Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Wednesday
May 20, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
WEDNESDAY, MAY 20, 2026
যেভাবে পুরোনো স্যুটকেস খুলতেই খোঁজ মিলল এক ইহুদি পরিবারের বিলিয়ন পাউন্ডের সম্পদের

আন্তর্জাতিক

বিবিসি
19 October, 2025, 01:10 pm
Last modified: 19 October, 2025, 01:15 pm

Related News

  • হারানো সম্প্রদায়: মণিপুরের জঙ্গল ছেড়ে ইসরায়েলের পথে ইহুদি ‘বিনেই মেনাশে’রা
  • জায়োনিজম ‘মানবতার জন্য হুমকি’: পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী
  • যুক্তরাষ্ট্র না থাকলে আপনারা সবাই এখন জার্মান ভাষায় কথা বলতেন: ট্রাম্প
  • মামদানির নিউইয়র্ক জয় ইহুদি ডেমোক্র্যাটিক রাজনীতির ভেতরের মতপার্থক্যকে তুলে ধরছে
  • জার্মানদের বিশ্বাস, তাদের রুটি গুণে, মানে বিশ্বসেরা; যেকারণে সেটা সত্যি হতে পারে!

যেভাবে পুরোনো স্যুটকেস খুলতেই খোঁজ মিলল এক ইহুদি পরিবারের বিলিয়ন পাউন্ডের সম্পদের

বাবার জন্মস্থান সম্পর্কে কিছুটা আঁচ পেলেও, স্যুটকেসের ভেতরে থাকা জিনিসপত্র সম্পর্কে কিছুই জানতেন না অ্যান্টনি। এই সব চাঞ্চল্যকর তথ্য অ্যান্টনিকে এক দশকের দীর্ঘ অনুসন্ধানে টেনে নিয়ে যায়। উন্মোচিত হয় হলোকাস্টে ধ্বংস হয়ে যাওয়া এক পরিবার, বিলিয়ন পাউন্ড মূল্যের হারিয়ে যাওয়া সম্পত্তি এবং নাৎসি শাসনামলে চুরি হওয়া শিল্পকর্ম ও সম্পদের এক বিশাল উত্তরাধিকার।
বিবিসি
19 October, 2025, 01:10 pm
Last modified: 19 October, 2025, 01:15 pm
অ্যান্টনির বাবার সেই পুরোনো স্যুটকেস। ছবি: বিবিসি

বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখা একটি স্যুটকেস দিয়ে শুরু হয়েছিল সবটা। 

সময়টা ২০০৯ সাল। অ্যান্টনি ইস্টনের বাবা পিটার ইস্টন তখন সদ্য প্রয়াত। বাবার উইল ও সম্পত্তির জটিলতা সামলাতে গিয়ে অ্যান্টনি খুঁজে পেলেন হ্যাম্পশায়ারের ল্যামিংটন শহরের পুরোনো ফ্ল্যাটে পড়ে থাকা ছোট্ট বাদামি রঙের চামড়ার একটি স্যুটকেস।

এর ভেতরে ছিল নিখুঁত জার্মান ব্যাংক নোট, পারিবারিক ছবির অ্যালবাম, জীবনের বিভিন্ন অধ্যায়ের নোটসহ বেশ কিছু খাম—আর একটি জন্মসনদ।

পিটার রডারিক ইস্টন, যিনি সবসময় নিজেকে 'ইংরেজ' হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করতেন, আদতে জন্ম ও বেড়ে উঠেছিলেন যুদ্ধপূর্ব জার্মানিতে। তার আসল নাম ছিল পিটার হ্যান্স রুডলফ আইজনার। বার্লিনের অন্যতম ধনাঢ্য ইহুদি পরিবারের এক সদস্য ছিলেন তিনি।

বাবার জন্মস্থান সম্পর্কে কিছুটা আঁচ পেলেও, স্যুটকেসের ভেতরে থাকা জিনিসপত্র সম্পর্কে অ্যান্টনি প্রায় কিছুই জানতেন না। এই সব চাঞ্চল্যকর তথ্য অ্যান্টনিকে এক দশকের দীর্ঘ অনুসন্ধানে টেনে নিয়ে যায়। উন্মোচিত হয় হলোকাস্টে ধ্বংস হয়ে যাওয়া এক পরিবার, বিলিয়ন পাউন্ড মূল্যের হারিয়ে যাওয়া সম্পত্তি এবং নাৎসি শাসনামলে চুরি হওয়া শিল্পকর্ম ও সম্পদের এক বিশাল উত্তরাধিকার।

