বাংলাদেশের জনগণ যাদের নির্বাচিত করবেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের সঙ্গেই কাজ করতে প্রস্তুত: মার্কিন রাষ্ট্রদূত
ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেছেন, বাংলাদেশের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র কোনো বিশেষ পক্ষ নেবে না। বাংলাদেশের জনগণ যাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে, যুক্তরাষ্ট্র সেই সরকারের সঙ্গেই কাজ করতে প্রস্তুত।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।
ক্রিস্টেনসেন সাংবাদিকদের বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে 'অত্যন্ত ফলপ্রসূ' বৈঠক হয়েছে।
'নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকার কী ধরনের নীতিমালা, প্রস্তুতি ও কর্মপদ্ধতি গ্রহণ করেছে, সে সম্পর্কে তিনি [সিইসি] আমাকে বিস্তারিত জানিয়েছেন। মার্কিন সিনেটে আমার নিয়োগ-নিশ্চিতকরণ শুনানির সময় যেমনটি বলেছিলাম, আসন্ন এই নির্বাচন নিয়ে আমি অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত,' বলেন তিনি।
এই নির্বাচনের 'ফলাফল দেখার জন্য আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা' করছেন বলেও মন্তব্য করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।
তিনি বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষাবলম্বন করে না। নির্বাচনের ফলাফল কী হবে, তা নির্ধারণ করার একক অধিকার কেবল এবং কেবল বাংলাদেশের জনগণেরই। বাংলাদেশের জনগণ যাকে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করবেন, আমরা তাদের সঙ্গেই কাজ করতে প্রস্তুত।'
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, 'গত সপ্তাহে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতের সময় আমাকে বলেছিলেন, তিনি আশা করেন নির্বাচনের দিনটি উৎসবমুখর হবে। আমিও সেই একই প্রত্যাশা করি। আশা করি, দিনটি উৎসবমুখর হবে, বাংলাদেশের জনগণ ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারবে এবং আপনাদের অত্যন্ত সফল নির্বাচন হবে।'
তিনি বলেন, 'প্রধান নির্বাচন কমিশনার আমাকে যে তথ্যগুলো দিয়েছেন, তাতে আমি বেশ আশাবাদী বোধ করছি। আপনাদের সবার মতো আমিও ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের ফলাফলের অপেক্ষায় থাকব।'
