ধর্ষণের শিকার গলাকাটা শিশুটি হাঁটছে: এরপরেও কি রাষ্ট্র চুপ থাকবে?
গলাকাটা অবস্থায় একটি শিশু জঙ্গলে হাঁটছিল। তার কথা বলার শক্তি নেই, কারণ শিশুটির শ্বাসনালি কাটা অবস্থায় ঝুলছিল। রক্তে ভেসে যাচ্ছিল তার ছোট্ট শরীর—না, এটি কোনো হরর মুভির দৃশ্য নয়; এটি আমাদের দেশে ঘটে যাওয়া আরেকটি পাশবিক ঘটনা। জবাই করার আগে সাত বছরের এই শিশুটিকে ধর্ষণও করা হয়েছে।
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্ক এলাকায় দ্বিতীয় শ্রেণির শিশুকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করেছেন স্থানীয় মানুষ। শিশুটি খুবই আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সকালটা শুরু হলো এরকম বীভৎস ঘটনার কথা শুনে।
নতুন বছরে, নতুন সরকারের শাসনামলে ভেবেছিলাম ধর্ষণ বিষয়টা নিয়ে হয়তো আর লিখতে হবে না। কিন্তু ভুল ভেবেছিলাম; কারণ চলতি বছরের শুধু জানুয়ারি মাসেই ৩৫ জন নারী ও মেয়েশিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ১০ জন গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। দুজনকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।
ধর্ষণের ঘটনা ঘটার পর সবসময়ই প্রশ্ন ওঠে রাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে। কারণ আইন বিশেষজ্ঞরা বলেন, আদালত একা ন্যায়বিচার দিতে পারে না; কারণ মামলা দায়ের, তদন্ত পরিচালনা এবং সাক্ষী উপস্থাপনের ৯৯ শতাংশ প্রক্রিয়াই রাষ্ট্র পরিচালিত। ত্রুটিপূর্ণ এই ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থার অভাব আছে। আর সেই আস্থাহীনতার কারণেই ভুক্তভোগীরা মামলা এবং অভিযোগ দিতে নিরুৎসাহিত বোধ করেন, যা শেষপর্যন্ত ন্যায়বিচারকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
দেশের বিভিন্ন স্থানে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনাগুলো নতুন সরকারের প্রতি একধরনের সতর্কবার্তা। ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে দেশে অন্তত পাঁচটি নৃশংস ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে তিনজনকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। (সূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড)
নরসিংদীর মহিষাশুড়া ইউনিয়নে ধর্ষণ, এরপর বিচার চাইতে গিয়ে হুমকি, এলাকা ছাড়ার চাপ এবং শেষপর্যন্ত কিশোরীটিকে অপহরণ ও হত্যা করা হয়। এমনিতেই নানা কারণে ধর্ষণের বিচার চায় খুব অল্পসংখ্যক মানুষ। এর ওপর যদি ধর্ষণের শিকার মেয়েটিকে বিচার চাওয়ার কারণে গৃহত্যাগ করতে হয় এবং শেষপর্যন্ত নিহত হতে হয়, তাহলে কীভাবে একজন ভিকটিম বা তার পরিবার বিচার চাইবে?
ধর্ষণের বিচার চাইতে গিয়ে নারীরা আদালতেও যন্ত্রণাদায়ক পরিস্থিতির মুখোমুখি হন। একে উপেক্ষা করে তাঁর ও তাঁর পরিবারের পক্ষে ৮-১০ বছর পর্যন্ত মামলা টেনে নিয়ে যাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে। অভিযোগকারীদের পক্ষে মামলার ব্যয়, সামাজিক চাপ এবং দীর্ঘ লড়াই চালিয়ে যাওয়া খুব কঠিন।
আমরা দেখেছি রেপ ভিকটিমকে সামাজিক হয়রানির হাত থেকে বাঁচানোর জন্য তাঁর পরিবার ঘরবাড়ি ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছে। নরসিংদীর ঘটনায় দেখলাম এভাবে চলে যাওয়ার সময় ভিকটিমকে ছিনিয়ে নিয়ে হত্যা করেছে দুষ্কৃতকারীরা। মানে দাঁড়ালো এই যে, ভিকটিমকে বিচার চাইতে ও বাঁচতে দেওয়া হবে না। মামলা করলেই যে একজন ভিকটিম বিচার পাবেন, এর কোনো নিশ্চয়তা নেই। সেই সাথে তাঁকে হত্যাও করা হতে পারে; তাহলে কেন তারা বিচার চাইবে?