ছবি: বিবিসি

সাদা-কালো ছবিগুলোতে দেখা যায় ড্রাইভার চালিত মার্সিডিজ, পরিচারকদের দ্বারা পরিচালিত প্রাসাদোপম বাড়ি, আর দেবদূতের নকশা করা সিঁড়ি—যা লন্ডনে অ্যান্টনির নিজের সাধারণ জীবন থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক শৈশবের চিত্র তুলে ধরে। তবে, সবচেয়ে উদ্বেগজনক ছিল ১২ বছরের পিটার আইজনারের একটি ছবি, যেখানে সে বন্ধুদের সঙ্গে হাসছে, আর দূরে উড়ছে নাৎসি পতাকা।

অ্যান্টনি জানান, তার বাবা ছিলেন শান্ত ও গম্ভীর স্বভাবের মানুষ, তবে মাঝে মাঝে রেগে যেতেন। শৈশব নিয়ে কথা বলা এড়িয়ে চলতেন তিনি, আর তার সামান্য জার্মান উচ্চারণের ব্যাপারে কোনো প্রশ্ন করলে থামিয়ে দিতেন।

অ্যান্টনি বলেন, 'কিছু ইঙ্গিত ছিল যে তিনি অন্য সবার মতো ছিলেন না… তার জগতের চারপাশে এক ধরনের অন্ধকার ছিল।' 

অ্যান্টনির পারিবারিক ইতিহাসের পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ সূত্রটি এসেছিল একটি শিল্পকর্ম থেকে।

জার্মান ভাষায় পারদর্শী এক বন্ধুর সাহায্য নিয়ে অ্যান্টনি তাকে হান'শে ওয়ার্কে (Hahn'sche Werke) নামের একটি কোম্পানি সম্পর্কে খোঁজ নিতে বললেন, যার উল্লেখ বাবার নথিপত্রে ছিল। অনলাইনে বন্ধুর পাঠানো একটি বিশাল ইস্পাত কারখানার ভেতরের দৃশ্যের চিত্রকর্ম থেকে জানা যায়, এটি শিল্পকর্ম হান'শে ওয়ার্কে-এরই সম্পত্তি।

‘আইজেনওয়ালজার্ক’; জার্মান চিত্রশিল্পী হান্স বালুশেকের আঁকা একটি চিত্রকর্ম। ছবি: অ্যান্টনি ইস্টন

শিল্পী হান্স বালুশেকের ১৯১০ সালের এই চিত্রকর্মটির নাম ছিল 'আইজেনওয়ালজার্ক' (Eisenwalzwerk), অর্থাৎ 'আয়রন রোলিং মিল'। এর মালিক ছিলেন সম্ভবত হেইনরিখ আইজনার, যিনি হান'শে ওয়ার্কে ইস্পাত ব্যবসাকে মধ্য ইউরোপের অন্যতম অত্যাধুনিক ও বিস্তৃত কোম্পানিতে পরিণত করতে সাহায্য করেছিলেন। স্যুটকেসের নথি থেকে জানা যায়, ইনিই ছিলেন অ্যান্টনির দাদা।

আরও গবেষণায় জানা যায়, বিংশ শতাব্দীর শুরুতে হেইনরিখ ছিলেন জার্মানির অন্যতম ধনী ব্যবসায়ী—আধুনিককালের একজন মাল্টি-বিলিয়নেয়ারের সমতুল্য।

তার কোম্পানি টিউবুলার ইস্পাত তৈরি করত, যার কারখানা জার্মানি, পোল্যান্ড এবং রাশিয়া জুড়ে বিস্তৃত ছিল।

১৯১৮ সালে হেইনরিখ মারা গেলে, তার কোম্পানির শেয়ার এবং ব্যক্তিগত সম্পত্তি তার ছেলে রুডলফের জন্য রেখে যান, যিনি তখন প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অংশ নিয়ে সদ্য ফিরেছিলেন।

অ্যান্টনির বাবা (মাঝে)। ছবি: অ্যান্টনি ইস্টন

যুদ্ধটি মানবজাতির জন্য এক বিপর্যয়কর ঘটনা হলেও, সেই সময়ে হান'শে ওয়ার্কে বেশ সমৃদ্ধি লাভ করেছিল, জার্মান সামরিক বাহিনীর ইস্পাতের চাহিদা পূরণ করে। রুডলফ এবং তার পরিবার যুদ্ধের পর তাদের দেশকে গ্রাস করা অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলাও সফলভাবে মোকাবিলা করেছিলেন।

