‘খ্রিস্টান গণহত্যার’ অভিযোগে নাইজেরিয়ায় সামরিক অভিযানের হুমকি ট্রাম্পের; প্রকৃত পরিস্থিতি আসলে কী?
নাইজেরিয়ায় খ্রিষ্টধর্ম 'অস্তিত্বের সংকটে' পড়েছে বলে মন্তব্য করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এই সপ্তাহের শেষে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, খ্রিষ্টানদের ওপর সহিংসতা বন্ধ করতে নাইজেরিয়ার নেতারা যদি 'দ্রুত ব্যবস্থা' না নেন, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র সেখানে সৈন্য মোতায়েন বা বিমান হামলা চালাবে।
কয়েক দশক ধরে নাইজেরিয়ায় সশস্ত্র গোষ্ঠী এবং ইসলামপন্থী বিদ্রোহীদের নির্বিচার হামলার কারণে এই অভিযোগগুলো আরও জোরালো হয়েছে। স্বাধীন পর্যবেক্ষক গোষ্ঠীগুলোর সংকলিত সাম্প্রতিক তথ্য অনুসারে, চলতি বছরেই নাইজেরিয়ায় খ্রিষ্টান ও মুসলিমসহ ৮,০০০-এর বেশি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, নাইজেরিয়ায় খ্রিস্টানরা অন্য কোনো ধর্মীয় গোষ্ঠীর চেয়ে বেশি আক্রমণের শিকার হচ্ছেন— এমন কোনো স্পষ্ট প্রমাণ নেই; 'গণহত্যার' চেষ্টার তো প্রশ্নই ওঠে না। তবে দেশটিতে সহিংসতা ও ভূমি নিয়ে বিরোধ অনেক আগে থেকেই চলছে। মধ্য নাইজেরিয়ার (মিডল বেল্ট) যে অঞ্চলে অনেক খ্রিস্টান নিহত হয়েছেন, সেখানে মূলত খ্রিস্টান কৃষক এবং মুসলিম পশুপালকদের মধ্যে আঞ্চলিক বিরোধ রক্তক্ষয়ী ভূমি দখলের লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে।
এখন এই সহিংসতার কারণে নাইজেরিয়া ট্রাম্পের রোষানলে পড়েছে। দেশটির কর্মকর্তারা এমন একটি মিথ্যা আখ্যানকে প্রতিহত করার চেষ্টা করছেন, যা তাদের মতে গৃহযুদ্ধ বাঁধিয়ে দিতে পারে এবং আফ্রিকার অন্যতম বৃহৎ অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিতে পারে।
নাইজেরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইউসুফ তুগার বলেন, 'আমরা পরবর্তী লিবিয়া হতে চাই না, আমরা পরবর্তী সুদান হতে চাই না।' তিনি সম্প্রতি বিধ্বংসী সংঘাতে বিভক্ত হয়ে পড়া দুটি আফ্রিকান দেশের কথা উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, 'নাইজেরিয়াকে খাদের কিনারায় ঠেলে দেওয়া বাকি বিশ্বের স্বার্থের পরিপন্থী।'
তুগার ওয়াশিংটনের প্রতি নাইজেরিয়ার গণতন্ত্রকে সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, 'আমাদেরকে ভেঙে ফেলার এবং একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা না করে' বরং সমর্থন করা উচিত।
তথ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ ইদ্রিস এক বিবৃতিতে বলেন, নাইজেরিয়ায় খ্রিষ্টানদের ওপর নির্যাতনের দাবি 'মিথ্যা, ভিত্তিহীন, ঘৃণ্য এবং বিভেদ সৃষ্টিকারী'। তিনি বলেন, 'নাইজেরিয়ায় খ্রিস্টধর্ম বিপন্ন বা প্রান্তিক অবস্থায় নেই।'
পিউ রিসার্চের মতে, নাইজেরিয়ায় আফ্রিকার বৃহত্তম খ্রিষ্টান জনগোষ্ঠী বাস করে এবং এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ খ্রিষ্টান জনসংখ্যার দেশ। নাইজেরিয়ায় ৯০ মিলিয়নেরও বেশি খ্রিষ্টান রয়েছে, যা প্রায় মেক্সিকো এবং ফিলিপাইনের সমান।
