৭ লাখ টন ইউরিয়া সার আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: সংসদে শিল্পমন্ত্রী
সরকারি ও আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে ৭ লাখ টন ইউরিয়া সার আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। আজ রবিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদে তিনি এ বিষয়ে জানান।
সংসদে মন্ত্রী জানান, সরকারি পর্যায়ে অর্থাৎ 'জিটুজি' চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের রাসায়নিক উৎপাদনকারী সংস্থা 'সাবিক' থেকে ২ লাখ টন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফার্টিগ্লোব থেকে ১ লাখ টন ইউরিয়া আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক কোটেশন বা দরপত্র পদ্ধতির মাধ্যমে আরও ৪ লাখ টন ইউরিয়া আমদানি করা হবে।
গ্যাস সংকটের কারণে গত মার্চ মাস থেকে দেশের পাঁচটি সরকারি এবং একটি বেসরকারি ইউরিয়া সার কারখানায় উৎপাদন বন্ধ রয়েছে বলে জানান তিনি।
চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী আরও জানান, জ্বালানি মন্ত্রণালয় কর্তৃক গ্যাস সরবরাহের আশ্বাস দেওয়ায় ২০২৬ সালের ১ মে থেকে শাহজালাল সার কারখানায় ইউরিয়া উৎপাদন নিশ্চিত করা সম্ভব হতে পারে।
তিনি জানান, বর্তমানে দেশে শুধুমাত্র ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে উৎপাদন চালু রয়েছে।
শিল্পমন্ত্রী আরও জানান, টিএসপি এবং ডিএপি সার কারখানাগুলোতে স্বাভাবিক উৎপাদন বজায় রাখতে মূল কাঁচামাল রক ফসফেট, ফসফরিক এসিড এবং সালফার আমদানির পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মরক্কো, জর্ডান, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন এবং মালয়েশিয়াসহ উৎপাদনকারী দেশগুলো থেকে দরপত্র এবং জিটুজি চুক্তির মাধ্যমে এসব কাঁচামাল আমদানি করা হবে।
