Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Thursday
March 19, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
THURSDAY, MARCH 19, 2026
এক ভূমিকম্পে বদলে যায় গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্রের গতিপথ, ঢাকায় খোঁড়া গর্তের মাটিতে মিলল নতুন তথ্য

বাংলাদেশ

সিএনএন
21 November, 2025, 12:55 pm
Last modified: 21 November, 2025, 01:02 pm

Related News

  • গবেষণায় চৌর্যবৃত্তি রোধে নীতিমালা করছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন
  • রয়টার্সের জরিপ: ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে প্রতি চারজনে মাত্র একজন আমেরিকানের সমর্থন আছে
  • ভূমিকম্প-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবী প্রস্তুতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর: ত্রাণমন্ত্রী
  • সাতক্ষীরায় এমন ভূমিকম্প আগে কখনো হয়নি: আবহাওয়া অফিস 
  • রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ৫.৪ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত

এক ভূমিকম্পে বদলে যায় গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্রের গতিপথ, ঢাকায় খোঁড়া গর্তের মাটিতে মিলল নতুন তথ্য

গবেষণাটির সহলেখক ও নিউইয়র্কের কলাম্বিয়া ক্লাইমেট স্কুল ল্যামন্ট-আর্থ অবজারভেটরির ভূ-পদার্থবিদ ড. মাইকেল স্টেকলার তার ২০১৬ সালের এক গবেষণায় উল্লেখ করেছেন, টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষ কীভাবে গাঙ্গেয় গঙ্গার বদ্বীপ এলাকার চেহারা বদলে দিয়েছিল। পৃথিবীর উপরিভাগের কতগুলো বিশাল অনমনীয় প্লেটকেই টেকটোনিক প্লেট বলা হয়। এরা খুব ধীরে ধীরে নড়াচড়া করে। কোনো কারণে প্লেটগুলোর নিজেদের মধ্যে বড় ধরনের সংঘর্ষ হলেই সৃষ্টি হয় ভূমিকম্প। 
সিএনএন
21 November, 2025, 12:55 pm
Last modified: 21 November, 2025, 01:02 pm
ঢাকার গঙ্গা নদী। আড়াই হাজার বছর আগের এক ভূমিকম্পে বদলে যায় গঙ্গার গতিপথ। ছবি: জানা ক্যাভয়স্কা

পৃথিবীর টেকটোনিক প্লেটের নড়াচড়ার কারণে সৃষ্টি হয় ভূমিকম্প। পৃথিবীর চেহারাই বদলে দেওয়ার ক্ষমতা আছে ভূমিকম্পের। তবে ভূমিকম্প যে নদীর গতিপথ বদলে দিতে পারে, এই প্রথম এর প্রমাণ পেলেন গবেষকরা। রাস্তার পাশে খোঁড়া গর্ত থেকে তারা প্রমাণ পেয়েছেন, প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে ভূমিকম্পে বদলে গিয়েছিল গঙ্গার গতিপথ। 'নেচার কমিউনিকেশন' জার্নালে প্রকাশিত হয় এ গবেষণা।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় অববাহিকা হলো গঙ্গা নদীর অববাহিকা। হিমালয় পর্বত থেকে জন্ম নিয়ে ভারতের মাঝ দিয়ে গঙ্গা নামে প্রবাহিত হয়ে ব্রহ্মপুত্র নদ নামে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে গঙ্গা। সেই গঙ্গাই ব্রহ্মপুত্র নদ হয়ে বাংলাদেশের বৃহত্তম নদী মেঘনার সঙ্গে মিলিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। বিশ্বে আমাজন ও কঙ্গো নদীর পর গঙ্গাতেই সবচেয়ে বেশি পানি প্রবাহিত হয়। 

'নেচার কমিউনিকেশনস'-এ প্রকাশিত গবেষণাটির প্রধান গবেষক নেদারল্যান্ডসের ওয়াগেনিঙ্গেন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এলিজাবেথ চেম্বারলেন। তিনি সিএনএনকে বলেন, গাঙ্গেয় বদ্বীপ 'কাজ করার জন্য সত্যিকার অর্থেই রোমাঞ্চকর জায়গা'; কারণ এর গতিপথ বিশাল, বৈচিত্র্যময়। এছাড়া এ নদীর শাখাও অনেক। 

