Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Friday
April 03, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
FRIDAY, APRIL 03, 2026
টিকা কেনা নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় কী ঘটেছিল?

বাংলাদেশ

বিবিসি বাংলা
02 April, 2026, 06:45 pm
Last modified: 02 April, 2026, 06:52 pm

Related News

  • ১৩৩ অধ্যাদেশ পর্যালোচনার পর ৯৮ অধ্যাদেশ বহালের সুপারিশ, পুনর্বিবেচনায় ২০টি
  • হামে ৪৭ শিশুর মৃত্যু: প্রকোপ না কমা পর্যন্ত স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট
  • রোববার থেকে জরুরিভিত্তিতে হামের টিকা দেওয়া হবে, গ্যাভি থেকে ধার নেওয়া হচ্ছে ২.১৯ কোটি ডোজ
  • কক্সবাজার হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ৩৪ শিশু ভর্তি, ১ শিশুর মৃত্যু
  • শিশুদের জীবন বাঁচাতে জরুরিভিত্তিতে টিকা আনানোর ব্যবস্থা করুন 

টিকা কেনা নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় কী ঘটেছিল?

হাম আক্রান্ত হয়ে একের পর এক শিশু মৃত্যুর ঘটনায় সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের দায় রয়েছে মন্তব্য করে ফেসবুকসহ সামাজিক বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার দাবিও তুলেছেন নাগরিকদের অনেকে।
বিবিসি বাংলা
02 April, 2026, 06:45 pm
Last modified: 02 April, 2026, 06:52 pm
ছবি: বিবিসি

বাংলাদেশে সরকারিভাবে শিশুদের দেওয়া বিভিন্ন রোগের টিকার যে সংকট দেখা দিয়েছে, সেটির জন্য সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারকে দায়ী করছেন অনেকে, অভিযোগকারীদের মধ্যে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির মন্ত্রী ও নেতাদের কেউ কেউ রয়েছেন।

হাম আক্রান্ত হয়ে একের পর এক শিশু মৃত্যুর ঘটনায় সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের দায় রয়েছে মন্তব্য করে ফেসবুকসহ সামাজিক বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার দাবিও তুলেছেন নাগরিকদের অনেকে।

অন্যদিকে, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকা কেনার ক্ষেত্রে মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বের আগের সরকারের 'অদূরদর্শীতার' কারণে এখন খেসারত দিতে হচ্ছে দেশের সাধারণ মানুষকে।

"অন্তর্বর্তী সরকারের সময় টিকা ক্রয়ের সিস্টেমে একটা পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়। উদ্যোগটি ভালো, কিন্তু সেটি গ্রহণ করা হয়েছে প্রয়োজনীয় পূর্বপ্রস্তুতি ছাড়াই। তাদের এমন অদূরদর্শী পদক্ষেপের ফলে টিকা কার্যক্রম বিঘ্নিত হয়েছে এবং দেশের স্বাস্থ্যখাতে অবধারিতভাবে সেটির নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে," বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন বাংলাদেশের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মুশতাক হোসেন।

কিন্তু টিকা কেনার ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকার ঠিক কী ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছিল? সেই উদ্যোগ ঘিরে স্বাস্থ্যখাতে সংকটই-বা তৈরি হলো কীভাবে?

ক্রয় বিলম্ব ঘিরে টিকা সংকট

স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে দাতা সংস্থার সহায়তায় ১৯৯৮ সালে স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টিখাত কর্মসূচি (এইচপিএনএসপি) চালু করে বাংলাদেশ সরকার।

পাঁচ বছর মেয়াদি এই কর্মসূচিটি স্বাস্থ্যখাতের কর্মীদের কাছে 'সেক্টর প্রোগ্রাম' নামে বেশি পরিচিত।

এটি বাস্তবায়ন করা হতো অপারেশন প্ল্যান (ওপি) তথা বিষয়ভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে।

এর মাধ্যমে খাদ্য-পুষ্টি, শিশু ও মাতৃ স্বাস্থ্য, সংক্রামক-অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ, টিকাদানসহ স্বাস্থ্যের বিভিন্ন খাতে অর্থ বরাদ্দ, কেনাকাটা, জনবল নিয়োগসহ যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করা হতো।

সেক্টর প্রোগ্রামের শিশু ও মাতৃ স্বাস্থ্য কার্যক্রমের আওতায় এতদিন সারা দেশে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) পরিচালিত হতো।

এক্ষেত্রে টিকার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব সংস্থা গ্যাভির আর্থিক সহায়তায় বাংলাদেশ এতদিন টিকা কিনতো ইউনিসেফের মাধ্যমে।

