Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Tuesday
March 31, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
TUESDAY, MARCH 31, 2026
বিক্রির ২৫ শতাংশ হতে হবে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ, নইলে নতুন ওষুধের অনুমোদন পাবে না কোম্পানিগুলো

বাংলাদেশ

তাওছিয়া তাজমিম
17 January, 2026, 10:35 am
Last modified: 17 January, 2026, 10:32 am

Related News

  • ইরান সংঘাত দীর্ঘ হলে ওষুধের কাঁচামালে বড় সংকটের আশঙ্কা
  • শুধু তেল নয়, স্মার্টফোন থেকে শুরু করে সার, ওষুধ—হরমুজ প্রণালি বন্ধে অস্থির বিশ্ববাজার
  • ওজেমপিকের মতো ওজন কমানোর ব্যয়বহুল ওষুধের সাশ্রয়ী বিকল্প আনছে ভারত
  • ওষুধের মূল্য নির্ধারণ নীতিমালার গেজেট প্রকাশ
  • রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও উজ্জ্বল দেশের ওষুধ খাত, বেড়েছে আয় ও মুনাফা

বিক্রির ২৫ শতাংশ হতে হবে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ, নইলে নতুন ওষুধের অনুমোদন পাবে না কোম্পানিগুলো

তাওছিয়া তাজমিম
17 January, 2026, 10:35 am
Last modified: 17 January, 2026, 10:32 am

অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা বড় করার পাশাপাশি নতুন মূল্য নির্ধারণ নীতিমালা প্রবর্তন করতে যাচ্ছে সরকার। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মোট বার্ষিক বিক্রির অন্তত ২৫ শতাংশ আর্থিক মূল্যের সমপরিমাণ অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ বাজারে সরবরাহ ও বিক্রয় নিশ্চিত করতে হবে। 

এই নীতিমালা অনুযায়ী, যেসব কোম্পানি ২৫ শতাংশ বিক্রির এই শর্ত পূরণে ব্যর্থ হবে, তারা নতুন কোনো ওষুধের অনুমোদনের জন্য আবেদন করতে পারবে না—অর্থাৎ কর্তৃপক্ষ তাদের নতুন ওষুধের আবেদন বিবেচনায় নেবে না।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে নীতিমালাটি অনুমোদন করেছে। এখন এটি গেজেট আকারে প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে।

গত ৮ জানুয়ারি সরকার জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ঔষধ তালিকা সম্প্রসারণের ঘোষণা দেয়। নতুন ১৩৫টি ওষুধকে তালিকায় যুক্ত করে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের সংখ্যা ২৯৫টিতে উন্নীত করা হয়েছে। সরকার জানিয়েছে, শীঘ্রই এসব ওষুধের দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। এছাড়া জাতীয় ঔষধ মূল্য নির্ধারণ নীতিমালা ২০২৫ চূড়ান্ত করা হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, এই পদক্ষেপ সাধারণ মানুষের জন্য ওষুধের সহজলভ্যতা ও দাম নাগালের মধ্যে আনার ক্ষেত্রে একটি বড় পদক্ষেপ। তবে কোম্পানিগুলোর মোট উৎপাদনের অন্তত ২৫ শতাংশ অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ উৎপাদনের বাধ্যবাধকতাকে বাস্তবতা-বিবর্জিত ও বাজারবিরোধী বলে তীব্র সমালোচনা করেছেন ওষুধ শিল্প মালিকেরা।

উৎপাদনকারীদের আরও অভিযোগ, অত্যাবশ্যকীয় ওষুঢের তালিকা বৃদ্ধি বা ওষুধের মূল্য নির্ধারণের কাঠামো প্রস্তুতের সময় তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করা হয়নি। 

শিল্প প্রতিনিধিরা বলছেন, ওষুধ শিল্প সমিতির পক্ষ থেকে মূল্য নির্ধারণ কমিটির কাছে তাদের বক্তব্য ও কাগজপত্র জমা দেওয়া হলেও তা বিবেচনায় নেয়া হয়নি। মূল নীতিমালা তৈরিতে সরকার বা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কেউ বসেনি তাদের সঙ্গে।