ঢাকার দক্ষিণাংশে গাঙ্গেয় বদ্বীপের প্রায় ১০০ কিলোমিটার জায়গাজুড়ে এ জরিপ চালান চেম্বারলেন ও তার সহকর্মীরা। এ জরিপে তারা ব্যবহার করেন স্যাটেলাইট মানচিত্র ও ডিজিটাল এলিভেশন মডেল, যার মাধ্যমে নদীর আগের গতিপথের চিত্র দেখা যায়। 

চেম্বারলেন বলেন, 'নদী তার গতিপথ পরিবর্তন করবে, বিষয়টি স্বাভাবিক। নদীর গতিপথ পরিবর্তন হওয়ার বিষয়টিকে আমরা অ্যাভালশন (ভ্রমণ) বলি।'

চেম্বারলেনের গবেষকদলটি মূলত গঙ্গার গতিপথ পরিবর্তনের এ স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার খোঁজেই অনুসন্ধান শুরু করেছিলেন। কিন্তু অনুসন্ধানে পলিমাটির কিছু নমুনা গঙ্গার প্রাচীন গতিপথের নাটকীয় পরিবর্তনের বিষয়টি সামনে নিয়ে আসে।

ভূমিকম্পে তৈরি হয়েছিল 'বালির আগ্নেয়গিরি'

একদিন কাজ শেষে হোটেলে ফেরার পথে ঢাকার রাস্তার পাশে খুঁড়ে রাখা নতুন গর্ত দেখতে পান গবেষক দল। গর্তটি নতুন খোঁড়া হওয়ায় ওটার স্ট্র্যাটিগ্রাফি—অর্থাৎ গর্তের দেয়ালে পলিমাটির স্তর দেখতে পাচ্ছিলেন তারা। ওই স্তর দেখে তারা সঙ্গে সঙ্গে গর্তে নেমে যান বলে জানান চেম্বারলেন।

গর্তটিতে গাঢ় কালো রঙের মাটিতে ১০ ফুট উচ্চতার হালকা রঙের পলিমাটির কলাম (স্তম্ভ) দেখতে পান গবেষকরা। ভূমিকম্পের কারণে নদীর গতিপথ বদলানোর কারণেই এখানে গাঢ় রঙের মাটির সঙ্গে হালকা রঙের পলিমাটি মিশে রয়েছে। 

যখন ভূমিকম্প হয়, নদীগর্ভে জমে থাকা হালকা পলিমাটি সরে গিয়ে নিচের এ গাঢ় কাদা উপরে উঠে আসে আগ্নেয়গিরির উদগীরণের মতো। 

চেম্বারলেন এ বিষয়ে বলেন, ভূমিকম্পের সময় যে কম্পন হয়, তাতে বালি ও কাদা জায়গা থেকে সরে যায়। আর বালি ও কাদার নড়াচড়া আলাদা। কাদা খুব আঠালো, পরস্পরের সঙ্গে খুব শক্তভাবের যুক্ত থাকে। অন্যদিকে বালির স্তর হালকা হয়। বালির কণা কিছুটা মুক্তভাবে নড়াচড়া করে, বিশেষ করে পানিতে থাকার সময়। 

তাই ভূমিকম্পের সময় বালি বেশি নড়াচড়া করে, জায়গাও বেশি নেয়। আর কাদামাটি এ বালিকে চাপ দিলে ব্যাপক চাপের সৃষ্টি হয়। ওই চাপ অনেক বেশি হলে কাদামাটির নিচে থাকা বালি ঠেলে ওপরে চলে আসতে পারে। আর তাতেই সৃষ্টি হয় 'বালির আগ্নেয়গিরি'।

প্রায় ৩০০ ফুট নিচের ভূগর্ভ থেকে বালি ও কাদার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ছবি: স্টিভ গুডব্রেড

গবেষণাটির সহলেখক ও নিউইয়র্কের কলাম্বিয়া ক্লাইমেট স্কুল ল্যামন্ট-আর্থ অবজারভেটরির ভূ-পদার্থবিদ ড. মাইকেল স্টেকলার তার ২০১৬ সালের এক গবেষণায় উল্লেখ করেছেন, টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষ কীভাবে গাঙ্গেয় গঙ্গার বদ্বীপ এলাকার চেহারা বদলে দিয়েছিল। পৃথিবীর উপরিভাগের কতগুলো বিশাল অনমনীয় প্লেটকেই টেকটোনিক প্লেট বলা হয়। এরা খুব ধীরে ধীরে নড়াচড়া করে। কোনো কারণে প্লেটগুলোর নিজেদের মধ্যে বড় ধরনের সংঘর্ষ হলেই সৃষ্টি হয় ভূমিকম্প। 

