ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জামায়াতের ৩ জনসহ ১৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছয়টি সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামীর তিন প্রার্থীসহ মোট ১৩ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে তারা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন।
মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের পর জেলার ছয়টি আসনে এখন চূড়ান্ত প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৮ জনে। আগামীকাল বুধবার প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা উল্লেখযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনের জাময়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ও দলটির জেলা আমির মাওলানা মোবারক হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক জোনায়েদ হাসান এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনের প্রার্থী আবদুল বাতেন। এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা ও আখাউড়া) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ানো বিএনপি নেতা (বিদ্রোহী) নাছির উদ্দিন হাজারীও তার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন।
প্রার্থিতা প্রত্যাহারের বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মোবারক হোসেন বলেন, 'দলীয় হাইকমান্ডের নির্দেশে জোটের প্রার্থীদের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিনটি আসন থেকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। বাকি তিনটি আসনে জামায়াতের প্রার্থীরা নির্বাচন করবেন।'
তিনি জানান, ছেড়ে দেওয়া আসনগুলোতে জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীরা জোটের প্রার্থীদের পক্ষে কাজ করবেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জাহান জানান, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে ১৩ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। তিনি বলেন, 'আগামীকাল চূড়ান্ত বৈধ প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে।'
উল্লেখ্য, প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হবে।
