Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Saturday
July 11, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
SATURDAY, JULY 11, 2026
১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি, ১ কোটি কর্মসংস্থান: প্রবৃদ্ধির নতুন পথে সরকার

অর্থনীতি

সাইফুদ্দিন সাইফ
18 May, 2026, 09:25 am
Last modified: 18 May, 2026, 09:26 am

Related News

  • সহায়তার আর্জি জানাচ্ছে দেশের অর্থনীতি
  • তাপপ্রবাহে বছরে নষ্ট ২৫ কোটি কর্মঘণ্টা, ঝুঁকিতে ১০ লাখ কর্মসংস্থান
  • বন্ধ কারখানা চালু, ২৫ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষণা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের
  • রাজশাহীর ৩ পরিত্যক্ত মিল ফের চালু, ৫ হাজার কর্মসংস্থান তৈরি করল প্রাণ-আরএফএল
  • মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে শ্রমবাজারে নতুন ধাক্কা, উপসাগরীয় দেশে কর্মসংস্থান কমছে বাংলাদেশিদের

১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি, ১ কোটি কর্মসংস্থান: প্রবৃদ্ধির নতুন পথে সরকার

সাইফুদ্দিন সাইফ
18 May, 2026, 09:25 am
Last modified: 18 May, 2026, 09:26 am
ইলাস্ট্রেশন: টিবিএস

দেশের অর্থনীতিকে ভঙ্গুর দশা থেকে সমৃদ্ধির দিকে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে প্রচলিত পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা মডেল থেকে বেরিয়ে এসে বিএনপি সরকার একটি পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো তৈরি করেছে।

এই উন্নয়ন রূপরেখায় দ্বিমুখী লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—২০৩০ সালের মধ্যে ১ কোটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলা, যা বর্তমান অর্থনীতির আকারের প্রায় দ্বিগুণ।

সরকারিভাবে 'সংস্কার ও উন্নয়নের জন্য পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো: জুলাই ২০২৬-জুন ২০৩১' শীর্ষক এই পরিকল্পনার লক্ষ্য প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি চলতি অর্থবছরের প্রাক্কলিত ৪.২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২০৩০-৩১ সমাপনী অর্থবছরে ৮.৫ শতাংশে উন্নীত করা।

দেশের সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণী সংস্থা জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) বৈঠকে আজ কৌশলটি চূড়ান্ত করার কথা রয়েছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী।

রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বাধীন উপর-থেকে-নিচ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা থেকে সরে এসে এবার বেসরকারি খাত-কেন্দ্রিক, পর্যায়ভিত্তিক এবং আরও বাস্তবসম্মত অর্থনৈতিক কৌশল হাতে নেওয়া হয়েছে। এ পরিকল্পনায় ২০৩০-৩১ অর্থবছরের মধ্যে বিনিয়োগকে জিডিপির বর্তমান ৩১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৪০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য ধরা হয়েছে। একইসঙ্গে রাজস্ব আদায় ৯ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১১ শতাংশে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

এ কাঠামো অনুযায়ী, আলোচ্য সময়ে উন্নয়ন ব্যয় জিডিপির ৪ শতাংশ থেকে বেড়ে ৬.৯ শতাংশে পৌঁছাবে। অন্যদিকে ঋণ ও জিডিপির অনুপাত ৩৮.৯ শতাংশে স্থিতিশীল থাকবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। দ্রুতগতির বেসরকারি বিনিয়োগের হাত ধরে এই প্রবৃদ্ধি অর্জিত হবে, যেখানে বৈদেশিক বিনিয়োগ বেড়ে জিডিপির ২.৫ শতাংশে দাঁড়াবে।

এই কাঠামোতে ২০২৮ সালের মধ্যে ১০০টি নতুন গ্যাসকূপ খনন করে দৈনিক ১,৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস যুক্ত করার পরিকল্পনাও রাখা হয়েছে। পাশাপাশি ইস্টার্ন রিফাইনারির সক্ষমতা বাড়িয়ে দৈনিক ১ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল পরিশোধনের উপযোগী করা হবে এবং ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ কর্মসূচি থেকে ৩,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। একইসঙ্গে নতুন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ করা হবে।

