Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Sunday
July 05, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
SUNDAY, JULY 05, 2026
মুর্তজা বশীরের শেষ আত্মপ্রতিকৃতি ও একটি সাক্ষাৎকার

ইজেল

মোহাম্মদ আসাদ
17 August, 2023, 06:35 pm
Last modified: 17 August, 2023, 06:37 pm

Related News

  • যশোর রোডের অ্যালেন গিন্সবার্গের ১০০
  • ম্যাজিক বুট, টোটাল ফুটবল, স্বৈরশাসকের উৎসব এবং ‘ইশ্বরের হাত’
  • ৯০ মিনিটের ক্যানভাসে তুলির আঁচড়
  • নিখুঁত গোলকের খোঁজে: বিবর্তনের মাঠে ছুটছে ফুটবল
  • লন্ডনের কুয়াশা থেকে বিশ্ববাসীর পায়ের জাদু: ফুটবল যেভাবে ছড়াল বিশ্বজুড়ে

মুর্তজা বশীরের শেষ আত্মপ্রতিকৃতি ও একটি সাক্ষাৎকার

মোহাম্মদ আসাদ
17 August, 2023, 06:35 pm
Last modified: 17 August, 2023, 06:37 pm
মুর্তজা বশীর (জন্ম: ১৭ আগস্ট ১৯৩২)

মুর্তজা বশীরের আত্মপ্রতিকৃতি-বিষয়ক চিত্রমালা দেখে বিস্মিত না হয়ে উপায় নেই। ঢাকায় চারুকলায় ছাত্রাবস্থা থেকে শুরু করে মৃত্যুর আগপর্যন্ত তিনি আত্মপ্রতিকৃতি এঁকেছেন। সে ধারা অব্যাহত রেখেছেন জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত। শুধু আঁকার জন্য আঁকা এমন নয়, অনেক গুরুত্বপূর্ণ পেইন্টিংয়ে উপস্থাপন করেছেন নিজেকে। ৭০ বছরের দীর্ঘ এই জীবনে তাঁর মুখাবয়বের একটি ধারাবাহিক চিত্র পাওয়া যায় এই কাজগুলো থেকে। বশীর স্যারের শেষ জীবনে একটানা সাত বছর তাঁকে কাছ থেকে গভীরভাবে দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল আমার। আমার আগ্রহ ছিল তাঁর আঁকা একটি আত্মপ্রতিকৃতি সংগ্রহ করার। দু-একবার বলেছি। স্যারের সহজ জবাব, 'আমার সেলফপোর্ট্রটে কাউকে দেই না।' একবার নতুন পেন্সিল পরীক্ষা করতে গিয়ে একটি সেলফপোর্ট্রেট আঁকার চেষ্টা করেন। পরে সেটা তাঁর পছন্দ হয়নি, স্বাক্ষরও করেননি। ২০১৭ সালে শিল্পী অলকেশ ঘোষ বশীর স্যারের একটি পোর্ট্রেট করে আমাকে দেন। সেটা দেখে স্যার খুব প্রশংসা করেন। বললেন, অলকেশ আমার চোখটা খুব ভালো লক্ষ্য করেছে। স্যারের বড় মেয়ে মুনীরা বশীর যুই আপা একদিন ফোন করে বললেন, 'আসাদ ভাই, বাবা পোর্ট্রটো খুব পছন্দ করেছেন। সেটা আমাকে দিতে বলেছেন। তার বদলে আপনাকে একটা সেলফপোট্রেট এঁকে দিবে। আপনি তো বাবার সেলফপোর্ট্রটে চেয়েছিলেন।' আমি সেদিনই কাজটা দিয়ে এসেছি। আর স্বপ্ন দেখছি মুর্তজা বশীরের আত্মপ্রতিকৃতি পাওয়ার। কিন্তু সে সময় আর আসে না। যুই আপা বশীর স্যারকে বলছেন, বাবা, আসাদ ভাইয়ের ওয়াদা পূরণ করেন। স্যার তখন খুবই অসুস্থ ছিলেন। এক সকালে স্যার আমাকে ডেকে নিয়ে বললেন, 'তোমার সেলফপোর্ট্রটে হয়ে গেছে, আর সামান্য একটু কাজ করব।' এই বলে তাঁর শোয়ার ঘরে স্টিলের আলমারির আয়নায় দাঁড়িয়ে পেন্সিল দিয়ে ঘষে ঘষে কাজটি সম্পূর্ণ করেন। সেখানে আমি তাক করে রাখলাম ক্যামেরা। এভাবেই মুর্তজা বশীর জীবনের শেষ আত্মপ্রতিকৃতিটি এঁকেছিলেন। সে কাজটি এখন মুর্তজা বশীর ট্রাস্টের সংগ্রহে। কাজটি শেষ হওয়ার পর আত্মপ্রতিকৃতি নিয়ে আলাপ হয়েছিল, সেখানেও ভিডিও ক্যামেরা অন ছিল। রেকর্ডের আগেও কিছু কথা হয়েছিল। পৃথিবীতে কি আর কেউ এত সেলফপোর্ট্রটে করেছে? উত্তরে স্যার বলেছিলেন, 'হ্যাঁ, করেছে। রেমব্রান্ট করেছে, পিকাসো করেছে।' ১২ মে ২০১৭ সালে ধারণকৃত ভিডিও রেকর্ডে আত্মপ্রতিকৃতি নিয়ে সাক্ষাৎকারটি পাঠকের কাছে এখানে তুলে ধরছি:  

