ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানের চেষ্টায় শান্তি আলোচনার জন্য রাশিয়ায় ব্যতিক্রমী আলোচক দল পাঠাচ্ছেন ট্রাম্প
ইউক্রেন যুদ্ধের ইতি টানতে দ্রুত একটি শান্তিচুক্তি চূড়ান্ত করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র সরকার। এজন্য রাশিয়ায় পাঠানো হচ্ছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দুই শীর্ষ কূটনীতিককে।
তারা দুজনই ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠজন বলে পরিচিত—একজন সাবেক ব্যবসায়িক সহযোগী স্টিভ উইটকফ, অন্যজন তার জামাতা জ্যারেড কুশনার। এদের দুজনের কেউই এখনো মার্কিন সিনেটের আনুষ্ঠানিক অনুমোদনপ্রাপ্ত নন।
ট্রাম্পের বিশেষ দূত উইটকফ ও কুশনার মঙ্গলবার (যুক্তরাষ্ট্র সময় আগামীকাল) রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করবেন। ইউক্রেনে হামলা চালিয়ে যুদ্ধ শুরু করার পর যিনি পুরো সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে। তবে পুতিনকে যুদ্ধ বন্ধে রাজি করানোই হচ্ছে এই সফরে তাদের প্রধান দায়িত্ব।
ইউক্রেন ইস্যুতে উইটকফ, কুশনার, মার্কিন সেনাবাহিনীর সেক্রেটারি ড্যান ড্রিসকোল এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর নেতৃত্বাধীন সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক উদ্যোগ তার প্রচলিত রীতির বাইরের। আর তার এধরনের কূটনৈতিক প্রচেষ্টাগুলো প্রায়ই বিতর্কের জন্ম দেয়। তবে এটা ট্রাম্পের কূটনৈতিক কার্যপদ্ধতিকেও স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।
ট্রাম্প তার দ্বিতীয় মেয়াদজুড়ে বিশ্বের জটিলতম সংকটগুলো সমাধানের জন্য বারবার তার অতি ঘনিষ্ঠ সহচর ও ব্যবসায়িক সহযোগীদের ওপর আস্থা রাখছেন।
এসব কূটনীতির সাফল্যও রয়েছে। ইসরায়েল–হামাস যুদ্ধবিরতি চুক্তি মধ্যস্ততা করতে উইটকফ ও কুশনার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন—যা ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মতে, রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করতে তাদেরকে আলোচনা প্রক্রিয়ার কেন্দ্রে রাখার অন্যতম কারণ।
গাজা যুদ্ধবিরতির পর ট্রাম্প উইটকফ সম্পর্কে মন্তব্য করেন, "তিনি একজন দারুণ মানুষ, একারণে একজন ভালো আলোচকও।"
মধ্যপ্রাচ্যে বিশেষ দূত হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার সময় উইটকফের দায়িত্ব ছিল গাজা যুদ্ধের অবসান ঘটানোর চেষ্টা করা। কিন্তু এর অল্প কিছুদিন পরই তার দায়িত্বের পরিধি বাড়িয়ে রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানের কূটনৈতিক প্রচেষ্টাতেও তাকে আলোচকের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
বিশ্বের দুই কঠিনতম সংকট একসঙ্গে সামলানোর দায়িত্ব তার হাতে তুলে দেওয়ার এই ঘটনা অবশ্য্য ওয়াশিংটনসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিস্ময়ের কারণও হচ্ছে।
তবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সাবেক এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ট্রাম্প "নিজেকে আমলাতন্ত্রের মাঝে আটকে দিতে সবসময়ই অনিচ্ছুক" এবং তিনি বরং "ব্যক্তিগত পর্যায়ের কূটনীতিতে" বিশ্বাসী।
