উগ্রবাদী সংগঠনে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তারের পর এনসিপি নেতাকে স্থায়ী বহিষ্কার
সংগঠনের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) গাজীপুর মহানগর আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব আতাউল্লাহ শাহকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এনসিপির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির পক্ষ থেকে জারি করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়, আতাউল্লাহ শাহর বিরুদ্ধে সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে দলীয় গঠনতন্ত্র ও প্রযোজ্য সাংগঠনিক বিধান অনুযায়ী তাকে গাজীপুর মহানগর আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব পদসহ দলের সব পর্যায়ের সাংগঠনিক দায়িত্ব এবং প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৫ জুলাই যাত্রাবাড়ীর মিনি কক্সবাজার এলাকা থেকে আতাউল্লাহ শাহসহ ছয় যুবককে আটক করে পুলিশ। এরপর তাদের বিরুদ্ধে ৫৪ ধারায় গ্রেফতারের আবেদনের পাশাপাশি ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়।
আবেদনে বলা হয়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, যাত্রাবাড়ীর কোনাপাড়ার 'মিনি কক্সবাজার' এলাকায় আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের জমির পাশে বালুর মাঠে 'উগ্রবাদী সংগঠনের' কিছু ব্যক্তি তাদের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য 'প্রশিক্ষণ নিতে' জড়ো হয়েছে। পুলিশ ভোর সাড়ে ৬টার দিকে ঘটনাস্থলে গেলে আসামিরা পালানোর চেষ্টা করে।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা ওই স্থানে কী কারণে জড়ো হয়েছিল তার কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। গোয়েন্দা তথ্য ও প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, তারা উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত।
শুনানি শেষে আতাউল্লাসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এই দলের অন্য ৫ সদস্য হলেন শাহ আমানত সাবির, হোসাইন তানিম, জুনায়েদ, আবিদুর রহমান ও বায়েজিত।
রিমান্ড শেষে আজ বুধবার আতাউল্লাহ শাহসহ চারজনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বাকি দুজন সাবির ও হোসাইনের বিরুদ্ধে আরও তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
