Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Friday
August 28, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
FRIDAY, AUGUST 28, 2026
বেক্সিমকো এখন বেতন পরিশোধ, ঋণের দায় মেটানো ও ঘুরে দাঁড়াতে হিমশিম খাচ্ছে

অর্থনীতি

রফিকুল ইসলাম
25 August, 2026, 10:55 am
Last modified: 25 August, 2026, 10:57 am

Related News

  • নেপালে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ত্রাণ সহায়তা পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ
  • মক্কা প্যাক্টে যোগদান বাংলাদেশের একান্ত নিজস্ব বিষয়: শফিকুর রহমান
  • নেপালে বন্যা-ভূমিধসে প্রাণহানির ঘটনায় বাংলাদেশের শোক, সহায়তার আশ্বাস
  • মক্কা চুক্তি কী ও বাংলাদেশ কেন এতে যোগ দেওয়ার আগ্রহ দেখাচ্ছে?
  • ‘কোন নিউজপেপার? কার এত জ্বালা?’: দ্বৈত নাগরিকত্ব প্রশ্নে হুমায়ুন কবির

বেক্সিমকো এখন বেতন পরিশোধ, ঋণের দায় মেটানো ও ঘুরে দাঁড়াতে হিমশিম খাচ্ছে

রফিকুল ইসলাম
25 August, 2026, 10:55 am
Last modified: 25 August, 2026, 10:57 am

ইলাস্ট্রেশন: টিবিএস

একসময় বাংলাদেশের করপোরেট অঙ্গনের অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান এবং দেশের অন্যতম প্রধান উৎপাদন হাব হিসেবে পরিচিত বেক্সিমকো গ্রুপ— বর্তমানে তাদের দৈনন্দিন মৌলিক কার্যক্রম পরিচালনায় তীব্র সংকটের মুখোমুখি হচ্ছে। গ্রুপটির শত শত প্রশাসনিক কর্মকর্তার বেতন বকেয়া পড়েছে এবং সিংহভাগ শিল্পকারখানা এখন অলস পড়ে আছে।

সাফল্যের শীর্ষ থাকার সময়ে এই শিল্পগোষ্ঠীতে ৭০ হাজারের বেশি কর্মী কর্মরত ছিলেন। আজ নীরব তাদের করপোরেট কার্যালয়, তালাবদ্ধ ঝুলছে কারখানাগুলোয়। আর সচল অল্প কয়েকটি ইউনিটের তদারকিতে কেবল নামমাত্র কয়েকজন কর্মী দায়িত্ব পালন করছেন।

এদিকে চলতি মূলধনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে, ব্যবসার রাজস্ব ধসে পড়েছে এবং গ্রুপের ব্যাংক হিসাবগুলো অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) হয়ে রয়েছে—যার ফলে কিছু করপোরেট কর্মকর্তার বেতন প্রায় এক বছর ধরে বকেয়া পড়ে আছে।

পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে তিল তিল করে গড়ে ওঠে বেক্সিমকোর এই বিশাল সাম্রাজ্য— যা টেক্সটাইল, ওষুধ, সিরামিক, আবাসন, নির্মাণ, জ্বালানি, গণমাধ্যম এবং আর্থিক সেবাসহ নানা খাতে আগ্রাসী বিস্তার ঘটিয়েছিল।

তবে ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গ্রুপটির ভাগ্য দ্রুত পরিবর্তিত হয়। গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক বেসরকারি শিল্প উপদেষ্টা এবং বেক্সিমকোর সহ-প্রতিষ্ঠাতা সালমান এফ রহমান গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। গণঅভ্যুত্থানের পরপরই গ্রুপটির সদর দপ্তর ও খুচরা বিক্রয় কেন্দ্রগুলোতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়, রপ্তানি আয়ে দ্রুত পতন ঘটে এবং ব্যাংকের ঋণের দায় লাফিয়ে বাড়ে।

ইনফোগ্রাফিক: টিবিএস

১৯৭০-এর দশকে দুই ভাই আহমেদ সোহেল ফসিহুর রহমান ও সালমান এফ রহমান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেক্সিমকো ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন রাজনৈতিক সরকারের শাসনামলে দেশের অন্যতম শক্তিশালী ও প্রভাবশালী ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।

কিন্তু, বর্তমানে গ্রুপটি বড় ধরনের আইনি ও আর্থিক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্তকারীরা ঋণ জালিয়াতি, অর্থপাচার এবং অনিয়মিত ঋণ গ্রহণের অভিযোগে একাধিক মামলা দায়ের করেছেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ২০২৪ সালের হিসাব অনুযায়ী, গ্রুপের মোট ঋণের পরিমাণ ৫০,০০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে, যার মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের কাছেই রয়েছে ২৫,৫২৪ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ।

