০০ টাকা, কই ২৭০-৩৫০ টাকা, শিং ৪০০-৫০০ টাকা এবং ট্যাংরা ৬০০-৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মাগুর, ফলি ও ভেদাসহ অন্যান্য দেশীয় মাছও পাওয়া যাচ্ছে।

ছোট দেশীয় মাছ নিয়ে দীর্ঘদিন গবেষণা করা বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. মশিউর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে জানান, ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অফ নেচার (আইইউসিএন) এসব মাছের অনেকগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

তিনি বলেন, "আমরা ইতোমধ্যে তালিকাভুক্ত বেশ কিছু মাছকে কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে বাণিজ্যিক চাষের আওতায় এনেছি। বাকি প্রজাতিগুলো নিয়েও কাজ চলছে এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে আমাদের নেটওয়ার্ক রয়েছে, যা প্রয়োজনীয় মাছ শনাক্ত করতে সহায়তা করে।"

তবে তিনি জানান, এই পথচলা মোটেও সহজ ছিল না।

তার ভাষ্যমতে, ২০০০ সালের দিকে গবেষণা শুরু হলেও শুরুতে বাণিজ্যিক বিস্তার ধীরগতির ছিল। মাছ চাষ অনেকাংশে খাদ্যাভ্যাসের ওপর নির্ভরশীল এবং প্রতিটি প্রজাতির জন্য আলাদা খাদ্যের প্রয়োজন হয়।

প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ৪১টি বিলুপ্তপ্রায় মাছের প্রজনন ও চাষাবাদ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে লইট্যা ট্যাংরা, খলিশা, শোল, গুলশা, বোয়ালী পাবদা, তিতপুঁটি, ট্যাংরা, পাবদা, সরপুঁটি, কই, শিং, মাগুর, দারকিনা, বাটা, গুতুম, ভেদা, চিতল, গজার, ফলি ও মহাশোলসহ আরও অনেক প্রজাতি।

এর মধ্যে পাবদা, গুলশা, ট্যাংরা, বাটা, কই, শিং, মাগুর, চিতল, কুচিয়া ও ভেদাসহ ১৯টি প্রজাতি এখন ব্যাপকভাবে চাষ হচ্ছে।

আইইউসিএনের ২০০০ সালের জরিপে ৫৪টি মাছকে বিপন্ন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, আর ২০১৫ সালের জরিপে আরও ৬৪টি প্রজাতি যুক্ত হয়। সর্বশেষ রেড লিস্ট অনুযায়ী, ৬৪টি প্রজাতি ঝুঁকিতে রয়েছে—এর মধ্যে ৯টি মহাবিপন্ন, ৩০টি বিপন্ন এবং ২৫টি ঝুঁকিপূর্ণ।

গবেষকদের মতে, বাংলাদেশে প্রায় ২৬০-২৬৫টি দেশীয় স্বাদুপানির মাছ রয়েছে, যা প্রায় ৫০টি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। এর মধ্যে প্রায় ১০০টি প্রজাতির প্রাপ্যতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্য জীববিজ্ঞান ও জেনেটিক্স বিভাগের শিক্ষক মো. গোলাম কাদের খান বলেন, চায়না জাল ও কারেন্ট জাল শুধু ছোট মাছই নয়, ব্যাঙ, সাপ, কাঁকড়া, শামুক, ঝিনুক, কেঁচোসহ প্রায় সব ধরনের জলজ প্রাণী ধরে ফেলে, যা জলজ জীববৈচিত্র্যের মারাত্মক ক্ষতি করছে। এটি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, সাকার ফিশ ও গোরামির মতো আগ্রাসী বিদেশি প্রজাতি দেশের জলাশয়ে ছড়িয়ে পড়েছে। এসব মাছ দেশীয় মাছের আবাসস্থল ও খাদ্য দখল করছে এবং ছোট দেশীয় মাছ ও তাদের পোনা খেয়ে ফেলছে। দ্রুত বংশবৃদ্ধি ও তুলনামূলক বড় আকারের কারণে এগুলো দেশীয় মাছের অস্তিত্বের জন্য হুমকি।

এই বাজার পরিবর্তনের পেছনে রয়েছেন হাজার হাজার চাষি ও হ্যাচারি মালিক।

ময়মনসিংহের সততা হ্যাচারির মালিক এবং বাংলাদেশ হ্যাচারি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম তালুকদার ১৯৯৪ সাল থেকে পোনা উৎপাদন করছেন। কৃত্রিম প্রজনন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের পর থেকেই তিনি দেশীয় মাছ নিয়ে কাজ শুরু করেন।

তিনি বলেন, "শুরুতে চাহিদা কম ছিল। তবে ২০১০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে মানুষের আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।"

বর্তমানে দেশে প্রায় ৪ থেকে ৫ হাজার হ্যাচারি রয়েছে, যেখানে দেশীয় মাছের পোনা উৎপাদন হয়; এর প্রায় অর্ধেকই ময়মনসিংহে অবস্থিত। শফিকুল প্রায় ৩০টি দেশীয় মাছের পোনা উৎপাদন করেন, যার অনেকগুলোই একসময় বিলুপ্তপ্রায় ছিল।