"এতে টিকা কিনতে সরকারকে খুব একটা বেগ পেতে হতো না এবং সময়ও তুলনামূলকভাবে কম লাগতো," বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. হোসেন।

কিন্তু দাতানির্ভরতা কমানোর লক্ষ্যে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সেক্টর প্রোগ্রাম থেকে ধীরে ধীরে সরে আসার পরিকল্পনা করা হয়।

"দাতানির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি এটির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য ছিল নিজেদের আর্থিক ও কারিগরি সক্ষমতা বাড়িয়ে সেক্টর প্রোগ্রামগুলোকে মেইনস্ট্রিমিং করা বা রাজস্ব খাতের আওতায় আনা," বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন আরেক জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. আহমদ এহসানুর রহমান।

সেক্টর প্রোগ্রাম থেকে সরে আসার ফলে টিকা কেনা বাবদ ইউনিসেফকে দেওয়া অর্থ বেঁচে যাওয়ার পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় অনেক ব্যয় কমে আসার কথাও জানান এই খাতের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তারা।

২০২২ সালে চতুর্থ স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টিখাত কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা মহামারিসহ নানান কারণে সেটির মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত আনা হয়।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতনের পর ক্ষমতায় আসে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। এসময় বিভিন্নখাতে সংস্কার নিয়ে নানান আলোচনার মধ্যে সেক্টর প্রোগ্রাম বন্ধ করে দিয়ে নিজেরা টিকা কেনার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

দফায় দফায় বৈঠক শেষে ২০২৫ সালের মার্চে সেক্টর প্রোগ্রামগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করা হয়।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ইউনিসেফকে বাদ দিয়ে টিকা কেনার পদক্ষেপ নিতে গেলে তাতে প্রশ্ন তোলে অর্থ মন্ত্রণালয়। এ নিয়ে দর কষাকষির এক পর্যায়ে ইউনিসেফকে আবারও টিকা কেনার প্রক্রিয়ায় যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কিন্তু ততদিনে বেশ কয়েক মাস পার হয়ে যায়। এছাড়া অর্থছাড়, হিসাব নিরীক্ষাসহ অন্যান্য কাজে আরও সময় গেলে যায়।

এগুলো করতে গিয়ে প্রায় ছয় মাস টিকা কেনা বন্ধ থাকায় ২০২৫ সালের শেষ প্রান্তিকে বিভিন্ন জেলায় শিশুদের টিকার সংকট দেখা দেয়।

তখন একাধিকবার টিকাকেন্দ্র গিয়েও শিশুকে টিকা দিতে পারেননি বলে বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন অনেক অভিভাবক।

"টিকা ব্যবস্থায় পরিবর্তন আসার ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকারের যথেষ্ঠ প্রস্তুতি অভাবের কারণে এগুলো ঘটেছে। সেক্টর প্রোগ্রামগুলো হঠাৎ করে বাদ না দিয়ে ধীরে ধীরে পরিকল্পিতভাবে বের হয়ে আসলে টিকা ব্যবস্থা বিঘ্নিত হতো না," বলেন ডা. হোসেন।

সেক্টর প্রোগ্রাম বন্ধ করার কারণে দেশে ম্যালেরিয়া, যক্ষ্মা, এইডসসহ অন্যান্য স্বাস্থ্য কর্মসূচিও বন্ধ রয়েছে।

"দ্রুত এ বিষয়ে পদক্ষেপ না নিলে দীর্ঘ মেয়াদে স্বাস্থ্যখাতে নতুন আরও অনেক সংকট দেখা দিতে পারে," বলেন ডা. মুশতাক হোসেন।

বিষয়টি নিয়ে বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান, যিনি মূলত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন, তার সঙ্গেও যোগাযোগ করে বিবিসি। কিন্তু তিনিও কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এখন পরিস্থিতি কেমন?

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, বরিশাল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ময়মনসিংহ, পাবনাসহ আরও কিছু জেলায় শিশুদের মধ্যে হামে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেড়েছে।

ছোঁয়াচে এ রোগে ইতোমধ্যে পাঁচ শতাধিক মানুষ আক্রান্ত হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই শিশু।

এর মধ্যে তিন ডজনেরও বেশি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে হামে আক্রান্ত হওয়ার কারণেই এই শিশুদের মৃত্যু হয়েছে কি না সেবিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয় বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

মূলত হামের দুই ডোজ টিকা না দেওয়া, শিশুদেরকে মায়ের বুকের দুধ ঠিকমতো পান না করানো, প্রয়োজনীয় কৃমিনাশক ঔষধ না খাওয়ানো এবং অপুষ্টির কারণেই নতুন করে হামের এই প্রকোপ শুরু হয়েছে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা।

