Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Sunday
March 22, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
SUNDAY, MARCH 22, 2026
ট্রাম্পকে গ্রিনল্যান্ড কিনে নেওয়ার বুদ্ধি দেওয়া কে এই ধনকুবের রোনাল্ড লডার?

আন্তর্জাতিক

এল পাইস
08 February, 2026, 12:10 pm
Last modified: 08 February, 2026, 12:14 pm

Related News

  • তিন সপ্তাহে ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের নিয়ন্ত্রণের বাইরে পরিস্থিতি, বাড়ছে অস্থিরতা
  • ন্যাটো মিত্ররা ‘কাপুরুষ’, হরমুজ প্রণালি খুলতে দেশগুলো সহায়তা করছে না: ট্রাম্প
  • ইরানের খার্গ দ্বীপ ট্রাম্পের কাছে আকর্ষণীয় লক্ষ্য, তবে ঝুঁকিও ব্যাপক
  • কে এই জো কেন্ট? ট্রাম্পের কাউন্টার-টেররিজম প্রধানের পদত্যাগের কারণ কী?
  • খুব শিগগিরই হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল আবার স্বাভাবিক হবে: ট্রাম্প

ট্রাম্পকে গ্রিনল্যান্ড কিনে নেওয়ার বুদ্ধি দেওয়া কে এই ধনকুবের রোনাল্ড লডার?

‘দ্য গার্ডিয়ান’-এর মতে, ট্রাম্প যখন এই বিশাল বরফাচ্ছাদিত ভূখণ্ড নিয়ে তার হুমকি জোরদার করেছেন, তখন লডার ওই অঞ্চলে বাণিজ্যিক স্বার্থ অর্জন করেছেন।
এল পাইস
08 February, 2026, 12:10 pm
Last modified: 08 February, 2026, 12:14 pm
রোনাল্ড এস. লডার, এস্টি লডারের উত্তরাধিকারী। ছবি: এল পাইস

২০২২ সালের সংবাদগুলো যদি আপনি পুনরায় পড়েন তাহলে খেয়াল করবেন কীভাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মাথায় গ্রিনল্যান্ড কেনার আইডিয়া এসেছিল এবং আপনি উপলব্ধি করবেন যে বিশ্ব কতটা অভাবনীয়ভাবে বদলে গেছে। সে সময় নিউইয়র্কের ৮১ বছর বয়সী ব্যবসায়ী রোনাল্ড এস. লডারের দেওয়া এই প্রস্তাবটি অনেকের কাছেই ছিল নিছক এক উদ্ভট কল্পনা। কিন্তু সেসব ছিল ভিন্ন সময়।

এই কাহিনী ২০১৮ সালে তৎকালীন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন 'দ্য গার্ডিয়ান' পত্রিকার কাছে বর্ণনা করেছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে একদিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট তাকে ফোন করে একটি নতুন ধারণা নিয়ে আলোচনা করতে চান। এক প্রভাবশালী ব্যবসায়ী তাকে সদ্য গ্রিনল্যান্ড কেনার প্রস্তাব দিয়েছেন।

বোল্টন পরে জানতে পারেন, সেই বন্ধুটি ছিলেন লডার—যিনি বিশ্ববিখ্যাত প্রসাধনী সাম্রাজ্য 'এস্টি লডার কোম্পানিজ'-এর উত্তরাধিকারী, একজন জনহিতৈষী, শিল্প সংগ্রাহক এবং কয়েক দশক ধরে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। 

দৃশ্যত, তারা দুজনে দীর্ঘ সময় ধরে এই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করেন এবং রিপাবলিকান নেতা সেই আলোচনা শেষে পুরোপুরি আশ্বস্ত হন।

বোল্টনের মতে, এটি মূলত ট্রাম্পের কর্মপদ্ধতি। তিনি তার ঘনিষ্ঠদের কাছ থেকে শোনা তথ্যের বেশিরভাগই সত্য বলে ধরে নেন এবং খুব কমই নিজের অবস্থান পরিবর্তন করেন। গ্রিনল্যান্ডের এই ভাবনাটি কয়েক মাস ধরে জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের কর্মীদের ব্যস্ত রেখেছিল। আট বছর পর, ট্রাম্প কেবল দ্বীপটি কেনার কথা ভাবছেন না, এমনকি এটি শক্তি প্রয়োগ করে দখল করার কথাও চিন্তা করছেন।