তবে, তাদের ভাগ্যে যেন আরও বিপর্যয় অপেক্ষা করছিল।

অ্যান্টনি স্যুটকেসে খুঁজে পাওয়া নোটগুলিতে, পিটার তার বাবা-মায়ের কথোপকথন এবং নাৎসি হুমকির ফিসফাস কথা স্মরণ করেন। অ্যাডলফ হিটলার ও তার সমর্থকরা প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয় এবং পরবর্তী অর্থনৈতিক সংকটের জন্য ইহুদিদের দায়ী করছিল।

রুডলফ আইজনার বিশ্বাস করতেন, তার কোম্পানিকে নাৎসি শাসনের জন্য অপরিহার্য করতে পারলে তিনি সুরক্ষিত থাকবেন। কিন্তু ইহুদি বিরোধী আইন চরমপন্থী হয়ে উঠলে, তিনি সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করেন। ১৯৩৮ সালের মার্চে সরকার হান'শে ওয়ার্কে-এর দিকে নজর দেয়। কর্তৃপক্ষের চাপের মুখে, ইহুদি মালিকানাধীন কোম্পানিটি Mannesmann-এর কাছে অত্যন্ত কম দামে বিক্রি করে দেওয়া হয়। Mannesmann-এর সিইও উইলহেম জাঙ্গেন ছিলেন নাৎসি সমর্থক।

'নাৎসি বিলিয়নিয়ার্স' বইয়ের লেখক ডেভিড ডি জং বলেন, 'চুরি হওয়া সম্পদের পরিমাণ এবং বর্তমানে সেই সম্পদগুলির মূল্য কত, তা পরিমাপ করা প্রায় অসম্ভব।' ২০০০ সালে Mannesmann ১০০ বিলিয়ন পাউন্ডেরও বেশি মূল্যে ভোডাফোনের কাছে অধিগ্রহণ হয়, যা সে সময়ের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অধিগ্রহণ ছিল। সেই বিক্রিতে থাকা শিল্প সম্পদের কিছু অংশ একসময় আইজনার সাম্রাজ্যের অংশ ছিল।

ছবি: অ্যান্টনি ইস্টন

হান'শে ওয়ার্কে-এর বিলুপ্তি ও কোম্পানির সদস্যদের গ্রেপ্তারের ফলে আইজনাররা বুঝতে পারেন যে তাদের পালাতে হবে। কিন্তু ১৯৩৭ সাল নাগাদ, জার্মানি ত্যাগ করতে চাওয়া যে কোনো ইহুদিকে তাদের মালিকানাধীন সম্পদের ৯২ শতাংশ রাষ্ট্রকে জমা দিতে বাধ্য করা হতো, যা 'রাইখ ফ্লাইট ট্যাক্স' নামে পরিচিত ছিল। আইজনারদের তাদের অবশিষ্ট সম্পদও হারানোর মুখে পড়তে হয়েছিল।

এই সংকটের সময় মার্টিন হার্টিগ নামের এক অর্থনীতিবিদ ও ট্যাক্স উপদেষ্টা আইজনারদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেন। ১৯৩০-এর দশকে আইজনারদের গেস্টবুকে তার নাম বারবার দেখা যায়। হার্টিগ, যিনি ইহুদি ছিলেন না, নাৎসিদের দ্বারা সম্পদ বাজেয়াপ্ত হওয়ার আসন্ন পরিস্থিতি থেকে পরিবারটিকে একটি সমাধান প্রস্তাব করেছিলেন। 

তারা তাদের ব্যক্তিগত সম্পদের গুরুত্বপূর্ণ অংশ—যেমন একাধিক সম্পত্তি ও ভেতরের জিনিসপত্র—তার কাছে হস্তান্তর করেন, যাতে ইহুদিদের লক্ষ্য করে প্রণীত আইন থেকে সেগুলি সুরক্ষিত থাকে।

