ব্রহ্মপুত্রের উজানে চীনের বাঁধ নির্মাণের তথ্য সংগ্রহে কাজ করছে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
ব্রহ্মপুত্র নদের উজানে চীন কর্তৃক আটটি হাইড্রোইলেকট্রিক বাঁধ নির্মাণের বিষয়ে পর্যাপ্ত তথ্য সংগ্রহের কাজ করছে বাংলাদেশ।
বৃহস্পতিবার (১৭ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সেহেলী সাবরিন সাংবাদিকদের বলেন, 'আমরা এই [হাইড্রোইলেকট্রিক বাঁধগুলো] সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য সংগ্রহের জন্য কাজ করছি।'
[বাঁধের কারণে] পানির সুষম বণ্টন হবে না—এমন অভিযোগ নিয়ে বাংলাদেশ চীনের কাছে জানতে চেয়েছে কি না, জানতে চাওয়া হয় হলে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে পর্যাপ্ত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছে।
তিনি বলেন, '[এ বিষয়ে] পরবর্তীতে কোনো তথ্য পেলে আমরা জানাব।'
পানি নিয়ে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের চুক্তি হওয়ার কোনো আলোচনা শুরু হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'এখন পর্যন্ত চুক্তি নিয়ে কোনো আলোচনা শুরু হয়নি।'
এর আগে ২০২০ সালের ৩০ নভেম্বর তিব্বতের ব্রহ্মপুত্র নদে (ইয়ার্লুং জাংবো নদী) চীনের প্রধান জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশ উদ্বেগ প্রকাশ করে। কারণ নদীটি এ দুই দেশের মধ্য দিয়েও প্রবাহিত হয়।
এ উদ্বেগের জবাবে বাঁধ নির্মাণের দায়িত্বপ্রাপ্ত চীনের পাওয়ার কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান ইয়ান ঝিয়াং বলেছিলেন, চীন ইয়ারলুং জাংবো নদীর ভাটিতে [ব্রহ্মপুত্রের তিব্বতি নাম] জলবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।
দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের সঙ্গে কথা বলার সময় বাংলাদেশের পানি বিশেষজ্ঞ ও কর্মীরা বলেছিলেন, প্রস্তাবিত বাঁধটি ব্রহ্মপুত্রের পানির প্রবাহের ওপর বাংলাদেশের দিকে কোনো বিরূপ প্রভাব ফেলবে না।
তিব্বতের ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর চীনের প্রস্তাবিত সুপার ড্যামের মাধ্যমে পানি না সরানো হলে বাংলাদেশে পানি প্রবাহের কোনো ক্ষতি হবে না বলে মন্তব্য করেছিলেন তারা।