Related Topics

টপ নিউজ

বিলুপ্তি / দেশীয় মাছ / মাছ চাষ / আইইউসিএন / বাণিজ্যিক চাষ

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ইনফোগ্রাফিক: টিবিএস
    সংস্কারে ব্যর্থতার কারণ দেখিয়ে ঋণের পরবর্তী কিস্তি স্থগিত করেছে আইএমএফ
  • অলংকরণ: দা আটলান্টিক
    শৈশব ছিল বাবা-মায়ের সোশ্যাল মিডিয়া ‘কন্টেন্ট’, এখন আতঙ্কে দিন কাটছে বড় হওয়া সেই শিশুদের
  • ছবি: বাসস
    সরকারি জমিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনের উদ্যোগ, অংশ নিতে পারবে বেসরকারি উদ্যোক্তারাও
  • পানামার পতাকাবাহী একটি জাহাজ রাশিয়ার ক্রুড তেল নিয়ে যাচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত
    রাশিয়ার জ্বালানি আমদানিতে বাংলাদেশকে নতুন করে ৬০ দিনের ছাড় দিল যুক্তরাষ্ট্র
  • বাগেরহাটে খান জাহান আলীর মাজারের দিঘিতে কুকুরটি ছিটকে পড়লে কুমির টেনে নিয়ে যায়। ছবি: ভিডিও থেকে সংগৃহীত
    বাগেরহাটে কুমিরের শিকারে পরিণত হওয়া কুকুরটি ছিল ‘জলাতঙ্ক’ আক্রান্ত: তদন্ত প্রতিবেদন
  • নিজেদের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান 'সিটিলাইন'-এর ২৭টি উড়োজাহাজ এবং লুফথানসা ব্র্যান্ডের আরও ৪টি পুরোনো জেট বিমান বসিয়ে দেওয়ার এই সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নগুলোকে আতঙ্কিত করে তুলেছে। ছবি: এপি
    ইরান যুদ্ধে জ্বালানি সংকটে বড় এয়ারলাইন হিসেবে প্রথম বিমান পরিষেবা সাময়িক বন্ধ করছে লুফথানসা

Related News

  • বিলুপ্তির দেড়শ বছর পর গালাপাগোসের দ্বীপে ফিরল ১৫৮ ‘দানব’ কচ্ছপ
  • মাছ নেই সমুদ্রে; ছানাদের খাওয়ানো হচ্ছে পাথর-বালু; অনাহারে বিলুপ্তির মুখে আফ্রিকান পেঙ্গুইন
  • রাজশাহীর পদ্মায় দেখা মিললো বিলুপ্ত ঘোষণা করা মিঠাপানির কুমিরের
  • আকারে গলফ বলের সমান, দুর্গম দ্বীপে বসবাস বিশ্বের ক্ষুদ্রতম ডানাহীন পাখির
  • বিশ্বজুড়ে সংখ্যায় কমলেও এই ছোট দ্বীপে দেখা মিলে রেকর্ডসংখ্যক পাফিনের

Most Read

1
ইনফোগ্রাফিক: টিবিএস
অর্থনীতি

সংস্কারে ব্যর্থতার কারণ দেখিয়ে ঋণের পরবর্তী কিস্তি স্থগিত করেছে আইএমএফ

2
অলংকরণ: দা আটলান্টিক
আন্তর্জাতিক

শৈশব ছিল বাবা-মায়ের সোশ্যাল মিডিয়া ‘কন্টেন্ট’, এখন আতঙ্কে দিন কাটছে বড় হওয়া সেই শিশুদের

3
ছবি: বাসস
বাংলাদেশ

সরকারি জমিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনের উদ্যোগ, অংশ নিতে পারবে বেসরকারি উদ্যোক্তারাও

4
পানামার পতাকাবাহী একটি জাহাজ রাশিয়ার ক্রুড তেল নিয়ে যাচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

রাশিয়ার জ্বালানি আমদানিতে বাংলাদেশকে নতুন করে ৬০ দিনের ছাড় দিল যুক্তরাষ্ট্র

5
বাগেরহাটে খান জাহান আলীর মাজারের দিঘিতে কুকুরটি ছিটকে পড়লে কুমির টেনে নিয়ে যায়। ছবি: ভিডিও থেকে সংগৃহীত
বাংলাদেশ

বাগেরহাটে কুমিরের শিকারে পরিণত হওয়া কুকুরটি ছিল ‘জলাতঙ্ক’ আক্রান্ত: তদন্ত প্রতিবেদন

6
নিজেদের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান 'সিটিলাইন'-এর ২৭টি উড়োজাহাজ এবং লুফথানসা ব্র্যান্ডের আরও ৪টি পুরোনো জেট বিমান বসিয়ে দেওয়ার এই সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নগুলোকে আতঙ্কিত করে তুলেছে। ছবি: এপি
আন্তর্জাতিক

ইরান যুদ্ধে জ্বালানি সংকটে বড় এয়ারলাইন হিসেবে প্রথম বিমান পরিষেবা সাময়িক বন্ধ করছে লুফথানসা

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net