সালমান এফ রহমান সরকারে তার প্রভাব খাটিয়ে এসব ঋণ নিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। পাওনা আদায়ে ঋণদাতারা ইতোমধ্যেই উদ্যোগও নিয়েছে। ২০২৪ সালের শেষের দিকে জনতা ব্যাংক ১,৩২২ কোটি টাকারও বেশি বকেয়া পাওনা আদায়ের লক্ষ্যে বেক্সিমকোর কারখানা, জমি এবং করপোরেট সদর দপ্তর নিলামে তোলার চেষ্টা করে। তবে সেই নিলামে কোনো ক্রেতা বা দরদাতা পাওয়া যায়নি।

মানবিক বিপর্যয় ও কারখানা বন্ধের চিত্র

শিল্পখাতে এই ধসের প্রভাব অত্যন্ত গুরুতর রূপ নেয়। গাজীপুরের বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের প্রায় ১৫টি টেক্সটাইল কারখানা বন্ধ হয়ে যায়, কারণ ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ (অবরুদ্ধ) হয়ে থাকায় কাঁচামাল আমদানির জন্য ঋণপত্র (এলসি) খুলতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।

প্রোডাকশন লাইনের প্রায় ৪৪,০০০ শ্রমিককে ছাঁটাই করার আগে তাঁদের সংবিধিবদ্ধ পাওনা মিটিয়ে দেওয়া হলেও—তীব্র সংকটে পড়েন প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ব্যবসা পরিচালনায় যুক্ত থাকা প্রায় ২,০০০ প্রশাসনিক কর্মকর্তার মধ্যে বেতন না পাওয়ায় অধিকাংশেরই চাকরি ছেড়ে চলে যেতে হয়েছে। বর্তমানে স্থাপনাগুলো পাহারা দেওয়ার জন্য ৫০০ জনেরও কম প্রশাসনিক কর্মী এবং অল্পসংখ্যক নিরাপত্তাকর্মী অবশিষ্ট রয়েছেন।

রাজধানীর ধানমন্ডিতে অবস্থিত বেক্সিমকো গ্রুপের ১৪ তলা সদর দপ্তর বেল টাওয়ার— একসময় ছিল কোলাহলপূর্ণ এক বাণিজ্যিক কেন্দ্র। কিন্তু, সেখানকার করিডোরগুলো এখন প্রায় জনশূন্য। এখন যারা আসেন, তাঁরা আসছেন বিভিন্ন চাওয়া নিয়ে— কারো বেতন বকেয়া, কেউ বন্ডে বিনিয়োগ করে রিটার্ন পাচ্ছে না।

গ্রুপের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বেক্সিমকো ফার্মা পূর্ণ ক্ষমতায় চালু রয়েছে, আর শাইনপুকুর সিরামিকস আংশিকভাবে চালু রয়েছে। অন্যদিকে এলসি খুলতে না পারায় স্থানীয়ভাবে কাঁচামাল সংগ্রহ করে সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে বেক্সিমকো এলপিজি ইউনিট-১।

বেক্সিমকোর সেবা খাত, আবাসন এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনায় হিমশিম খাচ্ছে।

ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের ভাষ্য

ধানমন্ডির বেল টাওয়ারে নিজ কার্যালয়ে গ্রুপের বিদ্যমান সংকট ও ব্যবসায়িক অচলাবস্থার বিষয়ে কথা বলেন বেক্সিমকো লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওসমান কায়সার চৌধুরী।

তিনি বলেন, "রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে নতুন সরকার আসে, পুরোনোরা বিদায় নেয়। কিন্তু পটপরিবর্তনের কারণে শিল্প-প্রতিষ্ঠান ধ্বংস কিংবা টার্গেট করে ধ্বংস আর কোনো দেশে হয় কিনা জানি না।"

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অভিযোগের বিষয়ে তিনি যুক্তি দেন যে, মালিকপর্যায়ের অনিয়মকে কারখানা পরিচালনার থেকে আলাদা করে দেখা উচিত। তিনি বলেন, "ব্যাংক ঋণ নিয়ে অনেক আলোচনা আছে। ঋণ মালিকরা নিয়েছে, প্রতিষ্ঠান তো কিছু করেনি। কেন আগুন দিয়ে পুড়াতে হবে? কেন কারখানা বন্ধ করা হবে? একসঙ্গে ৪৪ হাজার মানুষকে চাকুরিচ্যুত করতে হয়েছে—এই সিদ্ধান্তে স্বাক্ষর করতে গিয়ে বারবার হাত কাঁপছিল, কিন্তু কিছু করার নেই।"

