সিলেটে ‘ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে’ চার বছরের শিশু হত্যা
সিলেটে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে চার বছরের এক শিশুকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় জাকির হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে সোমবার (১১ মে) রাতে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
নিহত ফাহিমা আক্তার সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের দিনমজুর রাইসুল হকের মেয়ে। অভিযুক্ত জাকির নিহত ফাহিমার প্রতিবেশী এবং সম্পর্কে চাচা।
সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (গণমাধ্যম) মনজুরুল আলম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, এ বিষয়ে আজ (মঙ্গলবার) দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে।
সোমবার রাতে সিলেটের জালালাবাদ থানা পুলিশ তাকে সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর তার শাস্তির দাবিতে মধ্যরাত পর্যন্ত থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন স্থানীয়রা। পরে বিক্ষুব্ধরা তার বাড়িঘর ভাঙচুর করেন।
জাকিরকে গ্রেপ্তারের পর ফাহিমা হত্যার বিভিন্ন আলামতও উদ্ধার করেছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে ফাহিমা আক্তার নামে ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর দুই দিন আগে সে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়েছিল।
পুলিশ জানায়, বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে যৌন নির্যাতনের পর ফাহিমাকে হত্যা করা হয়। পরে স্ত্রীর ওড়না দিয়ে পেঁচিয়ে শিশুটিকে ব্যাগে রাখেন জাকির। এরপর ওই ওড়নাসহ মরদেহ বাদাঘাট এলাকার ডোবায় ফেলে দেন।
এদিকে, জাকিরের স্বীকারোক্তিমূলক একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে তাকে ফাহিমাকে হত্যার বর্ণনা দিতে শোনা যায়।
ভিডিওটি কোথায় ধারণ করা হয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, গ্রেপ্তারের পর রাতে থানার ভেতরেই এটি ধারণ করা হয়েছে। এ সময় আরও কয়েকজনকে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে দেখা যায়।
তবে ভিডিওর উৎস সম্পর্কে কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন সিলেটের জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজাহিদুল ইসলাম।