তিনি আরও বলেন, ট্রাম্প প্রথম প্রেসিডেন্ট নন যিনি এই ধারা অনুসরণ করছেন—এটি স্নায়ুযুদ্ধ শুরুর আগের সেই সময়কার পদ্ধতির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ যখন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল বা পররাষ্ট্র ও সিভিল সার্ভিসে পেশাদারিত্বের কাঠামো তৈরি হয়নি।
উইটকফের সঙ্গে মস্কোর উষ্ণ সম্পর্ক যুক্তরাষ্ট্রের অনেক মিত্র দেশের উদ্বেগ বাড়িয়েছে; কারণ তিনি প্রায়ই অভিজ্ঞ মার্কিন কূটনীতিক—এমনকি আলোচনার মার্কিন নোটগ্রহণকারী ছাড়াই—উচ্চপদস্থ রুশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
ট্রাম্প নিজেও জানিয়েছেন, পুতিন ও তার উইটকফের মধ্যে একটি বৈঠক, যা ১৫–২০ মিনিট স্থায়ী হওয়ার কথা ছিল, তা প্রায় পাঁচ ঘণ্টা চলেছিল।
"আমি তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, 'পাঁচ ঘণ্টা কী কথা বললে?' তিনি বললেন, 'অনেক মজার বিষয় সব বিষয় ছিল'"—ট্রাম্প অক্টোবরে দেওয়া এক বক্তব্যে এভাবেই বর্ণনা।
গত অক্টোবরের মাঝামাঝি এক ফোনালাপে—যার অডিও ব্লুমবার্গ পর্যালোচনা ও প্রতিলিপি করেছে, উইটকফ রাশিয়ান প্রেসিডেন্টের শীর্ষ পররাষ্ট্রনীতি উপদেষ্টা ইউরি উশাকভকে পরামর্শ দেন পুতিন কীভাবে ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলবেন। এই আলাপের মাত্র একদিন পরই ট্রাম্প দেখা করেন ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে।
ইউরোপীয় কয়েকজন কর্মকর্তা এ ঘটনাকে "অপ্রীতিকর, কিন্তু বিস্ময়কর নয়" হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ট্রাম্প অবশ্য এসব উদ্বেগকে গুরুত্ব দেননি।
"তার কাজ হলো ইউক্রেনকে বোঝানো, আবার ইউক্রেনকে রাশিয়াকে বোঝানো। একজন ডিলমেকারের কাজই এটি,"—গত সপ্তাহে সাংবাদিকদের বলেন ট্রাম্প।
সোমবার হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলাইন লেভিট মস্কো বৈঠক থেকে ট্রাম্প কী আশা করছেন এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, আমরা "অত্যন্ত আশাবাদী।"
"আমরা আলোচনার পয়েন্টগুলো লিখেছি। সেগুলো বেশ পরিশীলিত হয়েছে। বিস্তারিত বিষয়ে আলোচকরা নিজেরাই বলবেন। তবে আমরা ভালো মনে করছি এবং আশা করছি এই যুদ্ধের অবসান ঘটবে।"
হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা মুখপাত্র আন্না কেলি বলেন, "প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প উইটকফ ও কুশনারসহ তার পুরো জাতীয় নিরাপত্তা টিমের কাজ নিয়ে গর্বিত—যারা দুই পক্ষের সঙ্গেই কথা বলে একটি টেকসই, কার্যকর শান্তিচুক্তির পথ তৈরি করছেন।"
কুশনার—আলোচনায় উদীয়মান কেন্দ্রীয় ব্যক্তি
উইটকফের সঙ্গে আলোচনা প্রক্রিয়ায় যুক্ত থেকে একটি শান্তিচুক্তিতে পৌঁছানোর চেষ্টা করবেন জ্যারেড কুশনারও।
গত দুই সপ্তাহে ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে দুই দফা উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধি দলের অংশ ছিলেন কুশনার—যিনি আবারও প্রশাসনের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে উঠেছেন।
কুশনারের কোনো আনুষ্ঠানিক সরকারি পদ নেই। গাজা যুদ্ধবিরতি নিয়ে উইটকফের সঙ্গে আলোচনায় বসার পর তিনি আবারও প্রকাশ্যে আসেন।
তারপর থেকেই তিনি উইটকফের সঙ্গে নীরবে কাজ করছেন ইউক্রেন যুদ্ধের ইতি টানতে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে এমনটাই জানান তার ভূমিকা সম্পর্কে অবহিত একাধিক সূত্র সিএনএন।
হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা ও কুশনারের ঘনিষ্ঠরা বলছেন, কোনো নির্দিষ্ট মুহূর্তে সিদ্ধান্ত হয়নি যে প্রেসিডেন্টের জামাতাও (কুশনার) রাশিয়া–ইউক্রেন ইস্যুতে কাজ করবেন। বরং ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে থেকেই কুশনার যেভাবে মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে এসেছেন, সেই ভূমিকার যৌক্তিক সম্প্রসারণ হিসেবেই একে দেখছেন তারা।
সূত্রগুলো বলছে, ট্রাম্প কুশনারকে তার পররাষ্ট্রনীতির "চূড়ান্ত কাজ সম্পন্নকারী" (ক্লোজার) হিসেবে দেখেন। তার ধারণা—কুশনারের রয়েছে সমস্যার জট খোলার সৃজনশীলতা।
কুশনারের আরেকটি বিরল দিক হলো তার ওপর ট্রাম্পের রয়েছে সম্পূর্ণ আস্থা— যেমনটা ট্রাম্পের শীর্ষ সহযোগীদের মধ্যেও কম লোকই পান।
এ আস্থা বিদেশি নেতাদের কাছে একটি সংকেত, সূত্রগুলোর ভাষায়— "তিনি (কুশনার) আলোচনায় অংশ নেওয়ার মানে বিদেশি নেতারা সরাসরি ট্রাম্পের সাথেই কথা বলছেন।"
তবে এত ছোট একটি পরামর্শদাতা বৃত্তের ওপর নির্ভর করার ঝুঁকিও রয়েছে, বলেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সাবেক সেই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।
"আপনি ভুল করবেন, এবং আপনার চিন্তাকে চ্যালেঞ্জ করার মতো ভিন্ন মতামতের লোকজন সেখানে থাকে না। এতে বিকল্প পথগুলো বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে।"
সিএনএনকে তিনি বলেন, ট্রাম্প বিশ্বাস করেন "তার দূতদের যদি সরাসরি যুক্ত হিসেবে দেখানো যায় এবং তারা তার বক্তব্য তুলে ধরেন, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।"
রাশিয়া–ইউক্রেন আলোচনার ক্ষেত্রে "প্রেসিডেন্ট এমন লোকদের দিকে ঝুঁকছেন যাদের তিনি ভালোভাবে চেনেন, বিশ্বাস করেন এবং যাদের অন্য ক্ষেত্রের ব্যবসায়িক সফলতা তাকে আশ্বস্ত করে যে, তারা এখানেও সফল হতে পারবে।"
ট্রাম্পের "ড্রোন গাই" হিসেবে পরিচিত সেনাবাহিনীর সেক্রেটারি ড্যান ড্রিসকোলও নতুন করে উদীয়মান আলোচক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছেন—যদিও তিনি মস্কো যাচ্ছেন না।
ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের ঘনিষ্ঠজন ড্রিসকোল, কিয়েভ ও জেনেভায় ইউক্রেনীয় শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছেন এবং তাদের যুদ্ধ অবসানের চুক্তিতে রাজি হতে চাপ দিচ্ছেন। তিনি আবুধাবিতে রুশ কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন।
হাউস ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির সাবেক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা এবং বর্তমানে অ্যাটলান্টিক কাউন্সিলের নন-রেসিডেন্ট ফেলো লেসলি শেড বলেন, ড্রিসকোল "(ট্রাম্প) প্রশাসনে দ্রুত উদীয়মান তারকা হয়ে ওঠেছেন।"
সাবেক মার্কিন কূটনীতিক ড্যানিয়েল ফ্রাইড বলেন, ট্রাম্প মহলের আস্থাভাজন হিসেবে "ড্রিসকোলের উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ।"
তবে তিনি সতর্ক করেন, "ড্রিসকোলের পাশে এমন কাউকে প্রয়োজন যার বিস্তারিত বোঝার ক্ষমতা আছে। রুশরা নানা ফাঁদ মিষ্টি প্রস্তাবের আড়ালে ছুড়ে দেবে। সেটা শনাক্ত করার মতো সক্ষম লোক দরকার।"
চুক্তি শেষপর্যন্ত কে সম্পন্ন করবে?