'দ্য গার্ডিয়ান'-এর মতে, ট্রাম্প যখন এই বিশাল বরফাচ্ছাদিত ভূখণ্ড নিয়ে তার হুমকি জোরদার করেছেন, তখন লডার ওই অঞ্চলে বাণিজ্যিক স্বার্থ অর্জন করেছেন। ব্যবসায়ী লডার প্রায় এক বছর আগে 'নিউ ইয়র্ক পোস্ট'-এ একটি নিবন্ধ লিখেছিলেন যা পড়ার মতো। সেখানে তিনি নিজেকে 'গ্রিনল্যান্ড বিশেষজ্ঞ' হিসেবে দাবি করেন এবং তিনটি পথের রূপরেখা তৈরি করেন যা তার মতে এই দ্বীপটিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী সীমান্তে পরিণত করতে পারে।

লডার বর্ণনা করেন, ২০২০ সালে যখন এই আইডিয়াটি প্রথম প্রস্তাব করা হয়েছিল, তখন এটি 'সর্বজনীন উপহাসের' শিকার হয়েছিল এবং কীভাবে—আরও একবার—সমালোচকরা ভুল প্রমাণিত হলেন। তিনি লিখেছিলেন, এটি ছিল সমালোচকদের 'সংকীর্ণ চিন্তাধারা'। তিনি যুক্তি দেন, এই অঞ্চলের পাথুরে মাটির নিচে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অস্ত্রশস্ত্র এবং আধুনিক প্রযুক্তির জন্য অপরিহার্য বিরল খনিজ উপাদানের ভাণ্ডার রয়েছে; গ্রিনল্যান্ড ইতোমধ্যেই বড় পরাশক্তিগুলোর প্রতিযোগিতার কেন্দ্রবিন্দু এবং এটি এমন এক কৌশলগত অবস্থান প্রদান করে যা এখনও পুরোপুরি গড়ে তোলা হয়নি।

লডার হলেন কিংবদন্তি প্রসাধনী উদ্যোক্তা এস্টি লডার এবং জোসেফ লডারের পুত্র, যারা ১৯৪৬ সালে 'এস্টি লডার কোম্পানিজ' প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি পারিবারিক ব্যবসার মধ্যেই বড় হয়েছেন এবং গত বছর তার বড় ভাই লিওনার্ডের মৃত্যুর পর এই সাম্রাজ্যের নিয়ন্ত্রণ উত্তরাধিকার সূত্রে পান, যদিও তিনি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন না। ফোর্বসের মতে, তার ব্যক্তিগত সম্পদের পরিমাণ প্রায় পাঁচ বিলিয়ন ডলার।

লডার নিউ ইয়র্কের মর্যাদাপূর্ণ 'ব্রঙ্কস হাই স্কুল অফ সায়েন্স'-এ পড়াশোনা করেন। এরপর তিনি ইউনিভার্সিটি অফ পেনসিলভানিয়ার 'ওয়ারটন স্কুল' থেকে ব্যবসায় শিক্ষা লাভ করেন। তিনি প্যারিস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা সম্পন্ন করেন এবং ব্রাসেলস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক ব্যবসায় একটি সার্টিফিকেট অর্জন করেন। ১৯৬৭ সালে তিনি জো ক্যারোল নফকে বিয়ে করেন, যাদের দুই কন্যা রয়েছে। তারা দুজনেই প্রসাধনি শিল্পের সাথে যুক্ত। তাদের একজন ডিজাইনার এবং অন্যজন পারিবারিক গ্রুপের বিভিন্ন উচ্চপদে রয়েছেন।

রোনাল্ড লডার ২০ বছর বয়সে কোম্পানিতে যোগ দেন এবং শুরুতে আন্তর্জাতিক সম্প্রসারণ বিভাগের নেতৃত্ব দেন। কয়েক দশক ধরে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন এবং আশির দশকে 'ক্লিনিক ল্যাবরেটরিজ'-এর প্রেসিডেন্ট নিযুক্ত হন। কোম্পানিতে অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় কাটানোর পর লডার গত বছর পরিচালনা পর্ষদ থেকে অবসরের ঘোষণা দেন। তবে তিনি ক্লিনিক ল্যাবরেটরিজের চেয়ারম্যান হিসেবে যুক্ত আছেন এবং কর্পোরেট প্রশাসনে তার যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে, যার মধ্যে পরিচালনা পর্ষদের দুইজন সদস্য নিয়োগ দেওয়ার অধিকারও অন্তর্ভুক্ত।

