ক্ষমতায় আসার এক মাসের মধ্যে কুমিল্লাকে বিভাগ ঘোষণা করা হবে: আসিফ মাহমুদ
ক্ষমতায় আসার এক মাসের মধ্যে কুমিল্লাকে বিভাগ ঘোষণা করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)- নির্বাচন কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
তিনি বলেন, 'কুমিল্লাকে বিভাগ ঘোষণা করতে সব ধরনের কার্যক্রম সম্পন্ন করেছি। এগারো দলীয় ঐক্যজোট ক্ষমতায় আসার এক মাসের মধ্যে কুমিল্লাকে বিভাগ ঘোষণা করা হবে ইনশাআল্লাহ।'
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) কুমিল্লার দেবিদ্বার নিউমার্কেট চত্বরে এনসিপির নির্বাচনি পদযাত্রার পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি বলেন, 'এগারো দলীয় ঐক্যজোট ক্ষমতায় আসলে এক মাসের মধ্যে হাদি ভাইয়ের হত্যাকারীকে গ্রেপ্তার করব ইনশাআল্লাহ। যারাই ভোট চাইতে আসবে, বলবেন হাদি হত্যার বিচারের নিশ্চয়তা দিতে হবে।'
আসিফ মাহমুদ বলেন, 'আমরা ইতিহাসের একটি সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছি। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ কেমন হবে তার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ হবে।'
তিনি বলেন, 'দেবীদ্বার উপজেলা থেকে এগারো জন ভাই বাংলাদেশকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করতে জীবন দিয়েছিলেন। আমরা গত ১৭ বছর নিপীড়ন দেখেছি। গত ১৭ মাসে আরেকটি দল নিপীড়ন শুরু করে দিয়েছে।'
তিনি আরও বলেন, গত আওয়ামী আমলে গুম, খুন, হত্যাসহ সব ধরনের জুলুম করেছে। বর্তমানে একটি দল ক্ষমতায় না গিয়েও একই জুলুমের অভিজ্ঞতা আমাদের দিয়েছে। সুতরাং ভোট দেওয়ার জন্য এই আমলনামাই যথেষ্ট। আপনারা গুম, খুন, হত্যাসহ সব ধরনের জুলুম থেকে মুক্ত করতে এগারো দলীয় ঐক্যজোটকে বিজয়ী করুন।
এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ বলেন, 'বিএনপির দেবীদ্বার ও তিন আসনের প্রার্থী কুমিল্লায় যাতে উন্নয়ন কার্যক্রম না হয়, সেজন্য প্রধান উপদেষ্টাকে পর্যন্ত বলেছেন।'
তিনি বলেন, 'এগারো দলীয় ঐক্যজোট ক্ষমতায় আসলে তরুণদের আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। যেই তরুণরা জুলাই বিপ্লবে জীবন দিয়েছে, তারা কারো দয়ার ওপর নির্ভরশীল হতে পারে না। আমরা তরুণদের সম্মানজনক কাজ দিয়ে সম্মানিত করতে চাই। আমরা বার বার বলেছি, ব্যাংক লুটেরা ও বিদেশি নাগরিকদের মনোনয়ন দেওয়া যাবে না। কিন্তু তারা ব্যাংক লুটেরা ও বিদেশি নাগরিকদের মনোনয়ন দিয়ে ক্ষমতায় আসলে কি করবে তার নমুনা দেখিয়ে দিয়েছেন।'
সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, 'আরেকটি বড় দলের নেতারা উপরে উপরে ভালো কথা বলছেন। কিন্তু তাদের এক নেতা নারীদের কাপড় খুলে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। সেই দলের নেতারা এগারো দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থীদের ওপর বিভিন্ন সময়ে সন্ত্রাসী হামলা করছেন।'
তিনি বলেন, 'হ্যাঁ ভোটকে বিজয়ী করলে আগামীতে আর কেউ হাসিনার মতো ফ্যাসিস্ট হতে পারবে না। আর কাউকে অধিকারের জন্য জীবন দিতে হবে না।'
তিনি আরও বলেন, 'তাদের চেয়ারম্যান গণভোট ও সংস্কার নিয়ে কোনো কথা বলছেন না। বড় নেতারা হ্যাঁ ভোটের কথা বললেও, জেলা-উপজেলা পর্যায়ের নেতারা মাঠ পর্যায়ে না ভোটের পক্ষে ক্যাম্পেইন করছেন।'
