তারেক রহমানকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিনন্দন; বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা চুক্তি বাস্তবায়নের আহ্বান
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে ট্রাম্প। অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি তিনি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তিগুলো এগিয়ে নেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভেরিফায়েড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম 'এক্স'-এর (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পাঠানো এই বার্তার কথা জানানো হয়।
তারেক রহমানকে পাঠানো অভিনন্দন বার্তায় ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, 'আমাদের দুই দেশের অংশীদারিত্ব পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং একটি অবাধ ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল গড়ে তোলার অভিন্ন স্বার্থের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত, যেখানে শক্তিশালী ও সার্বভৌম রাষ্ট্রগুলো সমৃদ্ধি অর্জন করতে পারে।'
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে লেখা ওই চিঠিতে ট্রাম্প আরও বলেন, 'আপনার মেয়াদের শুরুতে আমি আশা করি যে, আমাদের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্কের যে চমৎকার গতিশীলতা রয়েছে, তা বজায় রাখতে আপনি আমাকে সহায়তা করবেন। বিশেষ করে আমাদের 'পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি' বাস্তবায়নের মাধ্যমে, যা আমাদের উভয় দেশের কৃষক ও শ্রমিকদের জন্য সুফল বয়ে আনবে।'
প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিষয়ে জোর দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, 'আমি আরও আশা করি যে, আপনি নিয়মিত প্রতিরক্ষা চুক্তিগুলো সম্পন্ন করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন। এর মাধ্যমে আপনাদের সামরিক বাহিনী বিশ্বের সেরা ও অত্যাধুনিক সব আমেরিকান সরঞ্জাম ব্যবহারের সুযোগ পাবে।'
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে ট্রাম্প বলেন, 'আমি যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ককে আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী করতে আপনার সাথে কাজ করার অপেক্ষায় আছি। বাংলাদেশে নিযুক্ত আমার রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের ওপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আমাদের সামনে একসাথ হয়ে উভয় জাতিকে আরও সমৃদ্ধ ও নিরাপদ করার সুযোগ রয়েছে। আপনার আগামীর দিনগুলোর জন্য শুভকামনা রইল।'
উল্লেখ্য, সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠিত হওয়ার পর সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ ও শপথ গ্রহণ করেন তারেক রহমান।
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের দ্বিপাক্ষিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। বিশেষ করে বাণিজ্য, উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে উভয় দেশ দীর্ঘকাল ধরে একে অপরকে নিবিড়ভাবে সহযোগিতা করে আসছে।