ইহুদি ধর্মাবলম্বী লডার কয়েক দশক ধরে রিপাবলিকান পার্টির একজন বিশিষ্ট দাতা এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। ১৯৮৯ সালে তিনি নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন। তিনি ধারাবাহিকভাবে ইজরায়েল-পন্থী অবস্থান সমর্থন করেছেন এবং বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সাথে দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিগত সম্পর্ক বজায় রেখেছেন।

২০২০ সালে কোম্পানির ১০০-র বেশি কর্মচারী লডারকে বরখাস্ত করার দাবি জানিয়ে গ্রুপের প্রেসিডেন্ট ও তার ভাতিজা উইলিয়াম পি. লডারকে একটি চিঠি লেখেন। স্বাক্ষরকারীরা তার রাজনৈতিক অনুদান এবং তার দৃষ্টিভঙ্গির কারণে কোম্পানির বর্ণগত সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে তাঁকে পরিচালনা পর্ষদ থেকে অপসারণের দাবি তোলেন।

২০১৬ সাল থেকে লডার ট্রাম্প-পন্থী সংস্থাগুলোতে এক দশমিক ছয় মিলিয়ন ডলারের বেশি অনুদান দিয়েছেন। ২০১৮ সালে যখন প্রেসিডেন্টের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল, তখন তিনি প্রকাশ্যে তাকে 'অসাধারণ অন্তর্দৃষ্টি এবং বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন' মানুষ হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন।

তার প্রকাশ্য কর্মজীবনে স্নায়ুযুদ্ধের সময়কালীন প্রখর কূটনৈতিক তৎপরতা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ১৯৮৩ সালে রোনাল্ড রেগান তাকে ইউরোপীয় ও ন্যাটো বিষয়ক উপ-সহকারী প্রতিরক্ষা সচিব হিসেবে নিয়োগ দেন, যেখান থেকে তিনি পূর্ব-পশ্চিম সংঘাতের শেষ পর্যায়ে কৌশলগত নীতি প্রণয়নে অংশ নেন। এরপর তিনি অস্ট্রিয়ায় রাষ্ট্রদূত নিযুক্ত হন। ১৯৯৮ সালে নেতানিয়াহু তাকে সিরিয়ার সাথে গোপন শান্তি আলোচনায় বিশেষ দূত হিসেবে নিয়োগ দেন, যা সেই সময় আঞ্চলিক মধ্যস্থতায় মূল ভূমিকা পালন করেছিল।

২০১৭ সাল থেকে লডার 'ওয়ার্ল্ড জিউস কংগ্রেস'-এর সভাপতিত্ব করছেন, যা ১০০-রও বেশি দেশের ইহুদি সম্প্রদায়ের একটি ফেডারেশন। এই ক্ষমতায় তিনি আয়রন কার্টেনের পতনের পর পূর্ব ইউরোপে ইহুদি জীবন পুনর্গঠনের জন্য প্রচুর রাজনৈতিক ও দাতব্য মূলধন বিনিয়োগ করেছেন। ১৯৮৭ সালে 'রোনাল্ড এস লডার ফাউন্ডেশন' তৈরির মাধ্যমে তার জনহিতকর অঙ্গীকার আনুষ্ঠানিক রূপ পায়। এছাড়াও তিনি আলঝেইমার রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য একটি অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠা করেন।

একজন প্রথম সারির শিল্প সংগ্রাহক হিসেবে তিনি মেট্রোপলিটান মিউজিয়াম অফ আর্টের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ছিলেন এবং ২০০১ সালে নিউ ইয়র্কে 'ন্যুয়ে গ্যালারি' প্রতিষ্ঠা করেন। তার সংগ্রহে ইউরোপীয় বর্মের অন্যতম বৃহৎ ব্যক্তিগত সংগ্রহও রয়েছে, যার ৯৯টি তিনি ২০২০ সালে মেট্রোপলিটন মিউজিয়ামে দান করেন।

