Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Thursday
April 30, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
THURSDAY, APRIL 30, 2026
গবেষণায় যৌবন ফিরে পেল বৃদ্ধ ইঁদুর, মানুষও কি যৌবন ফিরে পাবে?

ফিচার

স্যান্ডি লামট, সিএনএন
13 January, 2023, 09:00 pm
Last modified: 13 January, 2023, 09:00 pm

Related News

  • ১ লাখ বছর ধরে ‘নিষ্ক্রিয়’ মনে করা গ্রিসের বিশাল আগ্নেয়গিরিতে জমছে ম্যাগমা
  • যেভাবে ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে পারে সাধারণ ব্যথানাশক অ্যাসপিরিন
  • মার্কিন পরমাণু বিজ্ঞানীদের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা তদন্তের নির্দেশ ট্রাম্পের
  • কম্বোডিয়ায় ল্যান্ডমাইন শনাক্তকারী বীর ইঁদুর ‘মাগাওয়া’র ভাস্কর্য উন্মোচন
  • ঘুরে ঘুরে তিনি মানুষ খোঁজেন, মানুষের মাঝেই বাঁচার স্বাদ পান

গবেষণায় যৌবন ফিরে পেল বৃদ্ধ ইঁদুর, মানুষও কি যৌবন ফিরে পাবে?

“আমাদের আরেকটি বড় আবিষ্কার হলো আমরা টের পেয়েছি, যদি এই নির্দিষ্ট প্লুরিপোটেন্ট স্টেম কোষের সেট ব্যবহার করা হয়, তাহলে ইঁদুরগুলোর বয়ম কমে একেবারে শূন্যতে ফিরে যায় না। এমনটা হলে ক্যান্সার বা আরও মারাত্মক কিছু হতে পারত,” সিনক্লেয়ার বলেন। “বরং কোষগুলো এর মূল বয়সের ৫০ থেকে ৭৫ শতাংশ বয়স কমায়। এরপর সেগুলোর তারুণ্যপ্রাপ্তি বন্ধ হয়ে যায়। এটা খুবই শুভলক্ষণ। এ কোষগুলো এমনটা করার কথা কীভাবে জানে, তা আমরা এখনো বুঝতে পারিনি।”
স্যান্ডি লামট, সিএনএন
13 January, 2023, 09:00 pm
Last modified: 13 January, 2023, 09:00 pm
এ ইঁদুরগুলোর জিনগত পরিবর্তনের মাধ্যমে বয়স বাড়ানো হয়েছে। ছবি: ডেভিড সিনক্লেয়ার

বোস্টনের গবেষণাগারগুলোতে থাকা বৃদ্ধ, অন্ধ ইঁদুরেরা তাদের দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেয়েছে; তাদের নতুন ও আরও বুদ্ধিসম্পন্ন মস্তিষ্কের বিকাশ ঘটেছে এবং আরও স্বাস্থ্যকর পেশি ও কিডনি টিস্যু তৈরি করেছে। অন্যদিকে, অল্প বয়স্ক ইঁদুর অকালেই বার্ধক্যে পৌঁছেছে, একইসঙ্গে তাদের শরীরের প্রায় প্রতিটি টিস্যুতে বিপর্যয় ঘটেছে।

হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের ব্লাভাটনিক ইনস্টিটিউটের জেনেটিক্সের অধ্যাপক এবং পল এফ গ্লেন সেন্টার ফর বায়োলজি অফ এজিং রিসার্চের সহ-পরিচালক, অ্যান্টি-এজিং বিশেষজ্ঞ ডেভিড সিনক্লেয়ার বলেন, পরীক্ষাগুলো দেখায় যে, বার্ধক্যকে উল্টোদিকে পরিচালিত করা সম্ভব, এবং এটিকে "ইচ্ছানুযায়ী সামনের দিকে বা পেছনের দিকে নিয়ে যাওয়া সম্ভব"।

