শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কমিটির সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতার শর্ত বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়নি: শিক্ষামন্ত্রী
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতার শর্ত বাতিল করার কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে স্পষ্ট করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
আজ শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীতে নিজের বাসভবনে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
সাম্প্রতিক কিছু বিভ্রান্তির বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, 'আমি কোথাও কিছু বাতিল করার ঘোষণা দিইনি। স্থগিত করেছি কেবল। আমাকে অনেকভাবে মিসকোট করা হয়েছে। ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির যোগ্যতার ব্যাপারেও আলোচনা হয়েছে। তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়নি।'
প্রসঙ্গত, অতীতে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির সভাপতি হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা ছিল না। তবে ২০২৪ সালের মে মাসে সরকার প্রবিধানমালা সংশোধন করে নিম্নমাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সভাপতি পদের জন্য ন্যূনতম এইচএসসি বা সমমানের ডিগ্রি বাধ্যতামূলক করা হয়।
পরবর্তীতে ২০২৫ সালের আগস্ট মাসে এ যোগ্যতার মানদণ্ড আরও বাড়ানো হয়।
সেই সংশোধনী অনুযায়ী, গভর্নিং বডির সভাপতি হওয়ার জন্য স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা চার বছর মেয়াদি স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়। এছাড়া ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হওয়ার ক্ষেত্রেও স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি অর্জনের শর্তারোপ করা হয়।
অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষা খাতে সংস্কারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন৷ তিনি বলেন, 'আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।'
ইফতার অনুষ্ঠানে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় দেশের শিক্ষা খাতের বিদ্যমান পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন নিয়েও আলোচনা হয়।