খ্রিষ্টানদের বিশেষভাবে টার্গেট করা না-ও হলে, নাইজেরিয়ার সাধারণ জনগণ অবিরাম সহিংসতার শিকার হচ্ছেন। বোকো হারাম নামক জঙ্গি সংগঠনের কারণে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মানুষ সর্বদা আতঙ্কে থাকেন। এছাড়া উত্তর-পশ্চিমে দস্যুরা মুক্তিপণের জন্য মানুষ অপহরণ করে, দক্ষিণ-পূর্বে বিচ্ছিন্নতাবাদী সহিংসতা চলছে এবং দেশটির মধ্যাঞ্চলে ভাড়াটে বন্দুকধারীরা ঘুরে বেড়ায়।
নাইজেরিয়ার কিছু নাগরিক মনে করেন, প্রেসিডেন্ট বোলা আহমেদ তিনুবুর সরকারের নিরাপত্তা বাহিনী এই হত্যাকাণ্ড বন্ধ করতে যথেষ্ট উদ্যোগ নেয়নি; এবং কিছু ক্ষেত্রে এমনকি সহায়তাও করেছে।
তিনুবু শনিবার তার দেশের ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলোকে সুরক্ষা দেওয়ার কথা বলেছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেছেন, নাইজেরিয়া ধর্মীয় স্বাধীনতার সাংবিধানিক গ্যারান্টিতে পরিচালিত একটি গণতন্ত্র হিসেবে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে আছে।'
জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা নুহু রিবাদু সম্প্রতি সেনা এবং পুলিশের বিরুদ্ধে 'দুর্বৃত্তদের' কাছে তাদের অস্ত্র বিক্রি এবং ভাড়া দেওয়ার অভিযোগ এনেছেন। তার মতে, এতে ছোট অস্ত্রের বিস্তার দ্রুত বাড়ছে এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি তৈরি করছে।
আর্মড কনফ্লিক্ট লোকেশন অ্যান্ড ইভেন্ট ডেটা গ্রুপের সিনিয়র বিশ্লেষক ল্যাড সেরবাত বলেন, এই বছর নাইজেরিয়ার সহিংসতা কেবল সুদান এবং সোমালিয়াকে ছাড়িয়ে গেছে। তিনি আফ্রিকার এই দুটি সবচেয়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলের কথা উল্লেখ করেন। তার মতে, নাইজেরিয়ার সহিংসতা বুরকিনা ফাসো এবং মালির তুলনায় অনেক বেশি— যেখানে এই দুই দেশেই সশস্ত্র বিদ্রোহ একটি প্রাত্যহিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে।
বিশ্বজুড়ে ধর্মভিত্তিক গোষ্ঠীগুলো ক্রমাগত নাইজেরিয়ার খ্রিষ্টান ভুক্তভোগীদের সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। তারা লিয়া শারিবা'র অপহরণের [বোকো হারামের অপহরণের শিকার এক খ্রিষ্টান কিশোরী] মতো ঘটনাগুলোর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
গত জুন মাসে একদিনেই দেশটির অন্যতম খ্রিষ্টান অধ্যুষিত এলাকা বেনুতে সবচেয়ে ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রায় ২০০ জন নিহত হয়। সশস্ত্র ব্যক্তিরা ইয়েলওয়াটা গ্রামে হামলা চালালে এই ঘটনা ঘটে। পোপ চতুর্দশ লিও এই 'ভয়াবহ গণহত্যার' নিন্দা জানিয়েছেন।
সেই হামলায় টাইটাস সেগবার বাবা, স্ত্রী এবং তার চার সন্তান নিহত হন। তিনি সেদিন রাতের জন্য পাশের একটি গ্রামে ছিলেন। সেগবা বলেন, 'মধ্যরাতের দিকে আমরা গুলির শব্দ শুনতে পাই, তারপর ইয়েলওয়াটা থেকে আগুনের শিখা উঠতে দেখি।' 'আমি সেখানে গিয়ে দেখি প্রায় সব বাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে। আমার স্ত্রী যে দোকানে লুকিয়ে ছিল, সেখানেই তাকে পুড়িয়ে মারা হয়েছে।'
লাগোসের মতো মেট্রোপলিটন শহরগুলো— যেখানে বিশাল খ্রিষ্টান জনসমাগম রয়েছে— ভিন্ন একটি চিত্র তুলে ধরে। রোববার ট্রাম্প নাইজেরিয়ার বিরুদ্ধে প্রাথমিক হুমকি দেওয়ার পর লাগোসের একজন পেট্রোকেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ওলে ওয়ালে উল্লেখ করেন, সেদিন সকালে শহরের অনেক খ্রিষ্টান শান্তিপূর্ণভাবে গির্জায় উপস্থিত হয়েছিলেন।
