Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Saturday
April 04, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
SATURDAY, APRIL 04, 2026
প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে ফেরানো যে কারণে কঠিন

আন্তর্জাতিক

বিবিসি নিউজ বাংলা, দিল্লি
22 August, 2024, 02:00 pm
Last modified: 23 December, 2024, 07:27 pm

Related News

  • ইরান যুদ্ধ বন্ধে কূটনীতিতে পাকিস্তানের তৎপরতা—ভারত কি সাইডলাইনে পড়ে যাচ্ছে?
  • মৃত্যুদণ্ড বাতিলের দাবি জানিয়ে ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার আইনজীবী দলের চিঠি
  • ভারতে এলএনজি ও এলপিজি সরবরাহ নিয়ে আলোচনা রাশিয়ার
  • বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে চায় ভারত: দ্রৌপদী মুর্মু
  • ইরান যুদ্ধ: রাশিয়া-চীন লাভে, পশ্চিমা বিশ্ব চাপে

প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে ফেরানো যে কারণে কঠিন

ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় ফেরানোর সম্ভাবনা কার্যত নেই বলেই মনে করছেন দিল্লির পর্যবেক্ষক ও বিশেষজ্ঞরা।
বিবিসি নিউজ বাংলা, দিল্লি
22 August, 2024, 02:00 pm
Last modified: 23 December, 2024, 07:27 pm
শেখ হাসিনা। ছবি: রয়টার্স

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে 'প্রত্যর্পণযোগ্য অপরাধের মামলা'য় অভিযুক্ত বা পলাতক আসামি ও বন্দিদের একে অপরের কাছে হস্তান্তরের জন্য ২০১৩ সাল থেকে একটি চুক্তি আছে।

কিন্তু বর্তমানে ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে নিজ দেশে একের পর এক মামলা হলেও এই চুক্তির আওতায় তাকে ফেরানো যাবে— সেই সম্ভাবনা কার্যত নেই বলেই মনে করছেন দিল্লির পর্যবেক্ষক ও বিশেষজ্ঞরা।

বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে সত্যিই যদি এ ধরনের কোনও অনুরোধ আসে, সে ক্ষেত্রে ভারত সরকারের অবস্থান কী হবে সে বিষয়টি নিয়েও দিল্লি আপাতত মুখ খুলতে চাইছে না।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল যেমন বলছেন, "যদি প্রত্যর্পণের কথা বলেন তাহলে সেটা তো পুরোপুরি কাল্পনিক (হাইপোথেটিক্যাল) একটা প্রশ্ন। এরকম পরিস্থিতিতে কাল্পনিক কোনও প্রশ্নের জবাব দেওয়াটা আমাদের রেওয়াজ নয়!"

আপাতত নির্দিষ্ট জবাব এড়িয়ে গেলেও ঢাকার কাছ থেকে এই ধরনের অনুরোধ যে আগামী দিনে আসতে পারে, সেই সম্ভাবনা কিন্তু দিল্লি নাকচ করছে না।

পাশাপাশি বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকারের শীর্ষ মহল থেকেও আভাস পাওয়া যাচ্ছে, এই সম্ভাবনাটা হয়তো খুব বেশি দিন আর 'কাল্পনিক' থাকবে না।

বাংলাদেশের বর্তমান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এম তৌহিদ হোসেন বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গত সপ্তাহেই বলেছেন, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যে সব মামলা করা হচ্ছে তার ভিত্তিতে স্বরাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেবে— ভারতকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানানো হবে কি না।

"সে ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যেকার চুক্তি অনুযায়ী তাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন হবে", মন্তব্য করেছেন তিনি।

তবে বাস্তবতা হলো, চুক্তির আওতায় যদি প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানানোও হয় তাহলেও সেই অনুরোধ রক্ষা করার কাজটা যে সহজ হবে না সেটি বাংলাদেশের জানা আছে।

কারণ চুক্তিতে এমন কতগুলো বিধান বা শর্ত রয়েছে, যার একটিকে ব্যবহার করে ভারত এই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করতে পারে। নানা আইনি জটিলতা বা মারপ্যাঁচ দেখিয়েও সেই অনুরোধ ফেলে রাখতে পারে দিনের পর দিন।

সবচেয়ে বড় কথা— শেখ হাসিনা বিগত প্রায় ৫০ বছর ধরে ভারতের সবচেয়ে আস্থাভাজন ও বিশ্বস্ত বন্ধুদের একজন।

ফলে তাকে বিচারের জন্য বা দন্ডিত হলে শাস্তিভোগের জন্য বাংলাদেশের হাতে ভারত তুলে দেবে— বাস্তবে এই সম্ভাবনা কার্যত নেই বললেই চলে।

