৬৮,৪৫০ টন ডিজেল নিয়ে দুই জাহাজ ভিড়ল চট্টগ্রাম বন্দরে, জেট ফুয়েল নিয়ে আসছে আরেকটি
চট্টগ্রাম বন্দরে একের পর এক জ্বালানিবাহী জাহাজ এসে পৌঁছেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ৬৮ হাজার ৪৫০ টন ডিজেল নিয়ে এসেছে দুইটি জাহাজ। আজ বিকেলে জেট ফুয়েল নিয়ে আসবে আরেকটি জাহাজ।
দৈনিক ১২ হাজার ৫০০ টন চাহিদা হিসেবে মাত্র একদিনে এসে পৌঁছানো ডিজেল দিয়ে পাঁচ দিনের বেশি চাহিদা মেটানো যাবে।
গতকাল বিকেল ৩টার দিকে তাইওয়ান থেকে ৩৩ হাজার ৪০০ টন ডিজেল নিয়ে বন্দরের বহির্নোঙরে ভিড়েছে পাকিস্তানি পতাকাবাহী জাহাজ এমটি কোয়েটা।
এরপর আজ ভোর ৫টার দিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে ৩৫ হাজার ৫৫ টন ডিজেল নিয়ে ভিড়েছে পানামার পতাকাবাহী জাহাজ প্রিভে অ্যাঞ্জেল।
এদিকে আজ বিকেল ৪টায় দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ৩৪ হাজার ৬০০ টন জেট ফুয়েল নিয়ে ভিড়বে শিং তং ৭৯৯ নামের চীনা পতাকাবাহী একটি জাহাজ।
দৈনিক আড়াই হাজার টন চাহিদা হিসেবে এই জেট ফুয়েল দিয়ে চলা যাবে প্রায় ১৪ দিন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে জাহাজগুলোর স্থানীয় শিপিং এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইনসের ম্যানেজিং পার্টনার নজরুল ইসলাম টিবিএসকে বলেন, গতকাল বিকেলে পৌঁছানো জাহাজ থেকে লাইটারিং এর মাধ্যমে ডিজেল খালাস শুরু হয়েছে। আজ সকালে ভেড়া জাহাজ থেকে লাইটারিং পরে শুরু করা হবে কারণ মজুত কম থাকায় জেট ফুয়েলবাহী জাহাজ থেকে আগে লাইটারিং করা হবে।
তিনি বলেন, বর্তমানে বহির্নোঙরে চারটি জাহাজ অপেক্ষমাণ আছে। জাহাজ ওভার-সাইজ হওয়ায় বন্দরের ডলফিন জেটিতে ভেড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। কুতুবদিয়া এঙ্করেজে ছোট সাইজের মাদার ভেসেল দিয়ে লাইটারিং করা হচ্ছে। আবার মাত্র দুইটি জেটিতে বার্থিং হওয়ায় এর বেশি মাদার ভেসেল বার্থ করা সম্ভব হচ্ছে না।
তবে, যত দ্রুত সময়ে জ্বালানি খালাস করা যায় সেই প্রচেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন নজরুল ইসলাম।
এর আগে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত এ নিয়ে ৫৩ দিনে চট্টগ্রাম বন্দরে ২৬ টি জাহাজে আট লাখ ২৩ হাজার ১৭০ টন জ্বালানি তেল এসেছে।