সম্প্রতি ঘটে যাওয়া নরসিংদীর ঘটনা বিচ্ছিন্ন নয়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ভোলায় বাকপ্রতিবন্ধী গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, হাতিয়ায় এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ, পাবনায় এক কিশোরীকে ধর্ষণ করে হত্যার সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো দেখায়—এই দেশে নারী ও কিশোরীরা কখনো নিরাপদ নয়। দায়মুক্তির সংস্কৃতি কতটা ভয়ংকর হয়ে উঠেছে, তা ধর্ষণ ঘটনার এই ধারাবাহিকতা দেখে বোঝা যাচ্ছে। আসলে কোনো সরকারের আমলেই নারী নিরাপদ নয়।
২০২৫ সালে মোট ৭৪৯ জন নারী ও মেয়েশিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ১৪০টি গণধর্ষণ। ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ৩৬ জনকে। (সূত্র: আইন ও সালিশ কেন্দ্র)। আইন ও বিশেষ ট্রাইব্যুনাল থাকা সত্ত্বেও প্রতিরোধ ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত হয় না বলে কঠোর আইন কাগজেই সীমাবদ্ধ থাকে, কাজে আসে না।
ধর্ষণকারীর সাথে প্রায় সবসময়ই প্রভাবশালী রাজনীতিক, ব্যবসায়ী, কালোবাজারি, মাস্তান-সন্ত্রাসীদের যোগাযোগ থাকে। ফলে আইনের শাসন কার্যকর হয় না। বিচার চাইতে গিয়ে যদি কাউকে জীবন দিতে হয়, তবে বুঝতে হবে আইনের শাসন কার্যকর নেই। মাঝে মাঝে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এটি ইতিবাচক পদক্ষেপ, কিন্তু এখানেই যেন দায়িত্ব শেষ না হয়। বিচার শেষপর্যন্ত না হলে ধর্ষণের শিকার মেয়ে ও তার পরিবারের কোনো লাভ হয় না।
গ্রামেগঞ্জে মানুষ বিচার চাওয়ার জন্য থানার চেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তির কাছে বেশি যায়। দরিদ্র ও ক্ষমতাহীন মানুষের মধ্যে রয়েছে আস্থার ঘাটতি ও ভয়। যদি মানুষ নিশ্চিত থাকতো যে অভিযোগ করলে তাৎক্ষণিক মামলা নেওয়া হবে, নিরাপত্তা দেওয়া হবে এবং অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে, তাহলে তারা সালিস প্রক্রিয়ায় যেত না। বিচার প্রক্রিয়ার দেরি ও প্রভাবশালীদের প্রভাবের ধারণাই অপরাধীদের দুর্বিনীত করে তোলে।
এই ভয় ও প্রভাবের কারণে প্রায় সব ধর্ষণ মামলার ক্ষেত্রেই দেখা যায় ধর্ষণের অভিযোগ আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধিত হয় না, ধামাচাপা দেওয়া হয়, পরিবারকে এলাকা ছাড়ার চাপ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও রাষ্ট্রের তাৎক্ষণিক দায়িত্ব।
ধর্ষণ মামলার পূর্ণাঙ্গ ও স্বচ্ছ তদন্ত, জড়িত সবার জবাবদিহিতা এবং দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিই হতে পারে ভুক্তভোগীদের কাছে আইনের প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনার পথ। ন্যায়বিচার কেবল একটি পরিবারের দাবি নয়, এটি সমাজের নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রের নৈতিক ভিত্তির শর্ত। অনানুষ্ঠানিক সালিসের যে প্রবণতা দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে, তা অনেক সময় ভুক্তভোগীকে আরও ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেয়।