৩২ বছর বয়সী ওয়ালে বলেন, প্রেসিডেন্ট [ট্রাম্প] এবং তার সহযোগীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক 'অতিরঞ্জিত' পোস্ট পড়েছেন। তিনি বলেন, 'আমরা খ্রিষ্টধর্মের বিরুদ্ধে লড়াই করছি বা নাইজেরিয়ার খ্রিষ্টানরা সতর্ক অবস্থায় আছে— এটি সত্য নয়'
দেশটিতে মুসলিমদের ওপর হামলা হলেও সেটি অভ্যন্তরীণভাবে এবং বিশ্বব্যাপী অনেক কম মনোযোগ পায়। যদিও বোকো হারামের মতো গোষ্ঠী মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর হামলা চালিয়ে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।
বেনুতে হামলার এক মাস পর প্রধানত মুসলিম অধ্যুষিত উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য জামফারাতে মুক্তিপণ দেওয়ার পরেও কয়েক ডজন অপহৃত জিম্মিকে হত্যা করা হয়। বাকিদের মুক্তি দেওয়া হয়।
তাদের মধ্যে বেঁচে যাওয়া এক মুসলিম নারী বর্ণনা করেছেন, কীভাবে এপ্রিলের এক রাতে তাকে তার কয়েক ডজন প্রতিবেশীর সাথে বাড়ি থেকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, জঙ্গলের মধ্য দিয়ে খালি পায়ে অপহরণকারীদের আস্তানায় যাওয়ার সময় তাকে চাবুক মারা হয়েছিল এবং তারপর কয়েক মাস ধরে অনাহারে রেখে মারধর করা হয়েছিল।
আক্রমণকারী এবং সরকার উভয়ের কাছ থেকে প্রতিহিংসার ভয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই নারী বলেন, 'কেউ কেউ সেই মারধর সহ্য করতে পারেনি। তারা আমাদের চোখের সামনেই মারা গেছে।'
জামফারা গ্রামের হামলা থেকে অপহৃতরা জানিয়েছেন, ৫৪ জনকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু জুলাই মাসে মুক্তিপণ দেওয়ার পর মাত্র ২২ জন জীবিত ফিরে আসে। কয়েকজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। কয়েক মাসের অবহেলায় দুর্বল অবস্থায় বন্দি থাকা কেউ কেউ প্রবল বৃষ্টিতে মারা গিয়েছিল। অন্যরা মারা গিয়েছিল অনাহারে।
ওই নারী বলেন, 'দিনে একবার খাবার আসত, কখনও কখনও একেবারেই আসত না। আমার মনে আছে এমন একটা সময় গিয়েছিল যখন খাবার পুরোপুরি ফুরিয়ে গিয়েছিল—পুরো চারদিন কেটে গিয়েছিল এবং আমরা কিছুই খাইনি। ক্ষুধা আমাদের কুরে কুরে খেত, মারধরে আমাদের মাংস ছিঁড়ে যেত। এটাই ছিল আমাদের প্রতিদিনের বাস্তবতা।'
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেকজন বেঁচে ফেরা মুসলিম ব্যক্তি জানান, তাকে এমন লোকেরা আটকে রেখেছিল যারা 'বিনা দ্বিধায় জবাই করত'। তিনি তার ভাইকে বন্দিদশায় মারা যেতে দেখেছেন।
তিনি বলেন, সেই চিৎকার এবং মারধরের দৃশ্য প্রতিদিন তার মাথায় ঘুরপাক খায়। তার সমস্ত সম্পত্তি হয় চুরি হয়ে গেছে অথবা মুক্তিপণ দেওয়ার জন্য বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। এখন তিনি তার জীবন পুনর্গঠনের চেষ্টা করছেন। কিন্তু তিনি বলেন, 'বন্দিদশার যন্ত্রণা আমার ভেতরেই রয়ে গেছে।'
অনেক নিরাপত্তা বিশ্লেষক বলছেন, নাইজেরিয়ার উচিত আরও বেশি অপরাধীকে বিচারের আওতায় আনা এবং চলমান নিরাপত্তা ব্যর্থতার জন্য সরকারি কর্মকর্তাদের দায়ী করা। নিরাপত্তা বিশ্লেষক কবির আদামু সাম্প্রতিক কয়েকটি গণহত্যার কথা উল্লেখ করে বলেন, 'নিরাপত্তার এই ঘাটতির জন্য একজন ব্যক্তিকেও জবাবদিহি করা হয়নি।' তিনি আরও বলেন, 'এমনকি এই প্রশ্নটিও করা হয়নি— এটি আপনার চোখের সামনে ঘটেছে, আপনি কেন এটি ঘটতে দিলেন?'