এতদিন শিশুদের বয়স নয় মাস হলে হামের প্রথম ডোজ টিকা দেওয়া হতো। কিন্তু এবছর নয় মাসের কম বয়সি শিশুদেরও হামে আক্রান্ত হতে দেখা যাচ্ছে।

"সাধারণত নয় মাস পূর্ণ হলে ইপিআই কর্মসূচির আওতায় হামের টিকা পায় শিশুরা। কিন্তু এবার দেখা যাচ্ছে যারা আক্রান্ত তাদের প্রায় ৩৩ ভাগ এই বয়সের আগেই আক্রান্ত হয়েছে। অর্থাৎ নয় মাসের কম বয়সীদের মধ্যে এই রোগের সংক্রমণ বাড়ছে," বিবিসি বাংলাকে বলেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক ও সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির প্রধান মোহাম্মদ শাহরিয়ার সাজ্জাদ।

সাধারণত সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় নয় থেকে ১৫ মাস বয়সী শিশুদের হামের দু'টি টিকা দেওয়া হলেও এর অতিরিক্ত হিসেবে প্রতি চার বছর পরপর হামের টিকা দেওয়ার যে বিশেষ কর্মসূচি নেওয়া হয়, ২০২৪ সালে তা হয়নি।

"২০২০ সালে করোনা, ২০২৪ সালে রাজনৈতিক পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন কারণে হামের টিকাদানের বিশেষ ক্যাম্পেইন হয়নি," বলছিলেন শাহরিয়ার সাজ্জাদ।

চলতি বছরের শুরু থেকেই এই রোগটির প্রকোপের সম্ভাবনা প্রকাশ পাচ্ছিল। বিশেষ করে জানুয়ারির শুরুতে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও ঢাকার কিছু বস্তিতে রোগটিতে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা বাড়ছিল।

এরপর চলতি মাসেই রাজশাহী মেডিকেল কলেজে ভেন্টিলেশনসহ আইসিইউ সুবিধার অভাবে বেশকিছু শিশুর মৃত্যুর খবরে অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এর মধ্যে বিভিন্ন জেলার সিভিল সার্জনদের দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, হামের টিকা থাকলেও যক্ষা, পোলিও, নিউমোনিয়া, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, ধনুষ্টংকারসহ বেশ কয়েকটি রোগের টিকার সংকট রয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরও সংকটের কথা স্বীকার করেছে।

"আমাদের হেডকোয়ার্টারে টিকার যে স্টক সেটা সন্তোষজনক না। এটাতো আমরা অনেক দিন ধরেই বলছি," বলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক শাহরিয়ার সাজ্জাদ।

সংকট মোকাবিলায় কী করছে সরকার?

আগামী জুন মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে এক মাসব্যাপী হামের বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করার পরিকল্পনা ছিল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের।

কিন্তু ইতোমধ্যেই বিভিন্ন জেলায় শিশুদের মধ্যে হঠাৎ সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সেটি এগিয়ে এনে আগামী পাঁচই এপ্রিল জরুরিভিত্তিতে হামের বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরুর ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার।

যেসব জেলায় হামের সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি, টিকা প্রদানের ক্ষেত্রে সেসব এলাকাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার থেকে স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করেছে সরকার।

"আমরা আগামী রোববার থেকে ভ্যাক্সিনেশন ক্যাম্পেইন, ইমারজেন্সি ভ্যাক্সিনেশন ক্যাম্পেইন আমরা আগামী রোববার থেকে শুরু করব এবং আমরা ফিল্ড লেভেল স্টাফদের সমস্ত ছুটি (বৃহস্পতিবার থেকে) আমরা প্রত্যাহার করে নিলাম। কোনো ছুটি থাকবে না," বুধবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন বলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, আক্রান্ত শিশুদের এক তৃতীয়াংশেরই বয়স নয় মাসের কম। সে কারণে হামের প্রথম টিকা দেওয়ার বয়স নয় মাস থেকে কমিয়ে ছয় মাস নির্ধারণ করেছে সরকার।

বিশেষ কর্মসূচির আওতায় ছয় মাস থেকে শুরু করে ১০ বছর বয়সি পর্যন্ত শিশুরা হামের টিকা নিতে পারবে বলে জানানো হয়েছে।

বিশেষ ক্যাম্পেইন পরিচালনার জন্য ইতোমধ্যে ৯০ লাখ ডোজ হামের টিকা সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রী। টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে সিরিঞ্জের যে সংকটের কথা জানা যাচ্ছিল, সেটিরও সমাধান করা হয়েছে বলে জানান।

