শিক্ষায় জিডিপির ২ শতাংশ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে সঠিক শিক্ষার জন্য, শুধু বিল্ডিং বানানোর জন্য নয়: ববি হাজ্জাজ
শিক্ষা খাতে বরাদ্দ করা জিডিপির ২ শতাংশ অর্থ শুধু ভবন নির্মাণে নয়, প্রাথমিক স্তরে সঠিক শিক্ষা নিশ্চিত ও শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে আনতে ব্যয় করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। আগামীতে শিক্ষা খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার রাজধানীতে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
ববি হাজ্জাজ বলেন, 'শিক্ষার বাজেটে প্রধানমন্ত্রী জিডিপির ২ শতাংশ দিয়েছেন। আগামীতে ৫ শতাংশ দেবেন। এটা শুধু বিল্ডিং বানানোর জন্য না। এই বাজেট যাবে প্রাথমিকে সঠিক শিক্ষা দিতে, শিক্ষার্থীদের স্কুলে ফেরত নিয়ে যেতে।'
বিদ্যালয়ের বাইরে থাকা শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মূলধারায় ফেরাতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, 'শিক্ষার্থীদের ফাউন্ডেশনাল জিনিসগুলো শিখিয়ে যেন স্কুলে তাড়াতাড়ি ফেরত পাঠানো যায় এবং স্কুলে যেন তারা যায়, তার জন্য প্রধানমন্ত্রী অনেক ব্যবস্থা করছেন। মিড ডে মিল, ইউনিফর্ম এবং আগামীতে যদি আরো কিছু প্রয়োজন হয়, সেটারও ব্যবস্থা প্রধানমন্ত্রী করবেন। উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর প্রজেক্টের দায়িত্ব স্কুলে ফেরত নিয়ে আসা থ্রু এক্সেলারেটেড লার্নিং।'
অ্যাক্সিলারেটেড লার্নিংয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের যে শিক্ষা দেওয়া হবে, তা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের রেমিডিয়াল এডুকেশন কার্যক্রমে ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'তাদের যে লার্নিং প্রোগ্রাম হবে, সেটি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ব্যবহার করতে পারে তাদের রেমিডিয়াল এডুকেশন হিসেবে।'
শিক্ষার লক্ষ্য বাস্তবায়নে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, 'আমরা এক মন্ত্রালয় ও এক পরিবারের অধীনে এবং সবাই প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষার ভিশন বাস্তবায়ন করার জন্যই কাজ করছি। স্কিলটা আমরা নেক্সট লেভেলে নিয়ে যাচ্ছি।'
উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমের পরিধি আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, 'এগুলো ৪০টা জেলায় ৪০টা জায়গায় ৪০টা উপজেলা এইভাবে না, আরো বড় আঙ্গিকে নেয়াটা গুরুত্বপূর্ণ। আগামীতে আলোচনা করব কীভাবে আমরা নেক্সট স্টেপটা আরো বড়ভাবে করতে পারি।'
এ সময় তিনি বলেন, 'ইউনেস্কো আমাদের সহযোগী আছে। অনেক এনজিও বা ইনফরমাল বডি কাজ করছে আমাদেরকে সহযোগিতা করার জন্য। আগামী দিনগুলোতে প্রধানমন্ত্রীর যে ভিশন আছে, সেটি বাস্তবায়ন করার জন্য কাজ করছি।'
