পরবর্তী সরকারের এজেন্ডা: তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন
তরুণদের চাকরিকে ঘিরে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গড়ে ওঠা গণআন্দোলনের অভিজ্ঞতা মাথায় রেখে দেশের আগামী জাতীয় নির্বাচন ঘিরে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে রজনৈতিক দলগুলো।
ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল এবং দ্য বিজনেস স্টান্ডার্ডের উদ্যোগে আয়োজিত "তারুণ্য ও কর্মসংস্থান: রাজনৈতিক ভাবনা ও বাস্তবতা" শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপিসহ দলগুলোর তরুণ নেতাদের বক্তব্যে উঠে এসেছে যে, ক্ষমতায় গেলে প্রথম দফায় তাৎক্ষণিক কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়া হবে, মধ্য মেয়াদে কাঠামোগত সংস্কার এবং দীর্ঘ মেয়াদে একটি টেকসই কর্মসংস্থানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলা হবে।
সরকারি চাকরির সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় রেখে শিল্প, তথ্যপ্রযুক্তি, দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং বিদেশে কর্মসংস্থান—এই খাতগুলোকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। তরুণ ও নতুন ভোটারদের বড় অংশ কাজ না পাওয়ার যে বাস্তবতা তৈরি হয়েছে, তা মোকাবিলায় বেসরকারি খাতকে শক্তিশালী করা, দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং বৈশ্বিক শ্রমবাজারের সঙ্গে সংযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে বেকারত্ব নিরসনকে উভয় দলই তাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কর্মসূচির কেন্দ্রবিন্দুতে রাখছে।
আজ সোমবার দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের সম্মেলন কক্ষে এই গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল (ডিআই) বাংলাদেশের চিফ অব পার্টি ক্যাথেরিন সেসিল।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন টিবিএসের নির্বাহী সম্পাদক শাখাওয়াত লিটন। অনুষ্ঠান শেষে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের ডেপুটি চিফ অব পার্টি আমিনুল এহসান সবাইকে ধন্যবাদ জানান।
ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে করা এক জনমত জরিপ অনুযায়ী, ৪০.৪ শতাংশ মানুষ মনে করেন তারা এক বছর আগের তুলনায় এখন ভালো নেই। এর প্রধান কারণ হিসেবে আয়ের সুযোগ কমা (২৭.৪ শতাংশ) এবং নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধিকে (১৭ শতাংশ) উল্লেখ করা হয়েছে।
জরিপে আরও দেখা যায়, ৩৭.২ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, রাজনৈতিক দলগুলো তরুণদের সমস্যাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখে না। আর ১৩.৯ শতাংশ এ বিষয়ে নিশ্চিত নন।
ক্যাথেরিন সেসিল বলেন, কর্মসংস্থান দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশিদের, বিশেষ করে তরুণদের জন্য সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার হিসেবে রয়ে গেছে।
আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে রাষ্ট্র পরিচালনার প্রধান হাতিয়ার হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির পলিসি টিম মেম্বার সাইয়েদ আব্দুল্লাহ।
তিনি বলেন, দেশের মোট ভোটারের প্রায় ৪৬ শতাংশ তরুণ ও নতুন ভোটার হলেও তাদের বড় অংশ এখনো যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ পাচ্ছেন না।
'বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে কর্মসংস্থানকে কেন্দ্র করে আলাদা আলাদা খাতভিত্তিক নীতিপত্র তৈরি করা হয়েছে। সরকারি চাকরির সুযোগ সীমিত হওয়ায় এসব নীতির মূল লক্ষ্য সরকারি চাকরি নির্ভরতা কমিয়ে বেসরকারি খাতকে শক্তিশালী করা', বলেন তিনি।
বাস্তবায়ন সময়সীমা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'ক্ষমতায় গেলে প্রথম ৯০ থেকে ১৮০ দিনের মধ্যে তাৎক্ষণিক কর্মসংস্থানমূলক উদ্যোগ শুরু করা হবে। ১৮ মাসে মধ্যমেয়াদি প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং পাঁচ বছরের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি কাঠামোগত সংস্কার সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।'
