সাংবাদিকদের জামিন না মেলায় গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পদত্যাগের পর গ্রেপ্তার হয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিনা বিচারে কারাগারে আটক থাকা একাধিক সাংবাদিকের জামিন না হওয়ায় সাধারণ মানুষ, আইনজীবী ও গণমাধ্যম মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট আদালতগুলোতে এসব সাংবাদিকের জামিন আবেদন বারবার নামঞ্জুর করা হচ্ছে। ফলে তাদের ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
আইনজীবীদের দাবি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে করা অধিকাংশ মামলাই মিথ্যা, বানোয়াট ও রাজনৈতিক হয়রানির উদ্দেশ্যে দায়ের করা। বেশিরভাগ মামলায় তাদের সন্দেহভাজন আসামি করা হয়েছে। কোনো কোনো মামলার এজাহারে নাম থাকলেও তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিযোগ তাদের। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়েই তারা এসব মামলার মুখোমুখি হয়েছেন বলে দাবি আইনজীবীদের।
গণমাধ্যম সংগঠনগুলোও উদ্বেগ প্রকাশ করে বলছে, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা করা হয়েছে। এসব মামলা প্রত্যাহার করে স্বাধীনভাবে কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। দ্রুত আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনগুলো।
সাংবাদিক দম্পতির গ্রেপ্তার
২০২৪ সালের ২১ আগস্ট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক বার্তাপ্রধান শাকিল আহমেদ ও সাবেক প্রধান প্রতিবেদক-উপস্থাপক ফারজানা রুপাকে আটক করা হয়। পরে জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে উত্তরা-পূর্ব থানায় চাকরিজীবী মো. ফজলুল করিম নিহতের ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের চার দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। পরে আরও সাত মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ডে নেওয়া হয়।
মামলাগুলোর মধ্যে রয়েছে—আদাবর থানায় গার্মেন্টসকর্মী রুবেল হত্যা, মিরপুর থানায় আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী হত্যা, যাত্রাবাড়ী থানার কুতুবখালী এলাকায় ইমরান হাসান হত্যা, যাত্রাবাড়ী থানায় মাদ্রাসাশিক্ষার্থী সৈয়দ মুন্তাসির রহমান হত্যা, মিরপুর থানায় এক হত্যাচেষ্টা মামলা, পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের একটি সিআর মামলা এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করে গণহত্যা ও উসকানির অভিযোগে মামলা।
এসব মামলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০ বারের বেশি জামিন আবেদন করা হলেও তা নামঞ্জুর করেছেন আদালত।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে দম্পতির পক্ষে আইনজীবী মোর্শেদ হোসেন শাহীন টিবিএসকে বলেন, তাদের বিরুদ্ধে আটটির বেশি মামলা রয়েছে। শুরু থেকেই তিনি এসব মামলার বিভিন্ন শুনানিতে অংশ নিচ্ছেন।তিনি বলেন, "এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০ বারের বেশি জামিন চাওয়া হয়েছে। সবগুলো আবেদন খারিজ করা হয়েছে। এসব মামলায় তাদের জামিন পাওয়া আইনগত অধিকার। তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই। অধিকাংশ মামলায় সন্দেহভাজন আসামি করা হয়েছে। আশা করি, তারা ন্যায়বিচার পাবেন।"
গ্রেপ্তার ও মামলা
জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে এই দম্পতি ছাড়াও আরও ডজনখানেক সাংবাদিক বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার হন। আটকের পর তাদের বিরুদ্ধে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও দুদকের মামলাও দেওয়া হয়। এছাড়া অর্ধশতাধিক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহের ধোবাউড়া সীমান্ত থেকে একাত্তর টেলিভিশনের প্রধান সম্পাদক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল হক বাবুকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে হত্যা ও চাঁদাবাজির একাধিক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ডে নেওয়া হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আছেন।
