১ বছর শান্তি ভঙ্গ না করার শর্তে জামিন পেলেন সিজেপির অভিজিৎ দিপকে
সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকেকে শর্তসাপেক্ষে জামিন দিয়েছেন বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। শুক্রবার কনট প্লেসের উদ্দেশে যাওয়ার পথে আটক ও পরে গ্রেপ্তারের এক দিন পর শনিবার তাকে জামিন দেওয়া হয়।
জামিনের অন্যতম প্রধান শর্ত হলো, আগামী এক বছর তার পক্ষ থেকে শান্তি ভঙ্গের কোনো ঘটনা ঘটানো যাবে না।
শনিবার তাকে মন্দির মার্গে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয়। জামিনের আরও কী কী শর্ত রয়েছে, তা আদেশ প্রকাশের পর জানা যাবে।
অভিজিৎ দিপকে শুক্রবার ১৬ অক্টোবর বিকেল ৫টায় 'লেহরা দো তিরঙ্গা' মিছিলের ডাক দিয়েছিলেন। এর কয়েক ঘণ্টা আগে দিল্লি পুলিশ তাকে মিছিলে যোগ না দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে একটি নোটিশ দেয়। নোটিশে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ১৬৩ ধারার অধীনে জারি করা নিষেধাজ্ঞার কথা উল্লেখ করা হয়।
তবে শুক্রবার সন্ধ্যায় দিপকে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হন। এর কিছুক্ষণ পরই তাকে আটক করা হয়। অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএসএ) কর্মী নেহা বোরাকেও মান্ডি হাউসের কাছে আটক করা হয়। পরে এআইএসএ ও সিজেপি—দুই সংগঠনই দাবি করে, দিপকে ও বোরার অবস্থান সম্পর্কে তারা কিছু জানতে পারছে না।
বার্তা সংস্থা পিটিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১০ অক্টোবর দেওয়া শান্তি বজায় রাখার মুচলেকা ভঙ্গের অভিযোগে শনিবার সকালে দিপকেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
হেফাজতে সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা
অভিজিৎ দিপকেকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা এখনো হেফাজতে রয়েছেন।
বুধবার বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাদের পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠান। এর আগের দিন সিজেপির আরও কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে তারা যন্তর মন্তরের বিক্ষোভস্থলে প্রবেশ করেছিলেন, যে স্থানটি বিক্ষোভের জন্য নির্ধারিত তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল।
এদিকে, সিজেপি নেতা অজিঙ্কা শিন্ডেকে ব্যক্তিগত মুচলেকায় মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
দাস ও রাঙ্কার আইনজীবীর ভাষ্য অনুযায়ী, দিল্লি পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের অভিযোগ এনেছে। পুলিশ আরও বলেছে, অভিযুক্তরা রোববার দিল্লি ক্যান্ট থানা এলাকায় বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে শান্তি ভঙ্গ না করার যে মুচলেকা দিয়েছিলেন, তা তারা লঙ্ঘন করেছেন।