স্টেকলারের গবেষণার মডেলে দেখা যায়, চেম্বারলেন ও সহকর্মীরা যে বালির আগ্নেয়গিরির দেখা পেয়েছেন, সেখান থেকে ওই ভূমিকম্পের সম্ভাব্য উৎপত্তিস্থলটি ১৬০ কিলোমিটার দূরে। বালি আগ্নেয়গিরিটির বিশাল আকৃতি দেখে তারা ধারণা করছেন, ওই ভূমিকম্প ছিল অন্তত ৭ থেকে ৮ মাত্রার, যা ১৯০৬ সালের স্যান-ফ্রান্সিসকোর ভয়াবহ ভূমিকম্পের মাত্রার সঙ্গে মিলে যায়। 

পলিমাটি ফাঁস করল প্রাচীন রহস্য

বিশাল মাত্রা ভূমিকম্পটি কবে হয়েছিল, তা জানতে ঢাকায় খোঁড়া গর্তের মাটির নমুনাগুলোর অপটিক্যাল স্টিমুলেটেড লুমিনিসেন্সস পরীক্ষা করেন চেম্বারলেন ও তার সহকর্মীরা। এ পরীক্ষার মাধ্যমে মাটির নমুনাগুলো সর্বশেষ কত সময় আগে সূর্যালোকের সংস্পর্শে এসেছিল, তা নির্ণয় করা হয়। 

চেম্বারলেন জানান, এ মাটির কণাগুলো যখন চাপা পড়া অবস্থায় থাকে, তখন এগুলোতে বিকিরণের মাত্রা কম থাকে। সে কারণে এগুলোর মধ্যে শক্তি সঞ্চিত থাকে। চেম্বারলেন ও তার সহকর্মীরা এক ধরনের যন্ত্র ব্যবহার করে এ মাটির কণা কতটুকু বিকিরণের সংস্পর্শে এসেছে, তা নিরূপণ করেন। এর মাধ্যমে মাটিগুলো ভূমিকম্পের কারণে চাপা পড়ে সূর্যালোকের সংস্পর্শের বাইরে ছিল, তা বের করা যায়।

গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, এ বালির আগ্নেয়গিরি গঠিত হয়েছে আড়াই হাজার বছর আগে, অর্থাৎ মাটির কণাগুলো ২ হাজার ৫০০ বছরের পুরনো। চেম্বারলেন ও তার দল মাটির বয়স বের করার এ কাজ করেছেন ডার্করুমে, যাতে আলোর সংস্পর্শে এসে পলির নমুনা 'দূষিত' না হয়ে পড়ে।

বালির স্তরের গভীরতা মাপছেন গবেষক র‍্যাচেল বেইন। ছবি: লিজ চেম্বারলেইন

ঢাকায় রাস্তার পাশের যে গর্তে বালির আগ্নেয়গিরি পাওয়া গেছে, সেখান থেকে ৮৫ কিলোমিটার দূরেও একটি বড় নদীর চ্যানেল পান বিজ্ঞানীরা। ওই নদী থেকে মাটির আরও কিছু নমুনা সংগ্রহ করেন তারা। পরীক্ষা করে দেখেন, সেগুলোও একই সময়ের মাটির কণা।

এই আবিষ্কার ইঙ্গিত দিচ্ছে, আড়াই হাজার বছর আগে নদীটির গতিপথ নাটকীয়ভাবে বদলে গিয়েছিল। এসব ঘটনার সময়কাল ও স্থান খুব কাছাকাছি। এসবই ইঙ্গিত দিচ্ছে, আড়াই হাজার বছর আগে এক বড় মাত্রা ভূমিকম্পে বদলে গিয়েছিল গঙ্গার গতিপথ।

ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, লস অ্যাঞ্জেলস-এর সিভিল ও পরিবেশ প্রকৌশলবিদ্যার অধ্যাপক ড. জনাথন স্টুয়ার্ট বলেন, 'প্রকৌশলগত দিক থেকে, নদীর গতিপথের এ অস্থিতিশীলতা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।' 

গবেষণাটি বিভিন্ন দিক থেকে বাংলাদেশের জন্য উপকারী বলে মন্তব্য করেন তিনি। কারণ বাংলাদেশে কত সময় পরপর বড় ভূমিকম্প আঘাত হানতে পারে এবং আঘাত হানলে কোন অঞ্চলগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে, সে বিষয়ে আরও অনেক তথ্য দিতে পারবে এ গবেষণা।

