Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Sunday
August 30, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
SUNDAY, AUGUST 30, 2026
পাহাড়সম বাধা পেরিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ম্রো শিক্ষার্থী য়াপাও মুরুং

ফিচার

জুনায়েত রাসেল
24 April, 2026, 09:45 pm
Last modified: 24 April, 2026, 10:01 pm

Related News

  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪ তম সমাবর্তন ২৬ জানুয়ারি
  • বান্দরবানে খাদে পড়া বন্য হাতি যেভাবে উদ্ধার হলো
  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসিক শিক্ষকদের কার্যক্রম: নিয়ম আছে, প্রয়োগ নেই; ব্যর্থ ডিজিটাল মনিটরিংও
  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন জানুয়ারিতে, প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানালেন উপাচার্য
  • পাহাড়ে জুমক্ষেত

পাহাড়সম বাধা পেরিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ম্রো শিক্ষার্থী য়াপাও মুরুং

ম্রো পাড়াগুলোতে সমস্যার যেন শেষ নেই। প্রকৃতির বৈরিতার সঙ্গে লড়াই করে যেখানে জীবন ধারণ করাই এক যুদ্ধ, সেখানে উচ্চশিক্ষা অনেকের কাছেই বিলাসিতা। য়াপাওর ভাষায়, “সেখানে যোগাযোগ ব্যবস্থা একদম নেই, নেই কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সমস্যা এত বেশি যে, কোনটা রেখে কোনটা বলব!”
জুনায়েত রাসেল
24 April, 2026, 09:45 pm
Last modified: 24 April, 2026, 10:01 pm
য়াপাও মুরুং। ছবি: সৌজন্যে প্রাপ্ত

গ্রামের নাম নিশিপাড়া। নামের মতোই এর নৈসর্গিক সৌন্দর্য। বান্দরবানের রুমা উপজেলার ৩ নম্বর রেমাক্রি প্রাংসা ইউনিয়নে অবস্থিত এই গ্রামটি জেলা সদর থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে। এখানকার মানুষ প্রতিনিয়ত প্রতিকূল প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকেন। আধুনিক নাগরিক জীবনের সামান্যতম ছোঁয়াও পৌঁছায়নি সেখানে; বিদ্যুৎ, মোবাইল নেটওয়ার্ক কিংবা নূন্যতম চিকিৎসার মতো মৌলিক সুযোগ-সুবিধাগুলো আজও তাদের কাছে দুষ্পাপ্য।

তবে এই কঠিন জীবনযুদ্ধের মাঝেই সম্প্রতি গ্রামটিতে বইছে আনন্দের জোয়ার। শত বাধা ডিঙিয়ে একপ্রকার অসাধ্য সাধনই করেছেন ওই গ্রামেরই এক অদম্য তরুণী। প্রতিকূলতাকে হার মানিয়ে তিনি জায়গা করে নিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ম্রো জনগোষ্ঠীর এই অকুতোভয় শিক্ষার্থীর নাম য়াপাও মুরুং।

পার্বত্য চট্টগ্রামের অপার সৌন্দর্যের মাঝে বসবাসকারী অন্যতম প্রাচীন ও বৈচিত্র্যময় আদিবাসী জনগোষ্ঠী ম্রো। তারা 'মুরুং' নামেও পরিচিত। মূলত বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ের সঙ্গে মিতালি করেই তাদের জীবন কাটে। জনসংখ্যার দিক থেকে এই জেলায় ম্রোরা দ্বিতীয় বৃহত্তম জাতিসত্তা। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫ বছরের ইতিহাসে এবারই প্রথম কোনো ম্রো শিক্ষার্থী হিসেবে এই চত্বরে পা রাখলেন য়াপাও।

একটি ম্রো পাড়া। ছবি: সৌজন্যে প্রাপ্ত

য়াপাওর বাবা একজন সাধারণ কৃষক। নিশিপাড়ার অন্য অনেকের মতো জুম চাষই তার জীবিকার প্রধান অবলম্বন। জীবনের নানা প্রতিকূলতা আর সীমাবদ্ধতার মাঝেও তিনি কখনো শিক্ষার প্রতি বিশ্বাস হারাননি। তিনি জানতেন, শিক্ষাই পারে তাদের ভবিষ্যৎ বদলে দিতে। নিশিপাড়ায় কোনো স্কুল না থাকায় তিনি এক কঠিন সিদ্ধান্ত নেন—মেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভেবে য়াপাওকে পাঠিয়ে দেন দূরের এক হোস্টেলে।

