জিয়ার শুরু করা খাল খনন শেষ হবে তারেকের নেতৃত্বে: এ্যানি
প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শুরু করা খাল খনন কর্মসূচিকে একটি বিপ্লব হিসেবে উল্লেখ করে পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, এই অসমাপ্ত কাজটি এখন দলের বর্তমান চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে সম্পন্ন হবে।
শুক্রবার (৩ মার্চ) বিকেলে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার হামছাদী ইউনিয়নের কাফিলাতলি বাজার এলাকায় সি-খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি কোদাল দিয়ে মাটি কেটে ১২ দশমিক ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ খালটি পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন।
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, 'জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচি ছিল একটি বিপ্লব, যা এখনো সমাপ্ত হয়নি।'
তিনি আরও বলেন, 'প্রেসিডেন্ট জিয়ার দূরদর্শিতার আলোকে এ কর্মসূচি শেষ হলে দেশ স্বনির্ভরতার ধারায় এগিয়ে যেত। তবে নানা কারণে সেই বিপ্লব বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এখন আবার সেই চর্চা শুরু হয়েছে এবং অসমাপ্ত কাজটি তারেক রহমানের নেতৃত্বে সম্পন্ন হবে।'
খালের বর্তমান বেহাল অবস্থার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, খাল খনন করতে গিয়ে দেখা গেছে খালের ভেতরে দোকান ও বসতঘর গড়ে উঠেছে। তিনি অভিযোগ করেন, 'পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ চলমান থাকলে খাল দখল বা দূষণের এ অবস্থা তৈরি হতো না।' কলকারখানার বর্জ্য ও বাসাবাড়ির ড্রেন খালে পড়ার বিষয়েও তিনি এ সময় উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম, জেলা পরিষদ প্রশাসক সাহাব উদ্দিন সাবু, জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসান, জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক এবং পানি উন্নয়ন অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ উজ জামান খানসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৯৭৮ সালে সর্বশেষ খনন হওয়া সি-খালটি পুনঃখননে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। খালটির প্রস্থ ২০ থেকে ৩৫ মিটার। পুনঃখনন সম্পন্ন হলে সদর উপজেলার হামছাদী ও রায়পুরের বামনী ইউনিয়নসহ চারটি ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ জলাবদ্ধতা নিরসন ও কৃষিকাজে এর সুফল পাবেন।