দিল্লি কি শেখ হাসিনাকে ফেরত দেবে? বিশেষজ্ঞরা যা বলছেন

এই পদক্ষেপের জন্য হাজারটা যুক্তি বের করাও কোনও কঠিন কাজ নয়। আর ইতোমধ্যে শেখ হাসিনা যদি তৃতীয় কোনও দেশে গিয়ে আশ্রয় নেন তাহলে ভারতকে আর কোনও অস্বস্তিতেই পড়তে হবে না।

এই কারণেই আপাতত প্রশ্নটিকে 'কাল্পনিক' বলে ভারত জবাব এড়িয়ে যাচ্ছে।

তবে প্রত্যর্পণের অনুরোধ সত্যিই এলে কোন কোন যুক্তিতে তা ঝুলিয়ে রাখা বা নাকচ করা সম্ভব— এই প্রতিবেদনে সেটাই আলোচনা করা হয়েছে।

প্রত্যর্পণ চুক্তিটি যখন সই হয় তখন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন শেখ হাসিনা ও মনমোহন সিং। ছবি: উইকিমিডিয়া কমন্স

'রাজনৈতিক অভিসন্ধি'

বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে ২০১৩ সালে স্বাক্ষরিত প্রত্যর্পণ চুক্তিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা আছে। সেটি হলো, যাকে হস্তান্তরের জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে তার বিরুদ্ধে অভিযোগটা যদি 'রাজনৈতিক প্রকৃতি'র হয় তাহলে সেই অনুরোধ খারিজ করা যাবে।

তবে কোন কোন অপরাধের অভিযোগকে 'রাজনৈতিক' বলা যাবে না, সেই তালিকাও বেশ লম্বা। এর মধ্যে হত্যা, গুম, অনিচ্ছাকৃত হত্যা, বোমা হামলা ও সন্ত্রাসবাদের মতো নানা অপরাধ আছে।

গত দুই সপ্তাহে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে যে সব মামলা করা হয়েছে তার মধ্যে হত্যা, গণহত্যা, গুম ও নির্যাতনেরও নানা অভিযোগ আছে।

ফলে আপাতদৃষ্টিতে এগুলোকে 'রাজনৈতিক' বলে খারিজ করা কঠিন।

তার ওপর ২০১৬ সালে যখন মূল চুক্তিটি সংশোধন করা হয় তখন এমন একটি ধারা যুক্ত করা হয়েছিল, যা হস্তান্তরের প্রক্রিয়াকে বেশ সহজ করে তুলেছিল।

সংশোধিত চুক্তির ১০(৩) ধারায় বলা হয়েছিল, কোনও অভিযুক্তের হস্তান্তর চাওয়ার সময় অনুরোধকারী দেশকে সেই সব অভিযোগের পক্ষে কোনও সাক্ষ্যপ্রমাণ পেশ না করলেও চলবে। শুধু সংশ্লিষ্ট আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পেশ করলেই সেটিকে বৈধ অনুরোধ হিসেবে ধরা হবে।

তার মানে দাঁড়াচ্ছে, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে যে সব মামলা দায়ের হয়েছে তার কোনওটিতে যদি আদালত 'পলাতক' শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেয় তাহলে তার ভিত্তিতেই বাংলাদেশ সরকার ভারতের কাছে তাকে হস্তান্তরের অনুরোধ জানাতে পারবে।

কিন্তু এরপরেও চুক্তিতে এমন কিছু ধারা আছে যেগুলো প্রয়োগ করে অনুরোধ পাওয়া দেশ তা খারিজ করার অধিকার রাখে।

যেমন, অনুরোধ পাওয়া দেশেও যদি ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনও 'প্রত্যর্পণযোগ্য অপরাধে'র মামলা চলে তাহলে সেটা দেখিয়ে অন্য দেশের অনুরোধ খারিজ করা যায়।

শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে অবশ্য এটা প্রযোজ্য নয় কারণ ভারতে তার বিরুদ্ধে কোনও মামলা হচ্ছে না বা অচিরে হওয়ারও সম্ভাবনা নেই।

দ্বিতীয় ধারাটি হলো, যদি অনুরোধ পাওয়া দেশের মনে হয় "অভিযোগগুলো ন্যায় বিচারের স্বার্থে আনা হয়নি"— তাহলেও তাদের সেটি নাকচ করার ক্ষমতা থাকবে।

অভিযোগগুলো যদি 'সামরিক অপরাধে'র হয়, যা সাধারণ ফৌজদারি আইনের পরিধিতে পড়ে না, তাহলেও একইভাবে অনুরোধ নাকচ করা যাবে।

এখন ভারত যদি সত্যিই শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের কোনো অনুরোধ পায় তাহলে দ্বিতীয় ধারাটি প্রয়োগ করেই তা খারিজ করা যাবে বলে দিল্লিতে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