গ্রামে দ্বিতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়ার সুযোগ পেয়েছিলেন য়াপাও। এরপর তৃতীয় শ্রেণিতে তাকে ভর্তি করা হয় থানচি শহরের একটি স্কুলে। পাহাড়ে দূরত্ব মাপতে হয় সময় দিয়ে। নিশিপাড়া থেকে থানচির সেই স্কুল ছিল ৫-৬ ঘণ্টার হাঁটা পথ। পরিবার-পরিজন থেকে দূরে, এক অপরিচিত পরিবেশে তাকে কাটাতে হয়েছে অনেকগুলো বছর। হোস্টেলে থেকেই য়াপাও প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার গণ্ডি পেরিয়েছিলেন।

পড়াশোনার প্রতি এই প্রবল আগ্রহের মূলে ছিলেন তার বাবা। য়াপাও বলেন, "ছোটবেলা থেকে বাবা যেহেতু পড়াতেন, তখন থেকেই আমি পড়তাম। প্রতি বছর ক্লাসে পাস করার পর পড়ার ইচ্ছা আরও বেড়ে যেত। অন্যদের পড়াশোনা করতে দেখে মনে হতো, আমাকেও অনেক দূর পর্যন্ত পড়তে হবে।"

মাধ্যমিক শেষ করে তিনি ভর্তি হন বান্দরবান সরকারি কলেজে। সেখানেই প্রথম জানতে পারেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে। পরিবারের অকুণ্ঠ সমর্থন আর নিজের অদম্য প্রচেষ্টায় অবশেষে এই ম্রো কন্যার স্বপ্ন জয় হয়েছে। য়াপাও বলেন, "বান্দরবানে হোস্টেলে থাকার সময় বড়দের কাছে শুনতাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার জন্য কেমন প্রস্তুতি নিতে হয়, কত নম্বর পেতে হয়। স্বপ্নটা তখন থেকেই বুনতে শুরু করি।"

ম্রো পাড়াগুলোতে সমস্যার যেন শেষ নেই। প্রকৃতির বৈরিতার সঙ্গে লড়াই করে যেখানে জীবন ধারণ করাই এক যুদ্ধ, সেখানে উচ্চশিক্ষা অনেকের কাছেই বিলাসিতা। য়াপাওর ভাষায়, "সেখানে যোগাযোগ ব্যবস্থা একদম নেই, নেই কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সমস্যা এত বেশি যে, কোনটা রেখে কোনটা বলব!"

ছবি: সৌজন্যে প্রাপ্ত

তবে সব না-পাওয়ার বেদনা ছাপিয়ে তার এই সাফল্য পুরো গ্রামে খুশির জোয়ার এনেছে। আর্থিক অনটন থাকলেও বাবা সব সময় সাহস ও অনুপ্রেরণা দিয়ে গেছেন। পাশাপাশি 'মানুষ মানুষের জন্য' নামক একটি ফাউন্ডেশনের অবদানের কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন য়াপাও। তিনি বলেন, "এই ফাউন্ডেশন আমাকে কোচিং করার জন্য বৃত্তি দিয়েছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরম কেনা, পরীক্ষা দেওয়ার খরচ এবং ভর্তির টাকা দিয়েও তারা সাহায্য করেছে। তাদের অবদান অনেক বড়।"

য়াপাও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে তিনি বেগম রোকেয়া হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ ও ক্লাসগুলো তার খুব ভালো লাগছে। উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে তিনি নিজের অঞ্চলের মানুষের জন্য কাজ করতে চান।

ম্রো পাড়াগুলোতে শিক্ষা লাভের পথ আজও কণ্টকাকীর্ণ। একদিকে দুর্গম যোগাযোগ ব্যবস্থা, অন্যদিকে চরম দারিদ্র্য। য়াপাওর মতে, "গ্রামে স্কুল নেই, আর সবার পক্ষে হোস্টেলে রেখে পড়ানোর সামর্থ্যও থাকে না। আবার হোস্টেল ছাড়া পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার বিকল্পও নেই। ফলে অনেকে মাঝপথেই ঝরে পড়ে।" তবে তিনি স্বপ্ন দেখেন, একদিন তার গ্রামে স্কুল হবে, আরও অনেক শিশু শিক্ষার আলোয় আলোকিত হবে।

চিম্বুক পাহাড় ঘেষা একটি ম্রো গ্রাম। ছবি: সৌজন্যে প্রাপ্ত

নিজের স্বপ্নের কথা জানিয়ে য়াপাও বলেন, "হ্যাঁ, আমি অবশ্যই চাইব গ্রামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হোক। যেন কাউকে দূরে গিয়ে পড়তে না হয়, সবাই যেন শিক্ষার সমান সুযোগ পায়।"

পাহাড়সম উঁচু বাধা ডিঙিয়ে য়াপাওর মতো আরও অনেক তরুণ-তরুণী সাফল্যের শিখরে পৌঁছাক—এর চেয়ে সুন্দর আর কী হতে পারে!