অ্যান্টনি বিশ্বাস করেন, তার দাদা-দাদি ভেবেছিলেন হার্টিগ একদিন তাদের সম্পদ ফিরিয়ে দেবেন। কিন্তু তারা ভুল ছিলেন। হার্টিগ আইজনারদের সম্পদ স্থায়ীভাবে নিজের নামে স্থানান্তর করে নেন। বিবিসি জার্মানির ফেডারেল আর্কাইভ থেকে মূল বিক্রয় নথিপত্রের কপি খুঁজে পায় এবং তিনজন স্বাধীন বিশেষজ্ঞকে দেখায়। তিনজনই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে এটি 'জোরপূর্বক বিক্রির' প্রমাণ, যা নাৎসিদের অধীনে ইহুদিদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার বর্ণনা দিতে ব্যবহৃত হয়।

কয়েক প্রজন্ম ধরে গড়ে তোলা সম্পদ হারানোর পরেও অ্যান্টনির দাদা-দাদি এবং বাবা ১৯৩৮ সালে জার্মানি থেকে পালাতে সক্ষম হন। পিটারের সুটকেসে সংরক্ষিত ট্রেনের টিকিট, লাগেজের ট্যাগ ও হোটেলের ব্রোশিওর অ্যান্টনিকে তাদের যাত্রাপথ খুঁজে পেতে সাহায্য করে। তারা চেকোস্লোভাকিয়া, তারপর পোল্যান্ড হয়ে নাৎসিদের এক ধাপ এগিয়ে থেকে ১৯৩৯ সালের জুলাইয়ে ইংল্যান্ডগামী শেষ জাহাজগুলির একটিতে উঠতে সক্ষম হন।

তারা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের সমতুল্য সম্পত্তি হারালেও, আইজনার পরিবারের ভাগ্যবান সদস্যদের মধ্যে তারাই ছিলেন। তাদের বেশিরভাগ আত্মীয়স্বজনকেই ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পগুলোতে হত্যা করা হয়েছিল। রুডলফ নিজেও ১৯৪৫ সালে মারা যান, যুদ্ধের বেশিরভাগ সময়ই তিনি ব্রিটিশদের দ্বারা আইল অফ ম্যানে আটক ছিলেন।

অ্যান্টনির পরবর্তী পদক্ষেপ ছিল আইজনার পরিবারের সম্পদের কী হয়েছিল এবং মার্টিন হার্টিগের কী হয়েছিল, তা খুঁজে বের করা। তিনি ইয়ানা স্লাভোভা নামের একজন অভিজ্ঞ তদন্তকারীকে নিয়োগ দেন, যিনি চুরি হওয়া জিনিসপত্র, কীভাবে হাতবদল হয়েছিল এবং বর্তমানে সেগুলি কোথায় আছে, তা খুঁজে বের করার দায়িত্ব নেন।

কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ইয়ানা তার আত্মীয়স্বজন সম্পর্কে প্রচুর নথি খুঁজে পান। তিনি অ্যান্টনির যাত্রার শুরুতে আবিষ্কৃত চিত্রকর্ম 'আইজেনওয়ালজার্ক'-এর সন্ধান বের করেন, যা বার্লিনের ব্রোহান মিউজিয়ামের সংগ্রহে ছিল। 

প্রথমদিকে প্রমাণ সংক্রান্ত সমস্যার সম্মুখীন হলেও, ইয়ানা যখন মিউজিয়াম এবং সে সময়ের একজন শিল্প ব্যবসায়ীর মধ্যেকার চিঠিপত্র খুঁজে বের করলেন, তখনই একটি বড় অগ্রগতি আসে। শিল্প ব্যবসায়ী আইজনারদের প্রাক্তন পারিবারিক বাড়িগুলির একটি থেকে চিত্রকর্মটি বিক্রি করেছিলেন, যা মার্টিন হার্টিগ ১৯৩৮ সালে দখল করেছিলেন।

হার্টিগের মৃত্যুর পর সম্পত্তিটি তার মেয়ের কাছে যায়। অ্যান্টনি ও ইয়ানা তার সঙ্গে দেখা করেন। তিনি তাদের বলেন, তার বাবা সবসময় নাৎসিদের বিরোধী ছিলেন এবং আইজনারদের, যাদের তিনি তার মহান বন্ধু হিসাবে বর্ণনা করেছিলেন, হলোকাস্ট থেকে বাঁচতে সাহায্য করেছিলেন। তার বাবা তাদের জার্মানি থেকে পালিয়ে গ্রেট ব্রিটেন, লন্ডনে যেতে রাজি করিয়েছিলেন। তিনি আরও দাবি করেন যে তার বাবা ছবিগুলি ফ্রেম থেকে বের করে কাপড়ের মধ্যে লুকিয়ে পাচার করতে সাহায্য করেছিলেন। 