স্ট্র্যাটেজিক থিঙ্কট্যাঙ্ক আইডিএসএ-র সিনিয়র ফেলো স্ম্রুতি পাটনায়েক বিবিসি বাংলাকে বলেন, "প্রথমেই বলা দরকার, আমি মনে করি না বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার ভারতের কাছে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের জন্য কোনও আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানাবে।"

তার মতে, এতে দুই দেশের সম্পর্ক তিক্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকবে। যে ঝুঁকিটা হয়তো বাংলাদেশের এই সংকটময় পরিস্থিতিতে সদ্য দায়িত্ব নেওয়া একটি সরকার নেবে না।

তিনি সেই সঙ্গে যোগ করেন, "তবে তারপরেও যদি এই অনুরোধ জানানো হয়, তাহলেও সেটা রাজনৈতিক অভিসন্ধিমূলক বলে মনে করার জন্য ভারতের হাতে কিন্তু যথেষ্ঠ যুক্তি থাকবে।"

স্ম্রুতি বলেন, "যেমন ধরুন, মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) আদালতে তোলার সময় সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনিকে যেভাবে কিল-ঘুষি মারা হল কিংবা তার আগে সাবেক শিল্প উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বা সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হককে আদালতে হেনস্থা হতে হল— তাতে বিচারের জন্য বাংলাদেশের হাতে তুলে দেওয়া হলে শেখ হাসিনারও যে একই পরিণতি হবে না, এই নিশ্চয়তা কে দেবে?"

এসব ঘটনার দৃষ্টান্ত দিয়ে ভারত অনায়াসেই বলতে পারবে, শেখ হাসিনা বাংলাদেশে সঠিক ও সুষ্ঠু বিচার পাবেন বলে তারা মনে করছে না এবং সে কারণেই তাকে হস্তান্তর করা সম্ভব নয়।

অর্থাৎ "অভিযোগগুলো শুধুমাত্র ন্যায় বিচারের স্বার্থে আনা হয়নি"— এই ধারাটি ব্যবহার করেই তখন প্রত্যর্পণের অনুরোধ নাকচ করা যাবে বলে দিল্লিতে অনেক পর্যবেক্ষকের অভিমত।

২০১২ সালে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস এম কৃষ্ণা ও দীপু মণির মধ্যে প্রত্যর্পণ চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। ছবি: যশবন্ত নেগি/ইন্ডিয়া টুডে

সময়ক্ষেপণের রাস্তা?

তবে ভারতে আর একদল বিশ্লেষক মনে করেন, যদি সত্যিই শেষ পর্যন্ত শেখ হাসিনাকে হস্তান্তর করার জন্য ভারতের কাছে কোনও অনুরোধ আসে, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে বা সরাসরি তা নাকচ না করে দিল্লি দিনের পর দিন তা ঝুলিয়েও রেখে দিতে পারে।

ভারতের সাবেক শীর্ষস্থানীয় কূটনীতিবিদ টিসিএ রাঘবন বলেন, বিপদের মুহুর্তে শেখ হাসিনাকে ভারত যেভাবে আশ্রয় দিয়েছে সেটাই ভারতের নীতি। তাকে 'আরও বড় বিপদে ফেলা'টা ভারতের জন্য কোনও 'অপশন' হতেই পারে না!

তার জন্য যে কোনও 'উপায়' বা যে কোনও 'যুক্তি' খুঁজে বের করাটাও তেমন কোনও সমস্যা নয় বলে মনে করেন তিনি।

"একটা জিনিস মনে রাখতে হবে, শেখ হাসিনার পাশে এখন যদি আমরা না দাঁড়াই,তাহলে বিশ্বের কোথাও আর কোনও বন্ধু দেশের নেতা ভারতকে বিশ্বাস করতে পারবেন না; ভারতের ওপর আস্থা রাখতে পারবেন না", বলেন রাঘবন।

আর এই 'পাশে দাঁড়ানোর'ই একটা রাস্তা হতে পারে শেখ হাসিনাকে হস্তান্তরের অনুরোধ অনির্দিষ্টকালের জন্য অনিশ্চিত করে তোলা।

কারণ এই ধরনের সব চুক্তিতেই নানা 'ফাঁকফোকর' থাকে, যেগুলো কাজে লাগিয়ে আইনি বিশেষজ্ঞরা কয়েক মাস বা কয়েক বছর পর্যন্ত একটা অনুরোধকে স্থগিত করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন।