তিনি আরও বলেন, "অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময় বেক্সিমকো কোনো সহায়তা পায়নি। বরং জটিলতা বেড়েছে। শত শত ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে, যা এখনো চলছে। গ্রুপের কর্মীরা মাসের পর মাস বেতন পাচ্ছে না।"

ওসমান উল্লেখ করেন ব্যাংক হিসাবগুলো অবরুদ্ধ থাকায় বিদ্যমান মূলধন ব্যবহার করা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, "আমি নিজেও বেতন পাচ্ছি না। কোনো মাসে অর্ধেক কিংবা দুই মাস পর একবার বেতন পাচ্ছি। বিগত ২৪ মাসের মধ্যে ১২ মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে। আমরা যারা তিল তিল করে এখানে আমাদের ক্যারিয়ার গড়ে তুলেছি, এই কষ্টে থাকা সত্ত্বেও তারা রয়ে গেছি।"

বেক্সিমকোর কত টাকা ঋণ রয়েছে—এ বিষয়ে ওসমান কায়সার বলেন, টেক্সটাইলে মোট ঋণ হতে পারে প্রায় ২৩ হাজার কোটি টাকা, যার ৪০ শতাংশই সুদ। আর গ্রুপের অন্যান্য প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে আরও ১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ হতে পারে।

আইনি জটিলতায় ঘনীভূত সংকট

বেক্সিমকোর পরিচালনগত সমস্যাগুলো আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। গ্রুপের চেয়ারম্যান এএসএফ রহমান দেশের বাইরে এবং ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান কারাগারে থাকায়— নতুন অর্থায়নের জন্য প্রয়োজনীয় করপোরেট গভর্ন্যান্স ও আইনি সম্মতি বা কমপ্লায়েন্স বজায় রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

একদিকে ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ রয়েছে, অন্যদিকে ঋণদাতারা নতুন ঋণ দেওয়ার আগে বোর্ডের সিদ্ধান্ত ও অন্যান্য কমপ্লায়েন্স নথি দাবি করছে। ফলে ব্যবসা নতুন করে শুরু ও অর্থায়নের জন্য সরকারের সহায়তার চাইছে গ্রুপটি।

ওসমান কায়সার বলেন, "আমরা সরকারের  ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করছি। তাঁরা আমাদের সহায়তার আশ্বাস দিচ্ছেন। আমরা সবার সহযোগিতায় কারখানাগুলো পুনরায় চালুর চেষ্টা করছি।"

শেষ মুহূর্তে ব্যর্থ পুনরুজ্জীবনের উদ্যোগ

বিদেশি অর্থায়নের মাধ্যমে বেক্সিমকোর বন্ধ থাকা টেক্সটাইল কারখানাগুলো চালুর একটি বড় উদ্যোগ চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেও ভেস্তে যায়।

২০২৫ সালের আগস্টে জনতা ব্যাংক, জাপানি কোম্পানি- রিভাইভাল, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইকোমিলি এবং বেক্সিমকো গ্রুপের যৌথ সমঝোতার মাধ্যমে বেক্সিমকো টেক্সটাইলের ১৫টি কারখানা খোলার কথা ছিল। কারখানাগুলো পুনরুজ্জীবিত করতে এবং ২৫,০০০-এর বেশি কর্মীর কর্মসংস্থান ফিরিয়ে আনতে রিভাইভাল প্রাথমিকভাবে ২ কোটি ডলারের বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছিল, যা অর্থায়ন করত ইকোমিলি।

ওসমান কায়সার বলেন, "সবকিছুই ঠিক ছিল। কারখানা সচল হওয়ার একদিন আগে চিফ অ্যাডভাইজারের অফিস থেকে জানানো হয়, ডিলটা হবে না। কারণ হিসাবে জানানো হয়, ওই প্রতিষ্ঠানটির কোনো ঠিকানা নাই। আমরাও অবাক, সবকিছুই ঠিকঠাক করা হলো কিন্তু হলো না।"

ওসমান এখন মনে করেন যে বেক্সিমকোর কারখানাগুলোর পুনরুজ্জীবন অনেকাংশে নির্ভর করছে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর দায়িত্ব নেওয়া নতুন সরকারের ওপর।

