দীর্ঘ ১৬ বছর পর আবার শুরু হলো প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা
দীর্ঘ ১৬ বছরের বিরতির পর দেশে আবারও শুরু হয়েছে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা।
দেশের ৬১টি জেলায় ১৫ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
তবে বৈসাবি উৎসবের কারণে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় সংশোধিত সূচি অনুযায়ী ১৭ থেকে ২০ এপ্রিল পরীক্ষা নেওয়া হবে।
বৃত্তি পরীক্ষায় বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং প্রাথমিক বিজ্ঞান—এই বিষয়গুলোর ওপর শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হচ্ছে।
এর মধ্যে প্রথম তিনটি বিষয়ের প্রতিটিতে ১০০ নম্বর করে বরাদ্দ রয়েছে। আর বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং প্রাথমিক বিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষা একসঙ্গে নেওয়া হচ্ছে, যেখানে প্রতিটিতে ৫০ নম্বর করে থাকবে।
প্রতিটি পরীক্ষার জন্য আড়াই ঘণ্টা সময় নির্ধারিত রয়েছে। তবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় দেওয়া হবে।
পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি বিস্তারিত নির্দেশনা জারি করেছে।
'ট্যালেন্টপুল' (মেধাবৃত্তি) এবং সাধারণ—এই দুই ক্যাটাগরিতে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়া হবে।
২০০৯ সালে দেশে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষা চালু হওয়ার পর আলাদাভাবে এই বৃত্তি পরীক্ষা নেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।
বৃত্তির ক্ষেত্রে ছেলে ও মেয়েদের মধ্যে সমান সুযোগ বজায় রাখা হবে। মোট বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৮০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বাকি ২০ শতাংশ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী থাকবে।
পরীক্ষার হলে শৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর নিয়ম আরোপ করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই প্রবেশপত্র সঙ্গে নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে।
মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটর বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস সঙ্গে রাখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পরীক্ষা শুরুর পর প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যে কেউ হল থেকে বের হতে পারবে না।
এছাড়া নকল করা বা খাতা বদল করার মতো কোনো অসদুপায় অবলম্বন করলে পরীক্ষার্থীকে তাৎক্ষণিকভাবে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে।