কাঠামোর উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ টিবিএসকে বলেন, এই গাইডলাইনের মূল উদ্দেশ্য কৌশলগুলো যেন শুধু নথিপত্রেই সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তবে বাস্তবায়িত হয়, তা নিশ্চিত করা।

তিনি আরও বলেন, প্রায়ই জিডিপি প্রবৃদ্ধির মতো উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রার ওপর অতিরিক্ত জোর দেওয়া হয়, 'যদিও এই ধরনের ফলাফল অনেকাংশেই বাহ্যিক কারণগুলোর ওপর নির্ভর করে।'

ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, 'তাই লক্ষ্যমাত্রার ওপর অতিরিক্ত জোর না দিয়ে নীতিমালার বাস্তবায়নের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত, যা সরাসরি দেশের নিজস্ব নিয়ন্ত্রণে থাকে।'

পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের প্রস্তুত করা এ উন্নয়ন নির্দেশিকার সংক্ষিপ্ত মূল বিষয়গুলো গতকাল জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভায় উপস্থাপন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিন স্তরের কর্মপরিকল্পনা

এতে পর্যায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক রূপান্তরের জন্য তিন স্তরের কর্মপরিকল্পনার রূপরেখা দেওয়া হয়েছে। প্রথম বছরে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও স্থিতিশীলতার ওপর জোর দেওয়া হবে, পরের দুই বছর হবে পুনরুজ্জীবনের এবং শেষ দুই বছর হবে পুনর্গঠনের। প্রাতিষ্ঠানিক ও কাঠামোগত সংস্কার, বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি ও ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দিকে দ্রুত অগ্রগতি এই পরিকল্পনার মূল চালিকাশক্তি হবে।

রূপরেখায় ওষুধ, হালকা প্রকৌশল ও তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) খাতকে অন্তর্ভুক্ত করে বৈচিত্র্যময় রপ্তানি কাঠামোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। দেশীয় মূল্য সংযোজন বাড়াতে এমএসএমই-কে বৈশ্বিক ভ্যালু চেইনের সাথে যুক্ত করা হবে। পাশাপাশি এলডিসি থেকে উত্তরণের পর যেসব বাণিজ্যিক সুবিধা হারাতে হবে, তার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ইইউ ও ভারতের সঙ্গে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি সইয়ের ওপর জোর দেওয়া হবে।

শুল্ক যৌক্তিকীকরণ, রপ্তানিবিরোধী পক্ষপাত দূরীকরণ ও প্রণোদনাগুলোকে বৈশ্বিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে সমন্বিত বাণিজ্য-শিল্প-বিনিয়োগ নীতির প্রস্তাব করা হয়েছে এ পরিকল্পনায়। এতে চামড়া, জাহাজ নির্মাণ ও কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণসহ ১০টি খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বৈচিত্র্যময় বৈশ্বিক সরবরাহ চেইনের সাথে যুক্ত অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।

ক্রীড়া ও সৃজনশীলতা

সৃজনশীল অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করার বিষয়টি এই কাঠামোতে বেশ গুরুত্ব পেয়েছে। এর লক্ষ্য হলো ডিজিটাল ও সৃজনশীল শিল্পে ২ লাখ তরুণকে (জেন জি ও জেন আলফা প্রজন্ম) দক্ষ করে তোলা এবং ৬৪টি জেলায় সৃজনশীল হাব স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ক্রিয়েটিভ ডেভেলপমেন্ট অথরিটি গঠন করা।

সরকার 'ক্রিয়েটিভ ইন বাংলাদেশ' ব্র্যান্ডের প্রসার ঘটাবে এবং নেটফ্লিক্স, অ্যামাজন ও ডিজনির মতো বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মগুলোতে ১০০টি স্থানীয় চলচ্চিত্র ও শো-এর মুক্তির লক্ষ্য নির্ধারণ করবে। একইসাথে সাংস্কৃতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে ৫০টি দেশের থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাজে লাগানো হবে।