১৯৩৮ সালে আইজনারদের কাছ থেকে নেওয়া সম্পত্তিগুলি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে, তিনি বলেন যে সেগুলি সবই বৈধ কেনাকাটা ছিল। 'আমার বাবা দুটি বাড়ি কিনেছিলেন, বৈধভাবে,' বলেন তিনি।

তবে, পরিবারের অন্য সদস্যরা, যেমন মার্টিন হার্টিগের প্রপৌত্র ভিনসেন্ট, স্বীকার করেছেন যে তার বর্তমান বাসস্থানের কোনও এক অস্বস্তিকর অতীত থাকতে পারে। তিনি বলেন, 'আমি অবশ্যই একসময় কৌতূহলী ছিলাম – আমরা একটি পরিবার হিসেবে এত সুন্দর জায়গায় কীভাবে বসবাস করছি। আমি নিজেকে এই প্রশ্নও করেছি, পরিস্থিতি কেমন ছিল?'

অ্যান্টনির দাদা-দাদি; হিলদেগার্ড ও রুডলফ আইজনার। ছবি: অ্যান্টনি ইস্টন

অ্যান্টনির ইহুদি পরিবারের সঙ্গে যা ঘটেছিল, তা আবিষ্কার করার পর ভিনসেন্ট মনে করেন, আইজনারদের তার দাদার কাছে সম্পত্তি হস্তান্তরের খুব বেশি বিকল্প ছিল না।

অ্যান্টনির দাদা-দাদির সম্পত্তির জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা করার আর কোনো উপায় নেই। তার দাদি হিল্ডেগার্ড ১৯৫০-এর দশকে এটি পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু হার্টিগের আইনি চ্যালেঞ্জের পর পিছু হটেন।

তবে, আইজনার পরিবার থেকে নেওয়া শিল্পকর্মগুলির জন্য এখনও আশা আছে। এই বছরের শুরুর দিকে বার্লিনের ব্রোহান মিউজিয়াম অ্যান্টনিকে জানায় যে তারা 'আইজেনওয়ালজার্ক' চিত্রকর্মটি হেইনরিখ আইজনারের বংশধরদের কাছে ফিরিয়ে দিতে চায়। 

জেরুজালেমের ইসরায়েল মিউজিয়াম থেকে অ্যান্টনির কাছে আরেকটি চিত্রকর্ম ফেরত এসেছে, এবং অস্ট্রিয়ায় একটি শিল্পকর্মের জন্য তৃতীয় দাবিও অমীমাংসিত রয়েছে। গেস্টাপো দ্বারা তৈরি একটি তালিকা, যেখানে তার আত্মীয়দের কাছ থেকে বাজেয়াপ্ত করা নির্দিষ্ট শিল্পকর্ম ও চিত্রকর্মের বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে, অ্যান্টনির তদন্তে উঠে এসেছে। ভবিষ্যতে তার পরিবারের আরও সম্পদ খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

অ্যান্টনি বলেন, 'ক্ষতিপূরণ সম্পর্কে আমি সবসময় বলেছি, এটি বস্তু এবং অর্থ বা সম্পত্তির ব্যাপার নয়, এটি মানুষের ব্যাপার।' তার পরিবারের অতীত নিয়ে গবেষণা করে, তিনি তার বাবা এবং দাদা-দাদি একসময় কেমন ছিলেন, সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পান।

এই জ্ঞান এখন নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। পিটার ১৯৩৯ সালে ব্রিটেনে পাড়ি জমানোর সময় আইজনার নামটি হয়তো বিলীন হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু এটি এখন আবার বেঁচে উঠেছে। অ্যান্টনির ভাইপো ক্যাস্পিয়ান, যিনি ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে জন্মগ্রহণ করেছেন, তাকে আইজনার মধ্যনাম দেওয়া হয়েছে।

অ্যান্টনি বলেন, তার ভাগ্নীর দীর্ঘদিনের হারানো পরিবারকে সম্মান জানানোর এই সিদ্ধান্তে তিনি আনন্দিত। 'যতদিন ক্যাস্পিয়ান আছে, ততদিন সেই নামটি তার সঙ্গে থাকবে। লোকেরা বলবে, 'এটি একটি আকর্ষণীয় মধ্যনাম – এর পেছনের গল্পটি কী?' 

