Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Saturday
July 04, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
SATURDAY, JULY 04, 2026
হালাল শিল্প কী, এ খাতে বাংলাদেশের সম্ভাবনা কতটা?

BBC

বিবিসি বাংলা
02 July, 2026, 06:25 pm
Last modified: 02 July, 2026, 07:05 pm

Related News

  • অলাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানা চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • প্রথমবারের মতো দেশব্যাপী ডিসকাউন্টে শপিং উৎসব শুরু হতে যাচ্ছে; ছাড় মিলবে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত
  • মূল্যস্ফীতি ও জ্বালানি সংকটে গভীরতর চাপ: কর্পোরেট মুনাফায় ৪৪ শতাংশ ধস
  • এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর উদ্দেশ্য বিলম্ব নয়, টেকসই উত্তরণ নিশ্চিত করা: বাণিজ্যমন্ত্রী
  • ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলেমিশে থাকাই বাংলাদেশের আবহমান কালের মূল্যবোধ: প্রধানমন্ত্রী

হালাল শিল্প কী, এ খাতে বাংলাদেশের সম্ভাবনা কতটা?

বাংলাদেশ বর্তমানে মাত্র ৮৫ কোটি ডলারের মতো হালাল পণ্য রপ্তানি করে, যার বেশিরভাগই কৃষিভিত্তিক পণ্য।
বিবিসি বাংলা
02 July, 2026, 06:25 pm
Last modified: 02 July, 2026, 07:05 pm
ছবি: ইউনিভার্সাল ইমেজেস গ্রুপ

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্প্রতি মালয়েশিয়া সফরে গেলে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর সাথে বৈঠকের পর যে যৌথ বিবৃতি দেওয়া হয়, সেখানে হালাল শিল্পের প্রসঙ্গটি গুরুত্ব পায়। 

ফলে অনেকের মধ্যেই কৌতূহল তৈরি করেছে, হালাল শিল্প বিষয়টি আসলে কী?

দুই দেশের যৌথ বিবৃতিতে তখন বলা হয়েছিল, 'দুই নেতা বৈশ্বিক ইসলামি অর্থনীতির বিশাল বাণিজ্যিক সম্ভাবনা স্বীকার করেন এবং বাংলাদেশের হালাল খাতের উন্নয়নে মালয়েশিয়ার অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে সম্মত হন।'

এর আগে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তখনকার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের মালয়েশিয়া সফরেও 'হালাল শিল্প' প্রসঙ্গটি আলোচনায় এসেছিল।

মালয়েশিয়ার একটি সংবাদ মাধ্যমকে ড. ইউনূস তখন বলেছিলেন, 'আমাদের সম্পদ একত্র করতে পারলে হালাল খাতই হবে ঢাকা ও পুত্রজায়ার মধ্যে অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির সবচেয়ে স্বাভাবিক ক্ষেত্র।'

কিন্তু প্রশ্ন হলো হালাল শিল্প আসলে কী? 

মালয়েশিয়ার হালাল শিল্পে কোন কোন খাত আছে এবং বাংলাদেশ এই হালাল শিল্প গড়ে তোলার সম্ভাবনা কতটা আছে?

কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি (কমার্শিয়াল) প্রণব কুমার ঘোষ বিবিসি বাংলাকে বলছেন, 'মালয়েশিয়া হালাল শিল্পের বৈশ্বিক রোল মডেল। এ খাতে বাংলাদেশের ব্যাপক সম্ভাবনা আছে এবং এ বিষয়ে আলোচনা এগিয়ে নিতে পারলে এটি বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য 'গেমচেঞ্জার' হয়ে উঠতে পারে।'

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিএমসিসিআই) সভাপতি মো. আনোয়ার শহীদ বলছেন, হালাল শিল্প খাতে মালয়েশিয়া চ্যাম্পিয়ন দেশ। সে কারণে তাদের অভিজ্ঞতা নিয়ে বৈশ্বিকভাবে প্রায় তিন ট্রিলিয়ন ডলারের 'হালাল অর্থনীতিতে' শক্ত অবস্থান তৈরির সুযোগ বাংলাদেশ নিতে পারে।