উৎপাদনকারীরা কেন অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ এড়িয়ে চলে

বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প সমিতির (বিএপিআই) মহাসচিব ডা. মো. জাকির হোসেন টিবিএসকে বলেন, বাংলাদেশের কোনো ওষুধ উৎপাদনকারী কোম্পানিই শতভাগ অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ উৎপাদন করে না।

'কেউ ৫ শতাংশ, কেউ ১০ শতাংশ পর্যন্ত উৎপাদন করে। অনেক নতুন কোম্পানি একেবারেই করে না। যদি কোম্পানিগুলোকে জোর করে ২৫ শতাংশ অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ উৎপাদনে বাধ্য করা হয় অথচ দাম সংশোধন না করা হয়, তাহলে হয় লোকসান গুনে উৎপাদন করতে হবে, নয়তো কোম্পানি বন্ধ করতে হবে,' বলেন তিনি। 

তিনি বলেন, ১১৭টি অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের অত্যন্ত পুরনো এবং বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন। গত ৩২-৩৩ বছরে মাত্র দুইবার অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের মূল্য সংশোধন হয়েছে। 'এই দামে উৎপাদন করলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বড় অঙ্কের লোকসান হয়, সে কারণে অনেকেই উৎপাদন করে না।'

ডা. জাকির বলেন, বাধ্যতামূলক মূল্য নির্ধারণ নীতির কারণে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি স্যালাইন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আমদানিতে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রয়েছে। ওষুধের মূল্য নির্ধারণের বিষয়ে এখনো সরকারের পক্ষ থেকে ওষুধ কোম্পাগিুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি বলেও জানান তিনি।

রেনাটা-র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ এস কায়সার কবির একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করে এই নীতিকে বাস্তবতা-বিবর্জিত বলে অভিহিত করেন।

টিবিএসকে তিনি বলেন, 'মোট উৎপাদনের অন্তত ২৫ শতাংশ অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ উৎপাদনে বাধ্যবাধকতার সিদ্ধান্ত ওষুধ শিল্পের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই নেওয়া হয়েছে। বর্তমান বাজার কাঠামোর সঙ্গে এর কোনো মিল নেই।' 

তিনি আরও বলেন, 'এই ধরনের সিদ্ধান্ত মূলত কমান্ড ইকোনমির প্রতিফলন। সরকার যদি বলে দেয়, এই দামে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ উৎপাদন করতে হবে, অথচ সেই দাম যদি উৎপাদন খরচের চেয়েও কম হয়, তাহলে কোনো কোম্পানিই সেটা উৎপাদন করবে না। এটা খুব সাধারণ অর্থনীতির কথা।' 

চাহিদা সংক্রান্ত ধারণার বিষয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, 'আমার মোট উৎপাদনের ২৫ শতাংশ অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ হতে হবে, কিন্তু সেই চাহিদা কোথায়? আমি কি অতিরিক্ত উৎপাদন করে গুদামে রেখে দেব? বাজারের চাহিদা ছাড়া কোনো পণ্য উৎপাদন করা যায় না।'

বিএপিআই-এর সভাপতি আবদুল মুক্তাদির বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় ওষুধ শিল্পের স্টেকহোল্ডারদের পুরোপুরি বাদ দিয়েছে।

তিনি বলেন, 'পুরো প্রক্রিয়ায় আমাদের রাখা হয়নি। এ পলিসি ভালো কি মন্দ হলো, এ বিষয়ে এখনো আমরা কিছু জানি না।' 

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা

ফার্মাসিস্ট ও বিশ্বব্যাংকের সাবেক পরামর্শক মো. আবু জাফর সাদেক অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা সম্প্রসারণকে স্বাগত জানান। একে জনস্বাস্থ্যের জন্য ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করলেও তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ওষুধের দামের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ গুণগত মান বজায় রাখার ক্ষেত্রে বাধা হতে পারে, সরবরাহে বিঘ্ন ঘটাতে পারে এবং ভবিষ্যতে বিনিয়োগকে নিরুৎসাহিত করতে পারে।