আমাদের শরীর আমাদের যৌবনের একটি ব্যাকআপ কপি ধারণ করে যা পুনরায় কার্যকর হতে পারে বলে তাদের নতুন গবেষণাপত্রটিতে জানিয়েছেন সিনক্লেয়ার, যেখানে তার ল্যাবরেটরি এবং আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানীদের কাজের প্রমাণ দেখানো হয়েছে।

সম্মিলিতভাবে করা পরীক্ষাগুলোর ফলাফল গত বৃহস্পতিবার প্রথমবারের মতো সেল জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। বার্ধক্য হলো জেনেটিক মিউটেশনের ফল, যা আমাদের ডিএনএকে দুর্বল করে ফেলে, ক্ষতিগ্রস্ত কোষের টিস্যুগুলোর একটি ভাগাড় তৈরি করে, যার ফলে দেহের কার্যকরিতার অবনতি, রোগ এবং মৃত্যু হয়: বার্ধক্য নিয়ে এ বৈজ্ঞানিক বিশ্বাসকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে এ ফলাফলগুলোতে।

"এটি আবর্জনা নয়, এটি এমন ধরনের কোনো ক্ষতি নয় যা আমাদেরকে বুড়ো বানিয়ে ফেলে। আমাদের বিশ্বাস এটি তথ্যের হারিয়ে যাওয়া, মূল ডিএনএ পড়ার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে কোষগুলো। ফলে এটি কীভাবে কাজ করবে তা ভুলে যায়। ব্যাপারটা অনেকটা পুরোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যার করাপ্ট হওয়ার মতো। আমি একে 'ইনফরমেশন থিওরি অব এজিং' নাম দিয়েছি," বলেন সিনক্লেয়ার।

সিনক্লেয়ার ল্যাবের জেনেটিক্স রিসার্চ ফেলো জায়ে-হিয়ুন ইয়াং গবেষণাপত্রটির সহলেখক ছিলেন। তিনি আশা করেন এ গবেষণার ফলাফল, "আমরা বার্ধক্য প্রক্রিয়াকে যেভাবে দেখি এবং বার্ধক্যজনিত রোগের চিকিৎসা সারাতে আমরা যেভাবে চিন্তা করি, তা পরিবর্তন করবে।"

এপিজেনেটিক পরিবর্তন বার্ধক্য নিয়ন্ত্রণ করে

যদি ডিএনএকে শরীরের হার্ডওয়্যার হিসেবে দেখা হয়, তবে এপিজিনগুলো হলো সফটওয়্যার। ন্যাশনাল হিউম্যান জিনোম রিসার্চ ইনস্টিটিউটের মতে, এপিজিন হলো প্রোটিন এবং অন্যান্য রাসায়নিক উপাদান, যা প্রতিটি জিনের ওপর দানার মতো বসে থাকে—জিনকে "কী করতে হবে, কোথায় করতে হবে এবং কখন করতে হবে" বলার অপেক্ষায় থাকে।

এ এপিজেন আক্ষরিক অর্থেই জিনকে চালু এবং বন্ধ করে। এই প্রক্রিয়াটি দূষণ, বিষাক্ত পদার্থ এবং ধূমপান বা ঘুমের দীর্ঘস্থায়ী অভাবের মতো মানবীয় আচরণের মাধ্যমে প্রভাবিত হতে পারে। আর ঠিক কম্পিউটারের মতো, বেশি পরিমাণ ডিএনএ ভেঙে গেলে বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে এই কোষীয় প্রক্রিয়াটি আর ভালোভাবে কাজ করতে পারে না, সিনক্লেয়ার ব্যাখ্যা করেন।

"যেসব প্রোটিন জিনগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে, সেগুলো ডিএনএ মেরামত করতে গিয়ে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। সেগুলো যেখান থেকে শুরু করেছিল সেখানে ফিরে যাওয়ার পথ খুঁজে পায় না। সময়ের সাথে সাথে এ কোষীয় টুকরোগুলো তাদের পথ হারায়, অনেকটা আলঝেইমারে আক্রান্ত ব্যক্তির মতো," সিনক্লেয়ার বার্ধক্য প্রক্রিয়ার ব্যাখ্যা দিএয়ছেন এভাবে।