ছবি: করবিস

তিনি বিবিসি বাংলাকে বলেন, 'আমাদের বড় সমস্যা হলো সার্টিফিকেশন বা সনদ দেওয়া নিয়ে। ভালো ল্যাবরেটরি করে সার্টিফিকেশন সমস্যা কাটিয়ে তোলা গেলে বাংলাদেশ হালাল খাতে ভালো করবে।'

হালাল শিল্প আসলে কী

মো. আনোয়ার শহীদ বলছেন, হালাল শিল্প হলো একটি ইকো-সিস্টেম- যার মধ্যে ব্যাংকিং, ট্যুরিজম, হালাল হোটেল ইন্ডাস্ট্রি, হালাল লজিস্টিক, হালাল ফার্মাসিকউট্যিালসহ অনেক ধারণা আছে।

আর প্রণব কুমার ঘোষ বলছেন, ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গির পাশাপাশি এটি একটি বৈশ্বিক ধারণা এবং খাদ্য থেকে শুরু করে পোশাক পর্যন্ত অনেক কিছুই এই ধারণার মধ্যে আছে।

মালয়েশিয়া হালাল শিল্প নিয়ে যে মাস্টার প্ল্যান করেছে সেখানে বলা হয়েছে, হালাল ইকোসিস্টেম হলো এমন একটি সমন্বিত নেটওয়ার্ক, যেখানে হালাল পণ্য ও সেবার উৎপাদন, উন্নয়ন, সরবরাহ এবং বিতরণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন উপাদান একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে।

এই উপাদানগুলো সামগ্রিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখে। ইকোসিস্টেমের প্রতিটি অংশের নিজস্ব কার্যক্রম থাকলেও তারা পারস্পরিকভাবে সম্পর্কযুক্ত, যার ফলে একটি টেকসই ও ক্রমবর্ধমান ব্যবস্থা গড়ে ওঠে।

অর্থাৎ, উৎপাদন থেকে ভোক্তার কাছে যাওয়ার প্রতি স্তরে হালাল পদ্ধতি বা উপকরণ ব্যবহার করে যেসব শিল্প গড়ে উঠে সেটিই হালাল শিল্প।

মালয়েশিয়ার হালাল শিল্প কতটা বিস্তৃত

ব্যবসায়ী ও হাই কমিশনের কর্মকর্তারা বলছেন, হালাল শিল্পে মালয়েশিয়ার অভিজ্ঞতা প্রায় ৪০ বছরের এবং হালাল শিল্পের বিকাশ ও মানোন্নয়নে মালয়েশিয়া বিশ্বে পথিকৃৎ হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠছে।

দেশটিতে হালাল পণ্যের চাহিদা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এর ফলে মালয়েশিয়া হালাল পণ্যের নিট আমদানিকারক দেশ।

ছবি: এএফপি

দেশটির সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩০ সালে মালয়েশিয়ার হালাল মার্কেট হবে ১১৩ বিলিয়ন ডলারের, যা ২০১৮ সালে ছিল ৬৮ বিলিয়ন ডলারের। এর মধ্যে ফুড ও বেভারেজ খাত ২০৩০ সালে হবে ৮৫ বিলিয়ন ডলারের, যা ২০১৮ সালে ছিল ৫১ বিলিয়ন ডলারের ।

এর বাইরে কসমেটিক ও পার্সনাল কেয়ার, ফার্মাসিউটিক্যালস সেক্টরও হালাল শিল্পে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে থাকবে।

হালাল শিল্পে দেশটির ৯টি খাত অন্তর্ভুক্ত আছে। এগুলো হলো– ফুড অ্যান্ড বেভারেজ, কসমেটিক ও পার্সনাল কেয়ার, ইনগ্রিডিয়েন্টস, ফার্মাসিউটিক্যালস, মডেস্ট ফ্যাশন, মেডিকেল ট্যুরিজম ও ডিভাইসেস, মুসলিম ফ্রেন্ডলি হাসপাতাল, লজিস্টিক সার্ভিস ও ইসলামিক ফাইন্যান্স।

