Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Thursday
April 09, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
THURSDAY, APRIL 09, 2026
কবুতরের পাখায় আফ্রিকার খনি থেকে হীরা চুরির ভয়াল কাহিনী   

ফিচার

টিবিএস ডেস্ক
17 July, 2021, 01:35 pm
Last modified: 17 July, 2021, 02:58 pm

Related News

  • ৬০ হাজার বছর আগেই শিকারের হাতিয়ার ছিল বিষাক্ত তীর! 
  • দক্ষিণ আফ্রিকায় শ্বেতাঙ্গদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ; জি২০ সম্মেলনে যোগ দেবে না যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প
  • দক্ষিণ আফ্রিকায় স্বামীরাও এখন নিতে পারবেন স্ত্রীর পদবী, আদালতের রায়
  • কঙ্গোর উদ্ধার কার্যক্রমের ভিডিও দেখিয়ে দ. আফ্রিকায় ‘শ্বেতাঙ্গ কৃষক’ হত্যার অভিযোগ তোলেন ট্রাম্প
  • দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট রামাফোসার কাছে ‘শ্বেতাঙ্গ গণহত্যা’র মিথ্যা অভিযোগ ট্রাম্পের

কবুতরের পাখায় আফ্রিকার খনি থেকে হীরা চুরির ভয়াল কাহিনী   

কোনো খনিশ্রমিক যদি কর্মস্থলে মারা যায়, তার লাশ মাটির নিচেই সমাধিস্থ করা হয়। কাজটা করা হয় অন্য শ্রমিকরা যাতে লাশটা ব্যবহার করে হীরা পাচার করতে না পারে।
টিবিএস ডেস্ক
17 July, 2021, 01:35 pm
Last modified: 17 July, 2021, 02:58 pm
ছবি-রয়টার্স

দক্ষিণ আফ্রিকা। আটলান্টিক উপকূলের একটি ধূলিধূসর খনি শহরের উপকণ্ঠ। লালচে ধুলোর মধ্যে বসে আছে ১৩ বছর বয়সী এমসিজি। কোলে একটা কবুতর—নাম বার্থোলোমিউ।  

এমসিজি, ডি বিয়ার্স কোম্পানির হীরার খনিতে কাজ করে। কবুতরটিকে সে ব্যবহার করে অবৈধ রত্নপাথর পাচার করার জন্য।

ছেলেটির কাশির সঙ্গে রক্ত উঠে আসছে। হিরের কণামিশ্রিত ধুলো ফুসফুসে ঢুকছে বলে রক্তের সঙ্গে কাশি উঠে আসা। যতদিন বাঁচবে, ছেলেটিকে নিশ্বাসের এই সমস্যা নিয়েই বাঁচতে হবে।

আশি বছর ধরে নামিবিয়া-দক্ষিণ আফ্রিকা সীমান্তের এই শহরটির মালিক ডি বিয়ার্স কোম্পানি। বহিরাগতদের এখানে প্রবেশ নিষেধ।

শহরটির স্বর্ণযুগে ডাই স্পারগেবিট-এর (নিষিদ্ধ এলাকা) সবাই ডি বিয়ার্সের জন্য কাজ করত। শহরের কোনো বাসিন্দার বাইরে যাওয়ার অনুমতি ছিল না।

নানা ভোগ-বিলাসের ব্যবস্থা করে শহরের বাসিন্দাদের মনোরঞ্জন করত ডি বিয়ার্স। সুসজ্জিত, খাবার-দাবারে পরিপূর্ণ বাড়ি দেওয়া হতো তাদের। কোম্পানিটি বাচ্চাদের জন্য স্কুল বানিয়ে দিয়েছিল। অবসর কাটানোর জন্য তৈরি করেছিল নানা ধরনের ক্লাব।

স্যাটেলাইট ইমেজে নিষিদ্ধ এলাকার ছবি ঝাপসা করে দেবার জন্য স্যাটেলাইট কোম্পানিগুলোর সঙ্গে গোপন চুক্তিও ছিল ডি বিয়ার্সের।

২০০৭ সালে ডি বিয়ার্সের মনে হয়, এ অঞ্চলের কিছু অংশ থেকে যথেষ্ট পরিমাণ হীরা উত্তোলিত হয়ে গেছে। কাজেই শহরটির দরজা প্রথমবারের মতো সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হতে থাকে।

যদিও এলাকাটির বেশিরভাগই এখনও ডি বিয়ার্সের দখলেই আছে, তবু সীমিত পরিসরে এখন শহরটিতে ঢোকা যায়।

এমসিজির গল্পটা করুণ। নেহাত ঠেকায় পড়ে সে হীরা পাচারের কাজে নেমেছে। ধরা পড়লে শাস্তি হবে ভয়াবহ। কখনও কখনও অনেকে গুম হয়ে যায়, শিশু হলেও নিস্তার নেই। 