এছাড়া হামসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় টিকা কেনার জন্য জন্য নতুন করে ছয়শ' কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।

"যত ভয়াবহভাবে মিজেলস আমাদেরকে আক্রমণ করেছে, আমরা তার তার চেয়ে দ্রুত গতিতে কিন্তু একমোডেট করার চেষ্টা করেছি। কিছু ক্যাজুয়ালিটি হয়েছে। তবে অবশ্যই বলব এটা আমাদের অনেকটা সার্থকতা," সাংবাদিকদের বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

Related Topics

BBC / টপ নিউজ

অন্তর্বর্তী সরকার / টিকা / হাম / স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ইলাস্ট্রেশন: টিবিএস
    হরমুজ পেরোতে ইরানের ছাড়পত্র পাওয়া বাংলাদেশের ৬ জাহাজের মধ্যে ৫টির চালানই বাতিল
  • ৮ মার্চ ঢাকায় একটি জ্বালানি স্টেশনের কাছে যানবাহনে জ্বালানি নিতে লাইনে অপেক্ষা করছেন মানুষ। ছবি: এএফপি ভায়া গেটি ইমেজ
    ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে জ্বালানি ফুরিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে বাংলাদেশ: ইনডিপেনডেন্ট
  • প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
    সব মার্চেন্ট পয়েন্টে একক ‘বাংলা কিউআর’ বাধ্যতামূলক, না মানলে মার্চেন্টের কিউআর বাতিল
  • ছবি: সংগৃহীত
    সরবরাহ সংকটে মুরগির বাজার চড়া, সোনালির দামে বড় লাফ
  • যুবরাজকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য, ‘খামখেয়ালি’ যুদ্ধ পরিচালনা: ট্রাম্পের ওপর ক্ষোভ বাড়ছে সৌদি আরবের
    যুবরাজকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য, ‘খামখেয়ালি’ যুদ্ধ পরিচালনা: ট্রাম্পের ওপর ক্ষোভ বাড়ছে সৌদি আরবের
  • প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
    রোববার থেকে জরুরিভিত্তিতে হামের টিকা দেওয়া হবে, গ্যাভি থেকে ধার নেওয়া হচ্ছে ২.১৯ কোটি ডোজ

Related News

  • ১৩৩ অধ্যাদেশ পর্যালোচনার পর ৯৮ অধ্যাদেশ বহালের সুপারিশ, পুনর্বিবেচনায় ২০টি
  • হামে ৪৭ শিশুর মৃত্যু: প্রকোপ না কমা পর্যন্ত স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট
  • রোববার থেকে জরুরিভিত্তিতে হামের টিকা দেওয়া হবে, গ্যাভি থেকে ধার নেওয়া হচ্ছে ২.১৯ কোটি ডোজ
  • কক্সবাজার হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ৩৪ শিশু ভর্তি, ১ শিশুর মৃত্যু
  • শিশুদের জীবন বাঁচাতে জরুরিভিত্তিতে টিকা আনানোর ব্যবস্থা করুন 

Most Read

1
ইলাস্ট্রেশন: টিবিএস
বাংলাদেশ

হরমুজ পেরোতে ইরানের ছাড়পত্র পাওয়া বাংলাদেশের ৬ জাহাজের মধ্যে ৫টির চালানই বাতিল

2
৮ মার্চ ঢাকায় একটি জ্বালানি স্টেশনের কাছে যানবাহনে জ্বালানি নিতে লাইনে অপেক্ষা করছেন মানুষ। ছবি: এএফপি ভায়া গেটি ইমেজ
আন্তর্জাতিক

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে জ্বালানি ফুরিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে বাংলাদেশ: ইনডিপেনডেন্ট

3
প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
অর্থনীতি

সব মার্চেন্ট পয়েন্টে একক ‘বাংলা কিউআর’ বাধ্যতামূলক, না মানলে মার্চেন্টের কিউআর বাতিল

4
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

সরবরাহ সংকটে মুরগির বাজার চড়া, সোনালির দামে বড় লাফ

5
যুবরাজকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য, ‘খামখেয়ালি’ যুদ্ধ পরিচালনা: ট্রাম্পের ওপর ক্ষোভ বাড়ছে সৌদি আরবের
আন্তর্জাতিক

যুবরাজকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য, ‘খামখেয়ালি’ যুদ্ধ পরিচালনা: ট্রাম্পের ওপর ক্ষোভ বাড়ছে সৌদি আরবের

6
প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

রোববার থেকে জরুরিভিত্তিতে হামের টিকা দেওয়া হবে, গ্যাভি থেকে ধার নেওয়া হচ্ছে ২.১৯ কোটি ডোজ

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net