সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনা: ৪৮ ঘণ্টায়ও খোঁজ মেলেনি নিখোঁজ যাত্রীর
রাজধানীর সদরঘাটে দুই লঞ্চের ধাক্কায় বুড়িগঙ্গা নদীতে পড়ে যাওয়া এক যাত্রীর খোঁজ ৪৮ ঘণ্টায়ও মেলেনি। এই ঘটনায় পিষ্ট হয়ে মারা গেছেন নিখোঁজ ওই যাত্রীর ছেলে। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন পুত্রবধু।
নদীতে পড়ে নিখোঁজ হওয়া ওই যাত্রীর নাম মিরাজ (৪২)। তার ছেলে সোহেল (২২) ঘটনাস্থলেই পিষ্ট হয়ে মারা গেছেন। সোহেলের স্ত্রী রুবা আক্তারও (২০) দুই লঞ্চের মধ্যে পিস্ট হয়ে নদীতে পড়ে যান। পরে তাকে উদ্ধার করে গুরুতর আহত অবস্থায় স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন আছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ মো. ফয়সাল আহমেদ ও সদরঘাট নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহাগ রানা।
তারা জানান, দুই লঞ্চের ধাক্কায় নদীতে পড়ে নিখোঁজ হওয়া মিরাজ নামের ওই যাত্রীর খোঁজ এখনও মেলেনি। তার ছেলে সোহেলে মরদেহ ঘটনার দিনই পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়া হস্তান্তর করা হয়েছে। সোহেলের স্ত্রী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এর আগে বুধবার (১৮ মার্চ) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালের ১৪ নং পল্টুনের কাছে দাঁড়িয়ে থাকা 'আসা যাওয়া-৫' (ঢাকা ইলিশা) লঞ্চে ট্রলার দিয়ে যাত্রী তোলার সময় 'এম ভি জাকির সম্রাট-৩' (ঢাকা-দেউলা-ঘোষেরহাট) নামে আরেকটি লঞ্চ ধাক্কা দেয়। এ সময় মিরাজ নদীতে পড়ে যান এবং তার ছেলে সোহেল ও পুত্রবধু রুবা আক্তার পিষ্ট হন।