তিনি বলেন, "নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে দফায় দফায় সভা করেছি, এখনো করছি। প্রতিদিনই কোনো না কোনো মিটিং করতে হয়। আমরা আশাবাদী, কারণ নতুন সরকার কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে প্রাধ্যান্য দিয়ে বন্ধ ও নাজুক শিল্প প্রতিষ্ঠানকে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে। আমরাও চাই আমাদের কারখানাগুলো সচল হোক।"

তিনি বলেন, "মালিকরা ঋণ নিয়েছে। ঋণে অনিয়ম থাকতে পারে। তাই বলে প্রতিষ্ঠানকে বন্ধ করা, কোনোভাবেই কাম্য নয়। সরকার কারখানা চালুতে সহায়তা করুক, প্রয়োজনে আয়-ব্যয়ের হিসাব মনিটরিং করুক। তারপরও চালু হোক।"

পূর্ণদ্যমে চলছে ফার্মাসিউটিক্যালস

গ্রুপটির ব্যবসাগুলোর মধ্যে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস এখনও সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে, আবার শাইনপুকুর সিরামিকস ও তিস্তা সোলার পার্কও বিভিন্ন সক্ষমতায় সচল রয়েছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে জমা দেওয়া প্রান্তিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বেক্সিমকো ফার্মা ৬৯৯ কোটি টাকা এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে প্রায় ৭০৫ কোটি টাকা মুনাফা অর্জন করেছে।

গত বছরের শুরুতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসে ৯ জন স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ দিয়েছিল। তবে কোম্পানিটি বিএসইসির এ সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে রিট দায়ের করে। বিষয়টি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন থাকায় বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস দীর্ঘদিন পর্ষদ সভা করতে পারেনি, তবে লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জে বেক্সিমকো ফার্মার ডি-লিস্টিংয়ের শঙ্কা তৈরী হওয়ায় পর্ষদ সভা করতে বিশেষ অনুমোদন দেয় কমিশন।

শাইনপুকুর সিরামিকসও আংশিকভাবে চালু রয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কোম্পানিটি ২.২৯ কোটি টাকা মুনাফা করলেও ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর প্রান্তিকে ১৯ কোটি টাকা লোকসান দিয়েছে।

সোলার পার্ক থেকে আয় হলেও সামান্যই পায় বেক্সিমকো

তিস্তা সোলার পার্কের অর্থায়নে বিতর্কিত এক সুকুক বন্ডের মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ৩,০০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছিল বেক্সিমকো। এই সোলার পার্কটি বর্তমানে জাতীয় গ্রিডে ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে এবং প্রতি মাসে প্রায় ৫০ কোটি টাকার রাজস্ব আয় করছে।

কিন্তু, সব টাকা পায় না বেক্সিমকো। পরিচালন ব্যয় নির্বাহে ৫-৭ কোটি টাকা পায়। অবশিষ্ট টাকা দিয়ে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে নেওয়া টাকার সুদ পরিশোধ ও চূড়ান্ত মূলধন পরিশোধের জন্য সিঙ্কিং ফান্ডে জমা করা হচ্ছে।

পুঁজিবাজারে আটকে থাকা বিনিয়োগ

পুঁজিবাজারেও বেক্সিমকো গ্রুপের কয়েকশ' কোটি টাকার বিনিয়োগ আটকে রয়েছে। সেকেন্ডারি মার্কেট থেকে শেয়ার কিনে দুটি তালিকাভুক্ত কোম্পানির মালিকানা অর্জন করেছিল গ্রুপটি এবং পরবর্তীতে মনোনীত পরিচালক বসিয়েছিল—যার মধ্যে রয়েছে বিতর্কে জড়ানো ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স এবং রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন (বিএসসি)।

বেক্সিমকোর সাথে যুক্ত দুটি প্রতিষ্ঠান– ট্রেডনেক্সট ইন্টারন্যাশনাল এবং জুপিটার বিজনেস যথাক্রমে ৯.৯১ শতাংশ এবং ৯.৯ শতাংশ শেয়ার কেনে ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সে। এছাড়া বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের ৫ শতাংশ শেয়ার কেনে গ্রুপটি।

সরকার পরিবর্তনের পর দুই কোম্পানি থেকেই মনোনীত পরিচালকদের প্রত্যাহার করে নেয় বেক্সিমকো, তবে তাদের বিও (BO) অ্যাকাউন্ট অবরুদ্ধ বা ফ্রিজ থাকায় শেয়ারগুলো বিক্রি করতে পারছে না।