ইউক্রেন যুদ্ধ দ্রুত শেষ করতে চেয়েছিলেন ট্রাম্প, কিন্তু তা না করতে পারায় তার হতাশা বাড়ছে। কুশনারের সম্পৃক্ততা এই ক্রমবর্ধমান হতাশার প্রতিফলন। এছাড়া, গাজা চুক্তির সফলতা রাশিয়া–ইউক্রেন আলোচনায় প্রয়োগ করার ইচ্ছাও তার রয়েছে।
"ইউক্রেনীয়রা মনে করে ট্রাম্প কুশনারকে 'ক্লোজার' হিসেবে দেখছে। আমরা এও আশা করি তিনি শান্তিচুক্তি নিয়ে বিদ্যমান কূটনীতির ফাঁকটা পূরণ করতে পারবেন। ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করছেন ঠিকই, তবে এটাকে এখনো চূড়ান্ত পর্যায় বলে মনে করছে না,"—জানায় ইউক্রেন সরকারের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র।
তবে কুশনারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নও উঠেছে, কারণ ট্রাম্প নিজেই বলেছেন রাশিয়া শান্তি চায় বলে মনে হয় না। এক ইউরোপীয় কর্মকর্তা মন্তব্য করেন, "তার (কুশনারের) ম্যান্ডেট বা দায়িত্বের সীমারেখা স্পষ্ট নয়।"
ওই কূটনীতিক বলেন, "শোনা যায় তিনি দ্রুত শিখতে পারেন। তবে এমন গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যাওয়ার আগে আলোচক হিসেবে গভীর জ্ঞান থাকা প্রত্যাশিত—'লার্নিং ওন দ্য জব' ধরনের শেখা নয়। কোনো আনুষ্ঠানিক পদ ছাড়াই আলোচক দলে তার উপস্থিতি অবশ্যই ব্যতিক্রম।"
অক্টোবরের শেষ দিকে উইটকফ ও কুশনার যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত রুশ ব্যবসায়ী কিরিল দিমিত্রিয়েভের সঙ্গে মিয়ামিতে দেখা করেন বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র সিএনএনকে জানিয়েছে। দিমিত্রিয়েভের সঙ্গে পুতিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকায় তাকে কার্যকর মধ্যস্থতাকারী মনে করা হয়, তিনিও প্রচলিত কূটনীতিক নন।
কুশনার ও দিমিত্রিয়েভ বহু বছরের পরিচিত। এক সূত্র জানায়, ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে দুজন একসঙ্গে কাজও করেছেন।
সেই বৈঠকের কয়েক সপ্তাহ পরই ইউক্রেন শান্তিচুক্তির ২৮ দফার খসড়া প্রকাশিত হয়—যা ইউরোপীয় কর্মকর্তা ও মার্কিন কংগ্রেস সদস্যরা রাশিয়ার কাছে 'একতরফা নতি স্বীকার' হিসেবে উল্লেখ করেন।
হোয়াইট হাউস বলেছে, ঐ খসড়া উইটকফ ও রুবিও একসঙ্গে প্রস্তুত করেছেন। অবশ্য নভেম্বরে জেনেভায় মার্কিন ও ইউক্রেনীয় শীর্ষ কর্মকর্তাদের বৈঠকে তা সংশোধন করা হয় বলে রুবিও পরে জানান। ফ্লোরিডাতেও আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে বলে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোববার বলেছেন। দুটো বৈঠকেই মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন রুবিও।
"এটি (শান্তিচুক্তির আলোচনা) সূক্ষ্ম, জটিল এবং বহু ভিন্ন উপাদানের সমন্বিত বিষয়। এখানে অবশ্যই আরেকটি পক্ষ (রাশিয়া) আছে—এ সপ্তাহের শেষদিকে উইটকফ মস্কো গেলে আবারও সেসব বিষয় এই সমীকরণের অংশ হবে,"—রোববার বলেন রুবিও।