পেশাদার খেলাধুলা ও প্রথম বিভাগের লিগগুলোর জন্য কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) তহবিল থেকে সহায়তার মাধ্যমে ক্রীড়া উন্নয়নেও অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে একটি ন্যাশনাল অলিম্পিক একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা, 'নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস' প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি চালু করা, ৬৪ জেলায় স্পোর্টস ভিলেজ গড়ে তোলা এবং দেশব্যাপী ১ হাজারের বেশি খেলার মাঠ তৈরি করা।

কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও বাড়াতে এ কাঠামোতে আইসিটি, বিজ্ঞান, ভাষা ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ যুক্ত করে মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিকীকরণের প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া সরকারি চাকরিতে কওমি সনদের স্বীকৃতির কথাও বলা হয়েছে। 

জনমিতিক কৌশল

গ্রামীণ রূপান্তরকে আরও বেগবান করার জন্য কৃষিতে ফসল কাটার পরবর্তী ক্ষতি কমাতে কোল্ড চেইন চালু করতে সহায়তা দেওয়া হবে। এছাড়া ১.৭ কোটি শিশুর জন্য স্কুল ফিডিং প্রকল্প চালু করা হবে, যা ক্যাটারিং ও পণ্য সংগ্রহ-সংশ্লিষ্ট এমএসএমই খাতে গ্রামীণ নারীদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কৌশলে দেশের দ্রুত ফুরিয়ে আসতে থাকা জনমিতিক লভ্যাংশের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। ২০৩৩ সালের মধ্যে ৫১ বছরের এই জনমিতিক সুযোগের সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই দেশের মোট জনসংখ্যার ৬২ শতাংশ জুড়ে থাকা বিশাল কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে (১৫-৫৯ বছর বয়সি) সর্বোত্তমভাবে কাজে লাগানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে এতে।

জনসংখ্যায় প্রবীণদের হার দ্রুত বাড়ার আগে, এই জনমিতিক সুবিধাকে দীর্ঘস্থায়ী মানবসম্পদ ও অর্থনৈতিক সুফলে রূপান্তর করার জন্য ২০২৬-২০৩০ সময়কালকে শেষ সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই কৌশলগত কাঠামোতে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের জনসংখ্যা ১৮.৭৬ কোটিতে পৌঁছাবে। ফলে আবাসন, কর্মসংস্থান ও জনসেবার ওপর চাপ আরও তীব্র হবে। এতে আরও সতর্ক করা হয়েছে, জনমিতিক লভ্যাংশকে পূর্ণাঙ্গভাবে কাজে লাগাতে না পারায় ইতিমধ্যে অনর্জিত (আনরিয়ালাইজড) শ্রম আয়ের পরিমাণ ৪২ শতাংশ বেড়েছে।

কর্মক্ষম বয়সের জনগোষ্ঠীর মোট অনর্জিত শ্রম আয় ২০১৬ সালের ২.৪১ লাখ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ২০২২ সালে ৩.৪২ লাখ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

কর্মসংস্থানের ঘাটতি পূরণ

কর্মসংস্থানের ঘাটতি পূরণে কৌশলগত কাঠামোতে তিনটি সম্ভাব্য দৃশ্যপট তুলে ধরা হয়েছে। প্রথমত, বেসরকারি বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়িয়ে জিডিপির ৩০ শতাংশে উন্নীত করা গেলে কর্মসংস্থানে ৯.৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে। দ্বিতীয়ত, বার্ষিক রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ১০ শতাংশ হলে কর্মসংস্থান বাড়বে ১৬.৫ শতাংশ। তৃতীয়ত, সামাজিক খাতে ব্যয় দ্বিগুণ করে ৬ শতাংশে নিয়ে গেলে তা থেকে ৬৪.৩ শতাংশ শ্রম আয় আসবে।

