উত্তরায় পোশাকশ্রমিকদের সড়ক অবরোধ: টিয়ারশেল ছুড়ে, ধাওয়া দিয়ে ছত্রভঙ্গ করল পুলিশ
রাজধানীর উত্তরার আজমপুর ও বিএনএস সেন্টার এলাকায় ন্যূনতম বেতন বাড়ানোর দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করা পোশাকশ্রমিকদের টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া দিয়ে সরিয়ে দিয়েছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল পৌনে ১১টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ওই দুই এলাকায় শ্রমিকেরা অবরোধ শুরু করেন। পরে তাদের বুঝিয়ে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দিতে দফায় দফায় চেষ্টা চালায় পুলিশ। তবে তাতে কাজ না হওয়ায় বেলা পৌনে ১২টার দিকে ধাওয়া দিয়ে শ্রমিকদের সরিয়ে দেওয়া হয়। এ সময় তাদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেলও নিক্ষেপ করা হয়।
শ্রমিকদের অবরোধের কারণে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক ও আশপাশের সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়। এতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। ভোগান্তিতে পড়েন কর্মজীবী মানুষ, গণপরিবহণের যাত্রী ও পথচারীরা। যানজটে আটকা পড়ে নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে দুর্ভোগ পোহাতে হয় অনেককে।
এর আগেও একই দাবিতে গতকাল বুধবার (১৪ অক্টোবর) উত্তরার আজমপুর এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা। সকাল থেকেই তারা সেখানে জড়ো হতে থাকেন। পরে বেলা ১১টার দিকে মহাসড়কে অবস্থান নিলে যানচলাচল ব্যাহত হয়।
গতকালের অবরোধে মহাসড়কের একপাশে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে মহাসড়ক ও আশপাশের সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। গণপরিবহণে আটকা পড়েন বহু যাত্রী। নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে না পেরে কেউ কেউ বাস থেকে নেমে হেঁটেই রওনা হন।
গতকাল বেলা সোয়া ১টার দিকে উত্তরা বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মু. আল আমিন সরকার দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে (টিবিএস) জানান, শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করে সড়কের একটি অংশ যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে তখন বিমানবন্দর গোলচত্বর এলাকাতেও অনেকে অবস্থান করছিলেন।
এর আগে গত সোমবার (১২ অক্টোবর) উত্তরার আজমপুর এলাকায় ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে সড়ক অবরোধ করেন পোশাকশ্রমিকেরা। সেদিন দক্ষিণখানের বিভিন্ন পোশাক কারখানার শত শত শ্রমিকের বিক্ষোভে মহাসড়কের এক পাশে যান চলাচল ব্যাহত হয়।