Related Topics

টপ নিউজ

নাৎসি / জার্মান / ইহুদি

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ইউরোফাইটার টাইফুন ও জে-১০সি যুদ্ধবিমান। ছবি:মিলিটারি ওয়াচ ম্যাগাজিন
    কাতারে যৌথ মহড়ায় ইউরোফাইটারের বিরুদ্ধে বড় ব্যবধানে জেতে চীনের জে-১০সি
  • ছবি: দ্য টেলিগ্রাফ
    'চিকেনস নেক' করিডরের কাছে মহাসড়কের কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশের নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার
  • ছবি: বিবিসি
    বেঁচে থাকার তাগিদে সন্তান বিক্রি: কঠিন সিদ্ধান্তের মুখোমুখি আফগান পিতারা
  • ইলাসট্রেশন: টিবিএস
    ‘অ্যাড মানি’তে কার্ড ও এমএফএস অ্যাকাউন্টের নাম একই রাখা বাধ্যতামূলক করছে বাংলাদেশ ব্যাংক
  • ছবি: সৌজন্যে প্রাপ্ত
    আজ বাজারে আসছে নতুন ৫ টাকার নোট, থাকছে ‘গ্রাফিতি-২০২৪’ ও ‘তারা মসজিদ’; মুদ্রা সংগ্রাহকদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা
  • মোটরযান নিয়ন্ত্রণে রাখছে এআই ক্যামেরা, কিন্তু ঢাকার বেপরোয়া অটোরিকশা বাগে আনবে কে?
    মোটরযান নিয়ন্ত্রণে রাখছে এআই ক্যামেরা, কিন্তু ঢাকার বেপরোয়া অটোরিকশা বাগে আনবে কে?

Related News

  • হারানো সম্প্রদায়: মণিপুরের জঙ্গল ছেড়ে ইসরায়েলের পথে ইহুদি ‘বিনেই মেনাশে’রা
  • জায়োনিজম ‘মানবতার জন্য হুমকি’: পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী
  • যুক্তরাষ্ট্র না থাকলে আপনারা সবাই এখন জার্মান ভাষায় কথা বলতেন: ট্রাম্প
  • মামদানির নিউইয়র্ক জয় ইহুদি ডেমোক্র্যাটিক রাজনীতির ভেতরের মতপার্থক্যকে তুলে ধরছে
  • জার্মানদের বিশ্বাস, তাদের রুটি গুণে, মানে বিশ্বসেরা; যেকারণে সেটা সত্যি হতে পারে!

Most Read

1
ইউরোফাইটার টাইফুন ও জে-১০সি যুদ্ধবিমান। ছবি:মিলিটারি ওয়াচ ম্যাগাজিন
আন্তর্জাতিক

কাতারে যৌথ মহড়ায় ইউরোফাইটারের বিরুদ্ধে বড় ব্যবধানে জেতে চীনের জে-১০সি

2
ছবি: দ্য টেলিগ্রাফ
আন্তর্জাতিক

'চিকেনস নেক' করিডরের কাছে মহাসড়কের কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশের নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার

3
ছবি: বিবিসি
আন্তর্জাতিক

বেঁচে থাকার তাগিদে সন্তান বিক্রি: কঠিন সিদ্ধান্তের মুখোমুখি আফগান পিতারা

4
ইলাসট্রেশন: টিবিএস
অর্থনীতি

‘অ্যাড মানি’তে কার্ড ও এমএফএস অ্যাকাউন্টের নাম একই রাখা বাধ্যতামূলক করছে বাংলাদেশ ব্যাংক

5
ছবি: সৌজন্যে প্রাপ্ত
অর্থনীতি

আজ বাজারে আসছে নতুন ৫ টাকার নোট, থাকছে ‘গ্রাফিতি-২০২৪’ ও ‘তারা মসজিদ’; মুদ্রা সংগ্রাহকদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা

6
মোটরযান নিয়ন্ত্রণে রাখছে এআই ক্যামেরা, কিন্তু ঢাকার বেপরোয়া অটোরিকশা বাগে আনবে কে?
বাংলাদেশ

মোটরযান নিয়ন্ত্রণে রাখছে এআই ক্যামেরা, কিন্তু ঢাকার বেপরোয়া অটোরিকশা বাগে আনবে কে?

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net