কোনো খনিশ্রমিক যদি কর্মস্থলে মারা যায়, তার লাশ মাটির নিচেই সমাধিস্থ করা হয়। কাজটা করা হয় অন্য শ্রমিকরা যাতে লাশটা ব্যবহার করে হীরা পাচার করতে না পারে সেজন্য। 

এমসিজির বগলের নিচে ক্ষত। দড়ির দাগ। প্রতিদিন দড়ি বেঁধে খনির গভীরে নামানো হয় ওকে। সেই দড়ির দাগ স্থায়ী ছাপ ফেলে গেছে ওর বগলের তলায়। খনির তলদেশ খুঁড়ে ধুলিবালিসহ সেই ঝুরঝুরে মাটি বস্তায় ভরে সে। ওসব বস্তা ওপরে তুলে মাটি ছেঁকে হীরা আলাদা করা হয়।

কখনও কখনও বেশ ভালো পরিমাণ হীরা পাওয়া যায়, কোনো কোনো দিন আবার কিছুই পাওয়া যায় না। 

যেদিন বেশি হীরা পায়, সেদিনই বার্থোলোমিউকে কাজে লাগায় এমসিজি। আশপাশে যখন কেউ থাকে না, সেই ফাঁকে পাথর চালান করে দেয় সে।

কিছু শ্রমিক কাপড়ের ভেতর লুকিয়ে কবুতর নিয়ে যায়। এমসিজি অবশ্য বার্থোলোমিউকে খনিতে নিয়ে যায় লাঞ্চবক্সে ভরে। খনিতে ঢোকানোর সময় এক্স-রে মেশিন দিয়ে সবাইকে স্ক্যান করা হয়। তবে শ্রমিকদের ওপর বেশি রেডিয়েশনের ব্যবহার দক্ষিণ আফ্রিকায় নিষিদ্ধ। সেজন্য এক্স-রে মেশিনে তেমন কিছু ধরা পড়ে না।

ধরা পড়ার ঝুঁকি কমাতে কোনো রত্ন পাচারকারী ধরা পড়লে পরের কয়েকটা দিন কবুতর নিয়ে আসে না এমসিজি। সে সময় নিরাপত্তারক্ষীরা স্বভাবতই একটু বেশি সতর্ক থাকে।

এ সময় ধরা পড়লে তারা বার্থোলোমিউকে মেরে ফেলবে। হয় ঘাড় মুচড়ে দেবে, নয়তো মাথায় বলপয়েন্টের খোঁচায় ফুটো করে দেবে, অথবা কামড়ে মাথা ছিঁড়ে নেবে।

মাঝে মাঝে শাস্তিতে একটু বৈচিত্র্যও আসে। তখন ধরা পড়া শ্রমিকের আঙুল ভেঙে ফেলে, নইলে কেটে ফেলে।

স্রেফ সন্দেহের বশে এমসিজির বাঁ হাতের কড়ে আঙুল কেটে নিয়েছে এক প্রহরী।

দক্ষিণ আফ্রিকার খনি শ্রমিকদের বড় একটি অংশই শিশু। জরিপে দেখা গেছে, হীরা খনির ৪৬ শতাংশ শ্রমিকের বয়স পাঁচ থেকে ষোলোর মধ্যে। ছবিটি ২০১৫ সালে এক খনি থেকে তোলা

এক্স-রে মেশিনের বাঁধা পেরোনোর পর এমসিজি কবুতরটাকে জামার ভেতর ঢুকিয়ে নেয়। কাজ করার সময় সে এক ফাঁকে টুক করে জিহবার নিচে হীরা লুকিয়ে রাখে। আশপাশের শ্রমিকরা সেটা দেখে ফেললেও না দেখার ভান করে। 

এমসিজি চুরির হিরেগুলো চারটে থলেতে পুরে দুটো থলে বেঁধে দেয় বার্থোলোমিউর দুই পায়ের সঙ্গে। বাকি দুটো থলে বাঁধে দুই ডানার নিচে।

তারপর কোনো খাদে নিয়ে গিয়ে ছেড়ে দেয় বার্থোলোমিউকে। পাখিটা এমসিজির কুঁড়েতে উড়ে যায়। সেখানে ওর মা হিরেগুলো উদ্ধার করে।

পরে ওই চোরাই হিরে সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র বিক্রেতাদের কাছে বিক্রি করে। কমিশন হিসেবে সামান্য কিছু টাকা পায় এমসিজি।

অনেক চোরাই কারবারি হিরের বিনিময়ে ড্রাগ চায়। বিশেষ করে 'টিক', অর্থাৎ ক্রিস্টাল মেথের চাহিদা বেশি।