একটি জাতীয় শিক্ষক যোগ্যতা কাঠামোর মাধ্যমে শিক্ষার মান শক্তিশালী করার এবং মুখস্থ বিদ্যার পরিবর্তে ডিজিটাল শিক্ষণ পদ্ধতির দিকে এগিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে কৌশলে।

শিক্ষার সাথে শ্রমবাজারের চাহিদার সমন্বয় বাড়াতে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে আধুনিকীকরণ এবং বাধ্যতামূলক ইন্টার্নশিপ ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে এতে। এছাড়া চিকিৎসার পেছনে মানুষের নিজ পকেটের ব্যয় কমাতে সবার জন্য সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষার প্রস্তাব করা হয়েছে।

'কাঠামোটিকে জীবন্ত ডকুমেন্ট হিসেবে বিবেচনা করতে হবে'

ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, নীতি বাস্তবায়নের অর্থ হওয়া উচিত কৌশলগত নথির সাথে সরকারের বাস্তব কাজের সরাসরি সংযোগ তৈরি করা।

তিনি বলেন, 'সহজ কথায়, মন্ত্রণালয়ের দৈনন্দিন কাজকর্ম, নীতি সিদ্ধান্ত ও প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রণীত কৌশল ও নীতিমালার স্পষ্ট প্রতিফলন থাকতে হবে। মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের সাথে যুক্ত করা না হলে এই ধরনের ডকুমেন্ট কার্যকারিতা হারানোর ঝুঁকিতে পড়ে।'

'এই "জীবন্ত ডকুমেন্টকে" কার্যকর করতে হলে সুশীল সমাজ, সাংবাদিক, গবেষক ও অন্যান্য অংশীজনদের অন্তর্ভুক্ত করে ধারাবাহিক আলোচনার প্রয়োজন,' বলেন তিনি।

তা না হলে এই নথি বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার এবং সরকারের প্রকৃত কাজের সাথে সম্পর্কহীন একটি সাধারণ নীতিমালায় পরিণত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে বলে তিনি সতর্ক করেন। তিনি আরও বলেন, ধারাবাহিক ও বাস্তবায়নমুখী প্রক্রিয়ার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত না করা হলে কেবল মধ্যমেয়াদি পর্যালোচনা যথেষ্ট হবে না।

১৪ মে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, পূর্ববর্তী উন্নয়ন কাঠামোগুলো মূলত 'মৃত দকুমেন্তে' পরিণত হয়েছিল। তিনি বলেন, বিগত সরকার রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা, অতিরিক্ত ব্যয় ও দুর্বল পরিকল্পনার মাধ্যমে অবাস্তব সব প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছিল, যা অর্থনীতিকে সংকটে ফেলেছে।

নতুন কাঠামোর আওতায় তিতুমীর চারটি সংস্কারের রূপরেখা তুলে ধরেন। এগুলো হলো—জনগণের অগ্রাধিকার ও নির্বাচনি ইশতেহারের সাথে সামঞ্জস্য রেখে প্রকল্প নির্বাচন; পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন ব্যবস্থা শক্তিশালী করা; স্বাধীন মূল্যায়নের জন্য তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করা এবং পরিকল্পনা প্রক্রিয়াকে আরও জনমুখী ও জবাবদিহিতামূলক করা।

