শত্রুর হাতে আটক-অপহরণ ঠেকাতে নিজ নাগরিকদের মৃত্যুঝুঁকিতে ফেলা কী এই ইসরায়েলের ‘হ্যানিবাল নির্দেশনা’
৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে ইসরায়েলে হামলার সময় দেশটির সেনাবাহিনী বিতর্কিত 'হ্যানিবাল নির্দেশনা' প্রয়োগ করেছিল। ইসরায়েলি সংবাদপত্র হারেৎজের এক অনুসন্ধানে এমন তথ্য উঠে এসেছে।
শত্রুর হাতে ইসরায়েলি সেনাদের আটক হওয়া ঠেকাতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের শক্তি প্রয়োগের অনুমতি দেয় এই নির্দেশনা। এর প্রয়োগে সামরিক ও বেসামরিক—দুই ধরনের প্রাণহানিই ঘটেছে বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে।
কী এই 'হ্যানিবাল নির্দেশনা'?
প্রায় দুই দশক ধরে সামরিক সেন্সরশিপের কারণে 'হ্যানিবাল নির্দেশনা', 'হ্যানিবাল প্রটোকল' বা 'হ্যানিবাল প্রসিডিউর' নামে পরিচিত এই নীতির বিষয়টি গোপন রাখা হয়েছিল।
এর আওতায় ইসরায়েলি সেনাদের শত্রুর হাতে আটক হয়ে অন্য ভূখণ্ডে নিয়ে যাওয়া ঠেকাতে সেনাবাহিনী প্রয়োজনীয় যেকোনো শক্তি প্রয়োগ করতে পারে। এমনকি সেই শক্তি প্রয়োগে আটক হতে যাওয়া সেনার মৃত্যুর আশঙ্কা থাকলে সেটিও ঘটতে পারে।
১৯৮৬ সালে ইসরায়েলি সেনা কমান্ডাররা এই নীতি প্রণয়ন করেন। এর পেছনে ছিল লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর হাতে গিভাতি ব্রিগেডের তিন সেনা আটক হওয়ার ঘটনা।
তখন ইসরায়েল ১৯৮২ সালে আক্রমণের পর লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের একটি অংশ দখল করে রেখেছিল। ২০০০ সাল পর্যন্ত ওই অঞ্চল ইসরায়েলের দখলে ছিল। সেখানে টহল দেওয়ার সময় হিজবুল্লাহর সদস্যরা ইসরায়েলি সেনাদের আটক করে।
ওই ঘটনায় গিভাতি ব্রিগেডের সদস্যরা তাদের সহযোদ্ধাদের নিয়ে যাওয়া একটি গাড়ি দেখতে পেলেও গুলি চালাননি। ভবিষ্যতে যাতে এমন ঘটনা আর না ঘটে, তা নিশ্চিত করতেই পরে এই নির্দেশনা তৈরি করা হয়।
ইসরায়েলি সরকারের তথ্য অনুযায়ী, আটক তিন সেনার দেহাবশেষ ১৯৯৬ সালে ইসরায়েলে ফেরত আনা হয়। এর বিনিময়ে হিজবুল্লাহর ১২৩ যোদ্ধার মরদেহ ফেরত দেয় ইসরায়েল।
ইসরায়েলি সেনাদের অপহরণকে শত্রুপক্ষের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর সাবেক সদস্য ও 'ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স' নামের বেসরকারি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ইয়েহুদা শল।
গত বছরের নভেম্বরে আল জাজিরাকে তিনি বলেন, সেনাদের আটক করতে পারলে শত্রুপক্ষ আলোচনায় চাপ সৃষ্টি করার ক্ষমতা পায়। একই সঙ্গে তা দেশের মানুষের মনোবল ও যুদ্ধের প্রতি জনসমর্থনেও প্রভাব ফেলতে পারে। অন্যদিকে, আটক হওয়ার আগেই সেনারা নিহত হলে শত্রুপক্ষ তাদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক তথ্য নেওয়ার সুযোগ পায় না।
হামাসের যোদ্ধারা ৭ অক্টোবর ইসরায়েল থেকে যেসব মানুষকে ধরে গাজায় নিয়ে যায়, তাদের ভাগ্যও এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি জনমতের ওপর বড় প্রভাব ফেলছে। জিম্মিদের ফিরিয়ে আনা ইসরায়েলিদের কাছে যুদ্ধের অন্যতম প্রধান বিষয় হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন জরিপেও জিম্মিদের নিরাপত্তা ও মুক্তিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