তিনি বলেন, একতরফা মূল্য নির্ধারণের চেয়ে সহযোগিতামূলক পদ্ধতিতে দাম ঠিক করা হলে রোগীরা বেশি উপকৃত হবেন। ২৫ শতাংশ উৎপাদন-সংক্রান্ত প্রস্তাবিত শর্তের বিষয়ে তিনি বলেন, ব্যবসার সিদ্ধান্তগুলো বাধ্যবাধকতার চেয়ে বাজারের চাহিদার ভিত্তিতে পরিচালিত হলেই সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া যায়।

নতুন নীতিমালাকে 'যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত' বলছে সরকার

গত ৮ জানুয়ারি অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের হালনাগাদ তালিকা ঘোষণার সময় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মো. সায়েদুর রহমান বলেন, অত্যাবশ্যকীয় ওষুধই প্রায় ৮০ শতাংশ সাধারণ রোগের চিকিৎসার জন্য যথেষ্ট।

তিনি বলেন, এই ওষুধগুলোর মূল্য নিয়ন্ত্রণ করা হলে সাধারণ মানুষের জন্য এগুলো কেনা সহজ হবে ও প্রাপ্যতা নিশ্চিত হবে। এই উদ্যোগকে তিনি 'যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত' বলে উল্লেখ করেন।

সায়েদুর রহমান আরও বলেন, একটি টাস্কফোর্স গত ১৪ মাস ধরে উৎপাদনকারী, গবেষক, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও অন্যান্য অংশীজনদের সঙ্গে মূল্য নির্ধারণের কাঠামো নিয়ে আলোচনা করেছে।

'সবাই হয়তো একমত হয়নি, সবার সঙ্গে একমত হওয়া কঠিন। কিন্তু সবার সাথে আলোচনা করে এ অবস্থায় এসেছে। মূল্য নির্ধারণের নীতিমালারও অনুমোদন হয়েছে,' বলেন তিনি। 

এ নীতিমালা গেজেট আকারে প্রকাশিত হলে আর কোনো ওষুধই একদম নিয়ন্ত্রণ ছাড়া থাকবে না বলে উল্লেখ করেন তিনি। 

'উভয় পক্ষের জন্য লাভজনক', বলছেন টাস্কফোর্স সদস্য

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক এবং জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ তালিকা বিষয়ক টাস্কফোর্সের সদস্য সৈয়দ আবদুল হামিদ বলেন, ১৯৯৪ সালের পর অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের দাম তেমন একটা সমন্বয় করা হয়নি। এর ফলে উৎপাদনকারীরা ধীরে ধীরে এই ওষুধগুলো তৈরি করা বন্ধ করে দিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, 'কোম্পানিগুলো যখন নির্দেশিত মূল্যের ওষুধের দিকে ঝুঁকে পড়ে, তখন চিকিৎসকরাও সেগুলো বেশি লিখতে শুরু করেন। এর ফলে রোগীরা তুলনামূলক দামি বিকল্প ওষুধ কিনতে বাধ্য হন।'

আবদুল হামিদ বলেন, নতুন ফর্মুলাভিত্তিক মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি বাজারে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের সহজলভ্যতা ও সাশ্রয়ী দাম নিশ্চিত করবে। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, যে ওষুধের দাম ২ টাকা হওয়া উচিত ছিল, সেটি বাজারে না থাকায় ভোক্তারা ১০ টাকা দিয়ে বিকল্প ওষুধ কিনতে বাধ্য হতেন।

তিনি আরও বলেন, 'কোম্পানিগুলো মুনাফা করবে ঠিকই, তবে তা হবে নিয়ন্ত্রিত মুনাফা।' এই পদ্ধতি ওষুধের আগ্রাসী বিপণন কার্যক্রমকেও নিয়ন্ত্রণ করবে, কারণ অতিরিক্ত প্রচারণামূলক খরচ এখন আর ভোক্তাদের ওপর চাপানো যাবে না। 

'সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে এই নীতি জনস্বাস্থ্য ও ওষুধ শিল্প—উভয় পক্ষের জন্যই লাভজনক পরিস্থিতি তৈরি করবে,' বলেন তিনি।

অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের জন্য 'কস্ট-প্লাস' মূল্য নির্ধারণ