Related Topics

টপ নিউজ

উন্নয়ন পরিকল্পনা / কর্মসংস্থান / উন্নয়ন রূপরেখা

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ডিসেম্বরে দেশে ফিরব, দলের নেতাদের সঙ্গে আদালতে আত্মসমর্পণ করব: রয়টার্সের কাছে দাবি হাসিনার
    ডিসেম্বরে দেশে ফিরব, দলের নেতাদের সঙ্গে আদালতে আত্মসমর্পণ করব: রয়টার্সের কাছে দাবি হাসিনার
  • ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রেমিট্যান্স সংগ্রহে শীর্ষে ইসলামী ব্যাংক; চমক দেখাল কৃষি ব্যাংক ও ব্র্যাক ব্যাংক 
    ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রেমিট্যান্স সংগ্রহে শীর্ষে ইসলামী ব্যাংক; চমক দেখাল কৃষি ব্যাংক ও ব্র্যাক ব্যাংক 
  • ইলাস্ট্রেশন: টিবিএস
    বাংলাদেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে আগ্রহী ইইউ, শিগগিরই আসছে কারিগরি দল
  • প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
    ১০% শেয়ার ছাড়লেই ডাইরেক্ট লিস্টিং: ইউনিলিভার-ইনসেপটার মতো বড় কোম্পানিকে বাজারে আনতে চায় বিএসইসি
  • ছবি: রয়টার্স
    ন্যাটো সম্মেলন শেষে বিশ্বনেতাদের তাজা গুলিসহ রিভলভার উপহার দিলেন এরদোয়ান
  • চৌহাট ইউনিয়নের রাজাপুর ও পাইকপাড়া গ্রামের মাঝামাঝি প্রায় ১৬ একর জমির ওপর বিস্তৃত এই পরিত্যক্ত ইউনুস খান ক্যানসার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। ছবি: নাসিরউদ্দিন ফোরকান
    ধামরাইয়ের ‘ভুতুড়ে হাসপাতাল’: ৪০ বছরের একটি অসমাপ্ত স্বপ্ন

Related News

  • সহায়তার আর্জি জানাচ্ছে দেশের অর্থনীতি
  • তাপপ্রবাহে বছরে নষ্ট ২৫ কোটি কর্মঘণ্টা, ঝুঁকিতে ১০ লাখ কর্মসংস্থান
  • বন্ধ কারখানা চালু, ২৫ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষণা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের
  • রাজশাহীর ৩ পরিত্যক্ত মিল ফের চালু, ৫ হাজার কর্মসংস্থান তৈরি করল প্রাণ-আরএফএল
  • মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে শ্রমবাজারে নতুন ধাক্কা, উপসাগরীয় দেশে কর্মসংস্থান কমছে বাংলাদেশিদের

Most Read

1
ডিসেম্বরে দেশে ফিরব, দলের নেতাদের সঙ্গে আদালতে আত্মসমর্পণ করব: রয়টার্সের কাছে দাবি হাসিনার
বাংলাদেশ

ডিসেম্বরে দেশে ফিরব, দলের নেতাদের সঙ্গে আদালতে আত্মসমর্পণ করব: রয়টার্সের কাছে দাবি হাসিনার

2
২০২৫-২৬ অর্থবছরে রেমিট্যান্স সংগ্রহে শীর্ষে ইসলামী ব্যাংক; চমক দেখাল কৃষি ব্যাংক ও ব্র্যাক ব্যাংক 
অর্থনীতি

২০২৫-২৬ অর্থবছরে রেমিট্যান্স সংগ্রহে শীর্ষে ইসলামী ব্যাংক; চমক দেখাল কৃষি ব্যাংক ও ব্র্যাক ব্যাংক 

3
ইলাস্ট্রেশন: টিবিএস
বাংলাদেশ

বাংলাদেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে আগ্রহী ইইউ, শিগগিরই আসছে কারিগরি দল

4
প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
অর্থনীতি

১০% শেয়ার ছাড়লেই ডাইরেক্ট লিস্টিং: ইউনিলিভার-ইনসেপটার মতো বড় কোম্পানিকে বাজারে আনতে চায় বিএসইসি

5
ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

ন্যাটো সম্মেলন শেষে বিশ্বনেতাদের তাজা গুলিসহ রিভলভার উপহার দিলেন এরদোয়ান

6
চৌহাট ইউনিয়নের রাজাপুর ও পাইকপাড়া গ্রামের মাঝামাঝি প্রায় ১৬ একর জমির ওপর বিস্তৃত এই পরিত্যক্ত ইউনুস খান ক্যানসার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। ছবি: নাসিরউদ্দিন ফোরকান
ফিচার

ধামরাইয়ের ‘ভুতুড়ে হাসপাতাল’: ৪০ বছরের একটি অসমাপ্ত স্বপ্ন

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net