সাইয়েদ আবদুল্লাহ বলেন, 'শিল্প খাতে কর্মসংস্থান বাড়াতে পোশাক শিল্পের পাশাপাশি লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, চামড়া ও জুতা শিল্প এবং ক্রীড়া শিল্পকে রপ্তানিমুখী খাতে রূপান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। খেলাধুলাকে কেবল বিনোদন নয়, একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক খাত হিসেবে গড়ে তুলে ক্রীড়া সামগ্রী উৎপাদন ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরি করা হবে।
তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে তিনি সবচেয়ে দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্র হিসেবে উল্লেখ করেন।
বিদেশে কর্মসংস্থানের বিষয়ে তিনি বলেন, অদক্ষ শ্রমিক নয়, দক্ষ জনশক্তি রপ্তানিই হবে বিএনপির লক্ষ্য। এজন্য মাধ্যমিক স্তর থেকেই ইংরেজির পাশাপাশি একটি বিদেশি ভাষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।
অঞ্চলভিত্তিক উন্নয়নের অংশ হিসেবে প্রতিটি জেলার ঐতিহ্য ও সম্ভাবনাময় পণ্যের ওপর ভিত্তি করে স্বল্পসুদে ঋণ প্রদানের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান সাইয়েদ আবদুল্লাহ।
আলোচনায় উঠে এসেছে, বর্তমানে দেশে প্রায় ২৬ লাখ মানুষ বেকার এবং যুব বেকারত্বের হার ৩০.৯ শতাংশের কাছাকাছি। নারীদের অংশগ্রহণ এবং অনানুষ্ঠানিক খাতে কাজের অনিশ্চয়তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।
এ বাস্তবতায় আগামী জাতীয় নির্বাচনে জামায়াত ক্ষমতায় গেলে কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে একটি পূর্ণাঙ্গ "এমপ্লয়মেন্ট ইকোসিস্টেম" হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ড. হাফিজুর রহমান।
এজন্য ইয়ুথ ফাস্ট পলিসি গড়ে তোলা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, 'জামায়াত আগামী পাঁচ বছরে পরিকল্পিতভাবে কমপক্ষে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এর মধ্যে সরাসরি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে অন্তত ১৫ লাখ এবং তরুণদের জন্য নতুনভাবে শ্রমবাজারে যুক্ত করা হবে আরও ২৫ লাখ মানুষ, যেখানে নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।'
তিনি জানান, জামায়াতের পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা ও শিল্পমুখী কর্মসংস্থান।
সরকারি খাতেও বড় আকারে নিয়োগের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমানে সরকারি চাকরিতে যে বিপুলসংখ্যক পদ শূন্য রয়েছে, তা দেড় বছরের মধ্যে পূরণ করার লক্ষ্য নেওয়া হবে। একই সঙ্গে প্রবাসী কর্মসংস্থান, শিল্প উদ্যোক্তা, এনজিও ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে একটি কেন্দ্রীয় জব ব্যাংক গড়ে তোলার কথাও জানান তিনি।
কর্মসংস্থান সংকট সমাধানে ন্যায্যতা, নিরাপত্তা ও নতুন চাকরি সৃষ্টিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলেছেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব।
শ্রম সংস্কার কমিশনের সদস্য হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশে কর্মসংস্থানের সবচেয়ে বড় সংকট তৈরি হয়েছে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব ও বৈষম্যের কারণে। তার মতে, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও সুপারিশ ও দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ হওয়ার ধারণা শিক্ষিত তরুণদের হতাশ করছে এবং চাকরির প্রতি আগ্রহ কমিয়ে দিচ্ছে।
তিনি বলেন, 'বর্তমানে দেশের প্রায় ৮৫ শতাংশ শ্রমিক অনানুষ্ঠানিক খাতে কাজ করেন, যেখানে তাদের কোনো স্বীকৃতি, চাকরির নিশ্চয়তা বা সামাজিক সুরক্ষা নেই। এ অবস্থায় কর্মক্ষেত্রে ন্যূনতম নিরাপত্তা ও স্বীকৃতি নিশ্চিত করা জরুরি।'
নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে কৃষি ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান এনসিপি নেতা। তিনি বলেন, শিক্ষিত তরুণদের কৃষি থেকে দূরে সরে যাওয়ার প্রবণতা রয়েছে, অথচ এই খাতেই বড় সম্ভাবনা আছে।
এনসিপির এই নেতা আরও বলেন, সমাজে 'হোয়াইট কলার' ও 'ব্লু কলার' চাকরির ভেদাভেদ দূর করে সব কাজকে সম্মানজনক হিসেবে দেখার মানসিকতা গড়ে তুলতে সামাজিক সচেতনতা তৈরি করা জরুরি।
বিকেএমইএর প্রেসিডেন্ট মো. হাতেম বলেন, 'দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রধান বাধা এখন শিল্প খাতের গভীর সংকট।'