একই দিন ধোবাউড়া সীমান্ত থেকে দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্তকেও গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে ভাষানটেক থানায় ফজলুর হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ডে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে পুলিশ হেফাজতে আলমগীর হোসেন ভুঁইয়া নামে এক ব্যক্তিকে নির্যাতনের সিআর মামলা এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করে গণহত্যা ও উসকানির অভিযোগে মামলার আসামি করা হয়। এরপর থেকে তিনিও কারাগারে আছেন।
২০২৫ সালের ২৮ আগস্ট ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির এক অনুষ্ঠানে থেকে সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্নাসহ ১৬ জনকে আটক করা হয়। তাদের সন্ত্রাসবিরোধী আইনে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে ১০ নভেম্বর হাইকোর্ট পান্নার জামিন মঞ্জুর করেন।
২০২৫ সালের ১৭ আগস্ট রাজধানীর গুলশান থানাধীন এলাকা থেকে মাইটিভির চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন সাথীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে যাত্রাবাড়ী থানায় আসাদুল হক বাবু হত্যা, বাড্ডা থানায় মো. দুর্জয় আহম্মেদ হত্যাচেষ্টা এবং আদালতে একটি সিআর মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আছেন।
গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর ধানমন্ডির একটি জিম থেকে সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ। পরে উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা এক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ডে নেওয়া হয়। এরপর তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের আরেকটি মামলা হয়।
১ মার্চ ঢাকার একটি আদালত দুদকের মামলায় তার জামিন আবেদনের শুনানির জন্য ৮ মার্চ দিন ধার্য করেন।
এর আগে, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের রিহাব মাহামুর এক বিবৃতিতে বলেন, 'আনিস আলমগীরের গ্রেপ্তার প্রমাণ করে যে, এখনও নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের কার্যক্রমকে সমর্থন করেছেন—এমন ধারণা থেকে ব্যক্তিদের লক্ষ্য বানানো হচ্ছে। মতপ্রকাশের কারণে সন্ত্রাসবিরোধী আইন ব্যবহার করে মানুষকে দমন না করে, অন্তর্বর্তী সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত নির্বাচনের আগে মতপ্রকাশ ও সংগঠনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।'
গত ৭ ডিসেম্বর ঢাকার মালিবাগ থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদকে গ্রেপ্তার করা হয়। রমনা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা এক মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তিনি এখনও আটক আছেন।
আইনজীবীদের উদ্বেগ
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী নিজাম উদ্দিন টিবিএসকে বলেন, "একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সাংবাদিকদের আটকিয়ে রেখেছে। সাংবাদিকেরা মানুষ হত্যা করতে যাবে, এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়। একটি স্বার্থান্বেষী মহলের বিরুদ্ধে কথা বলায় তাদের কণ্ঠরোধ করতে জেলে রাখা হয়েছে। এটি সংবিধান ও দেশের আইনের পরিপন্থী।"
তিনি আরও বলেন, "মামলায় এজাহারভুক্ত না হলে সন্দেহভাজন আসামিকে আদালত চাইলে জামিন দিতে পারেন। কিন্তু তা হচ্ছে না। সাংবাদিকদের মামলায় শুনানি করতে গেলে আদালত বিব্রতবোধ করেন। একটি স্বার্থান্বেষী মহলের কারণে তারা জামিন দিতে পারছেন না। এতে ন্যায়বিচার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।"
সাংবাদিক আনিস আলমগীরের আইনজীবী তাসলিমা জাহান পপি টিবিএসকে বলেন, "জামিন এখন রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে গেছে। চাইলে জামিন হবে, না চাইলে হবে না। আনিস আলমগীর কোনোভাবেই সন্ত্রাসবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত নন। জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে যে হত্যা মামলাগুলো দেওয়া হয়েছে, সেগুলো তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা তাদের বিরুদ্ধে যায় না। তারা জামিন পাওয়ার অধিকারী।"