প্রশ্ন: আপনি এত সেলফপোর্ট্রেট করতে গেলেন কেন?

বশীর: বেসিক্যালি আমি খুব লোনলি, খুব নিঃসঙ্গ মানুষ। তার কারণ হলো, আমার জন্মের আগে আমার মা পড়ে গেছিলেন। ফলে আমার হাত বেরিয়ে গেছিল। জন্মের দুই দিন আগে। আমার মা বসতে পারত না, শুতে পারত না। ১৯৩২ সালের কথা। তখন সাইন্স এতটা ডেভলপ হয়নি। তখন ইউনিভার্সিটির (ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়) ডাক্তার ছিল ডাক্তার বোস। সে বলল প্রসূতিকে বাঁচাতে হলে সন্তানকে মেরে ফেলতে হবে। নইলে বাইরে থেকে জার্ম (প্রবেশ করবে)। কিন্তু আমার মা মারেনি। আমি জন্মগ্রহণ করার পর আমার মা বমি করল, রক্তবমি। তার দাঁতে পাইরিয়া ছিল। সামনের দাঁত সব ফেলে দিয়েছিল। আলসার ছিল। 

আমার মা সব সময় বলত, তুই জন্মের আগেও জ্বালিয়েছিস, এখনো জ্বালাস। ফলে আমার মধ্যে ছোটবেলা থেকেই ছিল, আমাকে কেউ চায় না। বাড়িতে আমরা চার ভাই থাকি। দুই ভাইয়ের বউ থাকে। ডাইনিং টেবিলে বসলাম, মনে করো পুডিং (বানিয়েছে)। ভাবিদের জন্য ভাবিরা রাখছে। আমি দেখলাম, বাড়িতে ছয়জন, (টেবিলে) আছে চারটা (পুডিং)। তার মানে আমারটা নাই। একটা বাজে অবস্থা। ভাবি বলছে, বকুল খাও। আমি (বলছি)—না, আমি খাব না। আমার মনে হচ্ছে আমারটা নাই। অন্যরা কিন্তু নিয়ে খেয়ে ফেলছে। আমি খেতে পারছি না। এটা একটা সাইকিক ঘটনা। বড় হয়ে যখন বন্ধুবান্ধবের (সঙ্গে মিশেছি), আমার বন্ধুবান্ধবের সংখ্যাও কম ছিল, খুব লিমিটেড। আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু যাদের মনে করছি, পরবর্তীকালে তাদের ব্যবহারে... (কষ্ট পেয়েছি)। আমি তাদের নাম বলব না। 