Related Topics

টপ নিউজ

ম্রো / ম্রো জনগোষ্ঠী / পাহাড়ি জনগোষ্ঠী / বান্দরবান / ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় / থানচি / নারী শিক্ষা / য়াপাও মুরুং

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বৃহস্পতিবার সেরা প্রেসিডেন্টদের চার্ট শেয়ার করেছেন এবং নিজেকে শীর্ষে রেখেছেন, যেখানে তিনি রোনাল্ড রিগ্যানের মতো জনপ্রিয় রিপাবলিকানদেরও বাদ দিয়েছেন। (ডোনাল্ড ট্রাম্প)
    বিশেষজ্ঞদের বিচারে ‘সর্বকালের নিকৃষ্ট প্রেসিডেন্ট’ হওয়ার পর নিজেকে সর্বশ্রেষ্ঠ দেখিয়ে চার্ট বানালেন ট্রাম্প
  • ফাইল ছবি: এএফপি
    পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে ‘ঐক্য’ দেখাতে কিরগিজস্তান সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন রাশিয়া-চীন-ইরানের নেতারা
  • ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ব্যারন ট্রাম্প। ছবি: এপি
    ইরানের হিট লিস্টে নাম: ভয়ে নিঃসঙ্গ জীবন কাটাচ্ছেন ট্রাম্পের ছেলে, যান না বাইরেও
  • রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি: রয়টার্স
    ইউক্রেন যুদ্ধে ‘শেষ ভরসা’ হিসেবে স্বল্পপাল্লার পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে পারেন পুতিন
  • তিন মাস আন্তর্জাতিক বাজার পর্যবেক্ষণ করে জ্বালানির মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেবে অর্থ মন্ত্রণালয়
    তিন মাস আন্তর্জাতিক বাজার পর্যবেক্ষণ করে জ্বালানির মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেবে অর্থ মন্ত্রণালয়
  • কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্র। ছবি: উইকিপিডিয়া
    কাপ্তাই হ্রদের পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি, আজ রাতেই ১৬ গেট খোলার প্রস্তুতি

Related News

  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪ তম সমাবর্তন ২৬ জানুয়ারি
  • বান্দরবানে খাদে পড়া বন্য হাতি যেভাবে উদ্ধার হলো
  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসিক শিক্ষকদের কার্যক্রম: নিয়ম আছে, প্রয়োগ নেই; ব্যর্থ ডিজিটাল মনিটরিংও
  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন জানুয়ারিতে, প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানালেন উপাচার্য
  • পাহাড়ে জুমক্ষেত

Most Read

1
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বৃহস্পতিবার সেরা প্রেসিডেন্টদের চার্ট শেয়ার করেছেন এবং নিজেকে শীর্ষে রেখেছেন, যেখানে তিনি রোনাল্ড রিগ্যানের মতো জনপ্রিয় রিপাবলিকানদেরও বাদ দিয়েছেন। (ডোনাল্ড ট্রাম্প)
আন্তর্জাতিক

বিশেষজ্ঞদের বিচারে ‘সর্বকালের নিকৃষ্ট প্রেসিডেন্ট’ হওয়ার পর নিজেকে সর্বশ্রেষ্ঠ দেখিয়ে চার্ট বানালেন ট্রাম্প

2
ফাইল ছবি: এএফপি
আন্তর্জাতিক

পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে ‘ঐক্য’ দেখাতে কিরগিজস্তান সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন রাশিয়া-চীন-ইরানের নেতারা

3
ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ব্যারন ট্রাম্প। ছবি: এপি
আন্তর্জাতিক

ইরানের হিট লিস্টে নাম: ভয়ে নিঃসঙ্গ জীবন কাটাচ্ছেন ট্রাম্পের ছেলে, যান না বাইরেও

4
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

ইউক্রেন যুদ্ধে ‘শেষ ভরসা’ হিসেবে স্বল্পপাল্লার পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে পারেন পুতিন

5
তিন মাস আন্তর্জাতিক বাজার পর্যবেক্ষণ করে জ্বালানির মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেবে অর্থ মন্ত্রণালয়
বাংলাদেশ

তিন মাস আন্তর্জাতিক বাজার পর্যবেক্ষণ করে জ্বালানির মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেবে অর্থ মন্ত্রণালয়

6
কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্র। ছবি: উইকিপিডিয়া
বাংলাদেশ

কাপ্তাই হ্রদের পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি, আজ রাতেই ১৬ গেট খোলার প্রস্তুতি

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net