তিনি আরও জানান, নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি তহবিল প্রায়ই চুরি হয়ে যায়। এবং যে সম্প্রদায়গুলোকে রক্ষা করার দায়িত্ব তাদের ছিল, তাদের ওপর হামলার জন্য কর্মকর্তারা প্রায় কখনোই কোনো পরিণতির মুখোমুখি হন না।
গত বছর ন্যাশনাল ব্যুরো অফ স্ট্যাটিস্টিকস-এর প্রধানকে সাময়িকভাবে আটক করা হয়েছিল, যখন তার সংস্থা এক বছরে ৬ লক্ষের বেশি মানুষ নিহত হওয়ার খবর প্রকাশ করে। পরে তিনি এই প্রতিবেদনটি প্রত্যাহার করে নেন এবং দাবি করেন, সংস্থার ওয়েবসাইট হ্যাক করা হয়েছিল।
প্রেসিডেন্ট তিনুবু ২০২৩ সালের নির্বাচনে নাইজেরিয়ার অসংখ্য নিরাপত্তা সংকট মোকাবেলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আংশিকভাবে জয়ী হয়েছিলেন। এবং এই বছর তার প্রশাসন ১৩,৫০০ জনেরও বেশি সন্ত্রাসীকে 'নির্মূল' করার দাবি জানিয়েছে।
মূলত মিডল বেল্ট অঞ্চলেই বেশি মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে, যেখানে স্থানীয় নেতারা খ্রিষ্টান কৃষক [যারা মূলত টিভ এবং বেরোম আদিবাসী গোষ্ঠীর সদস্য] এবং মুসলিম পশুপালকদের [যারা মূলত ফুলানি আদিবাসী গোষ্ঠীর সদস্য] মধ্যে চলমান পাল্টা-পাল্টি সহিংসতার কথা বর্ণনা করেছেন।
নাইজেরিয়ার অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের নির্বাহী পরিচালক ইসা সানুসি বলেন, 'মিডল বেল্টে হত্যাকাণ্ড নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে।' সংস্থাটি মে মাসে জানিয়েছিল, তিনুবু ক্ষমতায় আসার প্রথম দুই বছরে দস্যুদের হাতে নিহত ১০ হাজার মানুষের মধ্যে ৯৩ শতাংশই এই অঞ্চলের দুটি রাজ্যের।
মানবাধিকার গোষ্ঠী এবং বিশ্লেষকরা বলছেন, পশুপালক-কৃষক বিভেদ একটি জরুরি অর্থনৈতিক সমস্যাকে আড়াল করছে। এই সহিংসতার কারণে অনেক কৃষক তাদের জমি ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন। এটি এক প্রজন্মের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকট ভোগ করার পর গত বছর নাইজেরিয়ার অর্থনীতিতে যে সামান্য প্রবৃদ্ধি হয়েছিল, সেটিকে হুমকির মুখে ফেলছে।
নাইজেরিয়ার কিছু নাগরিক আশা প্রকাশ করেছেন, ওয়াশিংটনের এই মনোযোগ তাদের সরকারকে হত্যাকাণ্ড বন্ধে আরও সক্রিয় হতে চাপ দেবে। ট্রাম্পের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্ট পড়ার পর রাজধানী আবুধার ৩৫ বছর বয়সী উদ্যোক্তা বিয়াঙ্কা কমফোর্ট জানিয়েছেন, তিনি আশা করেন যে ট্রাম্পের কথা নাইজেরিয়াকে বোকো হারামের মতো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আরও জোরালোভাবে লড়াই করতে উৎসাহিত করবে, কারণ উত্তর-পূর্বে দলটি পুনরায় সক্রিয় হয়ে উঠছে।
তিনি বলেন, 'এতে হয়তো একটি পরিবর্তন আসতে পারে।'