এর আগে ২০০৬ সালে হামাস ইসরায়েলি সেনা গিলাদ শালিতকে আটক করেছিল। পাঁচ বছর পর এক হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি বন্দীর বিনিময়ে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। কোনো একক ইসরায়েলি সেনার বিনিময়ে এটিই ছিল সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ফিলিস্তিনি বন্দী মুক্তি দেওয়ার ঘটনা।
'হ্যানিবাল' নামটির উৎস নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। কিছু সূত্রের দাবি, খ্রিষ্টপূর্ব ১৮১ সালে রোমানদের হাতে বন্দী হওয়ার বদলে বিষপান করে আত্মহত্যা করা কার্থেজের সেনাপতি হ্যানিবালের নাম থেকে নির্দেশনাটির নাম এসেছে।
তবে ইসরায়েলি সামরিক কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, কম্পিউটার এলোমেলোভাবে এই নাম নির্বাচন করেছিল।
২০১৬ সালে টাইমস অব ইসরায়েলসহ দেশটির বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানায়, সামরিক প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল গাদি আইজেনকট 'হ্যানিবাল প্রটোকল' বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কারণ, নির্দেশনাটি সেনাদের কতটা শক্তি প্রয়োগের স্বাধীনতা দেয়, তা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল।
তখন সংবাদমাধ্যমটি জানায়, শত্রুর হাতে কোনো সেনা আটক হওয়া ঠেকাতে এই নির্দেশনা অনুযায়ী সেনারা প্রয়োজনে ব্যাপক শক্তি প্রয়োগ করতে পারে। এতে ওই সেনার জীবন ঝুঁকিতে পড়ার সম্ভাবনাও ছিল।
তবে কিছু কর্মকর্তা নির্দেশনাটিকে আরও চরমভাবে ব্যাখ্যা করতেন। তাদের ধারণা ছিল, কোনো সহযোদ্ধাকে শত্রুর হাতে আটক হওয়া থেকে ঠেকাতে প্রয়োজনে তাকে ইচ্ছাকৃতভাবেও হত্যা করা যেতে পারে। অথচ নির্দেশনাটির উদ্দেশ্য ছিল শক্তি প্রয়োগের সময় ওই সেনা আহত বা নিহত হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাকে মেনে নেওয়া, তাকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করা নয়।
হারেৎজের অনুসন্ধানে যা উঠে এসেছে
২০১৬ সালে 'হ্যানিবাল নির্দেশনা' বাতিল করা হয়েছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও রোববার প্রকাশিত হারেৎজের অনুসন্ধানে ভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে। পত্রিকাটির অনুসন্ধান বলছে, ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর বিশৃঙ্খল প্রতিক্রিয়ার মধ্যে কমান্ডাররা কোনো শর্ত বা অতিরিক্ত ব্যাখ্যা ছাড়াই এই নির্দেশনা প্রয়োগের আদেশ দিয়েছিলেন।
সেদিন দক্ষিণ ইসরায়েলের সেনাঘাঁটি ও আশপাশের গ্রামে হামাসের হামলায় ১ হাজার ১৩৯ জন নিহত হন। আরও ২৫১ জনকে ধরে গাজায় নিয়ে যাওয়া হয়।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর ওই দিনের প্রতিক্রিয়া খতিয়ে দেখতে হারেৎজের সাংবাদিকেরা সামরিক নথি পর্যালোচনা করেন এবং সেনা, মধ্যম পর্যায়ের কর্মকর্তা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাক্ষ্য নেন। এতে গাজা ডিভিশন, সাউদার্ন কমান্ড ও ইসরায়েলি জেনারেল স্টাফের দেওয়া বিভিন্ন নির্দেশ ও কার্যপদ্ধতির তথ্য পাওয়া যায়। পাশাপাশি এ বিষয়ে সেনাবাহিনীর অবগত থাকার ও ব্যাপকভাবে সেটি প্রয়োগের প্রমাণও পাওয়া গেছে।