শ্রমিকরা যে হীরা চুরির জন্য পোষা কবুতর ব্যবহার করে, তা জানেন ডি বিয়ার্সের কর্মকর্তারা। অবশ্য কোম্পানির প্রহরীদের কাছে সব শ্রমিকই সম্ভাব্য চোর। তাদের বিশ্বাস, অত্র অঞ্চলের সব কবুতরই হীরা চুরিতে ব্যবহার হয়।

মাইনিং কোম্পানিগুলোর চাপে সরকার এসব খনি শহরে কবুতর পালা অবৈধ ঘোষণা করে আইন পাস করেছে। একটি জেলায় তো কবুতর দেখার সঙ্গে সঙ্গে গুলি না করাটাই অবৈধ কাজ।

অনেক সময়ই এক্স-রেতে ধরা পড়ে, কিংবা উড়ন্ত অবস্থায় গুলি খেয়ে বহু কবুতর মারা পড়ে। সেজন্য শ্রমিকরা একটা কবুতরের গায়ে যত বেশি সম্ভব হিরে বেঁধে দেয়। 

এর ফলে দেখা দেয় আরেক বিপত্তি। পাখার সঙ্গে বাঁধা ভারী থলে নিয়ে কবুতরগুলো ঠিকমতো উড়তে পারে না। হিরের ভারে ক্লান্ত-শ্রান্ত পাখিগুলো প্রায়ই ডায়মন্ড কোস্টের সৈকতগুলোতে পড়ে যায়। তখন কবুতরগুলোর গা থেকে হীরা খুলে নেওয়ার জন্য হামলে পড়ে স্থানীয় বাসিন্দারা।

সৈকতে হিরে বাঁধা পাখি পড়ার খবর খনি অঞ্চলে চাপা থাকে না। খবরটা চাউর হওয়ার পর অন্তত একজন শ্রমিক এক আঙুল হারায়। শাস্তির মাত্রা এর চেয়ে ভয়াবহও হতে পারে—চোখ উপড়ে নেয়া; অথবা হাত, কান, পা বা মাথাও কেটে নিতে পারে। শাস্তিটা অনেক সময় আসল অপরাধী পায় না, অনেক সময় ভুল সন্দেহের শিকার হয়ে নিরীহ কোনো শ্রমিকও পায়।

দক্ষিণ আফ্রিকার খনি শ্রমিকদের বড় একটি অংশই শিশু। সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, হীরা খনিতে কাজ করা ৪৬ শতাংশ শ্রমিকের বয়স পাঁচ থেকে ষোলোর মধ্যে।

দক্ষিণ আফ্রিকায় হীরার কারবার ঘিরে ব্যাপক দুর্নীতি চলে। একবার পোর্ট নোলথ নামে এক শহরের সমস্ত সরকারি কর্মকর্তা হীরা চোরাচালানের অপরাধে গ্রেপ্তার হয়েছিল। শহরটির মেয়রের বিছানার নিচে, জুতোর বাক্সের মধ্যে গোলাবারুদের সঙ্গে প্রচুর হীরা পাওয়া যায়।

শ্রমিকেরা কাপড়ের ভেতর লুকিয়ে খনিতে কবুতর নিয়ে যায়। এমসিজি অবশ্য বার্থোলোমিউকে খনিতে নিয়ে যায় লাঞ্চবক্সে ভরে। ছবিটি প্রতীকি

কবুতর ব্যবহার ছাড়াও আরও অনেক কায়দায় খনি থেকে হীরা চুরি হয়। যেমন, অনেকে তামাকের থলেতে হীরা ভরে চর্বি মাখানো মোমের সাহায্যে থলেটা পায়ুপথে ভরে নেয়। একবার এক মহিলা চশমার সকেটে হীরা লুকিয়ে নেওয়ার সময় ধরা পড়ে।

কেউ কেউ আবার বাহু চিরে ক্ষতের মধ্যে হীরা লুকিয়ে রাখে। এইচআইভি সংক্রমণের ভয়ে তখন আহত শ্রমিককে তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ডাক্তার বা নার্স—যার সঙ্গে শ্রমিকের আগে থেকেই আঁতাত করা থাকে—ক্ষতস্থান থেকে হীরা বের করে দেয়। অথবা হীরাটা পরে বের করার জন্য ক্ষতে সেলাই করে দেয়।

অনেক চোরাকারবারির দল আবার সরু সুড়ঙ্গ খুঁড়ে শিশুদের নামিয়ে দেয় খনিতে। ধুলো-কাদায় ভর্তি সুড়ঙ্গে হীরা খুঁজতে খুঁজতে দমবন্ধ হয়ে আসে তাদের। তখন ওপরে উঠে এসে তাজা দম নিয়ে ফের কাজে ফিরে যায় তারা। সুড়ঙ্গগুলোর অবস্থা এত শোচনীয় যে, বেশিরভাগ বাচ্চাকেই মেথ দেওয়া হয়।