মালয়েশিয়ায় হালাল শিল্প সম্পর্কিত সরকারি বিভিন্ন ওয়েবসাইটে থাকা তথ্য অনুযায়ী, দেশটি ১৯৭০ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত সময়ে ধাপে ধাপে একটি আধুনিক, স্বচ্ছ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হালাল সার্টিফিকেশন ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে।

সরকারি নীতিমালা ও আইন ছাড়াও জাকিম (সনদ প্রদানকারী সংস্থা), হালাল ইন্ডাস্ট্রি ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন বা এইচডিসি ও মালয়েশিয়া হালাল কাউন্সিলের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে যেগুলো বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ হালাল শিল্প ও সার্টিফিকেশন মডেল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

দেশটির প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স বিভাগ ১৯৭০ সালে হালাল শিল্পের কার্যক্রম গ্রহণে উদ্যোগী হয়। তবে হালাল খাদ্য সম্পর্কে প্রথম সরকারি নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়েছিল ১৯৭৪ সালে। ওই বছরেই দেশটির বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয় হালাল খাদ্য পরিদর্শন ও প্রত্যয়নের কাজে সম্পৃক্ত হয়।

পরে ১৯৮৪ সালে মালয়েশিয়ার জাতীয় ফতোয়া কাউন্সিল হালাল ও হারাম-সম্পর্কিত বিষয়গুলোর জন্য আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা দেওয়া শুরু করে। হালাল ব্যবস্থার আইনি ও শরিয়াহভিত্তিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী হয়।

দেশটি আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারি হালাল লোগো চালু করে ১৯৯৪ সালে এবং ২০০২ সালে হালাল সনদ প্রদানের দায়িত্ব জাকিম নামক সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা হয়। সারা দেশে হালাল সার্টিফিকেশন কার্যক্রম কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালিত হতে থাকে।

বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া হালাল শিল্প নিয়ে একযোগে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

এরপর ২০০৮ সালে হালাল ইন্ডাস্ট্রি ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন বা এইচডিসি-কে হালাল শিল্প উন্নয়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়। একই সাথে হালাল শিল্পের পরিকল্পনা, বিনিয়োগ ও রপ্তানি উন্নয়নে কাজ শুরু হয়।

তবে ২০০৯ সালে হালাল সনদ দেওয়ার দায়িত্ব আবার জাকিমকে দেওয়া হয় এবং পরের বছরেই সারাদেশে একীভূত হালাল সনদ ব্যবস্থা কার্যকর হয়। ২০১১ সালে হালাল দাবি, লেবেলিং ও সনদ প্রদানের জন্য নতুন আইনি কাঠামো প্রতিষ্ঠিত হয়।

২০১৬ সালে মালয়েশিয়া হালাল মুভমেন্ট বা এমআইচএম অধীনে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাকে একত্রিত করা হয় এবং ২০২০ সালে হালাল পণ্যের মান নির্ধারণ সংক্রান্ত মানদণ্ড গ্রহণ করা হয়।

হালাল ধারণাটি কীভাবে কাজ করছে

ব্যবসায়ীরা বলছেন, মালয়েশিয়া অস্ট্রেলিয়া থেকেও মাংস আমদানি করে। কিন্তু শুরু থেকেই সেই মাংস হালাল কি-না তা নিশ্চিত করা হয়। মালয়েশিয়া বর্তমানে ভারত, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া থেকে হালাল পণ্য সংগ্রহ করে।

আবার মালয়েশিয়ার পোশাক খাতের হালাল অংশটিকে বলা হয় মডেস্ট ফ্যাশন খাত। অর্থাৎ যেসব পোশাক 'মার্জিত' বলে বিবেচিত। মালয়েশিয়া মিশ্র সংস্কৃতির দেশ এবং দেশটির জনগোষ্ঠীর মধ্যে চীনা, ভারতীয় ও মালয় জনগোষ্ঠী সংখ্যায় বড়। ফলে দেশটিতে মুসলিম জনগোষ্ঠীর কাছে হালাল সনদ থাকা পণ্য কিংবা সেবা ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে, যা দেশটির হালাল শিল্পকে শক্ত ভিত্তি দিয়েছে।