একইভাবে স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু করতে পারছে না গ্রুপের ব্রোকারেজ হাউস 'বেক্সিমকো সিকিউরিটিজ'। সরকার পরিবর্তনের পর এর পরিচালনা পর্ষদের পরিচালকদের স্বাক্ষরের বাধ্যবাধকতা থাকায় লাইসেন্স নবায়ন করা সম্ভব হয়নি।

সালমান এফ রহমান কারাগারে থাকায় ব্রোকারেজ হাউসটি সময়মতো প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে পারেনি। পরবর্তীতে কারাগারে তার স্বাক্ষর নিয়ে তা জমা দেওয়া হলেও— এখনো পর্যন্ত লাইসেন্স নবায়ন করা হয়নি।

 

Related Topics

টপ নিউজ

বেক্সিমকো গ্রুপ / শিল্প / বাংলাদেশ

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • পাম বাগান থেকে একটি লাশ উদ্ধার করে নিয়ে যেতে দেখা যায় পুলিশকে, যা জং মি-রানের বলে ধারণা করা হচ্ছে।  ছবি: ইওনহাপ নিউজ এজেন্সি/রয়টার্স
    জেজু দ্বীপে একের পর এক নিখোঁজদের মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যু ঘিরে রহস্য
  • ছবি: ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড
    হরমুজ প্রণালি উন্মুক্তের বিনিময়ে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা, অর্থনৈতিক চাপ প্রত্যাহারের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের
  • সিআইএর প্রধান জন র‍্যাটক্লিফ। ছবি: রয়টার্স
    ন্যাটোতে হামলা না চালাতে পুতিনকে সতর্ক করতে গোপনে মস্কো সফর করেন সিআইএ প্রধান
  • স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি: সংগৃহীত
    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ঘিরে সংসদে উত্তেজনা; স্পিকার বললেন, ‌‘আমি ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত’
  • নেপালের নুয়াকোট জেলার ত্রিশুলিতে বিধ্বংসী বন্যার পর ভবন ও সম্পত্তি কাদায় ঢেকে গেছে। ছবি: রয়টার্স
    আকস্মিক বন্যার পর এবার নেপাল সীমান্তে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বাঁধ ভাঙার আশঙ্কা, চীনের সতর্কতা 
  • ছবি: সৌজন্যেপ্রাপ্ত
    শুল্ক ফাঁকি দিতে ৩-৪ টুকরো করে আনা হলো বিএমডব্লিউ, গোয়েন্দার হাতে জব্দ

Related News

  • নেপালে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ত্রাণ সহায়তা পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ
  • মক্কা প্যাক্টে যোগদান বাংলাদেশের একান্ত নিজস্ব বিষয়: শফিকুর রহমান
  • নেপালে বন্যা-ভূমিধসে প্রাণহানির ঘটনায় বাংলাদেশের শোক, সহায়তার আশ্বাস
  • মক্কা চুক্তি কী ও বাংলাদেশ কেন এতে যোগ দেওয়ার আগ্রহ দেখাচ্ছে?
  • ‘কোন নিউজপেপার? কার এত জ্বালা?’: দ্বৈত নাগরিকত্ব প্রশ্নে হুমায়ুন কবির

Most Read

1
পাম বাগান থেকে একটি লাশ উদ্ধার করে নিয়ে যেতে দেখা যায় পুলিশকে, যা জং মি-রানের বলে ধারণা করা হচ্ছে।  ছবি: ইওনহাপ নিউজ এজেন্সি/রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

জেজু দ্বীপে একের পর এক নিখোঁজদের মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যু ঘিরে রহস্য

2
ছবি: ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড
আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালি উন্মুক্তের বিনিময়ে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা, অর্থনৈতিক চাপ প্রত্যাহারের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের

3
সিআইএর প্রধান জন র‍্যাটক্লিফ। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

ন্যাটোতে হামলা না চালাতে পুতিনকে সতর্ক করতে গোপনে মস্কো সফর করেন সিআইএ প্রধান

4
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ঘিরে সংসদে উত্তেজনা; স্পিকার বললেন, ‌‘আমি ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত’

5
নেপালের নুয়াকোট জেলার ত্রিশুলিতে বিধ্বংসী বন্যার পর ভবন ও সম্পত্তি কাদায় ঢেকে গেছে। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

আকস্মিক বন্যার পর এবার নেপাল সীমান্তে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বাঁধ ভাঙার আশঙ্কা, চীনের সতর্কতা 

6
ছবি: সৌজন্যেপ্রাপ্ত
বাংলাদেশ

শুল্ক ফাঁকি দিতে ৩-৪ টুকরো করে আনা হলো বিএমডব্লিউ, গোয়েন্দার হাতে জব্দ

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net