নিরাপত্তা শঙ্কায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৬ ফ্লাইট বাতিল
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানে আমেরিকা ও ইসরায়েলের হামলার প্রেক্ষিতে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বড় ধরনের ফ্লাইট বিপর্যয় দেখা দিয়েছে৷
নিরাপত্তার স্বার্থে মধ্যপ্রাচ্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ এয়ারফিল্ড ও ফ্লাইট ইনফরমেশন রিজন বন্ধ ঘোষণা করায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে অত্র বিমানবন্দরে আগমনী বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের আন্তর্জাতিক ফ্লাইটসমূহ বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।
আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) যুদ্ধ পরিস্থিতি ও আকাশপথ বন্ধের ঘোষণা আসার পর বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
চট্টগ্রাম থেকে মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও নিম্নোক্ত তিনটি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে
১. বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-১৪৭ (ঢাকা-চট্টগ্রাম-দুবাই): চট্টগ্রাম থেকে এর সম্ভাব্য ত্যাগের (ডিপার্চার) সময় ছিল স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ০৬:৩৫ ঘটিকা।
২. বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-১৫১ (ঢাকা-চট্টগ্রাম-শারজাহ): চট্টগ্রাম থেকে এর সম্ভাব্য ত্যাগের (ডিপার্চার) সময় ছিল স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ০৭:৩০ ঘটিকা।
৩. ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিএস-৩৩৩ (ঢাকা-চট্টগ্রাম-দোহা): চট্টগ্রাম থেকে এর সম্ভাব্য ত্যাগের (ডিপার্চার) সময় ছিল স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ০৫:২৫ ঘটিকা।
মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে চট্টগ্রামে অবতরণ করার কথা থাকা তিনটি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে
১. এয়ার আরাবিয়া এর জি৯-৫২০ (শারজাহ-চট্টগ্রাম): শারজাহ থেকে ত্যাগের (ডিপার্চার) সম্ভাব্য সময় ছিল স্থানীয় সময় বিকাল ০৩:২০ ঘটিকা।
২. ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিএস-৩৪৪ (দুবাই-চট্টগ্রাম): দুবাই থেকে ত্যাগের (ডিপার্চার) সম্ভাব্য সময় ছিল স্থানীয় সময় বিকাল ০৩:১০ ঘটিকা।
৩. সালাম এয়ারের ওভি-৪০৩ (মাস্কাট-চট্টগ্রাম): মাস্কাট থেকে ত্যাগের (ডিপার্চার) সম্ভাব্য সময় ছিল স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ০৫:৪০ ঘটিকা।
তবে যুদ্ধাবস্থার মধ্যেও একটি ফ্লাইট সফলভাবে যাত্রা করতে পেরেছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-১২২ (মাস্কাট-চট্টগ্রাম-ঢাকা) ওমানের মাস্কাট হতে স্থানীয় সময় বিকাল ০৫:০০ ঘটিকায় চট্টগ্রামের উদ্দেশে সফলভাবে মাস্কাট ত্যাগ করেছে।
এদিকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলো বাতিল হলেও, এগুলোর সাথে সংশ্লিষ্ট অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটগুলো সচল রাখার চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে। উল্লিখিত আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলোর সাথে সংশ্লিষ্ট অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটগুলো বজায় রাখার জন্য স্ব-স্ব এয়ারলাইন্স সমূহ কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানিয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত যাত্রীদের সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের সাথে যোগাযোগ রাখার অনুরোধ করেছে।