শেখ হাসিনার ক্ষেত্রেও (যদি তার প্রত্যর্পণের অনুরোধ আসে) ভারতও একই ধরনের পথ নেবে বলে বহু বিশ্লেষক নিশ্চিত।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব ও ঢাকায় নিক্সুক্ত ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রদূত পিনাকরঞ্জন চক্রবর্তী আবার মনে করিয়ে দিচ্ছেন, এই ধরনের চুক্তির আওতায় অনুরোধ মেনে নিতে এমনিতেও অনেক সময় বছরের পর বছর লেগে যায়।

ফলে শেখ হাসিনাকে হস্তান্তরের জন্য ভারতের কাছে কোনও অনুরোধ এলে সেটা যে কয়েক দিন বা কয়েক মাসের মধ্যেই নিষ্পত্তি হয়ে যাবে— তা মনে করার কোনও কারণ নেই।

আর তারও আগে যদি শেখ হাসিনা ভারত ছেড়ে তৃতীয় কোনও দেশের উদ্দেশে পাড়ি দেন (যে সম্ভাবনা দিল্লিতে সরকারি কর্মকর্তারা এখনও নাকচ করছেন না) তাহলে এ ধরনের কোনও অনুরোধ আসার বা তার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ারও প্রশ্ন উঠবে না।
 

Related Topics

টপ নিউজ

শেখ হাসিনা / প্রত্যর্পণ / ভারত / দিল্লি

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ২০১৮ সালে তোলা ছবিতে পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করছে বিশাল আকৃতির তেলবাহী ট্যাঙ্কার। ছবি: রয়টার্স
    হরমুজ প্রণালি না খুলেই ট্রাম্প ইরান ছাড়লে যে ৩ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে
  • ছবি : টিবিএস
    জ্বালানির দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে: অর্থমন্ত্রী
  • ফাইল ছবি: সংগৃহীত
    নিখোঁজ ক্রুকে খুঁজতে ইরানে ঢুকল মার্কিন স্পেশাল ফোর্স; ধরিয়ে দিলে ৬০ হাজার ডলার দেবে ইরান
  • বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্ত থেকে বাণিজ্যিক চাষ: বাংলাদেশে আবারও বাড়ছে দেশীয় মাছের সংখ্যা
    বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্ত থেকে বাণিজ্যিক চাষ: বাংলাদেশে আবারও বাড়ছে দেশীয় মাছের সংখ্যা
  • মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ (বামে) এবং পোপ লিও চতুর্দশ। ছবি: সংগৃহীত
    প্রতিরক্ষা সচিব হেগসেথ বলছেন, মার্কিন সেনারা ‘যিশুর জন্য লড়ছেন’; পোপ বলছেন, না
  • ফাইল ছবি
    জ্বালানি সাশ্রয়ে ব্যাংকের নতুন সময়সূচি ঘোষণা করল বাংলাদেশ ব্যাংক

Related News

  • ইরান যুদ্ধ বন্ধে কূটনীতিতে পাকিস্তানের তৎপরতা—ভারত কি সাইডলাইনে পড়ে যাচ্ছে?
  • মৃত্যুদণ্ড বাতিলের দাবি জানিয়ে ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার আইনজীবী দলের চিঠি
  • ভারতে এলএনজি ও এলপিজি সরবরাহ নিয়ে আলোচনা রাশিয়ার
  • বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে চায় ভারত: দ্রৌপদী মুর্মু
  • ইরান যুদ্ধ: রাশিয়া-চীন লাভে, পশ্চিমা বিশ্ব চাপে

Most Read

1
২০১৮ সালে তোলা ছবিতে পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করছে বিশাল আকৃতির তেলবাহী ট্যাঙ্কার। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালি না খুলেই ট্রাম্প ইরান ছাড়লে যে ৩ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে

2
ছবি : টিবিএস
বাংলাদেশ

জ্বালানির দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে: অর্থমন্ত্রী

3
ফাইল ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

নিখোঁজ ক্রুকে খুঁজতে ইরানে ঢুকল মার্কিন স্পেশাল ফোর্স; ধরিয়ে দিলে ৬০ হাজার ডলার দেবে ইরান

4
বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্ত থেকে বাণিজ্যিক চাষ: বাংলাদেশে আবারও বাড়ছে দেশীয় মাছের সংখ্যা
বাংলাদেশ

বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্ত থেকে বাণিজ্যিক চাষ: বাংলাদেশে আবারও বাড়ছে দেশীয় মাছের সংখ্যা

5
মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ (বামে) এবং পোপ লিও চতুর্দশ। ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

প্রতিরক্ষা সচিব হেগসেথ বলছেন, মার্কিন সেনারা ‘যিশুর জন্য লড়ছেন’; পোপ বলছেন, না

6
ফাইল ছবি
বাংলাদেশ

জ্বালানি সাশ্রয়ে ব্যাংকের নতুন সময়সূচি ঘোষণা করল বাংলাদেশ ব্যাংক

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net