সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের মারধর: চার পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে শিক্ষার্থী ও দায়িত্বরত সাংবাদিকদের মারধরের ঘটনায় চার পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মাসুদ আলম।
মাসুদ আলম জানান, সোমবার রাতের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চার পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ভিডিও ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এই ঘটনায় জড়িত আরও দুই-তিনজনকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। শনাক্ত হওয়া মাত্রই তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জানা গেছে, গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ডিসি মাসুদ আলমের নেতৃত্বাধীন একটি দল মাদকবিরোধী অভিযান চালায়। অভিযান চলাকালে কয়েকজন পুলিশ সদস্য সেখানে উপস্থিত শিক্ষার্থী ও পেশাগত দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকদের হেনস্তা ও মারধর করেন।
ঘটনার একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নেটিজেনদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
এদিকে, পুলিশি হামলার প্রতিবাদে এবং অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মঙ্গলবার দুপুরে শাহবাগ থানার সামনে বিক্ষোভ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তারা এ সময় রমনা বিভাগের ডিসি মাসুদ আলমের অপসারণের দাবিও জানান।
উল্লেখ্য, জননিরাপত্তা রক্ষায় পরিচালিত অভিযানে খোদ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের এমন অপেশাদার আচরণ নিয়ে বিভিন্ন মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