মানুষের যৌবন ধরে রাখতে চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা। ছবি: সংগৃহীত

"আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, আমাদের প্রত্যেকের শরীরে এই সফটওয়্যারের একটি ব্যাকআপ কপি রয়েছে, যা আপনি পুনরায় ঠিক করতে (রিসেট) পারেন। আমরা দেখানোর চেষ্টা করছি কেন সফটওয়্যারটি নষ্ট হয়ে পড়ে (করাপ্ট) এবং কীভাবে আমরা একটি রিসেট বাটনে চাপ দিয়ে পুরো শরীরকেই রিস্টার্ট করে কোষের জিন সঠিকভাবে পড়ার ক্ষমতা পুনরুদ্ধার করতে পারি।"

সিনক্লেয়ার জানান, শরীরের বয়স ৫০ বা ৭৫, সুস্থ কিংবা রোগে আক্রান্ত কিনা, তা কোনো বিষয় নয়। একবার যদি এ প্রক্রিয়াটি কাজ শুরু করে, তখন "শরীরের মনে পড়বে কীভাবে তারা পুনরুত্থিত হবে এবং আবার তরুণ হবে। এমনকি যদি আপনি ইতোমধ্যেই বৃদ্ধ হন বা অসুস্থ হন, তবুও এটি কার্যকর হবে। তবে এই কোষীয় সফটওয়্যারটি কী, তা আমরা এখনও জানি না। এই মুহূর্তে আমরা কেবল জানি যে আমরা প্রক্রিয়াটি উল্টে দিতে পারি।"

কয়েক বছরের গবেষণা

বার্ধক্য ঘুরিয়ে দেওয়ার এ সুইচের সন্ধান শুরু হয়েছিল অনেক আগে, সিনক্লেয়ার তখন একজন স্নাতক ছাত্র ছিলেন। ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির একদল গবেষক ইস্টের বার্ধক্য নিয়ন্ত্রণের জিনের অস্তিত্ব আবিষ্কার করেছিলেন। সিনক্লেয়ার অনুমান করেছিলেন, জিনটি যেহেতু সব প্রাণীতে আছে, তাই মানুষের মধ্যেও এই সুইচ থাকা উচিত।

তত্ত্বটি পরীক্ষা করার জন্য, তিনি মিউটেশন তথা ক্যান্সার সৃষ্টি না করেই ইঁদুরের বার্ধক্য দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা শুরু করেছিলেন।

"আমার যখন ৩৯ বছর বয়স, তখন আমরা সেই ইঁদুরটি নিয়ে কাজ শুরু করি। আমার বয়স এখন ৫৩, এবং আমরা সেই ইঁদুরটি নিয়েই এখনো গবেষণা করছি। যদি আমার 'থিওরি অফ ইনফরমেশন এজিং' তত্ত্বটি ভুল হতো, তাহলে আমরা হয় একট মৃত ইঁদুর, একটা সাধারণ ইঁদুর, একট বৃদ্ধ ইঁদুর অথবা ক্যান্সারে আক্রান্ত একটা ইঁদুর পেতাম। আমরা বৃদ্ধ ইঁদুরই পেয়েছি," সিনক্লেয়ার জানান।

অন্যান্য বিজ্ঞানীদের সাহায্য নিয়ে সিনক্লেয়ার এবং তার হার্ভার্ড গবেষণা দল ইঁদুরের মস্তিষ্ক, চোখ, পেশী, ত্বক এবং কিডনির টিস্যুর বয়স বাড়াতে সক্ষম হয়েছেন।