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ভ্যাট বাদে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (এমআরপি) নির্ধারণ করতে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের ক্ষেত্রে 'কস্ট-প্লাস বেঞ্চমার্কিং' পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে।

এই মূল্য নির্ধারণ করবে সরকার মনোনীত কমিটি বা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর (ডিজিডিএ)। এক্ষেত্রে ওষুধের কাঁচামাল—অ্যাক্টিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্টস (এপিআই) ও এক্সিপিয়েন্ট)—প্রাথমিক প্যাকেজিং ব্যয় ও শ্রেণিভিত্তিক মার্কআপ যোগ করে বেঞ্চমার্ক মূল্য নির্ধারণ করা হবে।

প্রাইমারি প্যাকেজিং যেহেতু সরাসরি ওষুধের সংস্পর্শে থাকে, তাই এটি মার্কআপ কাঠামোর মধ্যে থাকবে। তবে ওষুধের দাম যেন অপ্রয়োজনীয়ভাবে বেড়ে না যায়, সেজন্য সেকেন্ডারি ও টারশিয়ারি প্যাকেজিংয়ের খরচ মার্কআপের বাইরে রাখা হয়েছে।

অন্যান্য ওষুধের জন্য রেফারেন্স প্রাইসিং

অত্যাবশ্যকীয় তালিকার বাইরে থাকা ওষুধের ক্ষেত্রে উৎপাদনকারীরা নিজেরাই খুচরা মূল্যের প্রস্তাব করবে, যা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর অনুমোদন দেবে। 

যদি কোনো ওষুধ সাত বা ততোধিক কোম্পানি উৎপাদন করে, তাহলে অভ্যন্তরীণ রেফারেন্স প্রাইসিং (আইআরপি) পদ্ধতিতে বাজারে প্রচলিত দামের মধ্যম মানকে বেঞ্চমার্ক ধরা হবে। যদি সাতটির কম কোম্পানি সেই ওষুধ তৈরি করে, তবে অভ্যন্তরীণ বা আন্তর্জাতিক বাজারমূল্যের মধ্যে যেটি কম, সেটিই কার্যকর হবে। সব ক্ষেত্রেই অনুমোদিত খুচরা মূল্য নির্ধারিত বেঞ্চমার্ক দামের ১৫ শতাংশের মধ্যে থাকতে হবে। আমদানিকৃত ওষুধের ক্ষেত্রে সিএন্ডএফ ভ্যালু, বর্তমান বিনিময় হার ও পূর্বনির্ধারিত মার্কআপের ভিত্তিতে দাম নির্ধারণ করা হবে।

 নতুন জেনেরিক, বায়োলজিক ও এপিআই আমদানির নিয়ম

বাংলাদেশে আগে বাজারজাত করা হয়নি, এমন পেটেন্টমুক্ত নতুন জেনেরিক ওষুধের দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে কাঁচামাল, প্রাইমারি প্যাকেজিং ব্যয়ের ওপর অপরিহার্য ওষুধের জন্য নির্ধারিত ১.৩০ মার্কআপ এবং সেকেন্ডারি ও টারশিয়ারি প্যাকেজিং ব্যয় যোগ করে বেঞ্চমার্ক মূল্য নির্ধারণ করা হবে।

ভ্যাকসিন, ইনসুলিন ইনজেকশন ও জিন থেরাপির মতো বায়োলজিকসের দাম নির্ধারিত হবে উৎপাদন খরচের বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন এবং নিয়ন্ত্রিত সেক্টর-প্রায়োরিটির ভিত্তিতে।

দেশীয় এপিআই উৎপাদন সক্ষমতা বিকাশের লক্ষ্যে আমদানিকারকদের এপিআই আমদানির আগে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর থেকে অনাপত্তিপত্র গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হবে। এই অনাপত্তিপত্র প্রাপ্তির জন্য আমদানিকারককে দাপ্তরিক যাচাইকরণ প্রক্রিয়ার জন্য দুটি শর্ত পূরণ করতে হবে। যদি কোনো এপিআই দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণে উৎপাদিত না হয় অথবা দেশীয়ভাবে উৎপাদিত এপিআইয়ের বাজারমূল্য আন্তর্জাতিক মূল্যের চেয়ে ২০ শতাংশের বেশি হয়, তবেই অনাপত্তিপত্র দেওয়া হবে। আবেদনপ্রাপ্তির সাত কার্যদিবসের মধ্যে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এই অনাপত্তিপত্র প্রদানের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

