১২ মার্চ আসছে ৩ হাজার কোটি টাকার ‘বাংলাদেশ সরকার বিনিয়োগ সুকুক’

আগামী ১২ মার্চ আসছে ৩ হাজার কোটি টাকার ৫ম 'বাংলাদেশ সরকার বিনিয়োগ সুকুক'- বন্ডের নিলাম অনুষ্ঠিত হবে।
ইজারাকৃত ইসলামী ধারার এই সুকুক সম্পদ ব্যবহারের বিপরীতে সরকার/অরিজিনেটর বিনিয়োগকারীদের বার্ষিক ৯.২৫ শতাংশ হারে ষাণ্মাসিক ভিত্তিতে ভাড়া প্রদান করবে। এর মেয়াদ হবে ৭ বছর।
আজ বৃহষ্পতিবার "পল্লী সড়কে গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ (২য় পর্যায়) (সিআইবিআরআর-২)" শীর্ষক প্রকল্পের বিপরীতে 'সিআইবিআরআর-২ আর্থ-সামাজিক সুকুক' নামে জারি করার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের 'শরীয়াহ এডভাইজরি কমিটি'র সভায় সুকুক প্রসপেক্টাস ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় দলিলাদি চূড়ান্ত করে কমিটির সদস্যরা শরীয়াহ ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেছেন।
এই সুকুক বন্ড সামাজিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বিপরীতে জারি করা হবে— যার মাধ্যমে গ্রামীণ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা ও প্রকল্প এলাকার আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষি ও অকৃষি পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা সহজীকরণ ও ব্যয় হ্রাস এবং স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদে কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।
উল্লেখ্য, সুকুক জারির পরিমাণ এর ৭০ শতাংশ শরীয়াহ্ভিত্তিক ব্যাংক, ফাইন্যান্স কোম্পানি ও বীমা কোম্পানি, ১০ শতাংশ প্রচলিত ব্যাংকসমূহের ইসলামিক শাখা ও উপশাখা এবং দেশি-বিদেশি ব্যক্তি পর্যায়ের বিনিয়োগকারীদের সুকুকে বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে ২০ শতাংশ সুকুক ব্যক্তি, প্রভিডেন্ট ফান্ড, ডিপোজিট ইন্সুরেন্স প্রভৃতি বিনিয়োগকারীদের অনুকূলে বরাদ্দ দেওয়া হবে।
প্রচলিত ধারার সব ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বিমা কোম্পানি— শর্তসাপেক্ষে নিলামে অংশগ্রহণ করতে পারবে। তবে, উল্লিখিত তিনটি শ্রেণিতে প্রয়োজনীয় সাবস্ক্রিপশন না পাওয়া গেলে, তাদের মধ্যে অবশিষ্ট সুকুক আনুপাতিক হারে বরাদ্দ দেয়া হবে।
নিবাসী ব্যক্তি পর্যায়ের বিনিয়োগকারীরা তাদের নিজস্ব ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সুকুকে বিনিয়োগ করতে পারবেন। অনিবাসী ব্যক্তি বা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে কার্যরত যেকোনো ব্যাংকে তাঁর/তাদের নামে পরিচালিত অনিবাসী বৈদেশিক মুদ্রা হিসাব অথবা অনিবাসী টাকা হিসাবের মাধ্যমে সুকুকে বিনিয়োগ করতে পারবে, এবং মুনাফা, বিক্রয়লব্ধ অর্থ ও মেয়াদপূর্তিতে প্রাপ্ত আসল বৈদেশিক মুদ্রায় (সকল প্রকার প্রযোজ্য ফি এবং/অথবা কর কর্তনপূর্বক) প্রত্যাবাসন করতে পারবে।