এটি করার জন্য সিনক্লেয়ারের দল আইসিই তৈরি করেছে, যার পূর্ণরূপ ইনডিউসিবল চেঞ্জেস টু দ্য এপিজেনোম। ইঁদুরের ডিএনএর কোডিংয়ে পরিবর্তন করলে মিউটেশন হতে পারে। তাই, আইসিই ডিএনএ ভাঁজ করার উপায়কে পরিবর্তন করে। আইসিই রাসায়নিক, সূর্যালোকের মতো ক্ষতিকে অনুকরণ করে বার্ধক্য বৃদ্ধিতে অবদান রাখে।

সিনক্লেয়ারের গবেষণায় আইসিই প্রক্রিয়া ব্যবহার করা ইঁদুরগুলোর বয়স এক বছর হওয়ার পর তাদের শারীরিক আচরণ দুই বছরের ইঁদুরের মতো দেখাল।

তারুণ্যের পুনরাগমন

এবার প্রক্রিয়াটি কীভাবে উল্টে দেওয়া যায়, তা নিয়ে কাজ শুরুর সময়। সিনক্লেয়ার ল্যাবের জেনেটিসিস্ট ইউয়ানচেং লু চারটি 'ইয়ামানাকা ফ্যাক্টর'-এর তিনটি মিশ্রণ তৈরি করেছেন। এগুলো মানুষের প্রাপ্তবয়স্ক ত্বকের এমন কোষ যেগুলো এমব্রায়োনিক বা প্লুরিপোটেন্ট স্টেম কোষের মতো আচরণ করার জন্য রিপ্রোগ্রাম করা হয়েছে। এর ফলে, এগুলো শরীরের যেকোনো কোষে বিকশিত হতে সক্ষম।

এ মিশ্রণটি অন্ধ ইঁদুরের চোখের পিছনে ক্ষতিগ্রস্ত রেটিনাল গ্যাংলিয়ন কোষে ইনজেকশনের মাধ্যমে প্রবেশ করানো হয় এবং একে সক্রিয় করার জন্য ইঁদুরকে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ানো হয়।

"অ্যান্টিবায়োটিক একটি হাতিয়ার (টুল) মাত্র। এটি যেকোনো রাসায়নিক হতে পারে, যার মাধ্যমে তিনটি জিন কার্যকর হবে কিনা তা নিশ্চিত করা হবে," বলে সিএনএনকে জানান সিনক্লেয়ার। "সাধারণত এ তিনটি জিন কেবল তরুণ বয়সেই সক্রিয় থাকে। আর আমাদের বয়স বাড়ার সাথে এগুলো কাজ করা বন্ধ করে দেয়।"

ইঁদুরগুলো তাদের দৃষ্টিশক্তির অনেকখানিই ফিরে পায়।

গবেষণা অনুসারে, এরপর দলটি মস্তিষ্ক, পেশি এবং কিডনি কোষগুলোতে তারুণ্য ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ শুরু করেন।

"আমাদের আরেকটি বড় আবিষ্কার হলো আমরা টের পেয়েছি, যদি এই নির্দিষ্ট প্লুরিপোটেন্ট স্টেম কোষের সেট ব্যবহার করা হয়, তাহলে ইঁদুরগুলোর বয়ম কমে একেবারে শূন্যতে ফিরে যায় না। এমনটা হলে ক্যান্সার বা আরও মারাত্মক কিছু হতে পারত," সিনক্লেয়ার বলেন। "বরং কোষগুলো এর মূল বয়সের ৫০ থেকে ৭৫ শতাংশ বয়স কমায়। এরপর সেগুলোর তারুণ্যপ্রাপ্তি বন্ধ হয়ে যায়। এটা খুবই শুভলক্ষণ। এ কোষগুলো এমনটা করার কথা কীভাবে জানে, তা আমরা এখনো বুঝতে পারিনি।"

বর্তমানে সিনক্লেয়ারের দল জেনেটিক মিশ্রণের এ সুইচটি প্রতিটি কোষে সমানভাবে সরবরাহের জন্য একটি উপায় খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন। এর মাধ্যমে তারা ইঁদুরকে সম্পূর্ণভাবে একবারেই তারুণ্য ফিরিয়ে দিতে পারবেন।

