রাশিয়া ও ইউক্রেন জ্বালানি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে: দাবি ট্রাম্পের
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইউক্রেন ও রাশিয়া 'জ্বালানি যুদ্ধবিরতিতে' সম্মত হয়েছে। আজ রোববার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে তিনি বলেন, এই জ্বালানি যুদ্ধবিরতি অবিলম্বে কার্যকর হবে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত আর কিছু জানাননি তিনি।
ট্রাম্পের এই বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা আগে রুশ তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের হামলা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের চাপের বিরোধিতা করেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
যুদ্ধবিরতি নিয়ে তিনি আগে থেকে কিছুই জানতেন না উল্লেখ করে অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ট্রাম্পের পোস্ট থেকেই তিনি প্রথমবারের মতো এ ধরনের কোনো চুক্তির কথা জেনেছেন।
ইউক্রেনের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, রাশিয়া রাজি হলে ইউক্রেনও এ ধরনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হতে প্রস্তুত।
ইরানে ট্রাম্পের শুরু করা যুদ্ধের কারণে ডিজেলের দাম বেড়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। আগামী মাসে অনুষ্ঠেয় যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের সম্ভাবনার ওপরও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এর আগে গত সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি ইউক্রেনে জ্বালানি খাতে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তবে দুই পক্ষের কেউই কখনো নিশ্চিত করেনি যে এই ধরনের কোনো সমঝোতা হয়েছিল।
ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লেখেন, "অবিলম্বে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধে জ্বালানি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হচ্ছে। উভয়পক্ষ এতে সম্মত হয়েছে। এটি ভঙ্গ করবেন না!"
জেলেনস্কি ইউক্রেনের দীর্ঘদিনের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, রাশিয়ার তেল শোধনাগারে হামলা বন্ধ করতে ইউক্রেন প্রস্তুত। তবে এর বিনিময়ে মস্কোকেও ইউক্রেনের বিদ্যুৎ অবকাঠামোয় হামলা বন্ধ করতে হবে।
তিনি বলেন, এ ধরনের যেকোনো চুক্তির সঙ্গে 'বাস্তব নিশ্চয়তা' থাকতে হবে। তার দাবি, "ইউরোপে যুদ্ধের প্রকৃত কারণ রাশিয়া, আর কেউ নয়। আজ থেকেই জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা বন্ধ করা সম্ভব, কিন্তু পুতিন তা চান না''।
