ছবিতে ফুটবল ঈশ্বরের স্মরণীয় মুহূর্ত
৬০ বছর বয়সে আজ বুধবার (২৫ নভেম্বর) চিরবিদায় নিয়েছেন ফুটবলের জাদুকর ডিয়াগো ম্যারাডোনা। তার বর্ণাঢ্য ক্রীড়া জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো ছবিতে তুলে ধরা হলো।
১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপ জয়ের পর তা হাতে নিয়ে দেখাচ্ছেন ডিয়াগো ম্যারাডোনা। মাঝখানে নিচের ছবিটিতে সাবেক স্ত্রী ক্লডিয়া ও দুই কন্যা ডালমা আর জেনিনার সঙ্গে।
বর্ণিল ক্রীড়াজীবন ম্যারাডোনার ক্ষেত্রে বলাটা খানিকটা অবিচার। কিন্তু, যেটুকু সময় তিনি ফুটবল মাঠে কাটিয়েছেন, তার মধ্যে দিয়েই তিনি ইতিহাস সেরা খেলোয়াড়দের খাতায় নাম লিখিয়েছেন।
আর্জেটিনায় ঘরোয়া ফুটবল থেকে শুরু করে ইতালিতে তার বিস্ময়কর অর্জন আর সর্বোপরি বিশ্বকাপ জয়, তার জীবন ছিল ফুটবলের গৌরব রচনা আর মাদকাসক্তির কারণে স্বর্গ থেকে পতনের মতোই চমকপ্রদ। তার জীবনের সেরা মুহূর্তগুলো ছবিতে তুলে ধরতেই এ আয়োজন।
পা পায়ের জাদুতে প্রতিপক্ষের দূর্গ গুঁড়িয়ে দিতে তার জুড়ি ছিল না। মুহূর্তেই সব জয় করে নেওয়া ছিল ম্যারাডোনার স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্যের মধ্যে।
ঝড়ের আগে সৌম্য উপস্থিতি: ১৯৮৬ সালে মেক্সিকোতে আয়োজিত বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচ শুরুর আগে ইংল্যান্ড দলের গোলরক্ষক পিটার শিলটনের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছেন ম্যারাডোনা।
উদ্ভট থেকে অসাধারণ দুই গোলের গল্প: ৮৬'র সেই বিশ্বকাপে প্রথমে ঈশ্বরের 'হাত খ্যাত গোল' আর তারপরেই অসামান্য নৈপুণ্যে 'শতাব্দীর সেরা গোল' দুটি করেছিলেন এ জাদুকর।
বিশ্বমান অর্জন: ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার জয়ে ভূমিকা রাখায় ম্যারাডোনাকে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় ঘোষণা করা হয়। চার বছর পর ১৯৯০ সালে তার অনুপ্রেরণাতেই দলটি আবারও বিশ্বকাপের ফাইনাল অবধি যায়।
শিরোপার রাজা: ইতালিয় ক্লাব নেপোলির একজন আইকন হয়ে ওঠেন ম্যারাডোনা। তার হাত ধরেই ১৯৮৯ সালে উয়েফা কাপ আর দুটি লীগ শিরোপা ঘরে ওঠে নেপোলির। তার সম্মানেই ১০ নম্বর জার্সিটিকে অবসর দেওয়া হয়।
ওজনের বিড়ম্বনা: ২০০১ সালের তোলা ছবি। মাদকাসক্তির সাথে সাথে অতিরিক্ত ওজন নিয়ে স্বাস্থ্যগত সমস্যায় ভোগা শুরু করেন তিনি।
২০১০ সালের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের টিম ম্যানেজার ছিলেন ম্যারাডোনা। ছবিতে তাকে আরেক কিংবদন্তি লিওনেল মেসিকে পরামর্শ দিতে দেখা যাচ্ছে। যদিও, সেবার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জার্মানির বিপক্ষে ৪-০ গোলে হেরেই বিদায় নিতে হয় আর্জেন্টাইনদের।