"এ সরবরাহটুকু প্রযুক্তিগত দিক থেকে একটু কঠিন। কিন্তু অন্য দলগুলো এক্ষেত্রে ভালোই করেছে বলে মনে হচ্ছে," দুটো অপ্রকাশিত গবেষণার ইঙ্গিত করে বলেন সিনক্লেয়ার। ওই গবেষণাগুলো এ সমস্যাটি কাটিয়ে উঠেছে বলে জানা গেছে।

"একটি গবেষণাদল আমাদের তৈরি করা ব্যবস্থা ব্যবহার করেছে। তাদের গবেষণার ইঁদুরটির বয়স মানুষের ৮০ বছরের সমতুল্য ছিল। তারপরও সেটিকে তারা আরও বেশি সময় বাঁচিয়ে রাখতে পেরেছিল, যেটা অনবদ্য। একদিক থেকে বলা যায়, ওই গবেষণায় তারা আমাদের আগেই সফলতার দেখা পেয়েছে," তিনি বলেন।

"কিন্তু পুনর্যোবন লাভ মানে স্রেফ কয়েকটি অঙ্গকে তরুণ করে তোলা নয়, বরং এর অর্থ পুরো ইঁদুরটিকে পুনরায় তরুণ করে ফেলা যাতে এটি আরও বেশিদিন বাঁচে," সিনক্লেয়ার যোগ করেন। "এ ফলাফলগুলো আমাদের কাছে উপহারের মতো, এবং একইসঙ্গে এগুলো আমাদের গবেষণাপত্রের দাবির প্রমাণ।"

কিন্তু এরপর কী? বয়স কমাতে এখন বিলিয়ন-বিলিয়ন ডলার খরচ করা হচ্ছে, জীবনের ঘড়ির কাঁটা পেছনে ঘোরানোর পদ্ধতি আবিষ্কারের জন্য কড়ি ফেলার লোকের অভাব নেই।

সিনক্লেয়ার জানান, তার গবেষক দলেরা ইঁদুরেরে কোষ একাধিকবার রিসেট করেছেন। অর্থাৎ বয়স কমানোর কাজটাও একাধিকবার করা সম্ভব হতে পারে। বর্তমানে সিনক্লেয়ার প্রাইমেটের মধ্যে জিনগত রিসেট পরীক্ষা করে দেখছেন। কিন্তু মানুষের ওপর বয়স কমানোর পদ্ধতির ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল হতে বেশ কয়েক দশক লেগে যেতে পারে। আর অনুমোদন তো আরও দূরের ব্যাপার।

তবে ক্ষতিকারক প্রভাবকগুলো যেমন এপিজিনকে বিপর্যস্ত করতে পারে, তেমনি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনও এগুলোকে সারিয়ে তুলতে পারে বলে জানান সিনক্লেয়ার।

"এটা সত্য বলেই মনে হয় কারণ যেসব মানুষ স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করেন, অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনকারীদের তুলনায় তাদের জৈবিক বয়স কম হয়," তিনি বলেন।

স্বাস্থ্যকর জীবনের জন্য সিনক্লেয়ার কিছু পরামর্শও দিয়েছেন। উদ্ভিজ্জ খাবার খান, বারবার খাবেন না, পর্যাপ্ত ঘুমান, পেশীর ঘনত্ব ধরে রাখতে দৈনিক অল্প ব্যায়াম করুন, ছোটখাটো বিষয় নিয়ে বেশি মাথা ঘামাবেন না, এবং একটা ভালো সামাজিক দলে যুক্ত থাকুন।

"আমার বার্তাটি হলো, প্রতিটি দিনই গুরুত্বপূর্ণ," সিনক্লেয়ার বলেন। "কৈশোরে হোক বা বয়স ২০-এর কোঠায় হোক; আপনি কীভাবে জীবন যাপন করছেন তা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সময় থেমে থাকছে না, প্রতিদিনই আপনার দেহঘড়ির কাঁটা এগিয়ে চলছে।"

