জনপ্রিয় হয়ে উঠছে নতুন ইমোজি ‘মেল্টিং ফেস’

কখনো কখনো শুধু ভাষাই মনের ভাব প্রকাশের জন্য যথেষ্ট নয়। ভয়, লজ্জা, ক্লান্তি কিংবা অস্বস্তি যখন চরম মাত্রায় পৌঁছে তখন তা আর লিখে প্রকাশ করা সম্ভব হয় না।
এসব অনুভূতির তীব্রতা প্রকাশের জন্যই আসছে 'মেল্টিং ফেস' ইমোজি।
ফেসবুকের নতুন এই ইমোজিতে দেখা যায়, একটা চেহারায় হাসির আভা। হাসির আভা থাকলেও চেহারাটি নিচের দিক থেকে গলে গলে পড়ছে।
এ বছর ৩৭টি নতুন ইমোজির অনুমোদন দিয়েছে ইউনিকোড কনসোর্টিয়াম। প্রতিষ্ঠানটি ডিজিটাল টেক্সটের মান নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। মেল্টিং ফেসের সঙ্গে আরও যেসব ইমোজি অনুমোদন পেয়েছে সেগুলোর মধ্যে আছে 'স্যালুটিং ফেস', 'ডটেড ফেস', 'ডিস্কো বল' ইত্যাদি।
এসব ইমোজি আগামী বছর থেকে ব্যবহার করা যাবে। তবে মেল্টিং ফেস ইমোজি এখনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ব্যবহারকারীরা এই ইমোজিকে করোনা মহামারির ফলে সৃষ্ট বিশাল মনস্তাত্ত্বিক চাপের প্রতিনিধি মনে করছেন।
আবার অনেকের মতে নতুন এই ইমোজি জলবায়ু পরিবর্তন সংকটের প্রতীক।
মেল্টিং ফেস ইমোজি তৈরি করেছেন জেনিফার ড্যানিয়েল ও নিল কন, ২০১৯ সালে। জেনিফার ড্যানিয়েল গুগলে ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর হিসেবে কর্মরত আছেন। নিল কন টিলবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের কগনিশন অ্যান্ড কমিউনিকেশনের অধ্যাপক।
ইমোজি প্রথম তৈরি করেন জাপানি শিগেতাকা কুরিতা, ১৯৯৯ সালে। তিনি ইমোজি বানানোর অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন জাপানি মাঙ্গা থেকে। ইমোজি তৈরি করা হয়েছিল টেক্সটভিত্তিক যোগাযোগের জন্য। কুরিতার বানানো ১৭৬টি ইমোজি এখন মিউজিয়াম অভ মডার্ন আর্টের স্থায়ী সংগ্রহশালায় সংরক্ষিত আছে।