Related Topics

টপ নিউজ

ওষুধ / ঔষধ / জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা / অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ / ওষুধ উৎপাদন / ওষুধ কোম্পানি

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত
    জুলাইয়ে ৬ আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়নে অর্থ ছাড় দেবে অর্থ মন্ত্রণালয়: গভর্নর
  • গ্রাফিকস: টিবিএস
    জ্বালানিতে ঘাটতি নেই, এপ্রিলেই আসছে ৫০ হাজার টন অকটেন: সংসদে জ্বালানিমন্ত্রী
  • ছবি: সংগৃহীত
    সারা বছরই ট্যাক্স রিটার্ন দেওয়া যাবে অনলাইনে, নির্ধারিত সময়ে দিলে বিশেষ সুবিধা: এনবিআর চেয়ারম্যান
  • ছবি: সংগৃহীত
    তেল বিক্রির সময়সীমা সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা নির্ধারণসহ ৮ দাবি মালিক সমিতির
  • জ্বালানি ঝুঁকি মোকাবিলায় কারখানাগুলো ঝুঁকছে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতে, সক্ষমতা ছাড়াল ৫০০ মেগাওয়াট
    জ্বালানি ঝুঁকি মোকাবিলায় কারখানাগুলো ঝুঁকছে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতে, সক্ষমতা ছাড়াল ৫০০ মেগাওয়াট
  • মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। ছবি: রয়টার্স
    যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য একটি চুক্তির মাধ্যমে এই যুদ্ধের সমাপ্তি; মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে চীন-পাকিস্তানের ৫ দফা ঘোষণা

Related News

  • ইরান সংঘাত দীর্ঘ হলে ওষুধের কাঁচামালে বড় সংকটের আশঙ্কা
  • শুধু তেল নয়, স্মার্টফোন থেকে শুরু করে সার, ওষুধ—হরমুজ প্রণালি বন্ধে অস্থির বিশ্ববাজার
  • ওজেমপিকের মতো ওজন কমানোর ব্যয়বহুল ওষুধের সাশ্রয়ী বিকল্প আনছে ভারত
  • ওষুধের মূল্য নির্ধারণ নীতিমালার গেজেট প্রকাশ
  • রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও উজ্জ্বল দেশের ওষুধ খাত, বেড়েছে আয় ও মুনাফা

Most Read

1
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত
অর্থনীতি

জুলাইয়ে ৬ আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়নে অর্থ ছাড় দেবে অর্থ মন্ত্রণালয়: গভর্নর

2
গ্রাফিকস: টিবিএস
অর্থনীতি

জ্বালানিতে ঘাটতি নেই, এপ্রিলেই আসছে ৫০ হাজার টন অকটেন: সংসদে জ্বালানিমন্ত্রী

3
ছবি: সংগৃহীত
অর্থনীতি

সারা বছরই ট্যাক্স রিটার্ন দেওয়া যাবে অনলাইনে, নির্ধারিত সময়ে দিলে বিশেষ সুবিধা: এনবিআর চেয়ারম্যান

4
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

তেল বিক্রির সময়সীমা সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা নির্ধারণসহ ৮ দাবি মালিক সমিতির

5
জ্বালানি ঝুঁকি মোকাবিলায় কারখানাগুলো ঝুঁকছে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতে, সক্ষমতা ছাড়াল ৫০০ মেগাওয়াট
অর্থনীতি

জ্বালানি ঝুঁকি মোকাবিলায় কারখানাগুলো ঝুঁকছে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতে, সক্ষমতা ছাড়াল ৫০০ মেগাওয়াট

6
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য একটি চুক্তির মাধ্যমে এই যুদ্ধের সমাপ্তি; মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে চীন-পাকিস্তানের ৫ দফা ঘোষণা

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net