‘এই যুদ্ধে শান্তির পথে সবচেয়ে বড় বাধা ইসরায়েল’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের পর পাকিস্তানের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেও পরিস্থিতি এমন ছিল যে আলোচনার টেবিলে ইতিবাচক বা বাস্তবসম্মত কিছুর আশা তৈরি হয়েছিল। পাকিস্তান অত্যন্ত আশাবাদী ছিল যে, ঘটনাপ্রবাহ এমন এক দিকে যাচ্ছে যা উত্তেজনা প্রশমনে (ডি-এস্কেলেশন) সহায়তা করবে।
তবে খুব দ্রুত সময়ের ব্যবধানে চারটি ঘটনা সব সমীকরণ পাল্টে দিয়েছে। এগুলো হলো— ইরানের রেলপথে ইসরায়েলি হামলা, ইস্তাম্বুলে ইসরায়েলি কনসুলেটে আক্রমণ, সৌদি আরবের তেল স্থাপনায় হামলা এবং সবশেষে ট্রাম্পের সেই সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট।
পাকিস্তানি ওই সূত্রের মতে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র—উভয় পক্ষের ভেতরেই এমন কিছু 'শান্তিবিরোধী' অংশ রয়েছে যারা শান্তির কোনো সম্ভাবনা দেখতে চায় না। ইরানের আইআরজিসি-র ভেতরে যেমন এমন পক্ষ আছে, তেমনি যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেও রয়েছে।
তবে ওই সূত্রটি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, এই সমস্ত পক্ষের মধ্যে সবচেয়ে বড় শান্তিবিরোধী হলো ইসরায়েল। তারা চায় না যে যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসুক। ইসরায়েল কেবল উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং একটি দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ চায়, যেখানে এই অঞ্চলের দেশগুলো অনিবার্যভাবে জড়িয়ে পড়বে এবং নিজেদের মধ্যে সংঘাতে লিপ্ত হবে।