আবার বাংলাদেশের একটি কোম্পানি মালয়েশিয়ায় পণ্য পাঠানোর জন্য হালাল সনদ পাওয়ার পর মালয়েশিয়ার সনদ প্রদানকারী সংস্থা জাকিমকেই বাংলাদেশে এনেছিল। এখন জাকিমের হালাল সনদ নিয়েই তারা মালয়েশিয়ায় পণ্য পাঠায় বলে জানা গেছে।

মালয়েশিয়া ও সৌদি আরবের মতো বেশ কিছু দেশে এখন মাংসসহ কিছু পণ্য পাঠাতে হালাল সনদ থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, কয়েকটি ধাপে হালাল বিষয়টি নিশ্চিত করে একটি পণ্য বা সেবাকে হালাল সনদ দেওয়া হয় মালয়েশিয়ায়। এসব ধাপগুলো হলো—কাঁচামাল, উৎপাদন, প্যাকেজিং, ওয়ারহাউজ/লজিস্টিক, পরিবহন ও ভোক্তার হাতে তুলে দেওয়া।

মালয়েশিয়ায় দুটি প্রতিষ্ঠান এর জন্য সুনির্দিষ্ট কাজ করে। এর একটি হলো জাকিম, যার কাজ হলো প্রতিটি স্তরে যাচাই বাছাই করে হালাল সনদ দেওয়া।

আর অন্যটি হলো হালাল ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিল বা এইচডিসি। এই সংস্থাটি শিল্পখাতের হালাল সক্ষমতা অর্জনে প্রশিক্ষণসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা দিয়ে থাকে।

বাংলাদেশের সম্ভাবনা কতটা ও চ্যালেঞ্জ কোথায়

বাংলাদেশে ২০২৩ সালে ইসলামী শরিয়া মোতাবেক পণ্য উৎপাদন, আমদানি, রপ্তানি ও বাজারজাতকরণের সুবিধার্থে 'হালাল সনদ নীতিমালা-২০২৩' নামে একটি নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছিল।

তখন বলা হয়েছিল কোনো পণ্যের হালাল স্বীকৃতি পেতে চাইলে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কাছে আবেদন করে হালাল সনদ ও লোগো নিতে হবে উৎপাদক প্রতিষ্ঠানকে।

ছবি: আনা এফেতোভা

এর আগে ২০২১ সাল থেকে হালাল সনদ দিয়ে আসছিল বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। ফলে দুটি সংস্থাই হালাল সনদ দেওয়ার কাজ করে আসছে।

বাংলাদেশ বর্তমানে মাত্র ৮৫ কোটি ডলারের মতো হালাল পণ্য রপ্তানি করে, যার বেশিরভাগই কৃষিভিত্তিক পণ্য।

তারা এখন পর্যন্ত ২৮০টির মতো প্রতিষ্ঠানকে হালাল সনদ দিয়েছে। যদিও দুই প্রতিষ্ঠান আলাদা সনদ দেওয়াটা নতুন জটিলতা তৈরি করছে বলে অভিযোগ আছে ব্যবসায়ীদের।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের হালাল সনদ বিভাগের উপ-পরিচালক ড. মাওলানা মো. আবু ছালেহ পাটোয়ারী বলছেন, হালাল খাতে অনেক সম্ভাবনা থাকলেও সত্যিকার অর্থে সুফল পেতে হলে আরও অনেক পদক্ষেপ সরকারকে নিতে হবে।

তিনি বিবিসি বাংলাকে বলেন, 'সনদ দেওয়ার ক্ষেত্রে আমরা এখন মালয়েশিয়ার জাকিমের নীতিমালা অনুসরণ করছি। পণ্য সংশ্লিষ্ট টেকনিক্যাল এক্সপার্ট ও শরিয়াহ এক্সপার্টদের দিয়ে একটি পণ্যের প্রতিটি ধাপের পর্যালোচনা হয় হালাল সনদ দেওয়ার আগে। কিন্তু মানুষ এখনো অত্যাধুনিক জবাই খানা ব্যবহার করে না। গরু বলুন আর মুরগী বলুন, সবাই যত্রতত্র নিজের মতো করে জবাই করে।'