হামলার মাত্রা পুরোপুরি বুঝে ওঠার আগেই ইসরায়েলি কমান্ডাররা যখন পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছিলেন, তখন অন্তত তিনটি সামরিক স্থাপনায় এই নির্দেশনা প্রয়োগ করা হয় বলে অনুসন্ধানে অভিযোগ করা হয়েছে। তবে এসব আদেশে সেনা ও বেসামরিক নাগরিকদের মধ্যে কোনো পার্থক্য করা হয়নি।
হারেৎজের তথ্য অনুযায়ী, হামলার প্রথম দিকেই সকাল ৭টা ১৮ মিনিটে ইসরায়েল ও গাজার মধ্যবর্তী সীমান্ত পারাপারের স্থান বেইত হানুন (ইসরায়েলিদের কাছে এরেজ নামে পরিচিত) থেকে একজনকে অপহরণের খবর আসে। এর পর ডিভিশন সদর দপ্তর থেকে শুধু বলা হয়, 'এরেজে হ্যানিবাল'। কোনো ব্যাখ্যা বা অতিরিক্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। এতে ধারণা করা হয়, বার্তাটি পাওয়া সবাই 'হ্যানিবাল' বলতে কী বোঝায়, তা জানতেন।
হামলা শুরুর প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর গাজা ডিভিশনে পাঠানো আরেকটি বার্তায় বলা হয়, 'একটিও গাড়ি গাজায় ফিরতে দেওয়া যাবে না।'
ইসরায়েলের সাউদার্ন কমান্ডের এক সূত্র হারেৎজকে বলেন, 'ততক্ষণে সবাই জানত, এসব গাড়িতে অপহৃত বেসামরিক নাগরিক বা সেনা থাকতে পারে। গাজায় কোনো গাড়ি ফিরতে না দেওয়ার অর্থ কী, তা সবাই জানত।'
জাতিসংঘ-সমর্থিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেদিন ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে নিহত বেসামরিক নাগরিক ও সেনার সংখ্যা এক ডজনের বেশি। তবে হারেৎজ বলেছে, 'হ্যানিবাল নির্দেশনা' প্রয়োগের কারণে ইসরায়েলের মোট কতজন হতাহত হয়েছেন, তা নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়।
অন্য সময়ও কি 'হ্যানিবাল নির্দেশনা' প্রয়োগ করা হয়েছিল?
২০১৬ সালে নির্দেশনাটি বাতিল করা হয়েছে বলে দাবি করার আগেও বিভিন্ন সময়ে 'হ্যানিবাল নির্দেশনা' প্রয়োগ করা হয়েছিল বা প্রয়োগ করা হয়েছে বলে সন্দেহ করা হয়েছিল।
২০০০ সালের অক্টোবর: অধিকৃত শেবা ফার্মসে হিজবুল্লাহর হাতে তিন ইসরায়েলি সেনা আটক হন। অধিকৃত গোলান মালভূমি, লেবানন ও সিরিয়ার সীমান্তবর্তী ওই এলাকায় সেনাদের আটকের খবর পেয়ে ইসরায়েলের নর্দার্ন কমান্ড 'হ্যানিবাল পরিস্থিতি' ঘোষণা করে। এরপর আটক সেনাদের বহন করছে বলে ধারণা করা একটি গাড়িবহরে ইসরায়েলি সামরিক হেলিকপ্টার থেকে হামলা চালানো হয়।
২০০৬ সাল: হামাসের হাতে একজন ইসরায়েলি সেনা অপহৃত হওয়ার পর 'হ্যানিবাল নির্দেশনা' জারি করা হয়। তবে ততক্ষণে তা কার্যকর করার সময় পেরিয়ে গিয়েছিল। এক মাস পর হিজবুল্লাহর হাতে আরও দুই ইসরায়েলি সেনা আটক হলে আবারও নির্দেশনাটি প্রয়োগ করা হয়। পরে ওয়াশিংটন পোস্টকে ইসরায়েলের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছিলেন, 'আমরা তাদের খুঁজে পেলে হামলা চালাতাম, এমনকি এতে সেনাদের মৃত্যু হলেও।'
২০০৮ সাল: গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধের সময়ও নির্দেশনাটি প্রয়োগ করা হয়েছিল বলে জানা যায়। আহত একজন ইসরায়েলি সেনাকে আটক হওয়া থেকে ঠেকাতে একটি ফিলিস্তিনি বাড়িতে গোলাবর্ষণ করা হয়েছিল।
