শুরু হলো অনলাইন প্রতিযোগিতা ‘কুইজ চ্যালেঞ্জ’
"সাধারণ জ্ঞান নিজে জানো, দেশকে জানাও" এই স্লোগান সামনে রেখে শুরু হলো ইএমকে সেন্টার নিবেদিত অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতা "কুইজ চ্যালেঞ্জ"। মূলত সাধারণ জ্ঞানের চর্চাকে উৎসাহিত করতেই এই আয়োজন।
আয়োজনটির মিডিয়া পার্টনার দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, নলেজ পার্টনার বিজনেস কেস রিসার্চ কাউন্সিল (বিসিআরসি), কনটেন্ট পার্টনার চলতি ঘটনা, ট্রাভেল পার্টনার ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ও ফুড এন্ড বেভারেজ পার্টনার রয়েল কুইজিন। আয়োজনটির উদ্যোগে আছে স্কিলএইড বাংলাদেশ।
গত ১লা ফেব্রুয়ারি আয়োজিত ভার্চ্যুয়াল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিযোগিতার বিচারক ও প্রধান মান নিয়ন্ত্রক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএর অধ্যাপক রিদওয়ানুল হক, অপর বিচারক লিংক থ্রি টেকনোলজির চিফ কমার্শিয়াল অফিসার জীশান কিংশুক হক, মাসিক চলতি ঘটনা ম্যাগাজিনের সহকারী সম্পাদক মোসাব্বের হোসেন, আয়োজনটির মান পর্যালোচনাকারী এবি ব্যাংক লিমিটেডের সার্ভিস কোয়ালিটি ব্যবস্থাপক অমৃতা সাহা এবং স্কিলএইড বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা মো. মাসুদ।
রিদওয়ানুল হক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন এবং আয়োজনটির বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। তিনি আরও বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লব মোকাবেলা ও করোনা পরিস্থিতিতে জ্ঞানচর্চায় যে পরিবর্তন এসেছে তার জন্য এই আয়োজনটি অংশগ্রহণকারীদের জন্য সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
জীশান কিংশুক হক বলেন, সুস্থ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নিজেকে যাচাই করার সুযোগ পাওয়া যায়। প্রতিযোগিতায় হার-জিত বড় বিষয় নয়। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নতুন কিছু শেখাই বড় ব্যাপার। এই আয়োজনটি সবার জন্য নতুন কিছু শেখার সুযোগ তৈরি করবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মোসাব্বের হোসেন বলেন, চাকরি পরীক্ষা, ভর্তি পরীক্ষা ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি গ্রহণে এই আয়োজনটি অংশগ্রহণকারীদের জন্য দারুণভাবে কাজে আসবে। তিনি মনে করেন, এমন প্রতিযোগিতা সৃজনশীলতা বৃদ্ধি ও শুদ্ধ জ্ঞানচর্চাকে এগিয়ে নিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে।
অমৃতা সাহা বলেন, এই অনলাইন আয়োজনটি ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের অংশ হিসেবে ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও বলেন, প্রতিযোগীরা এই করোনা পরিস্থিতিতে ঘরে বসেই এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবে এবং প্রতিযোগিতার প্রতিটি ধাপে এগিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে একটি ভালো অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবে।
বর্তমান সময়ে ভর্তি পরীক্ষা কিংবা চাকরি পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞানের ভূমিকা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই উল্লেখ করে মো. মাসুদ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী সকলের জন্য আগাম শুভকামনা জানান।
উচ্চমাধ্যমিক পাশ যেকোনো বাংলাদেশি নাগরিক এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। উপহার হিসেবে থাকবে ল্যাপটপ কম্পিউটার, ট্যাব, এয়ার টিকিট, বই, ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট। সেরা ১০০ জন পাবেন বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ।
বিস্তারিত জানা যাবে স্কিলএইড বাংলাদেশ ও ইএমকে সেন্টারের ফেসবুক পেজ থেকে।