তিনি জানান, 'এসব কারণেই হালাল সনদ দিয়ে মাংস ও মাংসজাত দ্রব্য মালদ্বীপ ছাড়া কোথাও পাঠানো যাচ্ছে না নানা সংকটের কারণে। একটি হালাল অর্থনৈতিক জোন এর সমাধানে ভূমিকা রাখতে পারে।'

এরপরেও ব্যবসায়ীরা মনে করেন, মালয়েশিয়ায় শুধু হালাল খাবার নয়, হালাল হোটেল, ঔষধের বাজার ও পর্যটনেও বড় সুযোগ রয়েছে। এমনকি দুই দেশের শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যেও একযোগে কাজের সুযোগ নিতে পারে।

বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তা প্রণব কুমার ঘোষ বলছেন, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের দেশ হিসেবে বাংলাদেশের প্রায় সবকিছুই হালাল এবং সে কারণে শিল্প খাত হিসেবে হালাল শিল্প গড়ে তোলার সম্ভাবনা এখানে ব্যাপক।

তিনি বিবিসি বাংলাকে বলেন, 'বাংলাদেশের হালাল পণ্যের বৈশ্বিক স্বীকৃতি নেওয়া গেলে অনেক দেশেই তা রফতানি করা সম্ভব। আন্তর্জাতিক মানের সনদের জন্য ল্যাবরেটরি সক্ষমতা বাড়াতে হবে। এক্ষেত্রে মালয়েশিয়ার অভিজ্ঞতা আমাদের সুফল দেবে।'

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিএমসিসিআই) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মালয়েশিয়ায় প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে দেড় হাজার কোটি ডলারের হালাল খাদ্য আমদানি হয়, যা ২০৩০ সাল নাগাদ পাঁচ হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের দিক থেকে সরকারিভাবে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে পারলে বাংলাদেশ এই বাজারেই কয়েক বিলিয়ন ডলারের হালাল খাদ্য রফতানির সুযোগ নিতে পারে বলে ব্যবসায়ীদের এই সংগঠনটি মনে করে।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাংলাদেশের বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা বিডা হালাল খাত নিয়ে মালয়েশিয়ার এইচডিসির কাছে কাজ শুরু করেছে।

বিএমসিসিআই সভাপতি আনোয়ার শহীদ বলেন, সার্টিফিকেশন বা সনদ সমস্যার কারণে এখন বাংলাদেশের অবস্থান দুর্বল।

তিনি বিবিসি বাংলাকে বলেন, 'এখন ইসলামিক ফাউন্ডেশন আর বিএসটিআই (হালাল) সনদ দিচ্ছে। কিন্তু ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তো ল্যাব নেই। বিএসটিআইয়ের টেস্টিং ক্যাপাসিটি খুব বেশি নয়। ফলে এখন ব্যবসায়ীদের তাদের পণ্যের জন্য মালয়েশিয়ার জাকিম বা ওই মানের অন্য দেশের প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সনদ নিতে হচ্ছে। খাবার কিংবা ঔষধের জন্য ল্যাব তো স্থাপন করতেই হবে। এসব করা গেলে বাংলাদেশের দারুণ সম্ভাবনা তৈরি হবে।'

তিনি আরও জানান, তারা হালাল শিল্প নিয়ে আগামী মার্চে একটি সম্মেলন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন যাতে করে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সরকারকে সহায়তা করা যায়।