গাঙ্গেয় বদ্বীপে এখন এ ধরনের আরেকটি ভূমিকম্প হলে এ অঞ্চলের ১৪০ মিলিয়নের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের জিওলজি বিভাগের অধ্যাপক ও ভাইস-প্রোভোস্ট ড. সৈয়দ হুমায়ুন আখতার বলেন, 'এ গবেষণা থেকে আমাদের অনেক কিছু জানার আছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ারও সুযোগ রয়েছে।'

তবে তিনি উল্লেখ করেন, আরেকটি ভূমিকম্পের আঘাত থেকে মানুষকে রক্ষা করতে সিসমিক পর্যবেক্ষণ ও পূর্ব-সতর্কতা ব্যবস্থা, অবকাঠামো উন্নয়ন ও গণসচেতনতা বাড়াতে ব্যক্তি ও সরকারি পর্যায়ে পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

Related Topics

আন্তর্জাতিক

ভূমিকম্প / গঙ্গা / গবেষণা / ব্রহ্মপুত্র নদ / নদী / জরিপ / স্যাটেলাইট / মানচিত্র

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ফাইল ছবি
    ঈদযাত্রায় দ্বিগুণ-তিনগুণ ভাড়া, ২০ বছরের রেকর্ড ভাঙছে এবারের নৈরাজ্য: যাত্রী কল্যাণ সমিতি
  • ছবি: রয়টার্স
    বিরোধীদের আপত্তির মুখেই মহারাষ্ট্রে ধর্মান্তর বিরোধী আইন পাস, গোপনীয়তা লঙ্ঘন ও হয়রানির আশঙ্কা
  • বাংলাদেশে অনলাইন গ্রোসারি স্টার্টআপগুলো ধুঁকছে কেন?
    বাংলাদেশে অনলাইন গ্রোসারি স্টার্টআপগুলো ধুঁকছে কেন?
  • টিবিএস কোলাজ
    এপ্রিলের চাহিদা মেটাতে সরাসরি ৩ লাখ টন ডিজেল কিনছে সরকার
  • ছবি: স্ক্রিনগ্র‍্যাব
    সদরঘাটে দুই লঞ্চের সংঘর্ষে নিহত ১, একাধিক নিখোঁজের আশঙ্কা
  • ফাইল ছবি: রয়টার্স
    অগ্নিকাণ্ডের কবলে পড়া মার্কিন রণতরি ইরান বিরোধী অভিযানের মাঝপথেই ফিরছে বন্দরে

Related News

  • গবেষণায় চৌর্যবৃত্তি রোধে নীতিমালা করছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন
  • রয়টার্সের জরিপ: ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে প্রতি চারজনে মাত্র একজন আমেরিকানের সমর্থন আছে
  • ভূমিকম্প-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবী প্রস্তুতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর: ত্রাণমন্ত্রী
  • সাতক্ষীরায় এমন ভূমিকম্প আগে কখনো হয়নি: আবহাওয়া অফিস 
  • রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ৫.৪ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত

Most Read

1
ফাইল ছবি
বাংলাদেশ

ঈদযাত্রায় দ্বিগুণ-তিনগুণ ভাড়া, ২০ বছরের রেকর্ড ভাঙছে এবারের নৈরাজ্য: যাত্রী কল্যাণ সমিতি

2
ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

বিরোধীদের আপত্তির মুখেই মহারাষ্ট্রে ধর্মান্তর বিরোধী আইন পাস, গোপনীয়তা লঙ্ঘন ও হয়রানির আশঙ্কা

3
বাংলাদেশে অনলাইন গ্রোসারি স্টার্টআপগুলো ধুঁকছে কেন?
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে অনলাইন গ্রোসারি স্টার্টআপগুলো ধুঁকছে কেন?

4
টিবিএস কোলাজ
বাংলাদেশ

এপ্রিলের চাহিদা মেটাতে সরাসরি ৩ লাখ টন ডিজেল কিনছে সরকার

5
ছবি: স্ক্রিনগ্র‍্যাব
বাংলাদেশ

সদরঘাটে দুই লঞ্চের সংঘর্ষে নিহত ১, একাধিক নিখোঁজের আশঙ্কা

6
ফাইল ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

অগ্নিকাণ্ডের কবলে পড়া মার্কিন রণতরি ইরান বিরোধী অভিযানের মাঝপথেই ফিরছে বন্দরে

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net