১২৩ টাকা দরে রেমিট্যান্সের ডলার কিনছে কিছু ব্যাংক
সামনেই বড় অঙ্কের আমদানি বিল মেটানোর দায় রয়েছে। তার জেরে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিক ব্যাংক রেমিট্যান্স হাউজ থেকে ১২৩ টাকা দরে রেমিট্যান্সের ডলার কিনেছে।
টিবিএস কয়েকটি ব্যাংকের ঊর্ধতন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে ব্যাংকগুলো ১২২.৮৫ টাকা থেকে ১২২.৯০ টাকার মধ্যে রেমিট্যান্সের ডলার কিনেছিল।
ব্যাংক কর্মকর্তারা বলেন, আগামী সপ্তাহে বৈদেশিক মুদ্রার বাড়তি চাহিদা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) ও পেট্রোবাংলার বড় অঙ্কের আমদানি ঋণপত্র (এলসি) নিষ্পত্তির কথা রয়েছে আগামী সপ্তাহে। মূলত সে কারণেই ডলার কেনার দর সামান্য বেড়েছে।
তারা আরও বলেন, মাসের প্রথম ১৫ দিন রেমিট্যান্সের প্রবাহ ভালো থাকে। তবে ১৫ থেকে ২৫ তারিখ পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ তুলনামূলকভাবে কম থাকে। তাতে আগামী সপ্তাহে ডলারের সরবরাহে টান পড়ার আশঙ্কা করছে ব্যাংকগুলো।
কর্মকর্তারা বলেন, বাজারে ডলারের সামগ্রিক সরবরাহ পর্যাপ্ত। তা সত্ত্বেও সম্প্রতি কয়েকটি ব্যাংক কিছুটা বেশি দামে রেমিট্যান্স কিনছে। চলতি মাসের গোড়ার দিকে ১২২.৯০ টাকার বেশি দরে ডলার কিনতে মৌখিকভাবে নিষেধ করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে সেই নির্দেশ মানছে না ব্যাংকগুলো।
বাজার বিশেষজ্ঞরা বলেন, বড় পেমেন্ট নির্ধারিত থাকায় আগামী সপ্তাহে ডলারের চাহিদা আরও বাড়তে পারে। তার জেরে ডলারের বিনিময় হারের ওপরে কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
রিজার্ভ ব্যবস্থাপনা কৌশলের অংশ হিসেবে গত দুই সপ্তাহে বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ১৮০ মিলিয়ন ডলার কিনেছে। বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩০.৪৮ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধতন কর্মকর্তা বলেন, বাজারে যথেষ্ট পরিমাণে ডলার সরবরাহ রয়েছে। এজন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার কিনছে।