Related Topics

টপ নিউজ

হালাল শিল্প / মালয়েশিয়া / বাংলাদেশ / প্রধানমন্ত্রী

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • প্রতীকী। ছবি: সংগৃহীত
    প্রথমবারের মতো দেশব্যাপী ডিসকাউন্টে শপিং উৎসব শুরু হতে যাচ্ছে; ছাড় মিলবে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত
  • ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ছবি: রয়টার্স
    শান্তি আলোচনা চলাকালে ইরানি মধ্যস্থতাকারীদের গুপ্তহত্যার ষড়যন্ত্র করছিল ইসরায়েল; তেহরানকে সতর্ক করে দেয় যুক্তরাষ্ট্র!
  • ফাইল ছবি: সংগৃহীত
    বাংলাদেশ-চীন যুদ্ধবিমান আলোচনা ও করিডোর প্রস্তাবের দিকে নজর রাখছে ভারত: জয়সওয়াল 
  • সীতাকুণ্ডের জাহাজভাঙা ইয়ার্ডসংলগ্ন উপকূলে এক জেলের নোঙর। ছবি: মনোয়ার মারুফ নাফিস
    বদলাচ্ছে জাহাজভাঙা শিল্প, সমুদ্রে ফিরছেন সীতাকুণ্ডের ‘জলদাস’রা
  • লাল কার্ড দেখানোর পর সতীর্থ জিও রেইনা (বাঁয়ে) ও টিমোথি ওয়েহ (ডানে) ফোলারিন বালোগুনকে সান্ত্বনা দেন। ছবি: আইএসআই
    বিশ্বকাপে লাল কার্ড, পরবর্তী ম্যাচের জন্য বালোগানকে ‘ক্ষমা’ করতে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ দাবি মার্কিন সমর্থকদের
  • ছবি: টিবিএস
    ভবন ভাড়া দিয়ে আয় বাড়াতে চায় ন্যাশনাল ব্যাংক, বিশেষ সুবিধা চেয়ে সরকারকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চিঠি

Related News

  • অলাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানা চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • প্রথমবারের মতো দেশব্যাপী ডিসকাউন্টে শপিং উৎসব শুরু হতে যাচ্ছে; ছাড় মিলবে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত
  • মূল্যস্ফীতি ও জ্বালানি সংকটে গভীরতর চাপ: কর্পোরেট মুনাফায় ৪৪ শতাংশ ধস
  • এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর উদ্দেশ্য বিলম্ব নয়, টেকসই উত্তরণ নিশ্চিত করা: বাণিজ্যমন্ত্রী
  • ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলেমিশে থাকাই বাংলাদেশের আবহমান কালের মূল্যবোধ: প্রধানমন্ত্রী

Most Read

1
প্রতীকী। ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

প্রথমবারের মতো দেশব্যাপী ডিসকাউন্টে শপিং উৎসব শুরু হতে যাচ্ছে; ছাড় মিলবে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত

2
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

শান্তি আলোচনা চলাকালে ইরানি মধ্যস্থতাকারীদের গুপ্তহত্যার ষড়যন্ত্র করছিল ইসরায়েল; তেহরানকে সতর্ক করে দেয় যুক্তরাষ্ট্র!

3
ফাইল ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

বাংলাদেশ-চীন যুদ্ধবিমান আলোচনা ও করিডোর প্রস্তাবের দিকে নজর রাখছে ভারত: জয়সওয়াল 

4
সীতাকুণ্ডের জাহাজভাঙা ইয়ার্ডসংলগ্ন উপকূলে এক জেলের নোঙর। ছবি: মনোয়ার মারুফ নাফিস
ফিচার

বদলাচ্ছে জাহাজভাঙা শিল্প, সমুদ্রে ফিরছেন সীতাকুণ্ডের ‘জলদাস’রা

5
লাল কার্ড দেখানোর পর সতীর্থ জিও রেইনা (বাঁয়ে) ও টিমোথি ওয়েহ (ডানে) ফোলারিন বালোগুনকে সান্ত্বনা দেন। ছবি: আইএসআই
খেলা

বিশ্বকাপে লাল কার্ড, পরবর্তী ম্যাচের জন্য বালোগানকে ‘ক্ষমা’ করতে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ দাবি মার্কিন সমর্থকদের

6
ছবি: টিবিএস
অর্থনীতি

ভবন ভাড়া দিয়ে আয় বাড়াতে চায় ন্যাশনাল ব্যাংক, বিশেষ সুবিধা চেয়ে সরকারকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চিঠি

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net