হীরা চোরদের শাস্তি দেওয়ার জন্য কোম্পানিগুলোর পোষা 'জল্লাদ' থাকে। এই জল্লাদেরা শ্রমিকদের শাস্তি দিয়ে পৈশাচিক আনন্দ পায়।

অবশ্য ডি বিয়ার্সসহ অন্যান্য হীরা কোম্পানির দাবি, চুরি ঠেকানোর জন্য মাঝেমধ্যে শ্রমিকদের গায়ে হাত তুলতে বাধ্য হলেও, তাদের বিরুদ্ধে আনা বেশিরভাগ নিষ্ঠুরতার অভিযোগ মিথ্যে।

  • সূত্র: ডেইলি মেইল
     

Related Topics

টপ নিউজ

দক্ষিণ আফ্রিকা / হিরার খনি / খনি

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ছবি: রয়টার্স ও এএফপি
    যুদ্ধবিরতির জন্য ১০ দফা প্রস্তাব দিল ইরান, ‘বাস্তবায়নযোগ্য’ বললেন ট্রাম্প
  • সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা চিকিৎসার প্রয়োজনে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত তুলতে পারবেন: বাংলাদেশ ব্যাংক
    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা চিকিৎসার প্রয়োজনে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত তুলতে পারবেন: বাংলাদেশ ব্যাংক
  • ছবি: সংগৃহীত
    বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট: অধস্তন আদালতের ২৮ বিচারককে শোকজ
  • ফাইল ছবি: এএফপি
    ‘অজ্ঞান’ আছেন মুজতবা খামেনি, কোম শহরে চলছে চিকিৎসা: মার্কিন-ইসরায়েলি গোয়েন্দা রিপোর্ট
  • ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর ‘সর্বোচ্চ চাপ’ প্রয়োগের নীতি গ্রহণ করেছিল, যাতে বিশ্ববাজার থেকে দেশটির তেল সরিয়ে দেওয়া যায় এবং তেহরানের আয়ের প্রধান উৎস বন্ধ করা যায়। ছবি: রয়টার্স
    দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা ট্রাম্পের, শর্তসাপেক্ষে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে রাজি ইরান
  • ফাইল ছবি: সংগৃহীত
    সংসদে আইনি স্বীকৃতি পেল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালসহ ৮ অধ্যাদেশ

Related News

  • ৬০ হাজার বছর আগেই শিকারের হাতিয়ার ছিল বিষাক্ত তীর! 
  • দক্ষিণ আফ্রিকায় শ্বেতাঙ্গদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ; জি২০ সম্মেলনে যোগ দেবে না যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প
  • দক্ষিণ আফ্রিকায় স্বামীরাও এখন নিতে পারবেন স্ত্রীর পদবী, আদালতের রায়
  • কঙ্গোর উদ্ধার কার্যক্রমের ভিডিও দেখিয়ে দ. আফ্রিকায় ‘শ্বেতাঙ্গ কৃষক’ হত্যার অভিযোগ তোলেন ট্রাম্প
  • দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট রামাফোসার কাছে ‘শ্বেতাঙ্গ গণহত্যা’র মিথ্যা অভিযোগ ট্রাম্পের

Most Read

1
ছবি: রয়টার্স ও এএফপি
আন্তর্জাতিক

যুদ্ধবিরতির জন্য ১০ দফা প্রস্তাব দিল ইরান, ‘বাস্তবায়নযোগ্য’ বললেন ট্রাম্প

2
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা চিকিৎসার প্রয়োজনে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত তুলতে পারবেন: বাংলাদেশ ব্যাংক
অর্থনীতি

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা চিকিৎসার প্রয়োজনে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত তুলতে পারবেন: বাংলাদেশ ব্যাংক

3
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট: অধস্তন আদালতের ২৮ বিচারককে শোকজ

4
ফাইল ছবি: এএফপি
আন্তর্জাতিক

‘অজ্ঞান’ আছেন মুজতবা খামেনি, কোম শহরে চলছে চিকিৎসা: মার্কিন-ইসরায়েলি গোয়েন্দা রিপোর্ট

5
ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর ‘সর্বোচ্চ চাপ’ প্রয়োগের নীতি গ্রহণ করেছিল, যাতে বিশ্ববাজার থেকে দেশটির তেল সরিয়ে দেওয়া যায় এবং তেহরানের আয়ের প্রধান উৎস বন্ধ করা যায়। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা ট্রাম্পের, শর্তসাপেক্ষে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে রাজি ইরান

6
ফাইল ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

সংসদে আইনি স্বীকৃতি পেল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালসহ ৮ অধ্যাদেশ

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net