জ্বালানি সংকট আন্তর্জাতিক, নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে গুরুত্ব দিতে হবে: রিজভী
বর্তমান জ্বালানি সংকট বাংলাদেশের নিজস্ব নয়, এটি আন্তর্জাতিক সংকট বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
তিনি বলেন, "এ সংকট মোকাবিলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে গুরুত্ব দিতে হবে।"
আজ রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের নতুন কমিটি এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
রিজভী বলেন, "১৯৭৫ সালের দুর্ভিক্ষ সবার জানা। পরবর্তী সময়ে সেই দুর্ভিক্ষ মোকাবিলায় রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন। তার সেই অবদান আজও আমরা সুফল হিসেবে ভোগ করছি। আমি মনে করি, তারই সুযোগ্য পুত্র বেগম খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র তারেক রহমান দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে যে অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা বাস্তবায়ন শুরু করেছেন।"
তিনি বলেন, "জনগণের ভোটে, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে তিনি ১৬ বছরের দীর্ঘ সংগ্রাম, গুম, খুন ও ক্রসফায়ারের ভয়াবহ সময় পেরিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। তার নেতৃত্বে বিএনপি অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছে, বহু নেতাকর্মী জীবন দিয়েছেন। সেই আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই আমরা গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছি।"
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেন, ক্ষমতায় এসে তারেক রহমান প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করছেন। তিনি ফ্যামিলি কার্ড ও ফার্মার কার্ড চালু করেছেন এবং দিনাজপুরে খাল খনন কার্যক্রম শুরু করেছেন। একের পর এক প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
রিজভী বলেন, "বর্তমান জ্বালানি সংকট আন্তর্জাতিক, যা মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব থেকে সৃষ্টি হয়েছে। তবে সরকার ধীরে ধীরে এই সংকট কাটিয়ে উঠছে। পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে গুরুত্ব দিতে হবে। তারেক রহমান যে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তা বাস্তবায়ন করা হবে।"
তিনি বলেন, "পাকিস্তানে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হচ্ছে। বাংলাদেশেও রুফটপ সোলার প্যানেল স্থাপনে কর কমিয়ে জনগণকে উৎসাহিত করতে হবে, যাতে মানুষ নিজস্ব বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ করতে পারে এবং অন্য দেশের ওপর নির্ভরশীলতা কমে।"
তিনি আরও বলেন, "মন্ত্রীদের সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে। গত ২৪ ঘণ্টায় ১১ জনের বেশি মানুষ হাম রোগে মারা গেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে, যাতে আর কোনো মৃত্যু না ঘটে।"
