ইসি ঘেরাও কর্মসূচিতে অনুপস্থিতি: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের ৩৩ নেতাকে শোকজ
নির্বাচন কমিশন (ইসি) কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে অংশ না নেওয়ায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখা ছাত্রদলের ৩৩ জন নেতাকর্মীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা এসব নেতার বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
গত সোমবার (১৯ জানুয়ারি) মধ্যরাতে জাবি শাখা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক আবদুল্লাহ অন্তরের সই করা পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, 'গত ১৮ ও ১৯ জানুয়ারি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের পূর্বঘোষিত গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক কর্মসূচি ছিল, যেখানে দলের সকল দায়িত্বশীল নেতার উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করা হয়। তবে সংশ্লিষ্ট হল পর্যায়ের শীর্ষ ও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা সত্ত্বেও উল্লিখিত নেতারা কোনো ধরনের পূর্ব অনুমতি বা অবহিতকরণ ছাড়াই কর্মসূচিতে অনুপস্থিত ছিলেন।'
শোকজপ্রাপ্ত ৩৩ জন নেতার মধ্যে রয়েছেন, আল বেরুনী হলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলামসহ সাতজন; শহীদ সালাম বরকত হলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান হিরণ ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান রাকিব; জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের সভাপতি মেহেদী হাসান ইমনসহ চারজন; নবাব সলিমুল্লাহ হলের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ রিমনসহ দুইজন; শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হলের দুইজন; শহীদ রফিক জব্বার হলের তিনজন; মীর মশাররফ হোসেন হলের সভাপতি শেখ সাদী হাসানসহ তিনজন; শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক হলের তিনজন; আ ফ ম কামাল উদ্দীন হলের সভাপতিসহ পাঁচজন এবং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের দুইজন নেতা।
বিজ্ঞপ্তিতে জাবি ছাত্রদল উল্লেখ করে, দলীয় কর্মসূচিতে এমন অনুপস্থিতি শৃঙ্খলা পরিপন্থী এবং চরম দায়িত্বহীনতার বহিঃপ্রকাশ। এ ধরনের আচরণ একজন দায়িত্বশীল নেতার ন্যূনতম সাংগঠনিক দায়বদ্ধতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দেয়।
শোকজপ্রাপ্ত নেতাদের আগামী দুই কার্যদিবসের মধ্যে তাদের অনুপস্থিতির সুনির্দিষ্ট ও যৌক্তিক কারণ লিখিতভাবে জাবি ছাত্রদলের দপ্তর ও সহ-দপ্তর সম্পাদকের কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