তিনি বলেন, "আইনে স্পষ্ট বলা আছে, ৩০২ ধারার উপাদান না মিললে জামিন পাওয়ার অধিকার থাকে। প্রায় প্রতিটি মামলায় তাদের নির্দেশদাতা আসামি করা হয়েছে। কিন্তু সরকার পক্ষ জামিন দিচ্ছে না। এতে সংবিধান ও দণ্ডবিধি লঙ্ঘন হচ্ছে। কোনো কিছুই আইন অনুযায়ী হচ্ছে না। বিচারবহির্ভূতভাবে এসব সাংবাদিককে আটক রাখা হয়েছে।"
চাপের মধ্যে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে বহু সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা হত্যা মামলাসহ অসংখ্য হয়রানিমূলক মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সম্পাদক পরিষদ।
এসব মামলার কারণে অনেক সাংবাদিক এখনও কারাবন্দী, আবার অনেককে নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিতে হচ্ছে। এতে তাদের স্বাভাবিক পেশাগত কাজ ব্যাহত হচ্ছে এবং গণমাধ্যমের স্বাধীন পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।
গত ২৫ ফেব্রুয়ারি পরিষদের সভাপতি নূরুল কবীর ও সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ উদ্বেগ জানানো হয়।
এছাড়া সাংবাদিকদের নির্বিচার আটক ও বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে আইনজীবী, মানবাধিকারকর্মী, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ ও সুশীল সমাজের ৬৩ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঘিরে গণহত্যার ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৫২ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিসি) তদন্ত সংস্থায় মামলা করা হয়।
গণহত্যায় উসকানির অভিযোগে গত ৩ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করায় ৩২ জন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের বিরুদ্ধেও মামলা করা হয়েছে।
এদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব নাঈমুল ইসলাম খান, সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টিভির সিইও ও প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু, সাংবাদিক ও টিভি উপস্থাপক নবনীতা চৌধুরী, এবি নিউজ ২৪ ডটকমের সম্পাদক সুভাষ সিংহ রায়, সময় টিভির এমডি আহমেদ যোবায়ের, সময় টিভির সাবেক বার্তা প্রধান তুষার আব্দুল্লাহ, ডিবিসি নিউজের সিইও সাইফুল আলম, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সাবেক সম্পাদক নঈম নিজাম এবং সমকালের সাবেক সম্পাদক আবেদ খান।
যা বলছে রাষ্ট্রপক্ষ
ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, তারা (সাংবাদিকরা) সরাসরি মাঠে না থাকলেও ক্ষমতাচ্যুত সরকারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। জুলাই আন্দোলনের সময় তারা আন্দোলনের বিপক্ষে ছিলেন।
"অভিযোগগুলো গুরুতর হওয়ায় তদন্তের স্বার্থে আদালত তাদের জামিন দিচ্ছে না। সরাসরি অপরাধে অংশ না নিলেও বিভিন্নভাবে তারা এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন," বলেন তিনি।
সম্পাদক পরিষদের আহ্বান
২৫ ফেব্রুয়ারির বিবৃতিতে সম্পাদক পরিষদ ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে করা মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ও প্রমাণভিত্তিক অভিযোগ থাকলে তা বিদ্যমান আইন ও স্বচ্ছ বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে হবে। কিন্তু হয়রানিমূলক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা গ্রহণযোগ্য নয়।
এসব মামলার কারণে অনেক সাংবাদিক এখনও কারাগারে আছেন এবং অনেককে নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিতে হচ্ছে। এতে তাদের স্বাভাবিক পেশাগত কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং গণমাধ্যমের স্বাধীন পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে জানায় পরিষদ।
বিবৃতিতে বলা হয়, 'মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা প্রত্যাহার এবং সাংবাদিক হয়রানি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে আমরা অন্তর্বর্তী সরকারকে বারবার আহ্বান জানিয়েছি।'
এতে আরও বলা হয়, সরকার মামলাগুলো পর্যালোচনা করে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের আশ্বাস দিলেও এ বিষয়ে প্রত্যাশিত অগ্রগতি দেখা যায়নি।
নবনির্বাচিত সরকারের প্রতি বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে করা মিথ্যা মামলা দ্রুত প্রত্যাহারের আহ্বান জানায় সম্পাদক পরিষদ।