লডার একটি ব্যতিক্রমী উত্তরাধিকারকে বহুমুখী আগ্রহ এবং ক্ষমতার ক্যারিয়ারে রূপান্তর করতে সক্ষম হয়েছেন। এখন দেখার বিষয়, তার এই সমস্ত পরিচয়ের মধ্যে তার এক বন্ধুর সাথে কথোপকথন শেষ পর্যন্ত ইতিহাসের সবচেয়ে নির্ণায়ক বিষয় হয়ে দাঁড়ায় কি না।

Related Topics

টপ নিউজ

ডোনাল্ড ট্রাম্প / মার্কিন প্রেসিডেন্ট / ব্যবসায়ী / রোনাল্ড লডার / ধনকুবের / গ্রিনল্যান্ড কেনার পরামর্শ

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ইসরায়েলের সীমান্তবর্তী লেবাননের একটি গ্রাম। ছবি: রয়টার্স
    যেভাবে ইরানের আইআরজিসি যুদ্ধের জন্য লেবাননের হিজবুল্লাহকে পুনর্গঠিত করেছে
  • ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ছবি; রয়টার্স
    হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাপানের জাহাজ চলাচলে অনুমতি দিতে প্রস্তুত ইরান: আরাগচি
  • মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স
    ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান ‘গুটিয়ে আনার’ কথা ভাবছেন ট্রাম্প
  • সালামি থেকে ‘মানি বুকে’: সময়ের সঙ্গে বদলে যাওয়া ঈদের রীতি
    সালামি থেকে ‘মানি বুকে’: সময়ের সঙ্গে বদলে যাওয়া ঈদের রীতি
  • মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: ব্র্যান্ডন ম্যাকডার্মিড
    তিন সপ্তাহে ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের নিয়ন্ত্রণের বাইরে পরিস্থিতি, বাড়ছে অস্থিরতা
  • ছবি: দ্য টেলিগ্রাফ ইউকে
    হরমুজ প্রণালি অচল করে দিতে পারে ইরানের খুদে সাবমেরিন বহর

Related News

  • তিন সপ্তাহে ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের নিয়ন্ত্রণের বাইরে পরিস্থিতি, বাড়ছে অস্থিরতা
  • ন্যাটো মিত্ররা ‘কাপুরুষ’, হরমুজ প্রণালি খুলতে দেশগুলো সহায়তা করছে না: ট্রাম্প
  • ইরানের খার্গ দ্বীপ ট্রাম্পের কাছে আকর্ষণীয় লক্ষ্য, তবে ঝুঁকিও ব্যাপক
  • কে এই জো কেন্ট? ট্রাম্পের কাউন্টার-টেররিজম প্রধানের পদত্যাগের কারণ কী?
  • খুব শিগগিরই হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল আবার স্বাভাবিক হবে: ট্রাম্প

Most Read

1
ইসরায়েলের সীমান্তবর্তী লেবাননের একটি গ্রাম। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

যেভাবে ইরানের আইআরজিসি যুদ্ধের জন্য লেবাননের হিজবুল্লাহকে পুনর্গঠিত করেছে

2
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ছবি; রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাপানের জাহাজ চলাচলে অনুমতি দিতে প্রস্তুত ইরান: আরাগচি

3
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান ‘গুটিয়ে আনার’ কথা ভাবছেন ট্রাম্প

4
সালামি থেকে ‘মানি বুকে’: সময়ের সঙ্গে বদলে যাওয়া ঈদের রীতি
ফিচার

সালামি থেকে ‘মানি বুকে’: সময়ের সঙ্গে বদলে যাওয়া ঈদের রীতি

5
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: ব্র্যান্ডন ম্যাকডার্মিড
আন্তর্জাতিক

তিন সপ্তাহে ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের নিয়ন্ত্রণের বাইরে পরিস্থিতি, বাড়ছে অস্থিরতা

6
ছবি: দ্য টেলিগ্রাফ ইউকে
আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালি অচল করে দিতে পারে ইরানের খুদে সাবমেরিন বহর

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net