স্বাধীনতা দিবসে যশোর কারাগারে ১,৪৫৫ বন্দির জন্য বিশেষ খাবার ও বিনোদনের ব্যবস্থা
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দিদের জন্য দিনব্যাপী বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হয়েছে। এছাড়া বন্দিদের বিনোদনের জন্য সাংস্কৃতিক আয়োজনও করা হয়।
কারাগার সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে ১,৪৫৫ জন বন্দি রয়েছেন। এরমধ্যে ফাঁসির আসামি রয়েছেন ১৬৪ জন।
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সব বন্দির জন্য বিশেষ খাবারের আয়োজন করা হয়। সকালের নাস্তায় পরিবেশন করা হয় পায়েস ও মুড়ি। দুপুরের খাবারে ছিল পোলাও, গরু বা খাসির মাংস, মুরগির রোস্ট, সালাদ, কোমল পানীয়, মিষ্টি এবং পান-সুপারি। রাতের খাবারে পরিবেশন করা হয় সাদা ভাত, রুই মাছ ভাজা ও আলুর দম।
এছাড়া বন্দিদের বিনোদনের জন্য দিনভর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও খেলাধুলার আয়োজন করা হয়।
কারা অধিদপ্তরের নির্ধারিত মেন্যু অনুযায়ী কারাগারের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়।
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবিদ আহমেদ বলেন, 'বর্তমানে কারাগারের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর ও সুশৃঙ্খল। অন্য দিনে কারা অধিদপ্তরের নির্ধারিত মেন্যু থাকে; কিন্তু তা পরিমাণে কম। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে একজন বন্দি ৩০০ গ্রামের বেশি করে মাংস পেয়েছে; যেটা অন্য দিনে থাকে ৫০ গ্রামের মতো।'
তিনি বলেন, 'এদিন উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করায় বন্দিরা আনন্দিত। এ উদ্যোগের জন্য বন্দিরা বর্তমান সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। কারা কর্তৃপক্ষ বন্দিদের জন্য মানবিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে সবসময় সচেষ্ট রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।'
এদিকে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র, যশোরের দুটি শিশু সদনেও উন্নত মানের খাবার পরিবেশন করা হয়েছে।