তার মতে, বিশাল শ্রমশক্তি বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদ হওয়ার কথা থাকলেও ভুল নীতি ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার কারণে সেটিই এখন চাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তিনি জানান, প্রতি বছর প্রায় সাড়ে সাত লাখ গ্র্যাজুয়েট বের হলেও তাদের বড় অংশ কাজ পাচ্ছে না, কারণ শিল্প সম্প্রসারণ থমকে গেছে।
তিনি অভিযোগ করেন, এলডিসি উত্তরণকে সামনে রেখে রপ্তানি খাতে নগদ সহায়তা, শিপমেন্ট ক্রেডিট স্কিম, ইডিএফসহ বিভিন্ন সুবিধা একের পর এক প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে উচ্চ সুদের হার, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধি এবং ব্যাংকিং খাতের অসংগত নীতির কারণে অনেক শিল্প টিকে থাকার লড়াইয়ে নেমেছে। গত দুই বছরে প্রায় ২৭৫টি শিল্প বন্ধ হয়ে গেছে বলেও তিনি জানান।
তার ভাষ্য, 'বিনিয়োগ না বাড়লে নতুন কর্মসংস্থান সম্ভব নয়। অথচ বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশি উদ্যোক্তারা সম্প্রসারণে যাচ্ছে না, বিদেশি বিনিয়োগও নিরুৎসাহিত হচ্ছে।'
তিনি বলেন, বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে শিল্পবান্ধব নীতি, দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং কারিগরি শিক্ষার ওপর জোর না দিলে কর্মসংস্থান সংকট আরও গভীর হবে।
বিডিজবসের প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম মাসরুর বলেন, শিক্ষিত মানুষের মধ্যে বেকারত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০১০ সালে যেখানে হার ছিল ৪.৯ শতাংশ, সেখানে ২০২২ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ শতাংশে। অন্যদিকে, অশিক্ষিত মানুষের মধ্যে বেকারত্ব কমেছে।
'প্রতি বছর প্রায় সাড়ে সাত লাখ শিক্ষিত গ্র্যাজুয়েট বের হয়, যারা অধিকাংশই কর্মহীন থাকে। বিশেষ করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য কার্যকর কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, নইলে তারা বেকার থাকে', বলেন তিনি।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাড়ে চার লাখ শিক্ষার্থী যাতে তাদের নিয়মিত পড়ালেখার পাশাপাশি কোনো একটি দক্ষতা নিয়ে বের হতে পারে সে ব্যবস্থা করার আহ্বান জানান তিনি।
একই সাথে বিদেশে অদক্ষ অভিবাসন নিষিদ্ধ করে শুধু দক্ষ অভিবাসন জারি রাখার উপর গুরুত্বারোপ করেন ।
আকিজবশির গ্রুপের গ্রুপ এইচআর ডিরেক্টর দিলরুবা এস খান শ্রমবাজারের একটি বৈপরীত্যের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান শ্রমিকের অভাবের কথা বললেও চাকরিপ্রার্থীরা কাজ না পাওয়ার অভিযোগ করেন।
তিনি শিল্পখাতের চাহিদা অনুযায়ী ভবিষ্যতমুখী শিক্ষাক্রম চালুর পরামর্শ দেন।
রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিটের (আরএমএমআরইউ) ডিরেক্টর (কর্মসূচি) মেরিনা সুলতানা বলেন, অভিবাসীকর্মীদের অধিকারহীনতা এবং দক্ষ কর্মসংস্থানের জন্য এ খাতে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার দরকার। উপজেলা পর্যায়ে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোর সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য পিপিপি'র আওতায় নিয়ে আসার পরামর্শ দেন তিনি।
কারিগরের ম্যানেজিং পার্টনার তানিয়া ওয়াহাব বলেন, 'আমার অধীনে ১০০ জন কাজ করেন। কিন্তু আমরা চাইলে ৫০০ জন পর্যন্ত কর্মী নিয়ে ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে পারি। তবে নিরাপত্তাহীণতা, চাঁদাবাজি ইত্যাদি আমাদের ব্যবসার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাড়িয়েছে।'
গণসংহতি আন্দোলনের পলিটিক্যাল কাউন্সিলের সদস্য তাসলিমা আক্তার বলেন, 'গত দেড় বছরে বন্ধ হয়ে যাওয়া শ্রমিকদের অনেকে এখনো বেকার। নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠিত হলে বিনিয়োগ বাড়বে এবং কর্মসংস্থান তৈরি হবে এমনটাই সবাই প্রত্যাশা করছে।
বি-স্পেস প্রকল্পের আওতায় এ গোলটেবিল বৈঠক আয়োজন করা হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল। এতে অর্থায়ন করেছে যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও) এবং জাতিসংঘের নির্বাচন প্রকল্প ব্যালট ও ড্রিপ।