Related Topics

টপ নিউজ

গবেষণা / যৌবন / তারুণ্য / ইঁদুর / বয়স / মানুষ / বয়স কমানো

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • প্রতীকী ছবি: রয়টার্স
    ডলার বর্জন ও ভূ-রাজনৈতিক মেরুকরণ: স্বর্ণের দাম ৮ হাজার ডলারে ওঠার পূর্বাভাস
  • ইলাস্ট্রেশন: টিবিএস
    ১.৬ বিলিয়ন ডলারের কঠিন শর্তের ঋণ অনুমোদন দিল সরকার
  • ওভাল অফিসে ট্রাম্পের দুই পাশে জেডি ভ্যান্স ও পিট হেগসেথকে দেখা যাচ্ছে। ছবি: এএফপি
    জেডি ভ্যান্সের শঙ্কা, ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পকে বিভ্রান্ত করছেন হেগসেথ
  • কলম্বিয়ায় পাবলো এসকোবারের ‘কোকেন জলহস্তী’। ছবি: এপি
    পাবলো এসকোবারের জলহস্তী মারতে চায় কলম্বিয়া, ভারতে এনে বাঁচাতে চান অনন্ত আম্বানি
  • বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ফাইল ছবি: ইউএনবি
    ট্যাক্সে সুবিধা দিতে পারব না, তবে ব্যবসায়ের সব বাধা সরিয়ে দেব: অর্থমন্ত্রী
  • ইলন মাস্ক। ছবি: রয়টার্স
    ওপেনএআই আমার আইডিয়া, লুট হওয়ার আগে এটি চ্যারিটি ছিল: আদালতে ইলন মাস্ক

Related News

  • ১ লাখ বছর ধরে ‘নিষ্ক্রিয়’ মনে করা গ্রিসের বিশাল আগ্নেয়গিরিতে জমছে ম্যাগমা
  • যেভাবে ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে পারে সাধারণ ব্যথানাশক অ্যাসপিরিন
  • মার্কিন পরমাণু বিজ্ঞানীদের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা তদন্তের নির্দেশ ট্রাম্পের
  • কম্বোডিয়ায় ল্যান্ডমাইন শনাক্তকারী বীর ইঁদুর ‘মাগাওয়া’র ভাস্কর্য উন্মোচন
  • ঘুরে ঘুরে তিনি মানুষ খোঁজেন, মানুষের মাঝেই বাঁচার স্বাদ পান

Most Read

1
প্রতীকী ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

ডলার বর্জন ও ভূ-রাজনৈতিক মেরুকরণ: স্বর্ণের দাম ৮ হাজার ডলারে ওঠার পূর্বাভাস

2
ইলাস্ট্রেশন: টিবিএস
অর্থনীতি

১.৬ বিলিয়ন ডলারের কঠিন শর্তের ঋণ অনুমোদন দিল সরকার

3
ওভাল অফিসে ট্রাম্পের দুই পাশে জেডি ভ্যান্স ও পিট হেগসেথকে দেখা যাচ্ছে। ছবি: এএফপি
আন্তর্জাতিক

জেডি ভ্যান্সের শঙ্কা, ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পকে বিভ্রান্ত করছেন হেগসেথ

4
কলম্বিয়ায় পাবলো এসকোবারের ‘কোকেন জলহস্তী’। ছবি: এপি
আন্তর্জাতিক

পাবলো এসকোবারের জলহস্তী মারতে চায় কলম্বিয়া, ভারতে এনে বাঁচাতে চান অনন্ত আম্বানি

5
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ফাইল ছবি: ইউএনবি
বাংলাদেশ

ট্যাক্সে সুবিধা দিতে পারব না, তবে ব্যবসায়ের সব বাধা সরিয়ে দেব: অর্থমন্ত্রী

6
ইলন মাস্ক। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

ওপেনএআই আমার আইডিয়া, লুট হওয়ার আগে এটি চ্যারিটি ছিল: আদালতে ইলন মাস্ক

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net