আমাদের দেশে ধর্ষণ ও যৌন হয়রানির ঘটনাগুলো নানাভাবে ধামাচাপা পড়ে যায়, বিশেষ করে সমাজের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে। ২০১৮ সালে করা মানবাধিকার সংগঠন ব্লাস্টের 'হোয়াই রেপ সারভাইভারস স্টে আউট অব কোর্ট: লেসনস ফ্রম প্যারালিগাল ইন্টারভেনশনস' শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনের একটি কেস স্টাডির অংশ এখানে তুলে ধরছি।
২০১৮ সালে মাত্র ১০ বছর বয়সে যৌন সহিংসতার ভয়াবহতার শিকার হয় মরিয়ম (ছদ্মনাম)। পরিবারের সঙ্গে যে বস্তিতে মরিয়ম থাকতো, সেখানে এক মধ্যবয়সী লোক তাকে ধর্ষণ করে। সেদিন ছোট্ট সেই শিশুটি তার জীবনে ঘটে যাওয়া ভয়ংকর সেই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছিল তার দাদি ও বস্তির অন্যান্য নারীর কাছে; যাদের মধ্যে একজন অ্যাক্টিভিস্টও ছিলেন।
তবে মেয়েটির দাদি নাতনির সঙ্গে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক ঘটনার বিচার না চেয়ে 'সামাজিক অসম্মানে'র কথা চিন্তা করে চুপ থাকাই ভালো মনে করেন। বস্তির সেই অ্যাক্টিভিস্ট শিশুটির আইনি সহায়তা পাওয়ার চেষ্টা করলেও কেবল দাদি নয়, অন্যদের কাছেও মুখ্য হয়ে ওঠে 'সামাজিক মর্যাদা'র বিষয়টি। এমনকি যখন পুলিশ আসে, তারা ঘটনাটিকে 'নেহাত গুজব' বলে উড়িয়ে দেয়। যার ফলে সেই ধর্ষক একরকমের দায়মুক্তি পেয়ে যায় বস্তির অন্যান্য শিশু ও নারীকে যৌন সহিংসতার ক্ষেত্রে।
তারপর ৮ বছর পার হয়ে গেছে, কিন্তু বাংলাদেশে এই পরিস্থিতির খুব সামান্যই পরিবর্তন হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ধর্ষণের মামলার ক্ষেত্রে সমস্যা রয়েই গেছে। ধর্ষণের ঘটনার এক-তৃতীয়াংশেরই মামলা হয় না। আর মামলা না হওয়া মানে বিচার না হওয়া। ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া গণমাধ্যমকে বলেছেন, 'আমরা হিসাব করে দেখেছি প্রতি ১০০টি ঘটনার মধ্যে প্রায় ৩০টি ঘটনারই রিপোর্ট হয় না। যে দলই ক্ষমতায় থাকুক না কেন, সামাজিক ক্ষমতার গতিপ্রকৃতি একই থাকে।' এর অন্যতম কারণ আইনি সহায়তার অভাব।
নারীর প্রতি যৌন হয়রানি, সহিংসতা ও ধর্ষণ কমাতে আইন হয়েছে, কিন্তু কোনো মৌলিক সামাজিক পরিবর্তন হয়নি। বরং নিরাপত্তাহীনতা, বিচার ব্যবস্থার প্রতি অনাস্থা এবং আইনি প্রক্রিয়ার ধীরগতি ও সংশয় ধর্ষকদের দায়মুক্তি দিয়েই চলেছে। ধর্ষণ মামলাগুলো ১৮০ দিনের মধ্যে শেষ করার সময়সীমা থাকলেও অধিকাংশই অমীমাংসিত থেকে যায়। আর দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ঘটনাও খুবই কম দেখা যায়।