২০১৪ সাল: একজন ইসরায়েলি জুনিয়র কর্মকর্তাকে অপহরণের পর রাফাহ এলাকায় 'হ্যানিবাল নির্দেশনা' প্রয়োগ করা হয়। পরে ওই সেনাকে আটকের পর ঘটে যাওয়া ব্যাপক প্রাণহানি নিয়ে তদন্ত করে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। সংস্থাটি বলেছিল, নির্দেশনাটি প্রয়োগের ফলে হামলায় ২০০ জন পর্যন্ত ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিক নিহত হতে পারেন, যাদের মধ্যে ৭৫ জন শিশু। সংস্থাটি ওই হামলাকে 'যুদ্ধাপরাধ' হিসেবে বর্ণনা করে। পরে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী নির্দেশনাটি কার্যকর করার কথা অস্বীকার করে। তবে রেডিও যোগাযোগে কয়েকবার এটির উল্লেখ করা হয়েছিল বলে স্বীকার করে।
২০১৪ ও ২০১৬ সাল: গাজা সিটির শুজাইয়া যুদ্ধে এবং ২০১৬ সালে কালান্দিয়া শরণার্থীশিবিরেও 'হ্যানিবাল নির্দেশনা' প্রয়োগ করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। কালান্দিয়া শিবিরে একজন ইসরায়েলি সেনা নিখোঁজ হওয়ার পর সেখানে বিপুলসংখ্যক সেনা মোতায়েন করা হয়েছিল।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর: হারেৎজ একজন ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানায়, ওই দিনও 'হ্যানিবাল নির্দেশনা' প্রয়োগ করা হয়েছিল। তবে এ নির্দেশনা ডিভিশন কমান্ডার দেননি বলে ওই কর্মকর্তা জানান। কে নির্দেশটি দিয়েছিলেন—এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'যুদ্ধ-পরবর্তী তদন্তে হয়তো তা জানা যাবে।'
'হ্যানিবাল নির্দেশনা' নিয়ে ইসরায়েল সরকার কী বলেছে?
২০০৬ সালে জেরুজালেম পোস্ট 'হ্যানিবাল নির্দেশনা'কে অপহরণের চেষ্টা হলে অনুসরণের একটি কথিত সামরিক নিয়ম হিসেবে উল্লেখ করে। পত্রিকাটি তখন জানায়, 'সেনাদের এই নির্দেশনার বিষয়বস্তু জানানো হয়, তবে কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নয়।'
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বিভিন্ন সময়ে বলেছে, সহযোদ্ধাকে অপহরণ থেকে বাঁচাতে তাকে হত্যা করার অনুমতি এই নির্দেশনায় নেই। তবে নির্দেশনার ভাষা নিয়ে বিভ্রান্তি এবং এর লিখিত কপি শুধু ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে থাকায় অপহরণের ঘটনায় একজন সেনার জীবন কতটা ঝুঁকিতে ফেলা যাবে, তা নিয়ে অস্পষ্টতা রয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে ২০১১ সালে তৎকালীন ইসরায়েলি সেনাপ্রধান বেনি গানৎস প্রকাশ্যেই বলেন, কোনো সেনার অপহরণ ঠেকাতে তাকে হত্যার অনুমতি 'হ্যানিবাল নির্দেশনা' দেয় না।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী কী বলেছে?
২০০৩ সাল পর্যন্ত 'হ্যানিবাল নির্দেশনা' নিয়ে আলোচনা ইসরায়েলি সামরিক সেন্সরশিপের মাধ্যমে ব্যাপকভাবে নিষিদ্ধ ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা যায়। তবে নির্দেশনাটি ৭ অক্টোবর প্রয়োগ করা হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
হারেৎজের পক্ষ থেকে জানতে চাইলে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর একজন মুখপাত্র বলেন, '৭ অক্টোবর এবং এর আগের সময়ে কী ঘটেছিল, তা নিয়ে সেনাবাহিনী অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করেছে।'
তিনি আরও বলেন, 'এই তদন্তের লক্ষ্য শিক্ষা নেওয়া এবং এমন বিষয়গুলো চিহ্নিত করা, যা চলমান যুদ্ধে কাজে লাগানো যাবে। তদন্ত শেষ হলে এর ফলাফল স্বচ্ছতার সঙ্গে জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে।'