যখন আমি একা হয়ে যাই। আমার মনে অনেক কষ্ট। তখন আমি আয়নার সামনে দাঁড়াই। আয়নাতে যে লোকটাকে দেখি, সে আমি কিন্তু আমি না। আমার প্রতিবিম্ব। তাকে আমার সবচেয়ে নির্ভরশীল মনে হয়। এ আমাকে ছেড়ে যাবে না। তখন, তুমি দেখবা আমার বেশির ভাগ সেলফপোর্ট্রটে খুব স্যাড। খালি একটা একটু স্মাইলিং আছে। বেশির ভাগ হলো গম্ভীর। আমার যখন চোখে ক্যাটার‌্যাকট করল, আমি খুলে যখন দেখলাম চোখে ব্যান্ডেজ বাঁধা; যন্ত্রণা হচ্ছে। আমি ওইটাও আঁকছি। আমি ইউনাইটেড হসপিটালে টয়লেটে গেলাম। আয়নায় দেখি খোঁচা খোঁচা দাড়ি। বুকে ইনজেকশন দেয়ার ক্যানুলা লাগানো। আমার মেয়েকে বললাম, যুই আমার খাতা এনে দিস তো; আমি আমার সেলফপোর্ট্রেট করব। আমি প্রায় ১২০-১২৫টার মতো সেলফপোর্ট্রটে করছি। বেশির ভাগ ড্রইং। অয়েলে খুব কম করছি। প্যাস্টেলে কিছু করছি। সেলফপোর্ট্রেট করার পেছনে কারণ হলো, আমি যে বললাম—আমি বেসিক্যালি খুব নিঃসঙ্গ। এই যে (আয়নায়) যাকে আমি দেখি, সে আমার খুব আপনজন। সে আমার সঙ্গে বিট্রে করবে না। কারণ, বন্ধুবান্ধব আমার সঙ্গে বিট্রে করছে। তুমি তোমার একটা ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে তোমার একটা ব্যক্তিগত ব্যাপার বলছ, কিন্তু সে ওইটা প্রকাশ কইরা দিছে। তারপর তুমি ইমোশনাল সিচুয়েশনের মধ্যে পইড়া গেছ। এই কারণেই আমার সেলফপোর্ট্রেট আঁকা। আর সময়টাকে ধইরা রাখা। 

প্রশ্ন: এই সেলফপোর্ট্রেটগুলো নিয়ে কোনো এক্সিবিশিন করেছেন?

বশীর: করছি না! সবগুলো না, কিছু সিলেকটেড কাজ দিয়ে করছি। একবার করছি '৯৩তে। আমার সেলফপোর্ট্রেট আর আমার কবিতা দিয়ে। নির্ঝরের যোজন গ্যালারিতে। ২০০৫-০৬-এ আমার এক্সিবিশন হলো বেঙ্গলে। ওখানে আমার ১০টা না ১২টা সেলফপোর্ট্রেট ছিল। 

প্রশ্ন: সবগুলো সেলফপোর্ট্রেট আপনার কাছেই আছে?

বশীর: সবই আছে আমার কাছে। একটা-দুইটা হয়তো বিক্রি করছি। হয় কোনো পত্রিকার জন্য, আমি প্রথম আলোর জন্য আঁইকা দিছিলাম। ওইটা আর ফেরত দেয় নাই। নাসির আলী মামুনের কাছে কিছু আছে।