ধর্ষণ মামলায় কম দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পেছনে একটি অন্যরকম যুক্তি দিয়েছেন আইন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা মনে করেন, ২০২০ সালে প্রবর্তিত মৃত্যুদণ্ডের বিধান এর সম্ভাব্য কারণ হতে পারে। বিচারকরা বর্তমানে কেবল যাবজ্জীবন কিংবা মৃত্যুদণ্ডের মধ্যে একটিকে বেছে নিতে পারেন, যা সবচাইতে গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া গণমাধ্যমকে বলেছেন, 'মৃত্যুদণ্ডের প্রভাব সামান্যই কাজ করে। বরং অনেক সময় মামলার রায় না পৌঁছানোর সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়। প্রতিটি ফৌজদারি মামলায় কোনো বিচ্যুতি ছাড়াই যুক্তিসঙ্গতভাবে অপরাধ প্রমাণ করা প্রয়োজন। মৃত্যুদণ্ড আইনি প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে ন্যায়বিচার বিলম্বিত করে।'
অসংখ্য নারী ও মেয়েশিশু ধর্ষণের শিকার হচ্ছে; ধর্ষণজনিত এবং ধর্ষণ-পরবর্তী হত্যার ঘটনাও ঘটে চলেছে। নারীর প্রতি সহিংসতার মাত্রা এতো ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে যে, তা বাংলাদেশে নারীর নিরাপত্তার ইস্যুটিকে আবারও সামনে এনেছে। পরিস্থিতি উদ্বেগজনক বলছেন মানবাধিকার কর্মী ও নারী অধিকার কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও।
মানবাধিকার সংগঠন ব্লাস্টের করা এক গবেষণায় ভুক্তভোগীদের জন্য রাষ্ট্রীয় ক্ষতিপূরণ না থাকার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছিল। এই ধরনের ব্যবস্থা না থাকলে ধর্ষকরা ভুক্তভোগী পরিবারকে সামান্য অর্থ দিয়ে তাদের দায়মুক্তি কিনতে পারে। প্রথমে মামলা করতে না দেওয়া বা পরে মামলা ছেড়ে দিতে তাদের বাধ্য করতে পারে।
মানবাধিকার আইনজীবী সালমা আলী মনে করেন, নারীর প্রতি সহিংসতার চার ভাগের এক ভাগও মিডিয়ায় আসে না। কেবল আলোচিত এবং গ্যাং রেপের মতো ঘটনাগুলো সামনে আসে। তারপরেও অপরাধীরা যদি শক্তিশালী হয়, তাহলে কিন্তু সেই খবরটাও লোকাল মিডিয়া দিতে পারছে না।
আমাদের উদ্বেগটা এখানেই। যেহেতু ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ নানাধরনের টানাপোড়েন, চাপ, লোভ ও ভয়ভীতির মধ্যে থাকে ধর্ষণ মামলা পরিচালনা করতে গিয়ে; কাজেই সেখানে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকা নিতে পারে রাষ্ট্র। অথচ আমরা রাষ্ট্রকে ঝাঁপিয়ে পড়তে দেখছি না। রাষ্ট্রের ভূমিকা শক্ত হলে পুলিশ, প্রশাসন, আইন ও রাজনৈতিক দলগুলো শক্ত হতে বাধ্য হবে।
আজকে সকালে ধর্ষণের শিকার শিশুর গলাকাটা অবস্থায় হেঁটে আসার খবর শুনে দম বন্ধ হয়ে আসছে। বারবার মনে হচ্ছে, আমরা কি কোনো জঙ্গলে বাস করছি? নাকি হরর মুভির মতো জীবন হয়ে গেছে আমাদের? একটার পর একটা বীভৎস ঘটনা ঘটেই যাচ্ছে; নারী-শিশু ক্রমাগত যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছে। কিন্তু সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলো কি এই ঘটনাগুলোকে গুরুত্ব দিচ্ছে জনগণের, বিশেষ করে নারী-শিশুর নিরাপত্তার কথা ভেবে?
লেখক: যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ও কলাম লেখক
বিশেষ দ্রষ্টব্য: নিবন্ধের বিশ্লেষণটি লেখকের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি ও পর্যবেক্ষণের প্রতিফলন। অবধারিতভাবে তা দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড-এর অবস্থান বা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।