Related Topics

টপ নিউজ

মুর্তজা বশীর / শিল্পী / ইজেল

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • পাকিস্তানের উদ্দেশে যাত্রাপথে শ্রীলঙ্কার কলম্বো বন্দরে ‘পিএনএস হ্যাঙ্গর’। ছবি: এক্স/শ্রীলঙ্কান নেভি
    পাকিস্তানের প্রথম উন্নত স্টেলথ সাবমেরিন যেভাবে ভারতের সঙ্গে শক্তির সমীকরণ বদলে দিতে পারে
  • মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স
    আমি ভেবেছিলাম মানুষ তাকে ঘৃণা করে: খামেনির জানাজায় ইরানিদের শোক দেখে 'স্তম্ভিত' ট্রাম্প
  • ইনফোগ্রাফ: টিবিএস
    ৫ বছরের মন্দা কাটিয়ে আবারও ঘুরে দাঁড়াচ্ছে দেশের মোটরসাইকেল বাজার
  • রাশিয়ার মস্কোয় একটি তেল শোধনাগারে ইউক্রেনীয় হামলার পর আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী। ছবি: সংগৃহীত
    মস্কোকে 'বাঁচাতে' চাকরির ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিয়ে ড্রোন অপারেটর খুঁজছে রাশিয়া, বেতন দেড় লাখ রুবল
  • নতুন গবেষণা অনুসারে, বিশ্ব উত্তপ্ত হওয়ার সাথে সাথে অ্যাসপারগিলাস নামক ছত্রাকের বিস্তার বাড়তে পারে। ছবি: রয়টার্স
    শরীরকে 'ভেতর থেকে খেতে শুরু করে' ছত্রাক: বৈশ্বিক উষ্ণায়নের সঙ্গে বাড়তে পারে এর বিস্তার
  • ভারতের একটি স্কুলে শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিল দেওয়া হচ্ছে। ছবি: এপি
    পশ্চিমবঙ্গে স্কুলের দুপুরের খাবারে ডিম বাদ দিয়ে নিরামিষ দেওয়ার সিদ্ধান্তে বিতর্ক

Related News

  • যশোর রোডের অ্যালেন গিন্সবার্গের ১০০
  • ম্যাজিক বুট, টোটাল ফুটবল, স্বৈরশাসকের উৎসব এবং ‘ইশ্বরের হাত’
  • ৯০ মিনিটের ক্যানভাসে তুলির আঁচড়
  • নিখুঁত গোলকের খোঁজে: বিবর্তনের মাঠে ছুটছে ফুটবল
  • লন্ডনের কুয়াশা থেকে বিশ্ববাসীর পায়ের জাদু: ফুটবল যেভাবে ছড়াল বিশ্বজুড়ে

Most Read

1
পাকিস্তানের উদ্দেশে যাত্রাপথে শ্রীলঙ্কার কলম্বো বন্দরে ‘পিএনএস হ্যাঙ্গর’। ছবি: এক্স/শ্রীলঙ্কান নেভি
আন্তর্জাতিক

পাকিস্তানের প্রথম উন্নত স্টেলথ সাবমেরিন যেভাবে ভারতের সঙ্গে শক্তির সমীকরণ বদলে দিতে পারে

2
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

আমি ভেবেছিলাম মানুষ তাকে ঘৃণা করে: খামেনির জানাজায় ইরানিদের শোক দেখে 'স্তম্ভিত' ট্রাম্প

3
ইনফোগ্রাফ: টিবিএস
অর্থনীতি

৫ বছরের মন্দা কাটিয়ে আবারও ঘুরে দাঁড়াচ্ছে দেশের মোটরসাইকেল বাজার

4
রাশিয়ার মস্কোয় একটি তেল শোধনাগারে ইউক্রেনীয় হামলার পর আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী। ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

মস্কোকে 'বাঁচাতে' চাকরির ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিয়ে ড্রোন অপারেটর খুঁজছে রাশিয়া, বেতন দেড় লাখ রুবল

5
নতুন গবেষণা অনুসারে, বিশ্ব উত্তপ্ত হওয়ার সাথে সাথে অ্যাসপারগিলাস নামক ছত্রাকের বিস্তার বাড়তে পারে। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

শরীরকে 'ভেতর থেকে খেতে শুরু করে' ছত্রাক: বৈশ্বিক উষ্ণায়নের সঙ্গে বাড়তে পারে এর বিস্তার

6
ভারতের একটি স্কুলে শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিল দেওয়া হচ্ছে। ছবি: এপি
আন্তর্জাতিক

পশ্চিমবঙ্গে স্কুলের দুপুরের খাবারে ডিম বাদ দিয়ে নিরামিষ দেওয়ার সিদ্ধান্তে বিতর্ক

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net